ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যশোরে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে ৩ জন নিহত, ২ জন গুরুতর আহত


যশোরে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে ৩ জন নিহত, ২ জন গুরুতর আহত

যশোরে সংঘটিত দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন প্রাণ হারিয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় আরও দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত ১২টার দিকে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের নতুনহাট এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন- যশোর সদর উপজেলার মণ্ডলগাতী এলাকার শামিম হোসেনের ছেলে সিয়াম হোসেন, যশোর শহরের বেজপাড়া পিয়ারী মোহন রোড এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে আরিফুল ইসলাম জয় এবং একজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামের কিছু স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা, সারাদেশে শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে

আহতদের মধ্যে রয়েছেন মণ্ডলগাতী এলাকার আব্দুল কাদেরের ছেলে ওমর ফারুক এবং রুহুল আমিনের ছেলে রাকিব হাসান রিফাত।

যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন জানান, শুক্রবার রাতে সিয়াম হোসেন, ওমর ফারুক ও রাকিব হাসান রিফাত একই মোটরসাইকেলে মণ্ডলগাতী এলাকা থেকে বেনাপোলের দিকে যাচ্ছিলেন। তাদের মোটরসাইকেলটি নতুনহাট মোড় পার হওয়ার পর বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে।

এই সংঘর্ষের ফলে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন। নিহত সিয়াম হোসেন বেনাপোলগামী মোটরসাইকেলের আরোহী ছিলেন। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহত অপর দুজন যশোরগামী মোটরসাইকেলের আরোহী ছিলেন।

দুর্ঘটনায় আহত ওমর ফারুক ও রাকিব হাসান রিফাতকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওসি আরও জানান, নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। তার পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

আরও পড়ুন: বরিশালে যুবদল কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উল্লাপাড়ায় যুবক আকরামকে কুপিয়ে হত্যা, বন্ধু মারুফ আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২৬ পি.এম


উল্লাপাড়ায় যুবক আকরামকে কুপিয়ে হত্যা, বন্ধু মারুফ আটক

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আকরাম সরকার নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করার অভিযোগে তার বন্ধু মারুফ তালুকদারকে পুলিশ আটক করেছে। জানা গেছে, মারুফ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী।

শুক্রবার রাতে উপজেলার গয়হাট্টা কোনাগাঁতী গ্রামে এই হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়।

আকরাম সরকার ওই গ্রামের আব্দুর রহিম সরকারের পুত্র। অভিযুক্ত মারুফ তালুকদার গয়হাট্টা খোশালপুর গ্রামের মোহাম্মদ তালুকদারের সন্তান। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মারুফ আকরামের বন্ধু।

আকরামের বাবা আব্দুর রহিম জানিয়েছেন, শুক্রবার বিকেলের দিকে মারুফ ফোন করে আকরামকে বাড়ি থেকে ডেকে নেন। এরপর সন্ধ্যার পর থেকে আকরামের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে তাকে খোঁজার চেষ্টা করেও তার সন্ধান পাননি। পরে মারুফের বাড়িতে গিয়ে তার আঙিনায় আকরামের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান। এ সময় অভিযুক্ত মারুফ বাড়ির একটি কক্ষে ছিলেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মারুফকে আটক করে। পরে আকরামের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।

উল্লাপাড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে আটক করে এবং মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনও জানা যায়নি। ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রিয়াদে ফের হামলার চেষ্টা, ভূপাতিত করল সৌদি জোট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২৮ পি.এম


রিয়াদে ফের হামলার চেষ্টা, ভূপাতিত করল সৌদি জোট

ইরানের সমর্থনে থাকা ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠী আবারও সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদকে লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। একই সময়ে, তারা দেশের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় নাজরান শহরের দিকে দুটি বিস্ফোরকবাহী ড্রোনও নিক্ষেপ করেছে।

সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হামলাগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে নস্যাৎ করে দিয়েছে। সৌদি-ইয়েমেন প্রতিরক্ষা জোট ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে আকাশে থাকতেই ভূপাতিত করেছে।

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার (২৪ অক্টোবর) স্থানীয় সময় ভোর ৪টার দিকে এসব হামলার ঘটনা ঘটে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) একটি বিবৃতির মাধ্যমে জোট হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে। তারা জানায়, আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে হুথি বিদ্রোহীদের হামলার চেষ্টা বৃদ্ধি পাওয়ার মধ্যে এই সর্বশেষ ঘটনা ঘটেছে।

