শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৩৪ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় কেনা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রথম কার্গো দেশে এসে পৌঁছেছে। ‘এলএনজি জেনেভা’ নামের জাহাজে আসা এই তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের চালানটি সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) থেকে খালাস করা হয়েছে।
বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্রের এলএনজি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান গানভরের সঙ্গে ১৩ বছর মেয়াদি চুক্তির আওতায় মোট ১১৭ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, চলতি বছর দেশে আসবে মোট পাঁচটি এলএনজি কার্গো।
মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সরবরাহের বিকল্প উৎস নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি এই চুক্তি করেছে। এই চুক্তির ধারাবাহিকতায় প্রথম চালান নিয়ে ‘এলএনজি জেনেভা’ জাহাজটি বাংলাদেশে এসে পৌঁছায়।
জাহাজটি ১ লাখ ৪২ হাজার ৪০০ ঘনমিটার এলএনজি নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মহেশখালীর সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) পৌঁছায়। এদিন বিকেল ৪টা ১২ মিনিটে কার্গোটির খালাস কার্যক্রম শুরু হয়। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা দীর্ঘমেয়াদি এলএনজি চুক্তির প্রথম চালান দেশে সরবরাহ করা হলো।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামে ধরলা সেতুর ওপর একটি যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে কুড়িগ্রাম-ধরলা সেতুর ওপর এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতদের মধ্যে একজন হলেন, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার কাচিচর এলাকার নুর ইসলামের ছেলে খালিদ (২১) এবং অপরজন আফছারের ছেলে ফারুক (২৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, খালিদ ও ফারুক মোটরসাইকেলে করে কুড়িগ্রাম শহর থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। যখন তারা ধরলা সেতুর ওপর পৌঁছান, তখন ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস তাদের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এই ঘটনায় দুজনই গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। কিন্তু রংপুরে নেওয়ার পথে দুজনের মৃত্যু ঘটে।
কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার পর ঘাতক বাসটি পালিয়ে যায়। বাসটিকে এখনও আটক করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের উদ্দেশ্যে পাচারের জন্য নিয়ে যাওয়ার সময় রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে ২৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি কর্তৃক জব্দ করা হয়েছে। এই ঘটনায় পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি)-এর ১ নম্বর জিপি গেটের কাছে একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়।
হাবিলদার মো. এখলাছ উদ্দিনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে একটি সিএনজি থেকে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া ২৮ লাখ ৪৫ হাজার বাংলাদেশি টাকা উদ্ধার করা হয়। আটক হওয়া দুইজনের নাম নিথু মারমা (৩৩) ও সুপ্রিয় চাকমা (২০)। তাদের কাছ থেকে একটি স্মার্টফোন, একটি বাটন ফোন, দুটি সিম কার্ড এবং ব্যক্তিগত নগদ ২ হাজার ৯৬০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। সিএনজি অটোরিকশাটিও জব্দ করা হয়েছে।
বিজিবি জানিয়েছে, জব্দ করা মালামালের আনুমানিক মূল্য ৩৪ লাখ ৭০ হাজার ৩৬০ টাকা। আটক দুই ব্যক্তি, জব্দ করা টাকা, মালামাল ও সিএনজিটি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কাপ্তাই থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
কাপ্তাই ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাওসার মেহেদী মন্তব্য করেছেন যে, সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি চোরাচালান দমন, মাদকদ্রব্যের অবৈধ প্রবেশ ও পাচার রোধ এবং সীমান্তকেন্দ্রিক অপরাধ দমনে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
শিশুর বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে শরীরের আকারের পরিবর্তনের পাশাপাশি হৃদযন্ত্রের গঠন ও কার্যক্রমের ধরনও পরিবর্তিত হয়। অধিকাংশ শিশুর জন্য এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে যদি জন্মগত হৃদযন্ত্রের ত্রুটি, হৃদযন্ত্রের ভালভের সমস্যা, হৃদস্পন্দনের অনিয়ম অথবা হৃদপেশির অসুখ থাকে, তাহলে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, জন্মগত হৃদযন্ত্রের সমস্যা নিয়ে জন্মানো শিশুর বয়স বাড়ার সাথে সাথে তার হৃদযন্ত্রের পরিবর্তনগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। কারণ, ছোটবেলায় কোনো সমস্যা সামান্য মনে হলেও বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরের চাহিদা বেড়ে যাওয়ার কারণে নতুন করে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ কেন জরুরি?
নিয়মিত হৃদরোগের পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায় শিশুর হৃদযন্ত্র কতটা কার্যকরী, তার বৃদ্ধি, রক্তচাপ, হৃদস্পন্দনের ছন্দ এবং শারীরিক পরিশ্রম সহ্য করার ক্ষমতা সম্পর্কে।
প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসক হৃদযন্ত্রের ছবি তোলার পরীক্ষা, হৃদস্পন্দন পরীক্ষাসহ বিভিন্ন পরীক্ষা করতে পারেন। তবে প্রতিবার চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার সময় যে ওষুধ বা কোনো চিকিৎসা নিতে হবে, এমন নয়। অনেক সময় শিশুর অবস্থার পর্যবেক্ষণ করাই মূল উদ্দেশ্য থাকে। কোনো পরিবর্তন দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।
কোন লক্ষণগুলো দেখলে সতর্ক হবেন?
