বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:১৯ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হতে পারে। কিছু স্থানে রাস্তা ও অবকাঠামো চমৎকার, যানজট কম এবং রক্ষণাবেক্ষণের খরচও সাশ্রয়ী; আবার অন্যদিকে, কিছু শহরে প্রতিদিনের যাতায়াত মানেই অবিরাম যানজট, অতিরিক্ত খরচ এবং নিরাপত্তার উদ্বেগ। সম্প্রতি, যুক্তরাষ্ট্রের ১০০টি প্রধান শহরের ওপর পরিচালিত একটি নতুন গবেষণায় গাড়িচালকদের জন্য দেশের সেরা এবং সবচেয়ে সুবিধাজনক শহরগুলোর পাশাপাশি সবচেয়ে অসুবিধাজনক শহরগুলোর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
ওয়ালেটহাবের গবেষণায় অ্যারিজোনার স্কটসডেলকে যুক্তরাষ্ট্রে গাড়ি চালানোর জন্য সেরা শহর হিসেবে শীর্ষস্থানে রাখা হয়েছে। অপরদিকে, পেনসিলভানিয়ার ফিলাডেলফিয়া সবচেয়ে খারাপ শহরের তালিকার শীর্ষে রয়েছে। তালিকার নিচের দিকে রয়েছে ওয়াশিংটন ডিসি, লস এঞ্জেলেস, নিউ ইয়র্ক এবং ডেট্রয়েটের মতো জনবহুল শহরগুলো।
গাড়ি মালিকানা ও রক্ষণাবেক্ষণের খরচ, যানজট ও সড়ক অবকাঠামো, নিরাপত্তা এবং সার্ভিস সুবিধা—এই চারটি প্রধান বিষয়কে ভিত্তি করে ১০০টি শহরকে তুলনা করা হয়েছে। জ্বালানির গড় দাম, মেরামতের খরচ, পার্কিং সুবিধা, যানজটে নষ্ট হওয়া সময়, সড়কের মান, আবহাওয়াগত ঝুঁকি এবং গাড়ি চুরির হারসহ মোট ৩০টি সূচক বিশ্লেষণ করে এই চূড়ান্ত স্কোর তৈরি করা হয়েছে। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিদিনের যাতায়াতের প্রায় ৮৭ শতাংশই ব্যক্তিগত গাড়িতে হয়ে থাকে। এই কারণে, গাড়ি চালানোর খরচ ও সময় মানুষের দৈনন্দিন জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তীব্র যানজটের কারণে একজন চালক বছরে গড়ে প্রায় ৩৭০ ঘণ্টা সময় হারায়। পাশাপাশি, জ্বালানি অপচয় এবং জ্যামে আটকে থাকার কারণে প্রতি চালকের বছরে প্রায় ৮৯৪ ডলার পর্যন্ত অতিরিক্ত খরচ হয়।
স্কটসডেলের পর শীর্ষ ১০-এর তালিকায় স্থান পেয়েছে আইডাহোর বোইসি, ইন্ডিয়ানার ফোর্ট ওয়েন, নেব্রাস্কার লিংকন, টেক্সাসের কর্পাস ক্রিস্টি, উত্তর ক্যারোলাইনার র্যালি, টেক্সাসের লাবক, কেন্টাকির লেক্সিংটন-ফায়েট, ফ্লোরিডার জ্যাকসনভিল এবং উত্তর ক্যারোলাইনার উইনস্টন-সালেম। স্কটসডেলের শীর্ষে থাকার পেছনে নতুন গাড়ির তুলনামূলক কম দাম, সুবিধাজনক পার্কিং খরচ, ভালো সড়ক ও ব্রিজ, কম দুর্ঘটনা ঝুঁকি, পর্যাপ্ত মেরামতের দোকান এবং তুলনামূলক সাশ্রয়ী বীমা প্রিমিয়াম ভূমিকা রেখেছে।
তালিকার ১০০ নম্বরে রয়েছে ফিলাডেলফিয়া। দুর্বল সড়ক ব্যবস্থা, তীব্র যানজট এবং নিরাপত্তার অভাব শহরটির এই অবস্থার জন্য দায়ী। এছাড়া, তালিকার তলানিতে থাকা অন্যান্য শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে ওয়াশিংটন ডিসি, লস এঞ্জেলেস, নিউ ইয়র্ক এবং ডেট্রয়েট। লস এঞ্জেলেসের সামগ্রিক স্কোর মাত্র ৩৬.৫০। এর মধ্যে গাড়ি মালিকানা ও রক্ষণাবেক্ষণে শহরটির অবস্থান ৯৮তম এবং যানজট ও অবকাঠামো খাতে ৯০তম। ক্যালিফোর্নিয়ার অন্যান্য বড় শহরের অবস্থাও বেশ নাজুক—সান ফ্রান্সিসকো ৯১তম, ওকল্যান্ড ৯৪তম এবং সান দিয়েগো ৮৫তম অবস্থানে রয়েছে। বিশেষ করে ক্যালিফোর্নিয়ার শহরগুলোতে জ্বালানির দাম অনেক বেশি। যেমন—ফোর্ট ওয়েনে গ্যাসের যে দাম, সান ফ্রান্সিসকোতে তা প্রায় দ্বিগুণ।
অন্যদিকে, টেক্সাসের লাবকে যানজটে নষ্ট হওয়া সময় শিকাগোর তুলনায় ১৪ গুণ কম। ফোর্ট ওয়েনে জ্বালানির দাম বেশ কম, বোইসি শহরটি জাতীয় গড়ের তুলনায় দুর্ঘটনার দিক থেকে সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ এবং ফ্লোরিডার হিয়ালিয়াহতে গাড়ি চুরির হার সর্বনিম্ন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