এর আগে, ভোর ৪টার কিছু সময় পর সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী তাদের 'আর্লি ওয়ার্নিং প্ল্যাটফর্ম'-এর মাধ্যমে রিয়াদ, নাজরান এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ ওয়াদি আল-দাওয়াসিরে সম্ভাব্য আকাশপথের হুমকি নিয়ে সতর্কবার্তা জারি করে। এর কয়েক মিনিটের মধ্যে রাজধানী রিয়াদজুড়ে দুটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।

সৌদি-ইয়েমেন জোট বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তুর্কি আল-মালকি এক্সে জানান, রিয়াদের দিকে ধেয়ে আসা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে প্রতিহত ও ধ্বংস করেছে। এর আগে, তিনি পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে আরও একটি ড্রোন ধ্বংসের খবরও জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন রূপে সাজছে বাংলা একাডেমির ‘নজরুল স্মৃতিকক্ষ’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৩ পি.এম


নতুন রূপে সাজছে বাংলা একাডেমির ‘নজরুল স্মৃতিকক্ষ’

পলিয়ার ওয়াহিদ

ঢাকা, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ : হেমন্তের মায়াবী দুপুরে চারদিকে সোনালি রোদ ঝিলমিল করছে। আকাশে কিছু ছন্নছাড়া মেঘ ভাসছে। বর্ধমান হাউসের ঘন গাছের ওপর রোদ পড়ছে। দূরে দাঁড়িয়ে পুরোনো কিন্তু আভিজাত্যময় বর্ধমান হাউসের বলাকা রঙের সৌন্দর্য দেখছিলাম। যদিও এটি জীর্ণ ও মলিন, তবুও এর রাজকীয় আভা ঠিকই ঝলমল করছে।

প্রায় একশ বছর আগে, ১৯২৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে কবি কাজী নজরুল ইসলাম মুসলিম সাহিত্য সমাজের দ্বিতীয় বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিতে ঢাকায় এসেছিলেন। ঢাকায় এসে জাতীয় কবি এই ভবনে কিছুদিন ছিলেন, যা তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কবির বন্ধু কাজী মোতাহার হোসেনের বাসভবন ছিল। নজরুল এখানে পুকুরে গোসল ও সাঁতার কাটতেন এবং বিকাল ও সন্ধ্যায় বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতেন।

কবির অবস্থানের স্মৃতি নিয়ে ভবনটি আজও দাঁড়িয়ে আছে। স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখতে ২৯ আগস্ট ১৯৭৮ সালে দোতলার পশ্চিমপাশে কবির থাকার ঘরটিকে ‘নজরুল স্মৃতিকক্ষ’ হিসেবে উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন করেন জাতীয় অধ্যাপক কাজী মোতাহার হোসেন। আজ আমি সেই স্মৃতিকক্ষ দর্শনে এসেছি এবং সরেজমিনে এর প্রকৃত অবস্থা জানার চেষ্টা করছি।

বর্ধমান হাউসে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গেই বাইরে রঙচটা বিশাল দেয়ালে একটি ক্ষুদ্র কাচের সাইনবোর্ড দেখা যায়। সেখানে ছোটহরফে লেখা রয়েছে দ্বিতীয় তলায় ‘নজরুল স্মৃতিকক্ষ।’ এটি আলাদা করে চোখে পড়ার মতো নয়। সিঁড়ি ভেঙে নিচতলায় পা রাখতেই বাঁপাশে ‘জাতীয় সাহিত্য ও লেখক জাদুঘর’ দেখা যায়। জাদুঘরের অনুমতি নিয়ে ছবি তোলার পর দ্বিতীয় তলায় প্রবেশ করি।

পুরোনো মেহগনি কাঠের সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠলে চোখে পড়ে ঔপনিবেশিক স্থাপত্যরীতির ছাপ। সিঁড়ির পাশে সূক্ষ্ম কারুকাজ করা লোহার রেলিং রয়েছে। কাঠ ও লোহার এই যুগলবন্দিতে যেন আজও বেঁচে আছে বর্ধমান হাউসের আভিজাত্য ও ইতিহাস।

দোতলায় ওঠার পর ডানপাশে ‘ভাষা আন্দোলন জাদুঘর’ এবং বামদিকে ‘নজরুল স্মৃতিকক্ষ’ রয়েছে।

