বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১০:২৮ পি.এম
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) গত ২৭ জুলাই সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় মারধরের শিকার শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসানের বাবা রাকসু সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার ও সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) সালমান সাব্বিরসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজশাহীর একটি আদালতে এ মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
দায়ের করা মামলায় সংস্কৃত বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসানকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং এছাড়া আরও ১৭-১৮ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
অন্য আসামিরা হলেন— রাকসুর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নাজমুস সাকিব, রাবি শাখা ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক মেহেদী সজিব, সিনেট সদস্য ফাহিম রেজা, আরিফুর ইসলাম, আহসান উল্লাহ ফাইহান, সিফাত আর সালেহ ও নুরুল ইসলাম শহীদ।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২৭ জুলাই দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ১টার মধ্যে অভিযুক্তরা ছুরি, লোহার রড, বেল্ট ও বাঁশের লাঠি নিয়ে মাহমুদুলকে ধাওয়া করে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের ভেতরে ও বাইরে ঘিরে ফেলে।
অভিযোগ অনুযায়ী, আম্মার লোহার রড দিয়ে মাহমুদুলের মাথা ও কপালে আঘাত করে। সালমান সাব্বিরও তার মাথায় আঘাত করেন, যার ফলে মাহমুদুলের বাম চোখে গুরুতর জখম হয়। এছাড়া এই মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে যে, অন্য আসামিরাও মারধর করেন।
আরও অভিযোগ করা হয়েছে, চারজন আসামি মাহমুদুলকে মাটিতে ফেলে বুক ও গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন।
মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, পরে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অন্যান্যরা মাহমুদুলকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে অভিযুক্তরা জোরপূর্বক মাহমুদুলকে অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে আবার মারধর করে। পরে মাহমুদুলকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার বাবা জানিয়েছেন, ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তিনি ফেসবুকের মাধ্যমে ঘটনার খবর জানতে পারেন। পরে হাসপাতালে গিয়ে তিনি ছেলেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খুঁজে পান।
মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়েছে, ২৮ জুলাই মতিহার থানায় মামলা করতে গেলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানান এবং আদালতের মাধ্যমে আইনি প্রতিকার চাইতে পরামর্শ দেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হযরত আলী বলেন, আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো আদেশ দেননি। বরং তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর কাছে পাঠিয়েছেন।
তিনি দাবি করেন, মাহমুদুলের বাবা আবেগপ্রবণ হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ২৬ জুলাই সংস্কৃত বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী তার নিজ বিভাগের জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থী মহসিন আলমের বিরুদ্ধে প্রেমের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ায় হুমকির অভিযোগ আনেন। ফলস্বরূপ অভিযুক্ত শিক্ষার্থীসহ কয়েকজনের সঙ্গে ওইদিন রাতে একটি সভায় বসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান। এ সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১৭-১৮ বর্ষের আনাস, একই বিভাগের শিক্ষার্থী হাসিব, সংস্কৃত বিভাগের মাহমুদুল হাসানসহ আরও কয়েকজন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। পরে তারা অভিযোগটি অস্বীকার করে প্রক্টরের সঙ্গে উচ্চবাচ্য করেন।