উল্লেখ্য, এই গবেষণাটি যুক্তরাষ্ট্রের ১০০টি জনবহুল শহরের মূল শহরাঞ্চলগুলোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে এবং এতে আশপাশের মেট্রো এলাকার তথ্য আলাদাভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ২০২৬ সালের এই র্যাঙ্কিংটি গত ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রাপ্ত সরকারি ও বেসরকারি তথ্যের আলোকে প্রস্তুত করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের সীমান্তঘেঁষা হাকিমপুর হিলি উপজেলায় কাঁচামরিচের চাষাবাদ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অন্যান্য ফসলের তুলনায় কম খরচ, সহজ পরিচর্যা এবং বাজারে ভালো দাম পাওয়ার কারণে স্থানীয় কৃষকরা কাঁচামরিচ চাষে ঝুঁকছেন। অনুকূল আবহাওয়া ও কৃষি বিভাগের সঠিক পরামর্শের ফলে এবারের মরিচের ফলন চমৎকার হয়েছে। কাঙ্ক্ষিত ফলনের পাশাপাশি বাজারে চড়া দাম পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন উপজেলার মরিচ চাষিরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হিলির সীমান্তবর্তী গ্রামগুলো যেমন- ডাঙ্গাপাড়া, বোয়ালদার, খাট্টামাধবপাড়া ও আলীহাটের বিভিন্ন মাঠে বাণিজ্যিকভাবে কাঁচামরিচের চাষ হচ্ছে। স্থানীয় কৃষকরা মিসাইল জাতের উচ্চফলনশীল মরিচ চাষ করেছেন। ধান বা অন্যান্য দানাদার ফসলের তুলনায় মরিচ চাষে ঝুঁকি কম এবং আয়ের পরিমাণ বেশি। একবার চারা রোপণ করলে টানা কয়েক মাস পর্যন্ত মরিচ তোলা যায়। তাই অন্যান্য ফসলের জমি কমিয়ে অনেকেই এখন মরিচ চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। মাঠ পর্যায়ে গিয়ে দেখা যায়, ক্ষেতজুড়ে ঝুলছে সবুজ কাঁচামরিচ। কৃষকরা দলবেঁধে ক্ষেত থেকে মরিচ তোলায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।
হিলির কাঁচামরিচের গুণগত মান ভালো হওয়ায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকা, বগুড়াসহ দেশের বড় বড় জেলাগুলোতে সরবরাহ করা হচ্ছে। এসব মরিচের ক্ষেতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন অনেকেই। প্রতিদিন মরিচের ক্ষেত দেখতে আসছেন অনেকেই আবার কেউবা আসছেন মরিচ চাষের পরামর্শ নিতে।
কথা হয় ইয়ানুল ইসলাম, মাজেদুল হকসহ কয়েকজন কৃষকের সাথে, তারা জানান, এ বছর কাঁচামরিচ চাষ করেছি। ফলন খুব ভালো হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার দামও বেশ চড়া। বাজারে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ পাইকারি ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খরচের চেয়ে লাভ দ্বিগুণেরও বেশি হচ্ছে। আগামীতে আরও বেশি পরিমাণ মরিচ চাষ করা হবে।
হাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. আরজেনা বেগম জানান, চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে মরিচের চাষ হয়েছে। কৃষকদের মানসম্মত বীজ নির্বাচন, সুষম সার ব্যবহার এবং পোকা-মাকড় দমনে নিয়মিত পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়ে আসছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং কৃষকরা পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাওয়ায় আমরা আশা করছি আগামীতে এ অঞ্চলে কাঁচামরিচের চাষ আরও ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করবে। চলতি মৌসুমে দিনাজপুরের হাকিমপুর হিলি উপজেলায় ৮ হেক্টর জমিতে কাঁচামরিচ চাষাবাদ হয়েছে যা গত দুই বছর আগেও ছিলো মাত্র ২ হেক্টর জমিতে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শহীদ আবরার ফাহাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থীর।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে ফেরার পর প্রথমবারের মতো এই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সুযোগ পাবেন। ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির জানান, প্রধানমন্ত্রী পরিবারের সদস্যদের সমস্যা এবং সুবিধা-অসুবিধার কথা শুনবেন। প্রয়োজনে তিনি পরিবারের পাশে দাঁড়ানোরও আশ্বাস দেবেন।
এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ, যেখানে পরিবারের সদস্যদের অভিজ্ঞতা এবং চাহিদাগুলো নিয়ে আলোচনা হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই উদ্যোগে পরিবারটি আশা প্রকাশ করছে যে, তাদের সমস্যাগুলো সমাধানে কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর সেনবাগে অভিমান করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার একদিন পর মো. মারুফ (২১) নামে এক তরুণের মরদেহ পুকুরপাড় থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বুধবার (৭ অক্টোবর) রাত ১০টার সময় উপজেলার ডমুরুয়া ইউনিয়নের মতইন দক্ষিণপাড়া হাজী বাড়ির পাশে একটি পুকুরপাড় থেকে মারুফের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মারুফ ওই এলাকার মো. রিপনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অভিমান করে মারুফ নিজের মোবাইল ভেঙে ফেলেন। পরে তিনি তার জামাকাপড় একটি ট্রাভেল ব্যাগে ভরে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর থেকে মারুফ আর বাড়িতে ফিরে আসেননি, তার পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