সেখানে নজরুল ও বিষাদসিন্ধুর রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেনের আবক্ষ ভাস্কর্য রয়েছে। বাইরে বিশাল তালা ঝুলতে দেখে হতাশ হয়ে পড়ি। জানতে পারি, কক্ষটি সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

অগত্যা পরের দিন আবার আসি। সেদিনও তালা ঝুলতে দেখি। বাংলাদেশ শিল্পীকল্যাণ ট্রাস্টের অফিসে একজনকে পেয়ে জানালেন, ‘ও রুমের লোক পাশের বিল্ডিংয়ে গেছেন।’ এরপর তৃতীয় তলায় উঠে যাই। সেখানে ‘মহাফেজখানা’ ও ‘লোকঐতিহ্য জাদুঘর’ ঘুরে নিচে নেমে আসি। কিছুক্ষণ পর গিয়ে দেখি এবার দরজা আবছা ভেড়ানো।

মনটা খুশিতে ভরে গেল। ভেতরে প্রবেশের জন্য জুতা খুলতে হলো। মনে হলো, শ্রদ্ধামাখা কোনো ঘরে ঢুকছি। যদিও কল্পনার মতো নয়, তবে এটি ছিমছাম ও সাদামাটা ছোট কামরা। নজরুলবর্ষ উপলক্ষে সংস্কারের কাজ চলছে। ‘নজরুল স্মৃতিকক্ষ’ বলতে কয়েকটি ছোট-বড় ছবি ও কিছু বইপত্র রয়েছে। তিনটি বইয়ের আলমারিতে সাজানো বই ও পত্রপত্রিকা রয়েছে। সামান্য আয়োজন হলেও শ্রদ্ধা ও যত্নের অভাব নেই। এটি বেশ পরিষ্কার ও পরিপাটি।

কক্ষের চারদিক নজরুলের বিভিন্ন ধরনের ছবি দিয়ে সাজানো। বাঁদিকের প্রথম ছবিতে দুই নারীকে নজরুলের গান শেখানোর দৃশ্য দেখা যায়। তার নিচে নজরুলের তিন ছেলে সাব্যসাচী, অনিরুদ্ধ ও বুলবুলের ছবি রয়েছে। এরপর নজরুলের প্রৌঢ় ও যৌবনের দুটি ছবি টাঙ্গানো। নতুন কালেকশানগুলো এখনো অপ্রস্তুতভাবে রাখা হয়েছে। বেশিরভাগ ছবির পাশে ক্যাপশন নেই, ফলে চিহ্নিত করতে বেগ পেতে হয়। বড় একটি টেবিলের ওপর প্রমীলার ছবি, কবির গানের খাতা ও পাণ্ডুলিপি রয়েছে। পুরোনো কিছু ছবি নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। আরেকটি টেবিলে কাঁঠালি রঙের ফুলদানিতে বেগুনি ও কুসুম রঙের ফুলের পাশে নজরুলের ছোট আবক্ষ মূর্তিটি আকর্ষণীয়। তার পাশেই নজরুলকে ঘিরে তৎকালীন ঢাকার লেখক সমাজের সাদাকালো ছবি রয়েছে।

'নজরুল স্মৃতিকক্ষ' সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রখ্যাত নজরুল গবেষক ও আধিপত্যবাদবিরোধী কবি আবদুল হাই শিকদার বলেন, "বহুদিন যাবত শুনেছি কক্ষটি সংস্কার করা হবে। কিন্তু করা হচ্ছে না কেন জানি না।"

নজরুল কক্ষ নিয়ে কোনো আইডিয়া আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি আরও বলেন, "সবচেয়ে ভালো হবে বাংলা একাডেমির পুকুরটিকে ‘নজরুল স্মৃতিবিজড়িত পুকুর' লিখে ঘাটে একটা বড় সাইনবোর্ড ব্যবহার করলে। নজরুল বর্ষে এটি অভিনব ঘটনা হবে।"

বাংলা একাডেমির বর্ধমান হাউসের দোতলায় অবস্থিত নজরুল স্মৃতিকক্ষ শুধুমাত্র কবির স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণের স্থান নয়, এটি নজরুলের সাহিত্যকর্ম নিয়ে গবেষণারও একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। বাংলা একাডেমির নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী, এখানে কবির রচনাবলি ও তাঁর জীবন-সাহিত্য বিষয়ক বিভিন্ন উপকরণ সংরক্ষিত রয়েছে।

