ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুই বছর আত্মগোপনের পর মাকে দিয়ে ‘গুম’ মামলা তদন্তে উঠে এলো নতুন তথ্য


দুই বছর আত্মগোপনের পর মাকে দিয়ে ‘গুম’ মামলা তদন্তে উঠে এলো নতুন তথ্য

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে প্রায় দুই বছর আত্মগোপনে থাকার পর, মোস্তফা কামালের মাকে দিয়ে নিজের অপহরণ, হত্যা এবং মরদেহ গুমের অভিযোগে মামলা করানোর চাঞ্চল্যকর একটি ঘটনা পুলিশ উদ্ঘাটন করেছে। ওই মামলায় প্রধান আসামি হিসেবে চার মাস কারাভোগ করেন জামান মিয়া নামের এক ঠিকাদার। পরে পুলিশের তদন্তে গাজীপুর থেকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় 'নিখোঁজ' দেখানো যুবক মোস্তফা কামালকে।

মোস্তফা কামাল (২৮) ময়মনসিংহের শেরপুর জেলার একজন বাসিন্দা। বর্তমানে তাঁর পরিবার কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার লক্ষ্মীপুর এলাকায় নানাবাড়িতে বসবাস করছেন। মামলার ভুক্তভোগী জামান মিয়া বাজিতপুর উপজেলার পিরিজপুর এলাকার মৃত হাফিজ উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ জানাচ্ছে, মোস্তফা কামাল পেশায় রাজমিস্ত্রি এবং জামান মিয়া ঠিকাদার হিসেবে কাজ করেন। কাজের সূত্রে তাদের মধ্যে কয়েক লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। এক সময় পাওনা টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

অভিযোগ রয়েছে যে, পাওনা টাকা সংগ্রহের জন্য জামান মিয়া মোস্তফা কামালকে পিরিজপুরে নিয়ে গিয়ে একটি ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন। তারপর মোস্তফা বাড়ি না ফিরে, আত্মগোপনে চলে যান। দীর্ঘদিন ছেলের খোঁজ না পেয়ে মোস্তফার মাতা মনোয়ারা বেগম আদালতে অপহরণের অভিযোগে একটি পিটিশন দায়ের করেন, পরে আদালতের নির্দেশে কুলিয়ারচর থানায় মামলা হলে প্রধান আসামি জামান মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জামান মিয়া প্রায় চার মাস কারাবাসের পর জামিনে মুক্তি পান।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মঞ্জুরুল হক বলেন, তদন্তে ঘটনাটি সন্দেহজনক মনে হলে, তথ্যপ্রযুক্তি এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৯ জুলাই রাত ২টার দিকে গাজীপুরের গাছা থানার ডেগেরচালা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে মোস্তফা কামালকে উদ্ধার করা হয়। সেখানে তিনি রাজমিস্ত্রির কাজ করে এবং বিয়ে করে বসবাস করছিলেন।

তিনি জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মোস্তফা কামালের আত্মগোপনের বিষয়টি তাঁর পরিবারের সদস্যরা জানতেন। কিন্তু তারা পুলিশকে এই বিষয়ে কোনো তথ্য দেননি।

ভুক্তভোগী জামান মিয়া বলেন, 'মোস্তফা কামালের সঙ্গে আমার প্রায় চার লাখ টাকার লেনদেন ছিল। টাকা চাইলে সে আত্মগোপনে চলে যায়। পরে আমাকে হয়রানি করতে তাঁর মাতা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা গুমের মামলা করেন। আমি বিনা দোষে চার মাস জেল খেটেছি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচার চাই।'

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রশাসনের তৎপরতা: বিভাগীয় কমিশনার

এ বিষয়ে মোস্তফা কামাল ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য জানতে চাইলে তারা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি।

কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দিন বলেন, 'তদন্তে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে, গুমের অভিযোগে নিখোঁজ দেখানো যুবকটি আত্মগোপনে ছিলেন। তাঁকে আদালতে হাজির করে জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। পুরো ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিশোরী অন্তঃসত্ত্বার ঘটনায় ফরিদপুর সরকারি শিশু পরিবারের ৫ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৭ পি.এম


কিশোরী অন্তঃসত্ত্বার ঘটনায় ফরিদপুর সরকারি শিশু পরিবারের ৫ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত

