বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:১৩ পি.এম
অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজ হারানোর পরও অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে অসাধারণ প্রদর্শন করেছেন। তার এই সাফল্যের জন্য মিরাজকে পেছনে ফেলে ওয়ানডে অলরাউন্ডার র্যাঙ্কিংয়ে তিনি দ্বিতীয় স্থানে পৌঁছেছেন, যা এই রোডেশিয়ান অলরাউন্ডারের জন্য একটি বড় অর্জন।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আইসিসির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, রাজার বর্তমান রেটিং ২৭৬। আফগানিস্তানের অলরাউন্ডার আজমতউল্লাহ ওমরজাই ৩৩৭ রেটিং নিয়ে শীর্ষস্থানে রয়েছেন।
অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের সিরিজে রাজা সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন। শেষ দুই ম্যাচে তার ব্যাট থেকে এসেছে যথাক্রমে ৪৫ ও অপরাজিত ৮১ রান। সিরিজের শেষ ম্যাচে বল হাতে তিনি দুটি উইকেটও নেন।
ব্যাটিংয়ের ধারাবাহিকতায় ওয়ানডে ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে তিনি পাঁচ ধাপ এগিয়ে ২৪ নম্বরে অবস্থান করছেন। বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে অস্ট্রেলিয়ার নাথান এলিসও উন্নতি করেছেন।
জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে সিরিজে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি এই পেসার ওয়ানডে বোলারদের তালিকায় তিন ধাপ এগিয়ে ১৭ নম্বরে উঠেছেন। সিরিজের শেষ দুই ম্যাচে চার উইকেট নেওয়ার আগে, দ্বিতীয় ওয়ানডেতে তিনি ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডে পাঁচ উইকেট অর্জন করেন।
অস্ট্রেলিয়ার জয়ের আরেক নায়ক জশ ইংলিসও ব্যাটিং র্যাঙ্কিংয়ে ১১ ধাপ এগিয়ে ৩০ নম্বরে উঠেছেন। তিনি শেষ ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করেছেন, যা তার এই সংস্করণে দ্বিতীয় শতক।
টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে পরিবর্তন এসেছে। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভারতের সাফল্যের পর, জাপানের বিপক্ষে একমাত্র টি-টোয়েন্টিতে ম্যাচসেরা হন শ্রেয়াস আইয়ার। সব মিলিয়ে তিনি সাত ধাপ এগিয়ে টি-টোয়েন্টি ব্যাটারদের তালিকায় ২২ নম্বরে পৌঁছেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) র্যাগিং, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, শারীরিক হামলা এবং সিল জালিয়াতির ঘটনায় ৯৯ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শাস্তির মধ্যে রয়েছে এক শিক্ষাবর্ষ (দুই সেমিস্টার) ছাত্রত্ব স্থগিত, আবাসিকতা বাতিল, ভবিষ্যতে আবাসিকতার জন্য বিবেচনা না করা, কঠোরভাবে সতর্ক করা এবং অভিভাবকদের চিঠির মাধ্যমে শাস্তির বিষয়টি অবহিত করা।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই সিন্ডিকেট সদস্যের কাছ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪৯তম সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
সিন্ডিকেট সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের মোট ৯৯ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে র্যাগিংয়ের অভিযোগে ১৪ জন, সিল জালিয়াতির অভিযোগে ৩ জন এবং জুনিয়র কর্তৃক সিনিয়রের ওপর শারীরিক হামলার অভিযোগে ১ জনসহ মোট ১৮ শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া দুই শিক্ষার্থীর আবাসিকতা বাতিল করা হয়েছে। এক বছরের জন্য ছাত্রত্ব স্থগিত হওয়া ১৮ জনসহ মোট ২০ শিক্ষার্থীকে ভবিষ্যতে আবাসিকতার জন্য বিবেচনা না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া র্যাগিংয়ের দায়ে বিভিন্ন বিভাগের ৭৯ শিক্ষার্থীকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধে র্যাগিংয়ে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পৃক্ততা পেলে অধিকতর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের চিঠির মাধ্যমে উল্লিখিত শাস্তির বিষয়ে অবহিত করা হবে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ডিসিপ্লিনারি বোর্ডের সভা-২০২৬-এ উপস্থাপিত অভিযোগের তালিকা বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, শাস্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের ৩১ জন, ইতিহাস বিভাগের ১৮ জন, লোকপ্রশাসন বিভাগের ১৫ জন, ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের ১৩ জন, অ্যাগ্রোনমি অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালচার এক্সটেনশন বিভাগের ৭ জন, চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের ৪ জন, শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের ৪ জন, চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের ৪ জন, অর্থনীতি বিভাগের ২ জন এবং গ্রাফিক ডিজাইন, কারুশিল্প ও শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগের ১ জন রয়েছেন। সব মিলিয়ে এসব বিভাগে মোট ৯৯ জনকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমান বলেন, ডিসিপ্লিনারি বোর্ডের সুপারিশ অনুযায়ী র্যাগিং, বিভাগের মারামারি এবং সিল জালিয়াতির ঘটনায় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী বিষয়ে গতকাল অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় আলোচনা হয়েছে শুনেছি। তবে আমি সিন্ডিকেটের সদস্য না হওয়ায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে পারছি না।
তিনি বলেন, ডিসিপ্লিনারি বোর্ডের সুপারিশ বহাল থাকলে র্যাগিংয়ের ঘটনায় কেউ কঠোর শাস্তি, কেউ সতর্কতামূলক শাস্তি এবং কারও হলের আবাসিকতা স্থায়ীভাবে বাতিল হতে পারে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের পরিবারের কাছে চিঠি দিয়ে তাদের সন্তানদের বিষয়ে অবহিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
প্রক্টর আরও বলেন, শাস্তির উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের ধ্বংস করা নয়, বরং ভুল থেকে তাদের ফিরিয়ে এনে ভবিষ্যৎ জীবন সুন্দর করার সুযোগ দেওয়া। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের সংশোধনের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি অভিভাবকদেরও বিষয়গুলো সম্পর্কে অবহিত রাখতে চায়।
জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, র্যাগিংয়ের ঘটনায় ডিসিপ্লিনারি বোর্ডের সিদ্ধান্ত গতকাল সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপন করা হয়েছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে প্রায় শত শিক্ষার্থীকে র্যাগিংয়ের অভিযোগে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ এক বছরের জন্য ছাত্রত্ব স্থগিত, আবাসিকতা বাতিল ও কঠোর সতর্কতাসহ বিভিন্ন ধরনের শাস্তি রয়েছে।
উপাচার্য আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বার্তা থাকবে র্যাগিংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে কোনো ধরনের কম্প্রোমাইজ করবে না বর্তমান প্রশাসন। এছাড়াও আরও বেশকিছু বিভাগ উপকমিটিতে তদন্তনাধীন রয়েছে, পরবর্তী সিন্ডিকেটে তাদের বিষয়েও সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানান এ উপাচার্য।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় হতদরিদ্র পরিবারের প্রায় শতাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফুটবল, স্কুলব্যাগ এবং ছাতা বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার ১০ নম্বর হলতা গুলিশাখালী ইউনিয়নের ১০৪ নম্বর লক্ষণা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে এই উপহারসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
সমাজসেবক প্রবাসী ফয়সাল জোমাদ্দারের উদ্যোগে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানে ১৪১ নম্বর পশ্চিম লক্ষণা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ছালেহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে উপহারসামগ্রী তুলে দেন ফয়সাল জোমাদ্দারের বাবা এবং উপজেলা বিএনপি নেতা মো. আফজাল জোমাদ্দার। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষার্থীদের অভিভাবক, স্কুলের শিক্ষক এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি।
অনুষ্ঠানে আফজাল জোমাদ্দার মন্তব্য করেন, "আমার ছেলে ফয়সাল জোমাদ্দার করোনাকাল থেকে ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে থেকে সহযোগিতা করে আসছেন।"
উপহার পেয়ে শিক্ষার্থীরা আনন্দ প্রকাশ করে বলেছে, "আমরা গরিব পরিবারের সন্তান। তিনি আমাদের জন্য যে উপহার দিয়েছেন, তাতে আমরা অনেক খুশি।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়মিত নতুন রেকর্ড তৈরি করছে। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে বৈশিক গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় ১ দশমিক ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, যদি এই ধারা অব্যাহত থাকে, তাহলে চলতি বছরটি ইতিহাসের অন্যতম উষ্ণতম বছর হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে। শুধু তাই নয়, আসন্ন সুপার এল নিনো পরিস্থিতির কারণে আগামী বছরগুলোতে এই অবস্থার আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তারা।