নজরুল গবেষণায় পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক আনোয়ারুল হক বলেন, "নজরুল স্মৃতিকক্ষে নজরুলের ওপর গবেষণাধর্মী সব বইয়ের কালেকশন ও ঢাকায় নজরুল আর কী কী করেছেন তার একটি দিনপঞ্জিও থাকতে পারে। এ ছাড়া বাংলা একাডেমিতে ‘নজরুল স্মৃতিকক্ষ’ আছে, এটা অনেকেই জানে না। এর প্রচার-প্রচারণা দরকার।"

জাদুঘর থেকে বেরুতেই কবি ও প্রতিভাবান গীতিকার মহসিন আহমেদের সঙ্গে দেখা হয়। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, "নজরুল স্মৃতিকক্ষসহ বাংলা একাডেমিতে এতগুলো জাদুঘর আছে, তা বেশিরভাগ দর্শক তো দূরের কথা লেখকরাই জানেন না। একাডেমির প্রধান গেটে জাদুঘরগুলোর একটা ম্যাপ থাকলে ভালো হয়।"

নজরুল বর্ষ ও নজরুল গবেষকদের এসব দাবির প্রসঙ্গে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম বলেন, "আমাদের নজরুল একাডেমি বা ইনস্টিটিউটের মতো ডেডিকেটেড তেমন কিছু করার সুযোগ কম। তবুও আমরা কক্ষটি সংস্কারের কাজে হাত দিয়েছি। সংস্কার ও নতুনরূপ দেওয়ার জন্য বিখ্যাত আলোকচিত্রী ও লেখক নাসির আলী মামুনের সঙ্গে চুক্তিও করেছি। তিনি কবির ছবির বিরল কিছু সংগ্রহ দিয়েছেন। কিছু ছবির সেটাপের কাজ চলছে। কক্ষ ছোট হওয়ায় সব ছবি ধরবে না। যতটা নান্দনিক ও দৃষ্টিনন্দন করা সম্ভব, সেটা করব। এ ছাড়া কাজী নজরুলের ওপর গবেষণাধর্মী বইয়ের সংগ্রহ তো আছে।

আরও বাড়ানো হবে। আর পুকুরের বিষয়টি যেহেতু আলোচনায় এসেছে, আমরা পদ্ধতিমাফিক আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবো।"

বর্ধমান হাউসের মূল ফটক পেরিয়ে যখন রাস্তায় নামি, তখন সন্ধ্যা ছুঁই ছুঁই। ভাবছিলাম, নজরুল স্মৃতিকক্ষের সংস্কারের পাশাপাশি কক্ষটির পরিচিতি বাড়াতে প্রচার-প্রচারণা ও গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণ জরুরি। এতে কক্ষটি নতুন প্রজন্মের নজরুলচর্চা ও গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হবে। সংশ্লিষ্টদেরও প্রত্যাশা এমনই।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনআইডি সংশোধনে ইসির ৬৪ লাখ আবেদন নিষ্পত্তি, ১ লাখ অপেক্ষমাণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৪ পি.এম


এনআইডি সংশোধনে ইসির ৬৪ লাখ আবেদন নিষ্পত্তি, ১ লাখ অপেক্ষমাণ

॥ হাবিবুর রহমান ॥

ঢাকা, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ : নির্বাচন কমিশন (ইসি) জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য সংশোধনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। বর্তমানে জমা দেওয়া ৬৫ লাখ ৭০ হাজার ৮৪২টি সংশোধন আবেদনের মধ্যে ৬৪ লাখ ৪২ হাজার ৮৩২টি আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

তবে, বিপুলসংখ্যক আবেদন নিষ্পত্তির পরেও এখনও ১ লাখ ২৮ হাজার ১০টি আবেদন অপেক্ষমাণ রয়েছে।

এছাড়া, বিভিন্ন কারণে ১৩ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৭টি আবেদন বাতিল করা হয়েছে।

ইসির জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এনআইডি সংশোধন কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও আবেদন নিষ্পত্তি, অযৌক্তিক আবেদন বাছাই এবং জালিয়াতি প্রতিরোধ—এই তিনটি বিষয়কে ঘিরে কমিশন বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। আবেদন নিষ্পত্তিতে সময়সীমা নির্ধারণ, মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তাদের ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