ফরিদপুরে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীন সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা)-এর এক কিশোরী (১৪) অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় ধর্ষণের মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে শিশু পরিবারের পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তি মো. ওয়াহিদ শেখ (৫৪)। তিনি সরকারি শিশু পরিবারসংলগ্ন একটি বাজারে দর্জির দোকান চালান।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, কিশোরীটি শহরের টেপাখোলা এলাকার একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। শিশু পরিবার থেকে নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাতায়াতের সময় গত ৫ জানুয়ারি বিকেলে অভিযুক্ত ওয়াহিদ শেখ চকলেট দেওয়ার কথা বলে তাকে নিজের দোকানে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে আরও একাধিকবার একই ধরনের ঘটনা ঘটে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিলে গত ৬ জুলাই কিশোরীটিকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। পরীক্ষার পর চিকিৎসক জানান, সে ২৭ সপ্তাহ ২ দিনের অন্তঃসত্ত্বা।

এ ঘটনায় ফরিদপুর সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ও সরকারি শিশু পরিবারের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ আরিফ হোসেন বাদী হয়ে গত ৬ জুলাই ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় ধর্ষণের মামলা করেন।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে ৮ জুলাই অভিযুক্ত ওয়াহিদ শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার পর দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে গত ৮ জুলাই সরকারি শিশু পরিবারের পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করে সমাজসেবা অধিদপ্তর। তারা হলেন-সহকারী তত্ত্বাবধায়ক মো. হাবিবুর রহমান, কম্পিউটার অপারেটর আবীর দাস, মেট্রন-কাম-নার্স মনি আক্তার এবং আয়া শামসুন্নাহার আক্তার ও তানিয়া তাজরীন।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ওই পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার বিষয়ে বিভাগীয় তদন্তও চলছে।

জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ এহিয়াতুজ্জামান বলেন, আদালতের নির্দেশে কিশোরীটিকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীন নারী ও শিশু-কিশোরী হেফাজতিদের আবাসনকেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খাবার-ওষুধ নিয়ে মানুষের পাশে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৯ পি.এম


খাবার-ওষুধ নিয়ে মানুষের পাশে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জোবায়দা রহমানের নির্দেশনায় এবং নির্বাহী পরিচালক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে খাবার ও ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে।

শুক্রবার(১০ জুলাই) বিকালে নগরীর ষোলশহর রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় খাবার বিতরণের মাধ্যমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন চট্টগ্রামের চিকিৎসক ইউনিটের প্রধান অধ্যাপক ডা. জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং কর্মসূচির কো অর্ডিনেটর ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালীর পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-১০ সংসদীয় আসনের এমপি সাঈদ আল নোমান।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন মনিটর(কৃষি) অধ্যাপক ড. এহসানুল হক রোকন, চট্টগ্রামের চিকিৎসক ইউনিটের কার্যকরী সদস্য অধ্যাপক ডা. তমিজ উদ্দিন আহমেদ মানিক, অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মনিরুল ইসলাম প্রমুখ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রকৃতি ও উন্নয়নকে সঙ্গে নিয়েই এগোতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৫ পি.এম


প্রকৃতি ও উন্নয়নকে সঙ্গে নিয়েই এগোতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু মন্তব্য করেছেন যে, উন্নয়ন ও প্রকৃতি একসাথে হাতে হাত রেখে চলবে।

মন্ত্রী বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে উন্নয়ন প্রকৃতির সাথে সহাবস্থানে হবে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং মানব কল্যাণ হবে একই পথের সহযাত্রী।

আজ শুক্রবার বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তনে ব্র্যাক ব্যাংক এবং তরুপল্লব আয়োজিত 'দ্বিজেন শর্মা পরিবেশ পদক-২০২৫' অনুষ্ঠানে পদক প্রাপ্তদের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেন পরিবেশমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘প্রকৃতি সংরক্ষণ এখন আর কোনো বিকল্প নয়; এটি আমাদের জাতীয় দায়িত্ব। আজকের সম্মাননাপ্রাপ্তরা প্রমাণ করেছেন, একজন মানুষের নিষ্ঠা ও উদ্যোগও পরিবেশে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে এবং অন্যদের অনুপ্রাণিত করতে পারে। প্রকৃতি রক্ষার এই প্রচেষ্টা সমাজ জুড়ে ছড়িয়ে দিতে হবে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নির্দেশনায় এবং সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আমরা ‘ন্যাশনাল গ্রিন মিশন’ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছি। এর আওতায় আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা পরিবেশ সংরক্ষণে একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ নেবে। মন্ত্রী পদকপ্রাপ্তদের ‘সবুজ ভবিষ্যতের নির্মাতা’ ও ‘নীরব পরিবেশ যোদ্ধা’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, তাদের এই নিষ্ঠা ও উদ্যোগ সমাজ জুড়ে পরিবেশ রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে এবং অন্যদের অনুপ্রাণিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

