ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইয়ামালকে সাবেক বার্সা ফুটবলারের সতর্কবার্তা: প্রকাশ্যে মন্তব্য না করার পরামর্শ


ইয়ামালকে সাবেক বার্সা ফুটবলারের সতর্কবার্তা: প্রকাশ্যে মন্তব্য না করার পরামর্শ

আগামী ২৬ অক্টোবর লন্ডনে একটি জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এবারের ব্যালন ডি’অর জয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের জন্য এখনও প্রায় দেড় মাস বাকি থাকলেও, সম্ভাব্য বিজয়ী নিয়ে ফুটবল অঙ্গনে আলোচনা তুঙ্গে রয়েছে।

বার্সেলোনার তরুণ ফরোয়ার্ড লামিন ইয়ামাল এবার প্রকাশ্যে নিজেকে ব্যালন ডি’অরের যোগ্য দাবিদার হিসেবে তুলে ধরেছেন, রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পের পর। তবে, বার্সেলোনার সাবেক ডিফেন্ডার আবেলারদো ফার্নান্দেজ ইয়ামালের এই আত্মবিশ্বাসী মন্তব্যকে ভালোভাবে নেননি।

মুভিস্টার প্লাসের এক অনুষ্ঠানে ইয়ামাল বলেছেন, এবারের ব্যালন ডি’অরের জন্য তার চোখে সেরা দুই খেলোয়াড় হলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং তিনি নিজে। স্প্যানিশ এই তরুণ নিজের অর্জন ও চলতি মৌসুমের সাফল্যের ভিত্তিতে পুরস্কারটি পাওয়ার যোগ্য বলেও মনে করেন।

আরও পড়ুন: শূন্য রান করেও ম্যাচের নায়ক ম্যাক্স ফিল্ড, খেললেন ১৩২ বল

আবেলারদো ইয়ামালের এমন মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন। তার মতে, আত্মবিশ্বাসী থাকা দোষের নয়, কিন্তু সেটি প্রকাশ্যে এভাবে বলা উচিত নয়। আবেলারদো বলেন, ‘তুমি এটা মনে করতেই পারো, কিন্তু প্রকাশ্যে বলা উচিত নয়। আমার কাছে বিষয়টি ভালো লাগেনি, কারণ এতে তোমাকে ভালোভাবে উপস্থাপন করা হয় না।’

সাবেক বার্সা তারকার মতে, ইয়ামাল চাইলে আরও সংযত ভাষায় নিজের দাবিটি তুলে ধরতে পারতেন। তিনি বলেন, ‘তুমি বলতে পারতে, আমি হয়ত শক্তিশালী প্রার্থীদের একজন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পুরস্কার কার হাতে উঠবে, সেটা তুমি নিশ্চিতভাবে জানো না।’

আবেলারদো, যিনি স্পেনের হয়ে ৫৪টি ম্যাচ খেলেছেন, নিজের বক্তব্যের পক্ষে উদাহরণ হিসেবে লিওনেল মেসির কথাও উল্লেখ করেছেন। তার দাবি, এত বড় তারকা হয়েও মেসিকে কখনো প্রকাশ্যে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে এমন মন্তব্য করতে শোনা যায়নি।

আবেলারদোর ভাষায়, ‘লামিনের এই কথাগুলো আমার পছন্দ হয়নি। আমি কখনো মেসিকে এমন বলতে শুনিনি, অথচ সে ছিল ফুটবলের ঈশ্বর।’

আরও পড়ুন: রিয়ালের জয় ছাপিয়ে গুলারের লাল কার্ড বিতর্ক

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দক্ষিণ আফ্রিকায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২১ জন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২৯ পি.এম


দক্ষিণ আফ্রিকায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২১ জন নিহত

দক্ষিণ আফ্রিকার ওয়েস্টার্ন কেপ প্রদেশের মহাসড়কে সংঘটিত একাধিক যানবাহনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ২১ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় দুটি মিনিবাস ট্যাক্সি এবং একটি এসইউভি জড়িত ছিল।

দেশটির সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক সরকারি অংশীদারী সংস্থা সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য প্রকাশ করে।

রোড ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট করপোরেশন (আরটিএমসি) জানায়, দুর্ঘটনাটি লিউ-গামকা ও প্রিন্স অ্যালবার্টের মধ্যবর্তী সড়কে ঘটেছে। কেপটাউন থেকে প্রায় ৩৮০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এই এলাকা অবস্থিত।

বার্তা সংস্থা এএফপি কেপটাউন থেকে এই খবরটি জানায়।

স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, রোববার রাত সাড়ে ৯টায় (জিএমটি) যানবাহনগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পুলিশ এএফপিকে জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তারা তদন্ত শুরু করেছে। এ ছাড়া, আরও কয়েকজন যাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

