রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৫৮ পি.এম
জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সফরে তার সঙ্গে যাচ্ছেন ৩৫ জন।
এর মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ওয়াশিংটনের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত, স্থায়ী প্রতিনিধি নিউইয়র্ক থেকেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্ত হবেন। সফরসঙ্গীদের মধ্যে চার জন মন্ত্রীও আছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।
পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়ামের দেওয়া তথ্যানুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীর তালিকায় আছেন দুইজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বও। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ডক্টর গোলাম মহিউদ্দিন ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকও জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হচ্ছেন। এছাড়া, প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীর তালিকায় আছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ও আইনমন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান।
শুরুতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য ২১ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফর আয়োজনের পরিকল্পনা করা হলেও সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে সফরটি। নিউইয়র্কে যাওয়ার পর ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বক্তব্য রাখবেন তিনি। এত পরদিনই, অর্থাৎ ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে নিউইয়র্ক থেকে রওনা দেবেন ঢাকার উদ্দেশে।
যুক্তরাষ্ট্রে এই সংক্ষিপ্ত সফরে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের তালিকাও ছোট। অতীতের সরকারগুলোর তুলনায় বেশ ছোট প্রতিনিধিদল নিয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সংক্ষিপ্ত সফরের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কৃচ্ছ্রসাধনের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিউইয়র্কে অবস্থানের সময় জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের কয়েকটি বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেইসঙ্গে বাংলাদেশ আয়োজিত আলোচনা এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়েও পৃথকভাবে আলোচনা করবেন তিনি।
জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের কয়েকটি বৈঠকের মধ্যে রয়েছে উন্নয়ন, মহামারি প্রতিরোধ, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ। এছাড়া, সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে রোহিঙ্গা সমস্যাসহ একাধিক আলোচনার আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
সেইসঙ্গে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালিহ, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং বোয়িং গ্লোবালের প্রেসিডেন্ট ব্রেন্ডান নেলসনের সঙ্গেও বৈঠক হবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। সফরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া নৈশভোজেও যোগ দেবেন তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকার ১১ বছরের দীর্ঘ বিরতির পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য একটি নতুন জাতীয় বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এই নতুন কাঠামোর অধীনে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে ২০তম গ্রেডের একজন কর্মচারীর মোট বেতন হবে ৩৩ হাজার ২৫০ টাকা। অন্যদিকে, গাড়িসুবিধা ছাড়া সর্বোচ্চ পদে ভাতাসহ মোট বেতন প্রায় আড়াই লাখ টাকার কাছাকাছি হবে।
অর্থ বিভাগের ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ অনুযায়ী, বিশেষ গ্রেডে থাকা মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও মুখ্য সচিবদের জন্য মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭২ হাজার টাকা। এই মূল বেতনের সঙ্গে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, আপ্যায়ন ও অন্যান্য ভাতা যোগ হয়ে তাদের মোট বেতন ২ লাখ ৪৭ হাজার ৬০০ টাকায় পৌঁছাবে। এছাড়া, তারা সার্বক্ষণিক গাড়িসুবিধা এবং অন্যান্য সরকারি সুবিধা পাবেন।
সাধারণ গ্রেডগুলোর মধ্যে ১ নম্বর গ্রেডের কর্মকর্তাদের জন্য মূল বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, ফলে তাদের মোট বেতন দাঁড়াবে প্রায় সোয়া দুই লাখ টাকা। নবম গ্রেডের তরুণ কর্মকর্তাদের জন্য, যারা বিসিএস দিয়ে চাকরিতে প্রবেশ করেছেন, মূল বেতন ৪৪ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বিভিন্ন ভাতা মিলিয়ে ৬০ হাজার টাকার কিছু বেশি হবে। সর্বনিম্ন ২০তম গ্রেডের জন্য মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই বেতন কাঠামো অনুমোদন করা হয়েছে এবং এটি ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে। তবে, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পুরো বর্ধিত মূল বেতন একবারে পাবেন না; এটি ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছর জুড়ে তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। বাড়িভাড়া এবং অন্যান্য নতুন ভাতা কার্যকর হবে ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে।
নতুন আদেশে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেনশন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে মাসে ৯ হাজার টাকা বা তার কম নিট পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের পেনশন ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া, ঢাকা ও ঢাকার বাইরে অঞ্চলের ভিত্তিতে বাড়িভাড়া ভাতা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিভিন্ন চিকিৎসাসেবা ও বৈশাখী ভাতার নতুন হার নির্ধারণ করেছে সরকার।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সীমান্তের ভারতীয় অংশে পড়ে থাকা বাংলাদেশি শিশু মো. শাকিলের (১৪) মরদেহ ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) নিয়ে গেছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার পাশে ভারতীয় অংশের লংকা মোড়া এলাকায় মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখা যায়।
শাকিল দক্ষিণ ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর গ্রামের আবুল বাসার ওরফে মালু মিয়ার পুত্র।
পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, মানসিকভাবে অসুস্থ শাকিল শুক্রবার থেকে নিখোঁজ ছিল। নিখোঁজের একদিন পর শনিবার সন্ধ্যায় সীমান্তের ভারতীয় অংশে তার মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি শাকিলের বলে শনাক্ত করেন।
ঘটনাটি জানাজানি হলে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। মরদেহটি ভারতীয় ভূখণ্ডে অবস্থান করায় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও পুলিশের সমন্বয়ে বিএসএফ মরদেহটি নিয়ে যায়।
আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম জানিয়েছেন, শাকিলের মরদেহ ভারতীয় অংশে থাকার কারণে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর আজ বিকালের দিকে মরদেহটি দেশে এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হবে। শিশুটি কীভাবে সীমান্তের ওই এলাকায় পৌঁছালো এবং তার মৃত্যু কীভাবে ঘটেছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল জাব্বার আহমেদ জানিয়েছেন, মরদেহটি ভারতীয় অংশে অবস্থান করায় বিজিবি-বিএসএফ এবং দুই দেশের পুলিশের আলোচনার মাধ্যমে সেটি ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর নিয়ম অনুযায়ী মরদেহটি দেশে আনা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শুরু হয়েছে আন্তঃবিভাগ ও আন্তঃহল ফুটবল প্রতিযোগিতা ২০২৬-২৭। উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগ এবং ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল মাঠে এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. সরফরাজ নওয়াজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগের সভাপতি, হল প্রভোস্ট, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৬টি বিভাগ ও পাঁচটি ছাত্র হলের শিক্ষার্থীরা। ইতোমধ্যে আয়োজক কমিটি সব বিভাগ ও হলের খেলার সময়সূচি প্রকাশ করেছে।
উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান মন্তব্য করেন, "শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও অন্যান্য সহশিক্ষা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রাখা জরুরি।" তিনি বলেন, "এসব কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিত্ব ও চরিত্র গঠন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কর্মদক্ষতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।"
তিনি আরও বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলোয়াড়রা আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সময়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। এই গৌরবময় ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখতে হবে। খেলাধুলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলাবোধ জাগ্রত করার পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি আরও সমৃদ্ধ করতে হবে।
উপাচার্য আরও উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সবসময় শিক্ষার্থীদের খেলাধুলাসহ বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমে সহযোগিতা করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। শিক্ষার সনদ অর্জনের পাশাপাশি নিজেদের দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের এ ধরনের কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে হবে।
সার্বিক বিষয়ে শরীরচর্চা ও শিক্ষা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. শেখ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, "আজ (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় টুর্নামেন্টটি উদ্বোধন করা হয়েছে। আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। নিয়মমাফিক খেলা পরিচালিত হবে বলে আশা করছি।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, যা হাইকোর্টের বিস্ফোরণের ঘটনার পরপরই ঘটে। এই দুই বিস্ফোরণের মধ্যে মাত্র ১৫ মিনিটের ব্যবধান ছিল।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে শিল্পকলা একাডেমির সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, "রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির সামনের সড়কে ককটেল বিস্ফোরণের সংবাদ পেয়েছি। বিস্তারিত খোঁজ নিচ্ছি।"
এর আগে, দুপুর সোয়া ১টার দিকে হাইকোর্টের সামনের সড়কে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
শনিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার পর রাজধানীর শাহবাগে তিন নেতার মাজারের পাশে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটেছে। তার আগে সাড়ে ১০টার দিকে কমলাপুর রেলস্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মের একটি নির্জন অংশে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এছাড়া, সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিটের দিকে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা এলাকায় একাধিক ককটেল বিস্ফোরিত হয়, যেখানে ইবাদুর রহমান নামে এক অটোরিকশাচালক আহত হন।
ককটেল বিস্ফোরণের এসব ঘটনার পাশাপাশি, শনিবার সন্ধ্যা ও রাতে রাজধানীর মিরপুর, মধ্যবাড্ডা এবং দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে তিনটি বাস ও একটি পিকআপে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে, সন্ধ্যায় মিরপুরে দুটি বাসে এবং মধ্যবাড্ডায় একটি বাসে আগুন দেওয়া হয়। রাত সাড়ে ৯টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার সামনে সড়কের ওপর জব্দ করে রাখা একটি পিকআপে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।
এছাড়া, গত শুক্রবার দুপুর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত রাজধানীর অন্তত নয়টি এলাকায় ১৩টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। যাত্রাবাড়ী, মালিবাগ, আগারগাঁও, মহাখালী, বাবুবাজার, মগবাজার, যাত্রাবাড়ী, রামপুরা ও নিউমার্কেট এলাকায় এসব বিস্ফোরণ ঘটে। কাফরুল থানার সামনে একটি ফাঁকা বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে।
এদিকে, রাজধানী ঢাকায় দুইদিন ধরে একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার জন্য কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগকে দায়ী করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের ডিসি মোল্লা মো. শাহীন জানিয়েছেন, "আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশে এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতেই রাজধানীতে একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হচ্ছে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