উল্লেখ্য, দ্বিজেন শর্মা পরিবেশ পদক -২০২৫ পেয়েছেন জীববৈচিত্র্য গবেষণায় অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুজ্জামান (নিসর্গ পুরস্কার), টেকসই কৃষি চর্চায় ‘প্রাণ বৈচিত্র্য খামার’ (জীববৈচিত্র্য পুরস্কার), তৃণমূল পর্যায়ে বৃক্ষরোপণে মো. বাদশা মিয়া (বৃক্ষসখা সম্মাননা), ডিজিটাল মাধ্যমে পরিবেশ সচেতনতা সৃষ্টিতে উম্মে কুলসুম পপি (সবুজ সারথী সম্মাননা), প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভিদ গণনায় সুমাইয়া মারিয়ম (নবীন নিসর্গী সম্মাননা) এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে অধ্যাপক ড. কাজী আহসান হাবিব (পরিবেশ কীর্তিমান সম্মাননা)।

অনুষ্ঠানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক, ব্র্যাক ব্যাংক ও তরুপল্লবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, পরিবেশবিদ, গবেষক এবং গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ময়মনসিংহে যুবক আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৯ পি.এম


শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ময়মনসিংহে যুবক আটক

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলায় চকলেট খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে আট বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার সাথে জড়িত প্রতিবেশী সুমন আহমেদ (২৫) কে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতার করা যুবক মুক্তাগাছা উপজেলার মানকোন ইউনিয়নের নিমুরিয়া (মধ্যপাড়া) এলাকার বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত। বৃহস্পতিবার তাকে গ্রেফতার করে শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন ধর্ষণের ঘটনা স্বীকার করেছেন।

শিশুটির পরিবার, পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার বিকালে শিশুটি বাড়ির নিকট খেলছিল। সেই সময় সুমন তাকে চকলেট খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে পাশের একটি নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটির মুখ চেপে ধরে তাকে ধর্ষণ করা হয়। এই ঘটনার পর সুমন শিশুটিকে প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে কাউকে না বলার জন্য চাপ দেয়।

ঘটনার পর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। কিছু হয়েছে কি না জিজ্ঞাসা করলেও শিশুটি চুপ ছিল। পরে রাতে শিশুটির জ্বর চলে আসে।

প্রতিবেশী শিশুরা বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে খেলার জন্য ডাকতে এলে সে অসুস্থতার কথা জানায়। একসময়ে অন্য একটি শিশুকে ধর্ষণের বিষয়টি সে বলার সাহস পায়। ওই প্রতিবেশী শিশু অন্য কয়েকজনকে বিষয়টি জানালে, এক পর্যায়ে বিষয়টি শিশুটির মায়ের কাছে পৌঁছায়। তখন মেয়েকে জিজ্ঞাসা করায় সে ঘটনা বিস্তারিত ভাবে জানায়। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে সুমনকে আটক করে মারধর শুরু করে। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে পৌঁছে সুমনকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

শিশুটির মা ওই ঘটনার পর বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে মুক্তাগাছা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। ভুক্তভোগী শিশুটিকে জবানবন্দির জন্য শুক্রবার আদালতে পাঠানো হয়েছে। শনিবার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

শিশুটির মা বলেন, ‘ঘটনার পর থেকে আমার মেয়ের পেটে ব্যথা। সে কিছু খেতে পারে না। কিন্তু সে ভয়ের কারণে আমাদের কিছু জানায়নি। গতকাল আমরা যখন ঘটনাটি জানতে পারলাম, তখন এলাকার লোকজন সুমনকে ধরে পুলিশের কাছে পৌঁছে দেয়। আমার দুই মেয়ের মাঝে এই মেয়ে বড়। আমার মেয়ের সাথে যে অন্যায় হয়েছে, এর উপযুক্ত বিচার চাই।’

মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে আট বছর বয়সী একটি শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। প্রথমে লোকলজ্জা ও ভয়ের কারণে শিশুটি ঘটনাটি কাউকে জানায়নি, তবে পরে খেলার ছলে আরেক শিশুকে বিষয়টি জানায়।

ওসি আরও জানান, গ্রেফতার হওয়া আসামি সুমন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের অভিযোগটি স্বীকার করেছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%