ইসি কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, ২০২৪ সাল পর্যন্ত জমা পড়া এনআইডি সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে। ২০২৫ সালের আবেদনগুলোর নিষ্পত্তিও প্রায় শেষ পর্যায়ে। তবে প্রতি মাসে গড়ে ৮০ থেকে ৯০ হাজার নতুন আবেদন জমা পড়ায় কিছু আবেদন অপেক্ষমাণ থাকছে। এর সঙ্গে সংশোধনের অযোগ্য আবেদন এবং একই বিষয়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুনরায় আবেদন করার প্রবণতা যুক্ত হচ্ছে।

‘ঘ’ ক্যাটাগরিতে অপেক্ষমাণ প্রায় ৭০ হাজার আবেদন রয়েছে।

ইসির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ‘ঘ’ ক্যাটাগরিতে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ৬৮ হাজার ২৬৯টি আবেদন রয়েছে। ২০২৫ সালের একই ক্যাটাগরিতে অপেক্ষমাণ আবেদন রয়েছে ৯৮৩টি। সব মিলিয়ে ‘ঘ’ ক্যাটাগরিতে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকা আবেদনের সংখ্যা ৬৯ হাজার ২৫২টি।

অঞ্চলভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, ঢাকা অঞ্চলে ১০ হাজার ৬১৫টি, ফরিদপুরে ৫ হাজার ১৪০টি, খুলনায় ৫ হাজার ৮৭১টি, ময়মনসিংহে ৮ হাজার ৩৩২টি এবং রংপুরে ৪ হাজার ৪৭৭টি আবেদন অপেক্ষমাণ রয়েছে।

এছাড়া, সিলেটে ৬ হাজার ৪৬৯টি, রাজশাহীতে ৬ হাজার ৮৭৫টি, বরিশালে ৪ হাজার ২২৬টি, চট্টগ্রামে ৬ হাজার ৬৮৮টি এবং কুমিল্লায় ১০ হাজার ৫৫৯টি আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অপেক্ষমাণ আবেদনের চাপ অঞ্চলভেদে ভিন্ন। ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চলে অপেক্ষমাণ আবেদনের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। তাই দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে অঞ্চলভিত্তিক তদারকি ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

আবেদন নিষ্পত্তিতে সময়সীমা, কমানো হয়েছে প্রশাসনিক ধাপ

এনআইডি সংশোধন কার্যক্রমে গতি আনতে আবেদন নিষ্পত্তির জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে ইসি।

এছাড়া উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে নিষ্পত্তির সুযোগ বাড়ানো হয়েছে। সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট এবং সংশ্লিষ্ট পরিচালকেরা নিয়মিতভাবে কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছেন।

ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বাসসকে জানান, আবেদন নিষ্পত্তির মূল লক্ষ্য হচ্ছে নির্ভুলভাবে কাজ করা। ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে এমনভাবে, যাতে পরবর্তী সময়ে সংশোধনের প্রয়োজন না পড়ে।

তিনি বলেন, অতীতে অযৌক্তিক আবেদনগুলো সব ক্ষেত্রে যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি। এখন যুক্তিসংগত নয়—এমন আবেদন বাতিল করা হচ্ছে এবং প্রতিটি আবেদন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। গত বছর বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

ইসি সচিবের ভাষ্য, সংশোধন আবেদনের মধ্যে এমন অনেক আবেদন রয়েছে, যেগুলোর ক্ষেত্রে সংশোধনের প্রয়োজন আর নেই। আবার বিদেশে অবস্থানরত ভোটারদের কিছু আবেদনেও স্থানীয় প্রতিনিধিদের মাধ্যমে দেওয়া তথ্যের অসংগতি পাওয়া যায়। এসব বিষয় যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

জন্মতারিখ সংশোধনে নতুন নজরদারি

এনআইডিতে জন্মতারিখ সংশোধনের ক্ষেত্রে অনলাইনে যাচাইযোগ্য শিক্ষাসনদকে গুরুত্ব দিয়ে নতুন করে তদারকি জোরদার করেছে নির্বাচন কমিশন।

সম্প্রতি এ বিষয়ে সব আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাকে চিঠি দিয়েছে ইসি। গত ১৩ আগস্ট জারি করা পরিপত্র অনুযায়ী, অনলাইনে যাচাইযোগ্য জেএসসি, মাধ্যমিক বা সমমানের শিক্ষাসনদের ভিত্তিতে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন ‘ক’ ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করে সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা নির্বাচন কর্মকর্তা নিষ্পত্তি করতে পারবেন। তবে এ ক্ষেত্রে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ প্রযোজ্য নয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা অধীনস্থ কর্মকর্তাদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন। পাশাপাশি দৈবচয়নের ভিত্তিতে প্রতি মাসে প্রত্যেক নিষ্পত্তিকারী কর্মকর্তার অন্তত তিনটি আবেদন যাচাই করে প্রতিবেদন পাঠাতে হবে।

