ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুটি ডাকাতি মামলার রহস্য উদঘাটন, স্বর্ণালংকার উদ্ধার


দুটি ডাকাতি মামলার রহস্য উদঘাটন, স্বর্ণালংকার উদ্ধার

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ ও বন্দর উপজেলায় সংঘটিত দুটি পৃথক ডাকাতির ঘটনার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে জেলা পুলিশ। পুলিশের অভিযানে দুই ডাকাত দলের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে জাপান প্রবাসীর লুট হওয়া প্রায় সাড়ে ৮ ভরি স্বর্ণালংকার, এবং বন্দরের একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে লুট হওয়া একটি শটগান উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সি এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, গত ৮ জুলাই জাপানপ্রবাসী এক ব্যক্তি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ব্যক্তিগত গাড়িতে ঢাকা শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে সোনারগাঁয়ের মেঘনা টোল প্লাজার সামনে পৌঁছালে একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্র পরিকল্পনা অনুযায়ী তার গাড়ির গতিরোধ করে। পরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ অর্থ, মোবাইল ফোন এবং প্রায় সাড়ে ৮ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে পালিয়ে যায়।

ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ। একপর্যায়ে চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাত দলের প্রধান কবির হোসেনসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। এদের কাছ থেকে লুট হওয়া স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এ মামলার আরও একজন অভিযুক্ত এখনো পলাতক রয়েছে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার আরও জানান, গত ২ জুলাই বন্দর উপজেলার ১১০ কেভি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায়ও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি এসেছে। সেখানে ডাকাতরা দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়ে দুটি শটগান নিয়ে পালিয়ে যায়।

এই ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) রূপগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ডাকাত দলের প্রধান ফারুক হোসেন ওরফে ‘আইস ফারুক’কে গ্রেফতার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লুট হওয়া দুটি শটগানের মধ্যে একটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়। পুলিশ সুপার বলেন, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেফতার এবং অবশিষ্ট লুট হওয়া মালামাল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ব্যয় কমাতে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সহযোগিতার আশ্বাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ব্যয় কমাতে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সহযোগিতার আশ্বাস

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সৌদি আরবের হজ ফ্লাইট-সংক্রান্ত কর ও চার্জ কমানোর আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ব্যয় হ্রাস পেতে পারে। এ বিষয়ে যথাযথভাবে বিবেচনা করার আশ্বাস প্রদান করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ ইবন ধাফের ইবন উবাইয়া।

সোমবার সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম এবং প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সাথে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাতে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় এবং গতিশীল করার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করা হয়।

দুই পক্ষই পর্যটন, বেসামরিক বিমান চলাচল, এবং হজ ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর আলোচনা করেন। সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, "বাংলাদেশের হজযাত্রীদের ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে সৌদি সরকারের হজ ফ্লাইট-সংক্রান্ত কর ও চার্জ কমালে তা অনেক বাংলাদেশি হজযাত্রীর জন্য উপকারী হবে।" উনি সৌদি রাষ্ট্রদূতের সহযোগিতা চান।

সৌদি রাষ্ট্রদূত এ বিষয়ে ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানে প্রতিশ্রুতি দেন। বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, হজযাত্রীদের আবাসনের জন্য ক্যাটাগরি ‘ডি’ সুবিধা না থাকায় আবাসন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়ে গেছে। সেই কারণে সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে ক্যাটাগরি ‘ডি’ পুনর্বহালের জন্য সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

এ সময় সৌদি রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশি হজযাত্রীদের সেবার মানোন্নয়ন, সুযোগ-সুবিধার বৃদ্ধি এবং হজের ব্যয় কমানোর ব্যাপারে সৌদি সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও উদ্যোগ গ্রহণে কাজ করবেন বলেও তিনি জানান।

সাক্ষাতের শেষে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি হজ ব্যবস্থাপনা, বেসামরিক বিমান চলাচল এবং পর্যটন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্প্রসারণে একত্রে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বগুড়ায় শিক্ষা অফিস থেকে চুরির তথ্যপ্রযুক্তি সরঞ্জাম উদ্ধার, দুই জন গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৭ পি.এম


বগুড়ায় শিক্ষা অফিস থেকে চুরির তথ্যপ্রযুক্তি সরঞ্জাম উদ্ধার, দুই জন গ্রেফতার

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে চুরি হওয়া তথ্যপ্রযুক্তি সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে পুলিশ। চুরির ঘটনায় দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) গভীর রাতে আদমদীঘি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের জানালার লোহার শিক ভেঙে দুর্বৃত্তরা কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার এবং মনিটর চুরি করে নেয়। এ ঘটনায় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাকির হোসেন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

রবিবার (১২ জুলাই) রাত ৮টার দিকে আদমদীঘি বাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় নাসিফ ও রায়হান। গ্রেফতারদের মধ্যে নাসিফ (১৯) জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার উলিপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে এবং রায়হান (১৯) বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার তালশন গ্রামের আবদুর রহমান বাবুর ছেলে।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। পরে রবিবার রাতে আদমদীঘি বাজার এলাকা থেকে নাসিফ ও রায়হানকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বগুড়া সদর উপজেলার গোদারপাড়া বাজার এলাকা থেকে মারুফ নামে এক যুবকের কাছ থেকে চুরি হওয়া সকল সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আদমদীঘি থানার ওসি (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনার পর দ্রুত অভিযান চালিয়ে চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে এবং দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টানা বৃষ্টিতে বগুড়ার সবজির বাজারে ক্রেতার সংকট, বিপাকে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৮ পি.এম


