ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আমরা যে শিরোনামটি দেই এই শিরোনামটি সেম রেখে অল্প একটু ঘুরিয়ে বানিয়ে দিবেন একটি শিরোনাম বানিয়ে দিন


আমরা যে শিরোনামটি দেই এই শিরোনামটি সেম রেখে অল্প একটু ঘুরিয়ে বানিয়ে দিবেন একটি শিরোনাম বানিয়ে দিন

কেপ ভার্দে ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্ক্যালোনির সামনে প্রশ্ন উত্থাপিত হয়, ‘রেফারিদের কাছ থেকে আর্জেন্টিনা কি বিশেষ সুবিধা পায়?’

এরপর আর্জেন্টিনা কেপ ভার্ডের সঙ্গে খেলেছে, পাশাপাশি মুখোমুখি হয়েছে মিশরের।

মিশরের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে আর্জেন্টিনার বিশেষ সুবিধা পাওয়ার ব্যাপারে বড় অভিযোগ উঠেছে। ম্যাচ শেষে মিশরের মিডফিল্ডার মোস্তজা জিকো বলেন, আর্জেন্টিনাকে জেতাতে তাদের একটি গোল বাতিল করে দেওয়া হয়। আবেগে ভেসে গিয়ে কোচ হোসাম হাসান আরো কঠোর ভাষা ব্যবহার করে মন্তব্য করেন, রেফারি ইচ্ছাকৃতভাবে ম্যাচ পরিচালনা করেছেন এবং ফিফা বাণিজ্যিক কারণে আর্জেন্টিনা ও লিওনেল মেসিকে টুর্নামেন্টে রাখতে চান।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

আর্জেন্টিনা মিশরের বিপক্ষে জিতে ৩-২ গোলে। কোয়ার্টার ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ হবে সুইজারল্যান্ড। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে রোববার সকাল ৭টায়। কানসাসে এই ম্যাচের সংবাদ সম্মেলনেও আর্জেন্টিনার বিশেষ সুবিধা পাওয়ার প্রসঙ্গ উঠে এসেছে।

জবাবে স্ক্যালোনি বলেন, ‘১৯৮৬ সালেও বলা হতো আমরা নাকি বিশেষ সুবিধা পাচ্ছি। তাই এটা নতুন কিছু নয়। আমি মনে করি, বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা সব সময়ই শক্তিশালী দল ছিল। এসব কথা আমরা খেলোয়াড়দের বোঝাতে ব্যবহার করি যে, অনেক মানুষ আছে যারা চায় না আর্জেন্টিনা জিতুক। এটা স্বাভাবিক, অন্য দলগুলোর ক্ষেত্রেও এমন মানুষ থাকে। হয়তো আমাদের না জিততে চাওয়া মানুষের সংখ্যা একটু বেশি। আমরা সেটাও মাথায় রাখি। খেলোয়াড়রা বিষয়টি বোঝে এবং এটাকে তারা আরও ভালো খেলার অনুপ্রেরণা হিসেবে নেয়।’

তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমান সময়ে ভিএআর প্রযুক্তি থাকায় কোনো দলকে সাহায্য করা খুবই কঠিন। আজকের দিনে ভিএআর থাকায় কাউকে সাহায্য করা খুব কঠিন। ভিএআরের ক্ষেত্রে দ্বৈত ব্যাখ্যার সুযোগ নেই।’

মিশরের বাতিল হওয়া গোল নিয়েও কথা বলেন তিনি। স্ক্যালোনি জানান, ‘লিসান্দ্রোর (মার্তিনেজ) পায়ের ওপর চাপ পড়েছিল। সেটা কম হোক বা বেশি, তবুও সেটা ফাউল। এটাকে অন্যভাবে ব্যাখ্যা করার কোনো সুযোগ নেই।’

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে বন্যা ও পাহাড়ধসে মৃ ত্যু র সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩৯, বিপর্যস্ত ৯ লাখ ২৮ হাজার মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৬ পি.এম


চট্টগ্রামে বন্যা ও পাহাড়ধসে মৃ ত্যু র সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩৯, বিপর্যস্ত ৯ লাখ ২৮ হাজার মানুষ

