সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৪৫ পি.এম
সরকার দেশের ৬৪ জেলার শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবক ও যুব নারীদের বিনামূল্যে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ প্রদান করবে। এই প্রশিক্ষণ ‘দেশের ৬৪ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি’ প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত হবে।
প্রকল্পের অষ্টম ব্যাচের তিন মাস মেয়াদি প্রশিক্ষণের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রকাশ করেছে। সারাদেশে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড।
অষ্টম ব্যাচের প্রশিক্ষণ ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত চলবে। এই তিন মাসের প্রশিক্ষণে প্রতিদিন আট ঘণ্টা ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। মোট ৬০০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণের জন্য কোনো প্রশিক্ষণ ফি দিতে হবে না।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীদের এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। বয়সের সীমা ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে থাকতে হবে। দেশের সব জেলার কর্মপ্রত্যাশী যুবক ও যুব নারীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
আইসিটি বা কম্পিউটার বিষয়ে মৌলিক ধারণা এবং ইংরেজিতে দক্ষতা রয়েছে—এমন প্রার্থীদের প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের জন্য যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট জেলার উপপরিচালকের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধিসহ পাঁচ সদস্যের ভর্তি কমিটি গঠন করা হবে। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন করা হবে।
এছাড়া যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় থেকে মনোনীত প্রতিনিধিরা সরেজমিন তদারকির মাধ্যমে বাছাই কার্যক্রমে অংশ নেবেন।
প্রশিক্ষণ চলাকালে প্রশিক্ষণার্থীদের দৈনিক ২০০ টাকা হারে যাতায়াত ভাতা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি প্রতিদিন সকালের নাশতা, দুপুরের খাবার ও বিকেলের নাশতার ব্যবস্থা থাকবে।
প্রশিক্ষণ শেষে যারা সফলভাবে উত্তীর্ণ হবেন, তাদের সনদ প্রদান করা হবে। প্রশিক্ষণ-পরবর্তী সময়ে আয় বৃদ্ধির কার্যক্রমে যুক্ত হতে প্রশিক্ষণার্থীদের মেন্টরিং সাপোর্টও দেওয়া হবে।
আগ্রহী প্রার্থীদের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন সফলভাবে জমা দেওয়ার পর আবেদনের কপি ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করতে হবে।
বৈধ আবেদনকারীদের মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার তারিখ, সময় ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য জানানো হবে। এসএমএসে দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী প্রবেশপত্র ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে পরীক্ষার সময় সঙ্গে আনতে হবে।
আবেদনের শেষ সময়: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট।
বৈধ আবেদনকারীদের লিখিত পরীক্ষা ১৯ সেপ্টেম্বর এবং মৌখিক পরীক্ষা ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের তালিকা ও পরীক্ষার ফলাফল ২৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করা হবে।
পরীক্ষার স্থান, সময়, ফলাফলসহ প্রয়োজনীয় তথ্য প্রার্থীদের এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর অনলাইন আবেদন লিংক স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে।
প্রশিক্ষণ ও ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যও জানা যাবে https://e-laeltd.com/64-student-reg-jubo ওয়েবসাইটে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম রোগের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। ঢাকা বিভাগে ৪ শিশু এবং সিলেট বিভাগে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল এক হাজার ১৭৭ জন। ১৫ মার্চ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লক্ষ ৭২ হাজার ২৭০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৫৫ জন, আর ১৫ মার্চ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২০ হাজার ১২৪ জন।