আরটিএমসির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় সড়ক দুর্ঘটনায় ১১ হাজার ৪৮৫ জনের মৃত্যু হয়। আগের বছরের তুলনায় এই সংখ্যা ৫ শতাংশের বেশি কম। নিহতদের অধিকাংশই ছিলেন পথচারী।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১২ হাজার টন কমলার খোসা ফেলা, ১৬ বছর পর ‘চোখ ছানাবড়া’ বিজ্ঞানীদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩০ পি.এম


১২ হাজার টন কমলার খোসা ফেলা, ১৬ বছর পর ‘চোখ ছানাবড়া’ বিজ্ঞানীদের

এক সময়ের অনুর্বর স্থানটি ছিল ঘাস ও পাথরে ভরা। সেখানে ১২ হাজার টন কমলার খোসা এবং কমলার পাল্প ফেলে রাখা হয়েছিল একটি প্রতিষ্ঠানের দ্বারা। ১৬ বছর পর সেখানে গিয়ে বিজ্ঞানীরা অভিভূত হন।

এটি মধ্য আমেরিকার দেশ কোস্টারিকার একটি জাতীয় উদ্যানের ঘটনা।

গবেষকেরা পরে আবিষ্কার করেন, যে তিন হেক্টর জমিতে কমলার খোসা ফেলা হয়েছিল, সেখানে গাছের বায়োমাস (একটি এলাকায় থাকা গাছপালার মোট ভর) ১৭৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

এছাড়া, সেখানে মাটির গুণমান, গাছের বৈচিত্র্য এবং বনের ঘনত্ব, সবই পার্শ্ববর্তী জমির তুলনায় বেশি ছিল। কীভাবে এমনটি সম্ভব হয়েছিল?

কমলার খোসা থেকেই শুরু

১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে কোস্টারিকার উত্তর সীমান্তে ডেল অরো নামের একটি প্রতিষ্ঠান কমলার জুস তৈরির কারখানা স্থাপন করে।

পরিবেশবিদ ড্যানিয়েল জানজেন ও উইনি হলভাক্স তখন কোস্টারিকার গুয়ানাকাস্তে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে কাজ করছিলেন। তারা ডেল অরোকে একটি প্রস্তাব দেন।

প্রতিষ্ঠানটি যদি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের জন্য কিছু বনভূমি দান করে, তাহলে জাতীয় উদ্যানে তাদের কমলার খোসা ও অন্যান্য জৈব বর্জ্য ফেলার অনুমতি দেওয়া হবে। সেগুলি ধীরে ধীরে পচে মাটির সাথে মিশে যাবে।

ডেল অরো প্রস্তাবটি গ্রহণ করে। ১৯৯৭ সালের চুক্তির পর প্রায় ১২ হাজার মেট্রিক টন কমলার খোসা ও পাল্প ট্রাকে করে নিয়ে গিয়ে অনুর্বর জমিতে ফেলা হয়। কিন্তু বছর না ঘুরতেই আইনি জটিলতা শুরু হয়।

ডেল অরোর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান টিকোফ্রুট অভিযোগ করে, জাতীয় উদ্যানে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য ফেলে জায়গাটি ‘নষ্ট’ করা হয়েছে।

মামলাটি কোস্টারিকার সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। আদালত টিকোফ্রুটের পক্ষে রায় দেয়। এরপর প্রায় ১৫ বছর পর্যন্ত জায়গাটির কথা কেউ মনে রাখেনি।

২০১৩ সালে প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক টিমোথি ট্রয়ের পরিবেশবিদ ড্যানিয়েল জানজেনের সাথে গবেষণার সম্ভাব্য বিষয় নিয়ে আলোচনা চলাকালীন পুরোনো কমলার খোসার স্থানটির কথা উঠে আসে।

ট্রয় সেখানে গিয়ে যা দেখলেন, তা তার কল্পনার চেয়েও বেশি চমকপ্রদ ছিল।

জায়গাটি এতটাই ঘন গাছপালা ও লতায় ঢেকে গিয়েছিল যে রাস্তার পাশে প্রায় ৭ ফুট লম্বা উজ্জ্বল হলুদ সাইনবোর্ডটিও গাছের আড়ালে পড়ে গিয়েছিল, কিছুই দেখা যাচ্ছিল না।

পাশের জমির সঙ্গে তুলনা

গবেষকেরা এবার জানতে চাইলেন, কমলার খোসা কি সত্যিই এই পরিবর্তনের কারণ? তারা কমলার খোসা ফেলা জমি এবং রাস্তার অপর পাশে অবস্থিত একই ধরনের জমির মধ্যে তুলনা করেন।