এ বিষয়ে সোমবার দুপুরে একটি সভা ডাকেন প্রক্টর। সভায় রাকসু নেতারা আনাসের মোবাইল ফোন চেক করে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ হিল গালিবসহ আরও কয়েকজন নেতার সঙ্গে আনাসের ছবি খুঁজে পান। এরপর আনাসকে প্রক্টর দপ্তরে আম্মার ও সালমান সাব্বির মারধর করেন। পরে দুপুরেই প্রক্টর বিষয়টির সাময়িক সমাধান করে দেন এবং আনাসসহ বাকিরা প্রক্টর দপ্তর থেকে চলে আসেন।
এ ঘটনার জেরে বিকাল ৩টার দিকে আনাস, হাসিব, মাহমুদুলসহ কয়েকজন রাকসু ভবনে ঢুকে আম্মারসহ কয়েকজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এতে রাকসুর তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক নাজমুস সাকিব আহত হন।
হামলা চালানোর পর আনাসসহ সঙ্গীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পাঠকক্ষে আশ্রয় নেন। পরে শিবির ও রাকসু নেতারা পাঠকক্ষের ফটক থেকে প্রক্টরকে ধাক্কা দিয়ে পাঠকক্ষে প্রবেশ করেন। ভেতরে ঢুকেই তারা ওই শিক্ষার্থীদের মারধর করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের বিহারের সমস্তিপুরে, স্ত্রীকে তার প্রেমিকের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পেয়ে, নিজেই তাদের বিয়ের আয়োজন করেছেন এক স্বামী। ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সমস্তিপুরের বাসিন্দা অনুরাধা কুমারীর বিয়ে হয় কয়েক বছর আগে মনোহর কুমারের সঙ্গে। তাদের সংসারে সন্তানও রয়েছে। এর মধ্যে অনুরাধার সঙ্গে পান্নালাল যাদব নামে এক ব্যক্তির প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পান্নালালও বিবাহিত এবং তার দুই সন্তান রয়েছে।
খবরে বলা হয়, সম্প্রতি মনোহর কুমার স্ত্রী অনুরাধা ও তার প্রেমিক পান্নালালকে একসঙ্গে হাতে पकड़েন। ঘটনার পর তিনি গ্রামের মাতব্বরদের ডেকে বিষয়টি নিয়ে বৈঠক করেন। পরে তাদের উপস্থিতিতেই অনুরাধা ও পান্নালালের বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়। সেই ঘটনার ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওটি ‘ঘর কা কলেশ’ নামে একটি এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশের পর এটি দ্রুত ভাইরাল হয়। লাখো মানুষ ভিডিওটি দেখেছেন এবং এতে মন্তব্য করেছেন।
ভিডিওটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ ঘটনাটিকে বিস্ময়কর বলে মন্তব্য করেছেন, আবার কেউ স্বামীর সিদ্ধান্তকে বাস্তবসম্মত বলে মনে করেছেন। এক নেটিজেন লিখেন, চারদিকে শুধু পরকীয়ার ঘটনাই দেখা যাচ্ছে, বিষয়টি সত্যিই বিরক্তিকর। আরেকজনের মন্তব্য, স্বামীর জন্য খারাপ লাগছে। তবে যে মানুষ আপনার সঙ্গে থাকতে চায় না, তাকে জোর করে আটকে রাখার কোনো অর্থ নেই। সূত্র: আনন্দবাজার
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার কৃষিজমি ও পুকুর ভরাটের অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে প্রায় ১২০০ মিটার পাইপ বিনষ্ট করেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল ১২টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত উপজেলার মালখানগর ইউনিয়নের ফুরসাইল মৌজার তালতলা বাজার সংলগ্ন এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সিনথিয়া হোসেনের নেতৃত্বে।
অভিযানের সময় পাওয়া যায় যে, অবৈধভাবে কৃষিজমি ও জলাশয় ভরাটের জন্য পাইপ বসিয়ে মাটি ফেলা হচ্ছিল। এ সময় ভরাট কাজে ব্যবহৃত আনুমানিক ১২০০ মিটার পাইপ ধ্বংস করা হয়।
মোবাইল কোর্ট চলাকালে স্থানীয় এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। তাদেরকে বলেন যে, বিনা অনুমতিতে কৃষিজমি ও জলাশয় ভরাট না করার জন্য সতর্ক করা হয়। এ ছাড়া, ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩০ জুলাই, ২০২৬ : রপ্তানি বৃদ্ধি, পরিবেশগত মানদণ্ড প্রতিপালন জোরদার এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে দেশের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য শিল্পের বিকাশ ও উন্নয়নে সহায়তা করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক একটি ২ হাজার কোটি টাকার প্রাক-অর্থায়ন স্কিম চালু করেছে।
আজ জারি করা বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব তহবিল থেকে গঠিত এই স্কিমের মাধ্যমে চামড়া শিল্পকে টেকসই, পরিবেশবান্ধব এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক শিল্পে পরিণত করতে সহায়তা দেওয়া হবে।