১৫ মার্চ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ৫২ হাজার ১১৭ জন। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এক লাখ ৪৬ হাজার ৪০০ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আটজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গে মোট ৯৩০ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে অন্য কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি এবং ১৫ মার্চ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগে ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আগামী ২৬ অক্টোবর লন্ডনে একটি জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এবারের ব্যালন ডি’অর জয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের জন্য এখনও প্রায় দেড় মাস বাকি থাকলেও, সম্ভাব্য বিজয়ী নিয়ে ফুটবল অঙ্গনে আলোচনা তুঙ্গে রয়েছে।
বার্সেলোনার তরুণ ফরোয়ার্ড লামিন ইয়ামাল এবার প্রকাশ্যে নিজেকে ব্যালন ডি’অরের যোগ্য দাবিদার হিসেবে তুলে ধরেছেন, রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পের পর। তবে, বার্সেলোনার সাবেক ডিফেন্ডার আবেলারদো ফার্নান্দেজ ইয়ামালের এই আত্মবিশ্বাসী মন্তব্যকে ভালোভাবে নেননি।
মুভিস্টার প্লাসের এক অনুষ্ঠানে ইয়ামাল বলেছেন, এবারের ব্যালন ডি’অরের জন্য তার চোখে সেরা দুই খেলোয়াড় হলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং তিনি নিজে। স্প্যানিশ এই তরুণ নিজের অর্জন ও চলতি মৌসুমের সাফল্যের ভিত্তিতে পুরস্কারটি পাওয়ার যোগ্য বলেও মনে করেন।
আবেলারদো ইয়ামালের এমন মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন। তার মতে, আত্মবিশ্বাসী থাকা দোষের নয়, কিন্তু সেটি প্রকাশ্যে এভাবে বলা উচিত নয়। আবেলারদো বলেন, ‘তুমি এটা মনে করতেই পারো, কিন্তু প্রকাশ্যে বলা উচিত নয়। আমার কাছে বিষয়টি ভালো লাগেনি, কারণ এতে তোমাকে ভালোভাবে উপস্থাপন করা হয় না।’
সাবেক বার্সা তারকার মতে, ইয়ামাল চাইলে আরও সংযত ভাষায় নিজের দাবিটি তুলে ধরতে পারতেন। তিনি বলেন, ‘তুমি বলতে পারতে, আমি হয়ত শক্তিশালী প্রার্থীদের একজন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পুরস্কার কার হাতে উঠবে, সেটা তুমি নিশ্চিতভাবে জানো না।’
আবেলারদো, যিনি স্পেনের হয়ে ৫৪টি ম্যাচ খেলেছেন, নিজের বক্তব্যের পক্ষে উদাহরণ হিসেবে লিওনেল মেসির কথাও উল্লেখ করেছেন। তার দাবি, এত বড় তারকা হয়েও মেসিকে কখনো প্রকাশ্যে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে এমন মন্তব্য করতে শোনা যায়নি।
আবেলারদোর ভাষায়, ‘লামিনের এই কথাগুলো আমার পছন্দ হয়নি। আমি কখনো মেসিকে এমন বলতে শুনিনি, অথচ সে ছিল ফুটবলের ঈশ্বর।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ আফ্রিকার ওয়েস্টার্ন কেপ প্রদেশের মহাসড়কে সংঘটিত একাধিক যানবাহনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ২১ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় দুটি মিনিবাস ট্যাক্সি এবং একটি এসইউভি জড়িত ছিল।
দেশটির সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক সরকারি অংশীদারী সংস্থা সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য প্রকাশ করে।
রোড ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট করপোরেশন (আরটিএমসি) জানায়, দুর্ঘটনাটি লিউ-গামকা ও প্রিন্স অ্যালবার্টের মধ্যবর্তী সড়কে ঘটেছে। কেপটাউন থেকে প্রায় ৩৮০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এই এলাকা অবস্থিত।
বার্তা সংস্থা এএফপি কেপটাউন থেকে এই খবরটি জানায়।
স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, রোববার রাত সাড়ে ৯টায় (জিএমটি) যানবাহনগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
পুলিশ এএফপিকে জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তারা তদন্ত শুরু করেছে। এ ছাড়া, আরও কয়েকজন যাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
আরটিএমসির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় সড়ক দুর্ঘটনায় ১১ হাজার ৪৮৫ জনের মৃত্যু হয়। আগের বছরের তুলনায় এই সংখ্যা ৫ শতাংশের বেশি কম। নিহতদের অধিকাংশই ছিলেন পথচারী।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
এক সময়ের অনুর্বর স্থানটি ছিল ঘাস ও পাথরে ভরা। সেখানে ১২ হাজার টন কমলার খোসা এবং কমলার পাল্প ফেলে রাখা হয়েছিল একটি প্রতিষ্ঠানের দ্বারা। ১৬ বছর পর সেখানে গিয়ে বিজ্ঞানীরা অভিভূত হন।
এটি মধ্য আমেরিকার দেশ কোস্টারিকার একটি জাতীয় উদ্যানের ঘটনা।
গবেষকেরা পরে আবিষ্কার করেন, যে তিন হেক্টর জমিতে কমলার খোসা ফেলা হয়েছিল, সেখানে গাছের বায়োমাস (একটি এলাকায় থাকা গাছপালার মোট ভর) ১৭৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এছাড়া, সেখানে মাটির গুণমান, গাছের বৈচিত্র্য এবং বনের ঘনত্ব, সবই পার্শ্ববর্তী জমির তুলনায় বেশি ছিল। কীভাবে এমনটি সম্ভব হয়েছিল?