গবেষকেরা দুই জায়গায় গাছের সংখ্যা, গাছের আকার ও প্রজাতি পরিমাপ করেন। মাটির নমুনাও সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়। ফলাফল ছিল স্পষ্ট।

কমলার খোসা ফেলা জমির মাটি ছিল অধিক পুষ্টিসমৃদ্ধ। সেখানে গাছের বায়োমাস বেশি, গাছের প্রজাতিও বেশি এবং বনের ওপরের সবুজ ছাউনিও ছিল ঘন।

অর্থাৎ যে বর্জ্য একসময় ছিল একেবারেই ফেলনা, সেটিই ধীরে ধীরে অনুর্বর জমিকে আবার সবুজ করে তুলেছিল।

প্রিন্সটনের গবেষকদের এই গবেষণা প্রকাশিত হয় ‘রেস্টোরেশন ইকোলজি’ সাময়িকীতে। গবেষণার অন্যতম লেখক টিমোথি ট্রয়ের মতে, কৃষি ও খাদ্যশিল্পের বর্জ্য ব্যবহার করে বন পুনরুদ্ধার করা সম্ভব, এমন উদাহরণ খুব বেশি নেই।

এই ঘটনা আরও একটি বিষয় প্রমাণ করে। খাদ্য তৈরির সময় যে অংশটুকু আমাদের কাছে অপ্রয়োজনীয় মনে হয়, প্রকৃতির কাছে সেটি কখনো কখনো মূল্যবান সম্পদ হয়ে উঠতে পারে।

প্রিন্সটনের পরিবেশবিদ ডেভিড উইলকোভের ভাষায়, মানুষের প্রয়োজনীয় পণ্য তৈরি করতে গিয়ে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো অনেক সময় পরিবেশগত সমস্যাও তৈরি করে। তবে সেই প্রতিষ্ঠানগুলো এবং পরিবেশ নিয়ে কাজ করা মানুষ একসঙ্গে কাজ করলে সেই সমস্যার কিছুটা সমাধানও করা সম্ভব।

সূত্র: প্রিন্সটন ডটএডু

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অভিনেতা ও সঙ্গীতশিল্পী মুকুল জামিল হৃদরোগে মারা গেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩০ পি.এম


অভিনেতা ও সঙ্গীতশিল্পী মুকুল জামিল হৃদরোগে মারা গেছেন

অভিনেতা ও সঙ্গীতশিল্পী মুকুল জামিল আর আমাদের মাঝে নেই। হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে মারা যান।

মুকুল জামিলের অকাল মৃত্যুতে সংগীত ও অভিনয়ের জগতে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মৃত্যুর খবর প্রকাশিত হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিনয় ও সংগীতাঙ্গনের অনেকেই শোক প্রকাশ করেছেন।

অভিনয়শিল্পী সংঘ মুকুল জামিলের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে। সংগঠনটির এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, "অভিনয়শিল্পী সংঘের সম্মানিত সদস্য মুকুল জামিল ইন্তেকাল করেছেন। তার বিদেহী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। উনার প্রয়াণে আমরা গভীর শোকাহত।"

মুকুল জামিলকে স্মরণ করে মিলন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, "আমার প্রাণপ্রিয় ভাই মুকুল জামিল ভাই এভাবে হঠাৎ চলে যাবেন, এটা আমার জন্য প্রচণ্ড কষ্টের। দেখা হলেই আমাকে বুকে জড়িয়ে ধরতেন, কপালে চুমু দিতেন। মুকুল ভাই ছিলেন একজন সংগীতশিল্পী। কিন্তু জীবনে প্রথমবার অভিনেতা হিসেবে আমার ‘সেলফি’ গানটিতে মজার ছলে তাকে মডেল হিসেবে নিয়েছিলাম। এরপর একে একে আমার অনেকগুলো গানে মুকুল ভাইকে অভিনেতা হিসেবে পেয়েছি।"

ছোটবেলা থেকেই রবীন্দ্রসংগীতের প্রতি ঝোঁক ছিল মুকুল জামিলের। তার বোনের হাত ধরেই গানে আসার শুরু। জীবনের ৩০টির বেশি মিক্স অ্যালবামে কাজ করেছেন তিনি। একটি সলো অ্যালবামও রয়েছে, যার নাম ‘আমি তো এমনই’। তার বেশ কিছু গান শ্রোতাদের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

মুকুল জামিলের উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে ‘মন’, ‘আচ্ছা’, ‘বিলবোর্ড’, ‘ভালবাসার মানে’ ও ‘ফাগুনের হাওয়া’। এছাড়া তার ‘চায়ের চুমুকে’ গানটি এটিএন বাংলায় প্রচারিত হয়েছে।