এই স্কিমের আওতায় কারখানা নির্মাণ ও সম্প্রসারণ, যন্ত্রপাতি ক্রয় এবং পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো যেমন- ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (ইটিপি), স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি), ডাম্পিং ইয়ার্ড এবং কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা স্থাপনে অর্থায়ন করা হবে।
এছাড়া, লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপ (এলডব্লিউজি) সনদ অর্জনের ব্যয়, বিদ্যমান ট্যানারি আধুনিকীকরণ এবং চামড়া শিল্পে ব্যবহৃত রাসায়নিক, আনুষঙ্গিক উপকরণ ও অন্যান্য সহায়ক পণ্যের দেশীয় উৎপাদনেও এ তহবিল থেকে সহায়তা দেওয়া হবে।
স্কিমের আওতায় ঋণগ্রহীতারা সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন। অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক ৪ শতাংশ সুদে পুনঃঅর্থায়ন (রিফাইন্যান্স) সুবিধা দেবে।
রিভলভিং ভিত্তিতে তিন বছর মেয়াদে এই তহবিল পরিচালিত হবে। নতুন কারখানা নির্মাণে সর্বোচ্চ সাত বছর মেয়াদি ঋণ দেওয়া হবে, যার মধ্যে দুই বছর গ্রেস পিরিয়ড থাকবে। বিদ্যমান কারখানা আধুনিকীকরণে সর্বোচ্চ চার বছর মেয়াদি ঋণ দেওয়া হবে, যার মধ্যে ছয় মাস গ্রেস পিরিয়ড থাকবে। কার্যকর মূলধন (ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল) ঋণের মেয়াদ হবে এক বছর, যা সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত নবায়ন করা যাবে।
বাংলাদেশের সব তফসিলি ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগের সঙ্গে চুক্তি সাপেক্ষে এই স্কিমে অংশ নিতে পারবে।
স্কিমের আওতায় নতুন চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানার জন্য সর্বোচ্চ ৩০ কোটি টাকা, নতুন চামড়াজাত পণ্য উৎপাদন অবকাঠামোর জন্য ২০ কোটি টাকা, বিদ্যমান স্থাপনা আধুনিকীকরণের জন্য ১০ কোটি টাকা এবং সহায়ক পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কার্যকর মূলধনের জন্য সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হবে। টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করতে স্কিমের আওতায় বেশ birkaç শর্তও আরোপ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
চামড়া প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে অর্থায়ন পাওয়ার দুই বছরের মধ্যে এলডব্লিউজি সনদ অর্জন করতে হবে। একই সময়ের মধ্যে উপকারভোগী প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার অন্তত ১০ শতাংশ সৌরবিদ্যুৎ থেকে নিশ্চিত করতে হবে।
এছাড়া, শ্রমিকদের পেশাগত স্বাস্থ্যঝুঁকি দূরীকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী খেলাপি হিসেবে শ্রেণিকৃত ঋণগ্রহীতারা এই স্কিমের আওতায় অর্থায়নের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন না।
এছাড়া, একই উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফান্ড (ইডিএফ) এবং গ্রিন ট্রান্সফরমেশন ফান্ড (জিটিএফ) থেকে ইতোমধ্যে সহায়তা পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোও এই স্কিমের সুবিধা পাবে না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ৩০ জুলাই, ২০২৬ : চট্টগ্রাম নগরীর মোমিন রোডের ঝাউতলা এলাকায় অবৈধ দখল উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। এই অভিযানে রাস্তা ও নালা দখল করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার দায়ে সাত ব্যক্তিকে জরিমানা করা হয়।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতী সর্ববিদ্যার নেতৃত্বে আজ ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
চসিক সূত্রের কাছ থেকে জানা যায়, অভিযানে দেখা যায়- ঝাউতলা এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তি অবৈধভাবে রাস্তা এবং নালা দখল করে দোকানের মালামাল রেখে জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করছিলেন। এই ঘটনায় সাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করে মোট ২১ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতী সর্ববিদ্যা বলেন, নগরীর সড়ক, ফুটপাত ও নালা দখলমুক্ত রাখতে চসিকের এই ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে। নগরীতে স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