বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১০:৩৮ পি.এম
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলায় অভিযুক্ত শ্রী হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে চার দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ আদালত দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) চার দিনের রিমান্ড শেষে হরিদাসকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক কে এম রাকিবুল হুদা আসামি হরিদাসকে কারাগারে আটক রাখার জন্য আবেদন জানান।
তদন্ত কর্মকর্তা তাঁর আবেদনে উল্লেখ করেন, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের সময় আসামির কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি জানান যে, তার ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিং (এমএফএস) হিসাবে জমা হওয়া অর্থ লেনদেন ও স্থানান্তরের বিষয়ে তথ্য প্রদান করেছেন, বর্তমানে যেগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামির জামিন হলে তদন্ত বিঘ্নিত হতে পারে, এমন মর্মে আবেদন করা হয়।
অপর দিকে, হরিদাসের আইনজীবী শ্যামল কুমার রায় জামিনের জন্য আবেদন জানান। এই সময় রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে।
শুনানির সময় অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম আসামির পেশা সম্পর্কে জানতে চাইলে, হরিদাস নিজেকে চাল ও ডালের ব্যবসায়ী বলে পরিচয় দেন। তিনি আদালতকে জানান, তার ব্যবসার লাইসেন্স রয়েছে এবং এলাকার একটি মন্দিরকে কেন্দ্র করে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে, গত ১৩ জুলাই আদালত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন। এই মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, শ্রী হরিদাস চন্দ্র একজন সাধারণ ব্যবসায়ী হলেও অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি হুন্ডি ও মুদ্রা পাচারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, তার নামে থাকা পাঁচটি ব্যাংক হিসাব ও চারটি এমএফএস হিসাবে সন্দেহজনক উৎস থেকে মোট ৯ কোটি ৩৫ লাখ ৩২ হাজার ৪৫১ টাকা জমা হয়েছে। অপরাধলব্ধ এই অর্থের লেনদেন ও হস্তান্তরের অভিযোগে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলাটি দায়ের করেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাম জানান, ২০০০ সালে ‘ঘর এক মন্দির’ ধারাবাহিকের সেটে তাঁদের প্রথম দেখা হয়। তিনি ধীরে ধীরে বুঝতে পারেন, গৌতমী তাঁর প্রথম বিয়েতে সুখী নন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
লঘুচাপের প্রভাবে আগুনমুখা, দারছিড়া, বুড়াগৌরাঙ্গ এবং রাবনাবাদ নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ৩ থেকে ৪ ফুট বৃদ্ধি পাওয়ার ফলস্বরূপ পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে জোয়ারের সময় চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের ভেঙে থাকা বেড়িবাঁধ দিয়ে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়ায় কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়ে যায়। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা কয়েক ঘণ্টা পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগের শিকার হন।
অন্যদিকে, সকাল থেকে রাঙ্গাবালী উপজেলায় কখনো রোদ অতিথি হয়েছে, কখনো মেঘলা আকাশ দেখা গেছে, আবার কখনো থেমে থেমে বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া বইতে দেখা গেছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে সমুদ্রে মাছ ধরা নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের গরুভাঙা, মধ্য চালিতাবুনিয়া, গোলবুনিয়া এবং বিবির হাওলা গ্রাম। জোয়ারের পানিতে এই এলাকার বসতবাড়ির আঙিনা, রাস্তাঘাট ও নিম্নাঞ্চল তলিয়ে যায়। অনেক পরিবার বাড়ি থেকে বের হতে সমস্যা অনুভব করে। কোথাও কোথাও উঠানের সঙ্গে ঘরের বারান্দা পর্যন্ত পানি উঠতে দেখা গেছে।