ভারী বৃষ্টির কারণে, পাহাড়ি ঢল ও আকস্মিক বন্যার প্রভাবে চট্টগ্রাম বিভাগে প্রাণহানির সংখ্যা চলতি পরিস্থিতিতে বেড়ে ৩৯ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচটি জেলায় প্রায় ৯ লাখ ২৮ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। বিস্তৃত এলাকা এখনও পানির নিচে রয়েছে, ফলে স্বাভাবিক জীবনযাপন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়ে পড়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদনে শুক্রবার (১০ জুলাই) উল্লেখ করা হয়েছে, সবচেয়ে বেশি ২৩ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে কক্সবাজারে। নিহতদের মধ্যে ১৩ জন রোহিঙ্গা রয়েছেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, চট্টগ্রামে আটজন, বান্দরবানে ছSix জন এবং রাঙ্গামাটিতে দুজন মারা গেছেন।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুসারে, গত কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের কারণে জেলার ১৬টি উপজেলাসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৪৮টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। জেলার ১৭৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বন্যার কবলে পড়েছে।

দুর্যোগ মোকাবিলায় ৬৭৩টি আশ্রয়কেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়েছে, যেখানে ২৩ হাজার ৮৫৩ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

বন্যাদুর্গতদের সাহায্যের জন্য সরকার ৭০০ টন চাল ও ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ৩০০ টন চাল, ৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা, ২২ হাজার ২৫০ প্যাকেট শুকনা খাবার এবং ১৮ হাজার ৩৩০ প্যাকেট রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়েছে। পরবর্তী ত্রাণ কার্যক্রমের জন্য আরও ৪০০ টন চাল ও ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা মজুত রয়েছে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বিকেল ৩টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১৫৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করে জানিয়েছে, ১২ জুলাই পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত কার্যকর রাখা হয়েছে।

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলায় বন্যার পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি অবনতি ঘটেছে। এই দুই উপজেলায় পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। গতকাল বাঁশখালীর বাহারছড়া ইউনিয়নে আকস্মিক বন্যার স্রোতে ভেসে গিয়ে আশিক (১১) ও মিরাজ (৬) নামে দুই শিশুর মৃত্যু ঘটেছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, দুর্গম উপকূলীয় অনেক ইউনিয়নে এখনও ত্রাণ পৌঁছায়নি। টানা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে, তাই ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সাতকানিয়া অংশ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) থেকে পানির নিচে রয়েছে। বর্তমানে যানবাহন চলাচল চালু থাকলেও পানি বাড়লে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সাঙ্গু ও ডলু নদীর পানি বৃদ্ধি এবং পাহাড়ী ঢলের কারণে সাতকানিয়ার বাজালিয়া, কেওচিয়া, ছদাহা, কালিয়াইশ, ধর্মপুর, খাগরিয়া, আমিলাইশ, ঢেমশা, নলুয়া, চরতি ও পুরানগড় ইউনিয়নের বিস্তৃত অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বন্যার পানিতে বসতঘর, কৃষিজমি, মাছের ঘের, বাজার ও গ্রামীণ সড়ক তলিয়ে গেছে। অনেক এলাকায় নৌকাই এখন একমাত্র যাতায়াতের মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশুদ্ধ জল এবং খাদ্যসংকটও তীব্র হয়ে উঠেছে।

ছদাহা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোরশেদুর রহমান জানিয়েছেন, ইউনিয়নের অন্তত পাঁচটি ওয়ার্ড পুরোপুরি পানির নিচে চলে গেছে। প্রায় ১ হাজার ৫০০.family ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন এক টন চাল বরাদ্দ দিলেও পানির কারণে তা এনে দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খন্দকার মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, চার লাখের বেশি মানুষ এখনও পানিবন্দি অবস্থায় আছেন। উপজেলার প্রায় অর্ধেক কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুর্গম এলাকায় সড়ক যোগাযোগ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন থাকায় সেখানে পৌঁছাতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। সেনাবাহিনী স্পিডবোট ব্যবহার করে ত্রাণ বিতরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

অন্যদিকে, বাঁশখালীর ১৪টি ইউনিয়নেই বন্যার পানি ছড়িয়ে পড়েছে। জোয়ারের পানিতে খানখানাবাদ, কাথারিয়া, বাহারছড়া, গণ্ডামারা, শেখেরখীল, সরল, ছনুয়া ও গুণাগরী ইউনিয়নের পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে।