কমলার খোসা থেকেই শুরু
১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে কোস্টারিকার উত্তর সীমান্তে ডেল অরো নামের একটি প্রতিষ্ঠান কমলার জুস তৈরির কারখানা স্থাপন করে।
পরিবেশবিদ ড্যানিয়েল জানজেন ও উইনি হলভাক্স তখন কোস্টারিকার গুয়ানাকাস্তে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে কাজ করছিলেন। তারা ডেল অরোকে একটি প্রস্তাব দেন।
প্রতিষ্ঠানটি যদি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের জন্য কিছু বনভূমি দান করে, তাহলে জাতীয় উদ্যানে তাদের কমলার খোসা ও অন্যান্য জৈব বর্জ্য ফেলার অনুমতি দেওয়া হবে। সেগুলি ধীরে ধীরে পচে মাটির সাথে মিশে যাবে।
ডেল অরো প্রস্তাবটি গ্রহণ করে। ১৯৯৭ সালের চুক্তির পর প্রায় ১২ হাজার মেট্রিক টন কমলার খোসা ও পাল্প ট্রাকে করে নিয়ে গিয়ে অনুর্বর জমিতে ফেলা হয়। কিন্তু বছর না ঘুরতেই আইনি জটিলতা শুরু হয়।
ডেল অরোর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান টিকোফ্রুট অভিযোগ করে, জাতীয় উদ্যানে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য ফেলে জায়গাটি ‘নষ্ট’ করা হয়েছে।
মামলাটি কোস্টারিকার সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। আদালত টিকোফ্রুটের পক্ষে রায় দেয়। এরপর প্রায় ১৫ বছর পর্যন্ত জায়গাটির কথা কেউ মনে রাখেনি।
২০১৩ সালে প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক টিমোথি ট্রয়ের পরিবেশবিদ ড্যানিয়েল জানজেনের সাথে গবেষণার সম্ভাব্য বিষয় নিয়ে আলোচনা চলাকালীন পুরোনো কমলার খোসার স্থানটির কথা উঠে আসে।
ট্রয় সেখানে গিয়ে যা দেখলেন, তা তার কল্পনার চেয়েও বেশি চমকপ্রদ ছিল।
জায়গাটি এতটাই ঘন গাছপালা ও লতায় ঢেকে গিয়েছিল যে রাস্তার পাশে প্রায় ৭ ফুট লম্বা উজ্জ্বল হলুদ সাইনবোর্ডটিও গাছের আড়ালে পড়ে গিয়েছিল, কিছুই দেখা যাচ্ছিল না।
পাশের জমির সঙ্গে তুলনা
গবেষকেরা এবার জানতে চাইলেন, কমলার খোসা কি সত্যিই এই পরিবর্তনের কারণ? তারা কমলার খোসা ফেলা জমি এবং রাস্তার অপর পাশে অবস্থিত একই ধরনের জমির মধ্যে তুলনা করেন।
গবেষকেরা দুই জায়গায় গাছের সংখ্যা, গাছের আকার ও প্রজাতি পরিমাপ করেন। মাটির নমুনাও সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়। ফলাফল ছিল স্পষ্ট।
কমলার খোসা ফেলা জমির মাটি ছিল অধিক পুষ্টিসমৃদ্ধ। সেখানে গাছের বায়োমাস বেশি, গাছের প্রজাতিও বেশি এবং বনের ওপরের সবুজ ছাউনিও ছিল ঘন।
অর্থাৎ যে বর্জ্য একসময় ছিল একেবারেই ফেলনা, সেটিই ধীরে ধীরে অনুর্বর জমিকে আবার সবুজ করে তুলেছিল।
প্রিন্সটনের গবেষকদের এই গবেষণা প্রকাশিত হয় ‘রেস্টোরেশন ইকোলজি’ সাময়িকীতে। গবেষণার অন্যতম লেখক টিমোথি ট্রয়ের মতে, কৃষি ও খাদ্যশিল্পের বর্জ্য ব্যবহার করে বন পুনরুদ্ধার করা সম্ভব, এমন উদাহরণ খুব বেশি নেই।
এই ঘটনা আরও একটি বিষয় প্রমাণ করে। খাদ্য তৈরির সময় যে অংশটুকু আমাদের কাছে অপ্রয়োজনীয় মনে হয়, প্রকৃতির কাছে সেটি কখনো কখনো মূল্যবান সম্পদ হয়ে উঠতে পারে।
প্রিন্সটনের পরিবেশবিদ ডেভিড উইলকোভের ভাষায়, মানুষের প্রয়োজনীয় পণ্য তৈরি করতে গিয়ে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো অনেক সময় পরিবেশগত সমস্যাও তৈরি করে। তবে সেই প্রতিষ্ঠানগুলো এবং পরিবেশ নিয়ে কাজ করা মানুষ একসঙ্গে কাজ করলে সেই সমস্যার কিছুটা সমাধানও করা সম্ভব।
সূত্র: প্রিন্সটন ডটএডু
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