এদিকে উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরআন্ডাসহ বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলেও জোয়ারের পানি প্রবেশ করেছে। এতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। ভেঙে থাকা বেড়িবাঁধের মাধ্যমে পানি ঢুকে পড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তাদের আশঙ্কা, পরবর্তী জোয়ারেও একই পরিস্থিতি হতে পারে।
স্থানীয়দের ভাষ্য মতে, স্বাভাবিকের তুলনায় জোয়ারের পানি অনেক বেশি উচ্চতায় প্রবাহিত হওয়ায় অল্প সময়ের মধ্যে গ্রামগুলো প্লাবিত হয়। এতে বাড়িঘরের পাশাপাশি কৃষিজমি, পুকুর এবং চলাচলের সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
দুপুর দেড়টার দিকে ভাটা শুরু হলে ধীরে ধীরে পানি নামতে শুরু করে। বিকেলের দিকে অধিকাংশ এলাকা থেকে পানি নেমে গেলেও স্থানীয়রা ভেঙে থাকা বেড়িবাঁধ দ্রুত সংস্কার এবং স্থায়ী, টেকসই বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে চালিতাবুনিয়া এবং চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরআন্ডা এলাকার বাঁধ ভেঙে থাকার পরেও তা স্থায়ীভাবে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে জোয়ার এলেই বারবার উপকূলের মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সম্প্রতি, একটি সাক্ষাৎকারে রাঘবের সঙ্গে সম্পর্কের গুঞ্জন নিয়ে যখন শাহনাজ়কে প্রশ্ন করা হয়, তখন তিনি খুব স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কোনও প্রশ্নের উত্তর দিতে তিনি চান না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের হুথি আন্দোলনের নেতা আবদুল মালিক আল-হুথি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলকে বিশ্বের ‘অশুভ শক্তি ও অস্থিতিশীলতার উৎস’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি একই সঙ্গে অভিযোগ করেছেন যে, সৌদি আরব মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের অভীষ্টের বাস্তবায়নে নেতৃত্ব সহযোগিতা করছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভাষণে আল-হুথি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলই বিশ্বের অশুভ শক্তি এবং অস্থিতিশীলতার মূল উৎস।’ তিনি অভিযোগ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং তাদের সহযোগীরা যুদ্ধকে উসকে দিয়ে এবং ফিলিস্তিনসহ বিভিন্ন অঞ্চলের সম্পদের লুটপাট করে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির কাজ করছে।
আল-হুথির দাবি অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের সকল যুদ্ধের পিছনে রয়েছে তথাকথিত ‘গ্রেটার ইসরাইল’ প্রতিষ্ঠার জন্য জায়নবাদী প্রকল্প। তার বর্ণনায়, এই ধারণায় ইসরাইলের ভূখণ্ড মিসরের নীল নদ থেকে ইরাকের ইউফ্রেটিস নদী পর্যন্ত বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আবার অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল জোট আন্তর্জাতিক চুক্তি বা জাতিসংঘের প্রস্তাবকে সম্মান দেয় না। বরং, তারা বিভিন্ন জাতির বিরুদ্ধে গণহত্যা এবং সভ্যতা ধ্বংসকে উত্সাহিত করে।
ভাষণে হুথি নেতা সৌদি আরবেরও কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, মুসলিম বিশ্বের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান দুর্বল করার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সৌদি আরবের সহযোগিতা এখন ‘সম্পূর্ণ স্পষ্ট’।
আল-হুথি বলেন, ইয়েমেনের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের সামরিক অভিযান মানে বহু বছর ধরে চলছে এবং এর কোন আইনগত ভিত্তি নেই। বরং এটি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের প্রতি আনুগত্যের অংশ হিসেবে হচ্ছে।
চলমান সপ্তাহে হুথি এবং সৌদির সঙ্গে উত্তেজনা নতুন করে ছড়িয়ে পড়ে। গত সোমবার, হুথিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বোমাবর্ষণ করে রিয়াদ। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হুথি সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে তার প্রেক্ষিতে জবাব দেয়। এর ফলে সৌদি ও ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটির মধ্যে চার বছর ধরে চলতে থাকা যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