গত ১৩ থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের প্রতিবেদন ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

পরবর্তী সময়ে প্রতি মাসের প্রতিবেদন পরের মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে পাঠাতে বলা হয়েছে। এর মাধ্যমে জন্মতারিখ সংশোধনে সিদ্ধান্তের যথার্থতা ও কর্মকর্তাদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে চায় কমিশন।

অযোগ্য আবেদন বাতিল, বয়সের অসংগতিতে কঠোর যাচাই

এনআইডি সংশোধনের অপেক্ষমাণ আবেদন ও বাতিলের কারণ ব্যাখ্যা করে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশন্স) মো. সাইফুল ইসলাম বাসসকে বলেন, অনেক আবেদন রয়েছে যেগুলো সংশোধনযোগ্য নয়। বয়স সংশোধনের ক্ষেত্রে কখনো দেখা যায়, বাবা ও সন্তানের বয়সের ব্যবধান মাত্র ১০ বছর। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে সংশোধনের পর দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভোটার হওয়ার সময় বয়স ১৮ বছরের কম ছিল। এ ধরনের অসংগতি থাকলে আবেদন বাতিল করা হয় বলে জানান তিনি।

সাইফুল ইসলাম বলেন, কোনো আবেদন একটি ক্যাটাগরিতে বাতিল হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অন্য ক্যাটাগরিতে আবার আবেদন করেন। এতে একই ধরনের আবেদনের পুনরাবৃত্তি ঘটে এবং অপেক্ষমাণ আবেদনের সংখ্যা বেশি বলে মনে হতে পারে।

তিনি আরও জানান, অপেক্ষমাণ আবেদনগুলো নিষ্পত্তির জন্য নিয়মিত বৈঠক করা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি পাঠানো হচ্ছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সেবার মানসিকতা ও দায়িত্ববোধের পাশাপাশি নিয়মিত তদারকিও নিষ্পত্তির অগ্রগতিতে ভূমিকা রেখেছে।

জালিয়াতি রোধে কঠোর অবস্থান, আসছে প্রযুক্তিগত উদ্যোগ

এনআইডি-সংক্রান্ত জালিয়াতি প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। জালিয়াতির অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে সোপর্দ করা হচ্ছে। কমিশনের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি বলেন, জালিয়াতির বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যমে প্রচার চালানো হচ্ছে। তবে শুধু অভিযোগ পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে জালিয়াতির ঘটনা ঘটার আগেই তা প্রতিরোধের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এ লক্ষ্যে একটি প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা চালুর সম্ভাবনাও যাচাই করা হচ্ছে।

ইসি সচিবের আশা, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা চালু করা গেলে এনআইডি-সংক্রান্ত জালিয়াতির ঘটনা আরও কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

এদিকে, সাধারণ মানুষকে প্রতারক চক্রের প্রলোভনে পা না দিতে সতর্ক করছে এনআইডি বিভাগ। এ বিষয়ে হেল্পডেস্ক থেকেও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম।

নির্ভুল নিবন্ধনই দীর্ঘমেয়াদি সমাধান

প্রতি মাসে ৮০ থেকে ৯০ হাজার নতুন আবেদন জমা পড়ার বাস্তবতায় কেবল নিষ্পত্তির গতি বাড়িয়ে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। নিবন্ধনের সময় তথ্য যাচাই জোরদার করা, আবেদনকারীদের সঠিক তথ্য দেওয়ার বিষয়ে সচেতন করা এবং সংশোধনের প্রতিটি ধাপে জবাবদিহি নিশ্চিত করাই হবে দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

তারা মনে করেন, ৬৪ লাখের বেশি আবেদন নিষ্পত্তির সাফল্যের পর এখন নির্বাচন কমিশনের সামনে বড় পরীক্ষা—অবশিষ্ট আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির পাশাপাশি ভবিষ্যতে সংশোধনের প্রয়োজন কমিয়ে নির্ভুল ও নির্ভরযোগ্য জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%