একিউওয়েদারের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আসন্ন সুপার এল নিনোর কারণে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের তাপমাত্রা মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের আগস্টকে ইতিহাসের উষ্ণতম আগস্ট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সাধারণত জুলাই মাসটি বছরের উষ্ণতম মাস হলেও এ বছর আগস্ট জুলাইকে ছাড়িয়ে গেছে।
একিউওয়েদারের আবহাওয়াবিদ টাইলার রয়স জানান, বায়ুমণ্ডল ও মহাসাগরের সর্বত্র এই তাপমাত্রার ব্যাপক বিস্তার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এল নিনো দ্রুত শক্তিশালী হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়া ও বৃষ্টির ধরন সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারে।
এল নিনো হলো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ু চক্র, যা প্রতি দুই থেকে সাত বছর পরপর ঠান্ডা ও উষ্ণ দশার মধ্যে পরিবর্তিত হয়। এই উষ্ণ দশার সময় বিষুবীয় প্রশান্ত মহাসাগরের ভূপৃষ্ঠের উষ্ণতা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। মহাসাগরের এই বর্ধিত তাপশক্তি ধীরে ধীরে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে এবং চরম আবহাওয়ার সৃষ্টি করে।
যুক্তরাষ্ট্রের মেট অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ভবিষ্যতে প্রশান্ত মহাসাগরের উষ্ণতা ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।
বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি এবং প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের ঝুঁকিও বহুগুণ বেড়ে গেছে।
বিজ্ঞানীদের মতে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এই জলবায়ুসংকট মানবসভ্যতার জন্য বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনবে।
সূত্র: ডেইলি মেইল
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটির লংগদু উপজেলার নাজিমটিলায় রাতের অন্ধকারে জমি দখল ও ঘর নির্মাণের ঘটনা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ ও বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লংগদু জোনের সময়োপযোগী হস্তক্ষেপের ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে, যখন বিতর্কিত জমিতে জোরপূর্বক বসতি স্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছিল। আইনি প্রক্রিয়া এবং ভূমি অফিসের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওই জমিতে সব ধরনের কার্যক্রম ও অবস্থানে স্থিতাবস্থা জারি করা হয়েছে।
স্থানীয় ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন যে, লংগদুতে একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে জমি দখল বাণিজ্যে লিপ্ত রয়েছে। তারা এক এলাকার জমির চৌহদ্দি পরিবর্তন করে অন্য এলাকার নামে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে এবং পরে প্রকৃত মালিকদের উচ্ছেদে নানামুখী চাপ সৃষ্টি করে।
সম্প্রতি নাজিমটিলা এলাকায় একটি পরিত্যক্ত স্থানে রাতের অন্ধকারে ঘর নির্মাণ করে একটি পরিবার সেখানে অবস্থান নেয়। দখলকারীদের পক্ষে থাকা মো. সোলাইমান (৪৫) দাবি করেছেন, তিনি জমিটির মূল মালিক লহরী জীবন চাকমার (৪২) কাছ থেকে এটি ক্রয় করেছেন। অন্যদিকে, মাইনিমুখ এলাকার বাসিন্দা মো. শাহআলম (মিন্টু মাস্টার) জমিটিকে নিজস্ব সম্পত্তি দাবি করে আদালতে মামলা পরিচালনা করছেন।
আইনি জটিলতার কারণে জায়গাটি এতদিন পরিত্যক্ত ছিল। তবে গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় একটি পক্ষ বিরোধপূর্ণ সেই অর্ধেক নির্মিত ঘরটিতে সপরিবারে অবস্থান নিলে উত্তেজনা শুরু হয়। খবর পেয়ে পরদিন ২১ সেপ্টেম্বর লংগদু জোনের হরকুমার ক্যাম্পের সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ টহল দল স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে সরেজমিনে পরিদর্শনে যায়। সেনাবাহিনীর নির্দেশে দখলকারীরা স্বেচ্ছায় তাদের মালামাল সরিয়ে অন্যত্র চলে যান।
পরবর্তীতে ২২ সেপ্টেম্বর সকালে লংগদু জোনের প্রতিনিধি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং বিরোধে জড়িত উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে এক আপোশ-মীমাংসা সভার আয়োজন করা হয়। বৈঠকে উভয় পক্ষের জমির দলিল-দস্তাবেজ ও কাগজপত্র সংগৃহীত হয়।
জমির প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণের জন্য কাগজপত্রের সত্যতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে নথিপত্রসমূহ স্থানীয় ভূমি অফিসে পাঠানো হয়েছে। সেনা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ভূমি অফিসের আইনি প্রতিবেদন ও চূড়ান্ত নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত উক্ত জমি ও ঘর সম্পূর্ণ খালি থাকবে এবং কোনো পক্ষই সেখানে দখল বা বসবাস করতে পারবে না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