স্থানীয়রা আরও দাবি করেছেন, হাজার হাজার কাঁচা ঘর ধসে পড়েছে। তিন দিন ধরে অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ নেই। বিশুদ্ধ পানি, শিশুখাদ্য এবং ওষুধের সংকটও প্রকট আকার ধারণ করেছে।

বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন বলেছেন, উপজেলায় প্রায় অর্ধেক এলাকা এখনও পানির নিচে রয়েছে। ১০০,০০০-এর বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ পর্যন্ত ৪৬ টন চাল, ৫,০০০ প্যাকেট শুকনা খাবার এবং ৬,০০০ মানুষের জন্য রান্না করা খাবার বিতরণ করা হলেও কয়েকটি এলাকায় এখনও পৌঁছাতে সক্ষম হয়নি।

এ দিকে, ফটিকছড়ি, রাউজান, হাটহাজারী, মিরসরাই ও আনোয়ারার নিম্নাঞ্চলেও বন্যার পানি ঢুকে বসতঘর, কৃষিজমি ও মাছের ঘেরের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

কক্সবাজারে বন্যার প্রভাবে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে চকরিয়া ও মাতামুহুরী এলাকায়। ১৮টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভা প্লাবিত হওয়ায় প্রায় তিন লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ফলে সড়ক যোগাযোগ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

বন্যার পানিতে নলকূপ তলিয়ে যাওয়ায় নিরাপদ খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক এলাকায় কোমর থেকে বুকসমান পানি থাকায় রান্নাঘর ডুবে গেছে এবং অসংখ্য পরিবার রান্না করতে পারছেন না।

ভারী বৃষ্টি, পাহাড়ধস এবং সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে রাঙামাটির সাজেক উপত্যকায় আটকে পড়া ৪৬১ জন পর্যটককে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। পানিতে তলিয়ে যাওয়া সড়ক নৌকায় পার করে পরে সড়কপথে তাদের গন্তব্যে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বান্দরবানের সব পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত আরও তিন দিন বাড়ানো হয়েছে। ফলে ১৫ জুলাই পর্যন্ত পর্যটন কেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকবে।

রিজিওনাল ইন্টিগ্রেটেড মাল্টি-হ্যাজার্ড আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেম (রাইমস) এবং বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের যৌথ বিশেষ পাহাড়ধস সতর্কতা বুলেটিনে বলা হয়েছে, বঙ্গোপসাগরে فعال মৌসুমি বায়ু এবং ভারতের উত্তর-পশ্চিম মধ্যপ্রদেশ ও এর কাছের এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে ১২ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাঁচটি জেলাকে পাহাড়ধসের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

৯ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে আগের ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ ২২৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে টেকনাফে ১৬৯ মিলিমিটার, রাঙ্গামাটিতে ১০৬ মিলিমিটার এবং কক্সবাজারে ৮৯ মিলিমিটার বৃষ্টির ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন। সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টি, বন্যা এবং পাহাড়ধসে চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় ৩০ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

টানা বর্ষণ ও উজানে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে খোয়াই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে হবিগঞ্জের তিন উপজেলার চার ইউনিয়নের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের কালীগঞ্জ এলাকায় নদীর বাঁধের একটি অংশ ভেঙে যায়। এতে সদর উপজেলার লস্করপুর ও পইল ইউনিয়ন, বাহুবল উপজেলার লামাতাশি ইউনিয়ন এবং বানিয়াচং উপজেলার মক্রামপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় প্লাবিত হয়েছে।

পানি বাড়তে থাকায় বহু পরিবার গবাদিপশু এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। বানিয়াচংয়ের রাধাপুর এলাকায়ও বাঁধ উপচে পানি প্রবেশ করেছে। শহর রক্ষা বাঁধের মছুলিয়া পয়েন্ট ঝুঁকির মুখে থাকায় স্থানীয়রা তা রক্ষার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

হবিগঞ্জ শহরের কামড়াপুর এবং দানিয়ালপুর এলাকাও প্লাবিত হয়েছে। হবিগঞ্জ-মিরপুর সড়কের কিছু অংশ পানির নিচে চলে যাওয়ায় যান চলাচল ও যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। পানি আরও বাড়লে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। দ্রুত নদীভাঙন প্রতিরোধ, যথাযোগ্য ত্রাণ বিতরণ এবং নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