বুধবার রাতে বাড়ির পাশে ধানক্ষেতসংলগ্ন পুকুরপাড়ে মারুফের গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে সেনবাগ থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। এ সময় ঘটনাস্থলের কাছ থেকে তার ব্যবহৃত ট্রাভেল ব্যাগ ও জুতা উদ্ধার করা হয়।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হযরত আলী মিলন বলেন, পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পায় গলায় গামছা বাঁধা মরদেহটি পুকুর পাড় ও ধানক্ষেতের মধ্যে পড়ে আছে। গামছার একটি অংশ পুকুর পাড়ে গাছের ডালের মধ্যে বাঁধা ছিল, এবং ওপর অংশ মরদেহের গলায় পেঁচানো ছিল। গলায় থাকা গামছাটি পুরোনো হওয়ায় ছিঁড়ে যাওয়ার পর তিনি ধানক্ষেতে পড়ে থাকতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য রেখেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আবরারকে হত্যার পর শিশির মনিরদের ভূমিকা কী ছিল, তারা কেন নীবর ছিলেন। কারণ তারা ছিলেন কাপুরুষ, শিবির তখন বেঁচে ছিল ছাত্রলীগ হয়ে’।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসের মাধ্যমে তিনি এ বিষয়ে আলোচনা করেন।
আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েকজন আসামির পক্ষে আইনি লড়াই করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির। আসামিদের পক্ষে মামলা লড়ার কারণে সামাজিক মাধ্যমে তাকে সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়। তবে গত বছরের শুরুতে ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে আববার হত্যা মামলার আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে ভবিষ্যতে আইনি লড়াই না করার ঘোষণা দেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন তার পোস্টে উল্লেখ করেন, আসামিপক্ষের আইনজীবী শিশির মনির, বিষয়টি কষ্টদায়ক বলে মন্তব্য করেছেন আবরার ফাহাদের বাবা। আবরার ফাহাদকে শিবির তকমা দিয়ে হত্যা করা হলে তার বিচারের দাবিতে সেসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মিছিল বের হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন তৎকালীন ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুর।
২০১৮-২০২৪ পর্যন্ত ভিপি নুর ছিলেন আন্দোলন সংগ্রামের অগ্নিপুরুষ।
‘আর শিশির মনিররা ছিলেন আবরার ফাহাদের খুনি ছাত্রলীগের পক্ষের কাপুরুষ। ছাত্রশিবির তখন ছাত্রলীগ হয়ে বেঁচে ছিল! আমরাও সবাই যদি এভাবে কায়দা করে বেঁচে থাকার চেষ্টা করতাম, তবে আবরার ফাহাদ হত্যার পরে প্রতিবাদের জন্য একটা লোক রাস্তায় পাওয়া যেতো না!’
রাশেদ খাঁন আরও বলেন, আন্দোলনের কঠিন দিনগুলোতে বর্তমান শিবিরের ভিপি-জিএসদের কোনো অস্তিত্ব ছিল না। তারা ছিলেন হল ও ডিপার্টমেন্ট পর্যায়ে ছাত্রলীগের নেতা। আজকে ভিপি নুরকে নিয়ে জামায়াত-শিবির গালিগালাজ ও তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে। ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে এক ভিপি নুরের যে অবদান আছে, পুরো জামায়াত-শিবিরের সেই অবদান নেই।
তিনি বলেন, ১৮-২৪ ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামের এই কঠিন সময়ে ভিপি নুর একটি অপ্রতিদ্বন্দ্বী তরুণ নেতৃত্বর নাম। জামায়াত-শিবির আরও ১০০ জন সাদিক কায়েম জন্ম দিলেও একজন ভিপি নুরের একশো ভাগের এক ভাগ হতে পারবে না।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার সাত বছর পূর্ণ হয়েছে। তিনি ঠিক কোন রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাস করতেন, কিংবা আদৌ তার রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততা ছিল কি না, তা নিয়ে অস্পষ্টতা রয়ে গেছে। যদিও বলা হয়ে থাকে, শিবির তকমা দিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছিল। যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের (বর্তমানে নিষিদ্ধ) কিছু নেতাকর্মী।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