বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:১৪ পি.এম
রাঙামাটির লংগদু উপজেলার নাজিমটিলায় রাতের অন্ধকারে জমি দখল ও ঘর নির্মাণের ঘটনা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ ও বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লংগদু জোনের সময়োপযোগী হস্তক্ষেপের ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে, যখন বিতর্কিত জমিতে জোরপূর্বক বসতি স্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছিল। আইনি প্রক্রিয়া এবং ভূমি অফিসের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওই জমিতে সব ধরনের কার্যক্রম ও অবস্থানে স্থিতাবস্থা জারি করা হয়েছে।
স্থানীয় ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন যে, লংগদুতে একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে জমি দখল বাণিজ্যে লিপ্ত রয়েছে। তারা এক এলাকার জমির চৌহদ্দি পরিবর্তন করে অন্য এলাকার নামে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে এবং পরে প্রকৃত মালিকদের উচ্ছেদে নানামুখী চাপ সৃষ্টি করে।
সম্প্রতি নাজিমটিলা এলাকায় একটি পরিত্যক্ত স্থানে রাতের অন্ধকারে ঘর নির্মাণ করে একটি পরিবার সেখানে অবস্থান নেয়। দখলকারীদের পক্ষে থাকা মো. সোলাইমান (৪৫) দাবি করেছেন, তিনি জমিটির মূল মালিক লহরী জীবন চাকমার (৪২) কাছ থেকে এটি ক্রয় করেছেন। অন্যদিকে, মাইনিমুখ এলাকার বাসিন্দা মো. শাহআলম (মিন্টু মাস্টার) জমিটিকে নিজস্ব সম্পত্তি দাবি করে আদালতে মামলা পরিচালনা করছেন।
আইনি জটিলতার কারণে জায়গাটি এতদিন পরিত্যক্ত ছিল। তবে গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় একটি পক্ষ বিরোধপূর্ণ সেই অর্ধেক নির্মিত ঘরটিতে সপরিবারে অবস্থান নিলে উত্তেজনা শুরু হয়। খবর পেয়ে পরদিন ২১ সেপ্টেম্বর লংগদু জোনের হরকুমার ক্যাম্পের সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ টহল দল স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে সরেজমিনে পরিদর্শনে যায়। সেনাবাহিনীর নির্দেশে দখলকারীরা স্বেচ্ছায় তাদের মালামাল সরিয়ে অন্যত্র চলে যান।
পরবর্তীতে ২২ সেপ্টেম্বর সকালে লংগদু জোনের প্রতিনিধি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং বিরোধে জড়িত উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে এক আপোশ-মীমাংসা সভার আয়োজন করা হয়। বৈঠকে উভয় পক্ষের জমির দলিল-দস্তাবেজ ও কাগজপত্র সংগৃহীত হয়।
জমির প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণের জন্য কাগজপত্রের সত্যতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে নথিপত্রসমূহ স্থানীয় ভূমি অফিসে পাঠানো হয়েছে। সেনা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ভূমি অফিসের আইনি প্রতিবেদন ও চূড়ান্ত নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত উক্ত জমি ও ঘর সম্পূর্ণ খালি থাকবে এবং কোনো পক্ষই সেখানে দখল বা বসবাস করতে পারবে না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরে পৃথক দুটি অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় আদালত চারজন আসামির বিরুদ্ধে শাস্তির রায় ঘোষণা করেছে। দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অন্য দুই আসামিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানান, সদর থানার স্কুলছাত্রী অপহরণ ও ধর্ষণের মামলায় আলামিন ও সাইদুর রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আলামিনকে ৩ লাখ টাকা এবং সাইদুর রহমানকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, দেওয়ানগঞ্জ থানার নাবালিকা অপহরণ মামলায় ১৪ বছর বয়সী আসামি স্বাধীনকে শিশু আইনের আওতায় ১০ বছরের আটকাদেশ প্রদান করেছে আদালত।
এছাড়া ইসলামপুর থানার অপহরণ মামলায় শ্রী জয় দাসকে পৃথক দুই ধারায় ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে, নতুন করে ১ হাজার ২৭০ জন সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হওয়া রোগীদের মধ্যে ১ হাজার ১৫৭ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা গেছে এবং ১১৩ জনকে নিশ্চিত হাম রোগী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এভাবে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট শনাক্ত হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪৪৯ জনে পৌঁছেছে, যার মধ্যে নিশ্চিত রোগী ২০ হাজার ৮৫১ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, একই সময়সীমায় হামের উপসর্গ নিয়ে সারাদেশে মোট ১ লাখ ৬২ হাজার ৪৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৬১২ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।
রোগীর মৃত্যুর সংখ্যা উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি, তবে উপসর্গে ১১ শিশু মারা গেছে। ১৫ মার্চ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৯৭৫ জন শিশু মারা গেছে, এবং নিশ্চিত হাম আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ১০১ জন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের ৬ষ্ঠ বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভাটি সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজন করা হয়।
ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
এ সময় ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান ইঞ্জি. গোলাম মোহাম্মদ আলমগীরসহ অন্যান্য পরিচালক ও উদ্যোক্তা শেয়ারহোল্ডাররা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে. এম. আওলাদ হোসেন, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিবিও নাসিম সিকান্দার, উপব্যবস্থাপনা পরিচালকদ্বয় এবং ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকের আর্থিক বিবরণী, নিরীক্ষিত স্থিতিপত্র, লাভ-লোকসান হিসাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট বছরের জন্য ৪ দশমিক ৫০ শতাংশ ডিভিডেন্ড অনুমোদন করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অ্যাটর্নি-জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে গিয়ে তিনি এই সৌজন্য সাক্ষাৎটি করেন।
সাক্ষাৎকালে, অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা জানান।
এ সময়, রাষ্ট্রের স্বার্থ ও আইনগত অধিকার সুরক্ষায় অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম এবং গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ ও পদক্ষেপ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি, দেশের সংবিধানের সর্বোচ্চতা ও মর্যাদা সমুন্নত রাখার পাশাপাশি আইনের শাসন ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা অব্যাহত রাখতে রাষ্ট্রের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানকে নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রের আইনগত স্বার্থ সংরক্ষণ, ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ, জনগণের অধিকার সুরক্ষা এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর ভূমিকা পালনের বিষয়েও মতবিনিময় হয়।
অ্যাটর্নি-জেনারেলকে তার দায়িত্ব পালনে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন রাষ্ট্রপতি।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