টানা বর্ষণে বাগেরহাটের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পানির নিচে চলে যাওয়ায় জনজীবন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে বিরূপ প্রভাব পড়েছে। উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় মোংলা সমুদ্রবন্দরের জন্য ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রেখেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এদিকে, চট্টগ্রাম বিভাগে উদ্ধার এবং ত্রাণ কার্যক্রমকে আরও জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিকভাবে বন্যার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং জেলা প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।

এদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান শুক্রবার সাতকানিয়া ও বাঁশখালীর বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেছেন। একই সঙ্গে উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তিনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জেলা-উপজেলার হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩৪ পি.এম


জেলা-উপজেলার হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

জেলা-উপজেলার হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে সরকার আইন অনুযায়ী কাজ করছে, এ কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার, ১১ জুলাই, তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এই তথ্য তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে হওয়া প্রশ্নোত্তর পর্বে বিভিন্ন চিকিৎসকরা স্বাস্থ্যখাতে বিদ্যমান সমস্যাসমূহ এবং চলমান বিষয়গুলো প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে নেয়া বিভিন্ন পরিকল্পনা সম্পর্কে আলোচনা করেন।

তাছাড়া, চিকিৎসকদের শহরের পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকাতেও স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সমান গুরুত্ব দিতে আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী, যাতে রাজধানী কেন্দ্রিক চিকিৎসাসেবার ওপর নির্ভরতা কমে।

এর আগে, তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) ৮০ বছর পূর্তি ও ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। শনিবার সকালে সোয়া ১০টায় ঢামেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী, ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর আগমনের ফলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেতু ধসে বান্দরবান-রাঙামাটি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪৮ পি.এম


সেতু ধসে বান্দরবান-রাঙামাটি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার দুধপুকুরিয়া-পদুয়া এলাকায় টানা ভারী বর্ষণ ও বন্যার প্রবল স্রোতের কারণে একটি সেতু ধসে পড়েছে। এর ফলে বান্দরবান-রাঙামাটি সড়কপথে যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।

শনিবার (১১ জুলাই) সকালে বান্দরবান সদর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সেতু ধসে পড়ার কারণে কর্মস্থল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারী মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। দ্রুত বিকল্প পারাপারের ব্যবস্থা করার এবং নতুন সেতু নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছে।

খবর পেয়ে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ ও দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগামী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম এবং পার্বত্য অঞ্চলসহ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বন্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫২ পি.এম


আগামী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম এবং পার্বত্য অঞ্চলসহ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বন্যা

আগামী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম এবং পার্বত্য অঞ্চলসহ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির চিত্র দেখা যেতে পারে। কিন্তু উত্তরের নিম্নাঞ্চলে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা অস্থায়ী বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান এই বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘আগামী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামসহ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ও পার্বত্য অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হবে। তবে অতিভারি বর্ষণের কারণে রংপুর, রাজশাহী এবং ময়মনসিংহ বিভাগের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে, এবং সেটি অস্থায়ী বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে।’

দীর্ঘস্থায়ী বন্যার পরিস্থিতির সম্ভাবনা আপাতত নেই জানিয়ে এই প্রকৌশলী আরও বলেন, ‘বর্তমানে সাঙ্গু, কুশিয়ারা, মনু ও খোয়াই নদীর ছয়টি পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।’

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে সিলেটের জাফলংয়ে, যা ১৫৬ মিলিমিটার।

এদিকে, সকালে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ ড. মোহাম্মদ বজলুর রশিদ জানিয়েছেন, ‘বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ এখন অনেকটাই দুর্বল হয়ে গেছে। এই কারণে চট্টগ্রামসহ দক্ষিণ অঞ্চলে অতিভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কমে গেছে। সেইসঙ্গে ভারি বর্ষণের সতর্কবার্তা আজ থেকে তুলে নেয়া হচ্ছে।’

এই আবহাওয়াবিদ আরো বলেন, ‘পাহাড়ধস বা নতুন করে জলোচ্ছ্বাসের কোনো পূর্বাভাস বর্তমানে নেই। আগামী দু-একদিনের মধ্যে পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক হবে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%