শিশুরা সবসময় নিজেদের শারীরিক সমস্যার কথা সঠিকভাবে বোঝাতে পারে না। তাই কিছু লক্ষণের দিকে অভিভাবকদের বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন।
যখন শিশুরা খেলাধুলার সময় বারবার বিশ্রাম নেয়, সামান্য পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে যায় অথবা অন্য শিশুদের তুলনায় কম সক্রিয় থাকে, তখন তা অনেক সময় স্বাভাবিক মনে হতে পারে। কিন্তু যদি এসব সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হয় বা কোনো স্পষ্ট কারণ না থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
বিশেষ করে দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত ক্লান্তি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা অজ্ঞান হওয়ার মতো অনুভূতি, দ্রুত হৃদস্পন্দন, শারীরিক পরিশ্রমের সময় বুকে অস্বস্তি, ঠোঁট নীলচে হয়ে যাওয়া অথবা বয়স অনুযায়ী ওজন না বাড়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
তবে এসব লক্ষণ শুধুমাত্র হৃদরোগের কারণে হয় না। অন্য কারণেও এমন উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তাই নিজে থেকে কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
ছোটবেলা থেকেই তৈরি করুন স্বাস্থ্যকর অভ্যাস
শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শিশুর হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে ছোটবেলা থেকেই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন।
শিশুর খাবারের তালিকায় ফল, শাকসবজি, গোটা শস্য, ডালসহ পুষ্টিকর খাবার রাখা উচিত। অন্যদিকে অতিরিক্ত লবণ, চিনি, প্যাকেটজাত খাবার ও মিষ্টি পানীয় যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা উচিত।
শিশুর বয়স ও শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী নিয়মিত খেলাধুলা, সাইকেল চালানো, সাঁতার কিংবা অন্যান্য শারীরিক কর্মকাণ্ডেও উৎসাহ দেওয়া দরকার। পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম ও পানি পান নিশ্চিত করতে হবে।
শিশুকে অন্যের ধূমপানের ধোঁয়া থেকেও দূরে রাখা জরুরি।
চিকিৎসা বা অস্ত্রোপচারের পরও বন্ধ নয় নজরদারি
জন্মগত হৃদরোগের চিকিৎসা বা অস্ত্রোপচার হয়ে যাওয়ার পর অনেক অভিভাবক মনে করেন, শিশুর আর চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু এমনটি করা ঠিক নয় বলে জানান ডা. লাহা।
তার মতে, স্কুলজীবন, কৈশোর ও পরবর্তী সময়ে শিশুর শরীরের চাহিদা বদলাতে থাকে। সেই অনুযায়ী ব্যায়াম, খাবার, ওষুধ কিংবা ভবিষ্যতের চিকিৎসা নিয়ে নতুন করে পরামর্শের প্রয়োজন হতে পারে। তাই চিকিৎসা বা অস্ত্রোপচারের পরও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাওয়া জরুরি।
শিশুকে ভয় নয়, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে উৎসাহ
হৃদযন্ত্রের সমস্যা থাকলেই শিশুকে সব ধরনের খেলাধুলা বা স্বাভাবিক জীবন থেকে দূরে রাখতে হবে—এমন নয়। বরং অভিভাবক, শিশু ও চিকিৎসকের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
শিশুকে অতিরিক্ত ভয় বা অযথা বিধিনিষেধের মধ্যে না রেখে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে উৎসাহ দিতে হবে। সঠিক খাবার, সক্রিয় জীবনযাপন, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং নিয়মিত চিকিৎসা-পর্যবেক্ষণই শিশুর ভবিষ্যৎ হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখার ভিত্তি তৈরি করতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বন্ধুর সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করার সময় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা স্বাভাবিক বিষয়। সঙ্গীর সঙ্গে ঝগড়া, অভিমান কিংবা তার আচরণ নিয়ে কাছের বন্ধুর কাছে পরামর্শ চাওয়া হতে পারে। তবে সব বিষয় বন্ধুকে জানানো সবসময় সম্পর্কের জন্য ইতিবাচক হতে পারে না।
মনোবিদদের মতে, সম্পর্কের কিছু বিষয় একান্তভাবে দুজনের মধ্যে থাকা উচিত। কারণ, আপনি হয়তো রাগের বশে বন্ধুকে কিছু বললেন, পরে সঙ্গীর সঙ্গে সবকিছু মিটে গেল। কিন্তু আপনার বন্ধু হয়তো সেই ঘটনা বা কথাগুলো মনে রাখতে পারে। তাই সম্পর্কের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে আলোচনা করার ক্ষেত্রে একটি সীমা থাকা অত্যাবশ্যক।
কোন কোন বিষয়গুলো বন্ধু বা কাছের মানুষদের জানানো উচিত নয়?