টানা বৃষ্টিতে বগুড়ার সবজির বাজারে ক্রেতার সংকট, বিপাকে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা

কয়েক দিনের টানা বর্ষণে বগুড়ার কাঁচাবাজারগুলোতে ক্রেতার সংকট দেখা দিয়েছে। রাস্তাঘাট জলমগ্ন থাকার কারণে বহু মানুষ বাজারে যেতে পারছেন না। এর ফলে সবজির বেচাকেনা কমে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষক, পাইকার ও খুচরা বিক্রেতারা।

অন্যদিকে, টানা বৃষ্টির কারণে কৃষকরাও মাঠ থেকে সবজি সংগ্রহ করে বাজারে আনতে পারছেন না। ফলে জেলায় সবজির সরবরাহ ব্যাহত হয়ে পড়ছে।

শহরের রাজাবাজার, ফতেহ আলী বাজার, কলোনি বাজার এবং খান্দার বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ক্রেতার উপস্থিতি অন্য সময়ের তুলনায় অনেক কম। বিক্রি কমলে উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য থেকেও কৃষকরা বঞ্চিত হচ্ছেন। সেইসঙ্গে ব্যবসায়ীরাও লোকসানের শঙ্কায় রয়েছেন।

বর্তমানে বগুড়ার বাজারে শুধুমাত্র বইকচু ও বেগুন ছাড়া প্রায় সব ধরনের সবজি ২০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। পটল প্রতি কেজি ২০ টাকা, ঢেঁড়স ৩০ থেকে ৪০ টাকা, কাঁকরোল ৪০ টাকা, পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং কাঁচামরিচ ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। একই সঙ্গে রসুন ৮০ টাকা ও আদা ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

কৃষকদের অভিযোগ, উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারে সবজির দাম কম থাকার কারণে তারা আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হচ্ছেন। বৃষ্টির কারণে ক্রেতা কম থাকায় বিক্রেতারাও পণ্য বিক্রি করতে হিমশিম খাচ্ছেন।

বাজারে আসা কয়েকজন ক্রেতা বলেন, ক্রেতা কম থাকায় সবজির দাম তুলনামূলকভাবে কম রয়েছে। তবে এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষকরা। অনেক পরিশ্রমের পর উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় তারা লোকসানের মুখে পড়েছেন।

সবজি বিক্রেতারা জানান, আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে বাজারে ক্রেতা বাড়বে এবং বেচাকেনা স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

বগুড়ার জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান জানান, যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি নিত্যপণ্যের বাজার স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে ধীরে নামছে বন্যার পানি, তীব্র হচ্ছে বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের সংকট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২০ পি.এম


কক্সবাজারে ধীরে নামছে বন্যার পানি, তীব্র হচ্ছে বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের সংকট

কক্সবাজারে বৃষ্টি কমে যাওয়ার কারণে চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী নদীর পানি ধীরে ধীরে নামতে শুরু করেছে, কিন্তু দুর্গত মানুষের দুর্ভোগ পুরোপুরি কাটেনি। বিবিধ এলাকায় বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বন্যার পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও প্রবল হচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য স্বাস্থ্য বিভাগ ৫৪টি মেডিকেল টিম গঠন করেছে।

সোমবার চকরিয়ার বিভিন্ন দুর্গত এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, অনেক বাড়িতে এখনো হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি রয়েছে। নলকূপ তলিয়ে যাওয়ার কারণে বিশুদ্ধ পানির উৎস প্রায় নেই বললেই চলে। বহু পরিবার বাধ্য হয়ে বন্যার পানি ব্যবহার করছে। যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় খাদ্য সংগ্রহের কাজও কঠিন হয়ে পড়েছে। কেউ আশ্রয় নিয়েছেন উঁচু স্থানে, কেউ ঘরের মাচায়, আবার কেউ আশ্রয়কেন্দ্রে গাদাগাদি করে দিন কাটাচ্ছেন। অধিকাংশ পরিবারের রান্নার চুলা পানির নিচে থাকায় রান্নার কাজ বন্ধ হয়ে গেছে।

শৌচাগার তলিয়ে যাওয়ার কারণে নারী, শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। স্যানিটেশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। দ্রুত বিশুদ্ধ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা না গেলে পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কাকারা এলাকার বাসিন্দা আলী আহমদ বলেন, "ঘরে এখনো পানি। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে মাচায় আছি। রান্না করতে পারছি না। নলকূপ ডুবে গেছে। এখন সবচেয়ে বেশি দরকার শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি এবং দ্রুত ত্রাণ।"

বরইতলীর আবুল কালাম বলেন, "ঘরে যা খাবার ছিল সব শেষ। ছোট ছোট সন্তান নিয়ে খুব কষ্টে আছি।"

হারবাংয়ের জাহদা বেগম বলেন, "বিশুদ্ধ পানি পাচ্ছি না। বাচ্চাদের নিয়ে খুব ভয় লাগছে। সবাই ত্রাণের কথা বলছে, কিন্তু আমাদের এলাকায় এখনো কেউ আসেনি।"

জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান জানান, জেলার ৬৪০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১৫ হাজারের বেশি মানুষ অবস্থান করছেন। দুর্গতদের জন্য সরকারিভাবে ২০০ মেট্রিক টন চাল, ৪৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার এবং ১২ লাখ ৪৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় দ্রুত ত্রাণ পৌঁছে দিতে কাজ চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%