অভিনয়ের ক্ষেত্রেও মুকুল জামিল কাজ করেছেন। তিনি ‘ওয়েডিং বেলস’ (২০১৯), ‘আমানুষ’ (২০২২) ও ‘ছাত্রী বউ’ (২০২৪)-এর মতো চলচ্চিত্রে যুক্ত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সঞ্চয়পত্রের টাকা পেতে ব্যাংক হিসাব যাচাইয়ে শুরু হচ্ছে এভিএস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩১ পি.এম


সঞ্চয়পত্রের টাকা পেতে ব্যাংক হিসাব যাচাইয়ে শুরু হচ্ছে এভিএস

সরকার স্বয়ংক্রিয় অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম (এভিএস) চালু করেছে, যা সঞ্চয়পত্রের মুনাফা ও মূল টাকা পেতে ভুল ব্যাংক হিসাব নম্বরের কারণে বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তি কমাবে। এই নতুন ব্যবস্থার ফলে ভুল হিসাবে টাকা চলে যাওয়ার ঝুঁকিও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।

জাতীয় সঞ্চয় স্কিম অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের আওতায় আগামীকাল ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট তফসিলি ব্যাংকগুলোর সহযোগিতায় এভিএস কার্যকর হবে। গ্রাহক যখন সঞ্চয়পত্র বা বন্ড কিনবেন, তখন তাদের দেওয়া ব্যাংক হিসাব নম্বর তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হবে।

অর্থ বিভাগের ‘স্ট্রেনদেনিং পাবলিক ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম টু এনাবল সার্ভিস ডেলিভারি (এসপিএফএমএস)’ কর্মসূচির আওতায় এই ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। বর্তমানে সরকারের ১১টি জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের মধ্যে ৯টির লেনদেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ন্যাশনাল সেভিংস স্কিম অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা এনএসসি সিস্টেমে পরিচালিত হচ্ছে।

এনএসসি সিস্টেমে বর্তমানে নিবন্ধিত একক গ্রাহকের সংখ্যা ৩৯ লাখ ৪৬ হাজার ২২৪ জন। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজার ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের (ইএফটি) মাধ্যমে মুনাফা ও মূল অর্থ পরিশোধ করা হয়। একই সময়ে গড়ে প্রায় ৮ হাজার নতুন সঞ্চয়পত্র ইস্যু হয়। জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল নম্বর যাচাইয়ের ব্যবস্থা আগে থেকেই ছিল, তবে এবার ব্যাংক হিসাব যাচাইয়ের ব্যবস্থা যুক্ত হলো।

পূর্বে গ্রাহকের দেওয়া হিসাব নম্বর সরাসরি সিস্টেমে যুক্ত করা হতো। যদি কোনো সংখ্যা ভুল হতো, তাহলে ইএফটি ফেরত আসত এবং তথ্য সংশোধন করে আবার টাকা পাঠাতে হতো। এতে বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাজের চাপও বাড়ত। ভুল নম্বরের কারণে একজনের প্রাপ্য অর্থ অন্যের হিসাবে চলে যাওয়ার ঝুঁকিও বিদ্যমান ছিল।

নতুন ব্যবস্থায় হিসাব নম্বর দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাংলাদেশ ব্যাংকের আইটি অবকাঠামো ও সংশ্লিষ্ট তফসিলি ব্যাংকের মাধ্যমে যাচাই করা হবে। প্রথমে হিসাবটি সঠিক ও সচল কি না তা যাচাই করা হবে এবং পরে জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট নম্বরের সঙ্গে হিসাবধারীর তথ্য মিলিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করা হবে। ফলে লেনদেনের আগেই ভুল বা অসামঞ্জস্য শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

নতুন সঞ্চয়পত্র বা বন্ড কেনার সময় এবং পরবর্তী সময়ে ব্যাংক হিসাব পরিবর্তন বা সংশোধনের ক্ষেত্রেও এভিএস ব্যবহৃত হবে।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর জানিয়েছে, এভিএস চালুর ফলে ভুল হিসাব নম্বরের কারণে ইএফটি ফেরত আসার ঝুঁকি কমবে, বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অতিরিক্ত কাজ কমবে। একই সঙ্গে গ্রাহকের প্রাপ্য অর্থ নিরাপদে ও নির্ভুলভাবে প্রকৃত হিসাবধারীর হিসাবে পাঠানো সহজ হবে।

অর্থ বিভাগের মতে, এভিএস জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের ডিজিটাল সেবা আধুনিকায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এর ফলে সঞ্চয়পত্রের লেনদেন আরও নিরাপদ, স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য হবে এবং গ্রাহকের অর্থ দ্রুত ও সঠিক সময়ে নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে পৌঁছানো নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%