১. ঝগড়ার খুঁটিনাটি
দাম্পত্য বা প্রেমের সম্পর্কের মধ্যে মতবিরোধ হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু ঝগড়ার সময় সঙ্গী ঠিক কী বলেছেন, কতটা রেগে গিয়েছিলেন বা কী নিয়ে তর্ক হয়েছে—এসব কিছু বন্ধুদের জানানো সঠিক নয়।
কারণ, আপনি হয়তো পরদিনই সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলে ঝামেলা মিটিয়ে ফেললেন। কিন্তু আপনার বন্ধু হয়তো আপনার সঙ্গীর সেই রাগী বা খারাপ সময়ের আচরণই মনে রাখবেন। পরে দুজনের দেখা হলে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।
২. সঙ্গীর ব্যক্তিগত দুর্বলতা
সঙ্গী আপনার কাছে তার কর্মজীবন, পরিবার, অতীত, শারীরিক গঠন বা অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে এমন কিছু কথা বলেছেন, যা অন্য কারও সঙ্গে বলতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না।
আপনার কাছে এসব কথা বলা তার বিশ্বাসের প্রকাশ। তাই বন্ধুর সঙ্গে তা শেয়ার করার আগে ভাবুন, সঙ্গী আপনার পাশে থাকলে তিনি কি একই কথা অন্যের সামনে শুনতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন?
যদি উত্তর না হয়, তাহলে সেই ব্যক্তিগত দুর্বলতা নিয়ে বন্ধুর সঙ্গে আলোচনা করা বা হাসাহাসি না করাই ভালো।
৩. একান্ত ব্যক্তিগত মুহূর্ত ও অভ্যাস
প্রতিটি সম্পর্কেই এমন কিছু মুহূর্ত, খুনসুটি, স্মৃতি ও ব্যক্তিগত অভ্যাস থাকে, যা কেবল দুজন মানুষেরই জানা। এসব বিষয় সম্পর্কের বিশেষত্বের অংশ।
বন্ধুদের আড্ডায় এসব একান্ত ব্যক্তিগত কথা বলে ফেললে সঙ্গীর সম্মানে আঘাত লাগতে পারে। সম্পর্কের ভালো লাগা, বোঝাপড়া বা ভালোবাসার কথা বলা এক বিষয়; কিন্তু সেই সম্পর্কের একান্ত ব্যক্তিগত তথ্য অন্যকে জানানো সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।
৪. পরিবারের ঝামেলা ও বিবাদ
সঙ্গী নিজের মা-বাবা, ভাইবোন বা পরিবারের কাউকে নিয়ে রাগের সময় আপনার কাছে কিছু বলতে পারেন। সেই মুহূর্তের ক্ষোভ থেকে বলা কথাগুলো বন্ধুদের কাছে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত নয়।
কারণ, রাগের মাথায় মানুষ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অনেক কিছু বললেও পরদিন আবার সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে যেতে পারে। কিন্তু আপনি সেই কথাগুলো বন্ধুদের জানালে তাঁদের মনে ওই পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হতে পারে।
৫. সম্পর্কের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
বিয়ে, সন্তান নেওয়া, কর্মজীবনে পরিবর্তন বা অন্য শহরে চলে যাওয়ার মতো বিষয় নিয়ে দম্পতিদের মধ্যে আলোচনা হতে পারে। এসব আলোচনা অনেক সময় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়; বরং নিজেদের মধ্যে ভাবনা ও সম্ভাবনা নিয়ে কথাবার্তা।
কিন্তু এই প্রাথমিক চিন্তাগুলো বন্ধুদের জানালে তারা সেটিকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মনে করতে পারেন। পরে এ নিয়ে প্রশ্ন বা মতামত দিতে শুরু করলে নিজেদের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়াও জটিল হয়ে উঠতে পারে।
তাহলে সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে নিজেদের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা করার এবং প্রয়োজন হলে মত পরিবর্তনের স্বাধীনতা থাকা জরুরি।
সব কথা বলার প্রয়োজন নেই
বন্ধুত্বে খোলামেলা কথা বলা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সম্পর্কের ব্যক্তিগত সীমারেখা বজায় রাখাও অপরিহার্য। কোনো সমস্যা নিয়ে বন্ধুর পরামর্শ প্রয়োজন হলে পরিস্থিতির মূল বিষয়টি বলা যেতে পারে, কিন্তু সঙ্গীর ব্যক্তিগত দুর্বলতা, একান্ত মুহূর্ত বা ঝগড়ার খুঁটিনাটি প্রকাশ না করাই ভালো।
কারণ একটি সম্পর্ক শুধু ভালোবাসার ওপর নয়, পারস্পরিক বিশ্বাস ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার ওপরও দাঁড়িয়ে থাকে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