ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে: মাহদী আমিন


প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে: মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। ব্যবসায়ী ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের গ্যাস সরবরাহ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির পর এই মন্তব্য করা হয়েছে।

মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্য ছিল শিল্প-কারখানা যেন আবার সচল হয় এবং বাংলাদেশের অগ্রগতি যেন ধাবমান থাকে, সেটা নিশ্চিত করা।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ের ‘করবী’ হলে আয়োজিত সরকারের এক মাসের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নিয়ে বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

তিনি উল্লেখ করেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি দেশের প্রধান ব্যবসা ও শিল্প সংগঠনের শীর্ষ ২১ জন নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমের একাংশের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। সেখানে তিনি গ্যাস সরবরাহের সংকট কাটিয়ে পরিস্থিতি দ্রুততম সময়ে বাস্তবতার নিরিখে ফিরিয়ে আনা সর্বোচ্চ উদ্যোগ গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেখেছি, অত্যন্ত স্বল্প সময়ে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস বাস্তবতায় মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে, গ্যাসের সরবরাহ অনেকটাই বেড়েছে। গ্যাসের যে দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখেছি সামনের দিনে সে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকবে।’

প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা বলেন, ‘এক মাস ধরে সরকারের যে বহুমুখী কল্যাণকর কর্মযজ্ঞ বাস্তবায়িত হচ্ছে, তা কেবল একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার সাফল্য নয়, বরং একটি সমৃদ্ধ মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার।’

তিনি বলেন, ‘প্রথাগত শাসনপদ্ধতির ভেড়াজাল ভেঙে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া, আইনের অনুশাসন প্রতিষ্ঠা, রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী যে দায়বদ্ধতা ও পরিকল্পনার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন, তা দেশের গণ্ডি ফেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও প্রশংসিত হচ্ছে।’

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

মাহদী আমিন বলেন, ‘বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ এখন বিশ্বের একটি স্থিতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। মূল্যস্ফীতিও ইতিবাচক ধারায় যাচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমেছে এবং বিশ্বের অনেক দেশ, এমনকি আশপাশের দেশের তুলনায় বাংলাদেশে ডিজেলের দামও কম।’

সরকারের বিভিন্ন অর্জন তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কক্সবাজারে ব্লু ইকোনমি নিয়ে গবেষণার জন্য একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘এখন কোথায় যায়া ঠাঁই নিমু! শেষ সম্বলটুকুও কাড়ি নিল রাক্ষসী’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৫ পি.এম


‘এখন কোথায় যায়া ঠাঁই নিমু! শেষ সম্বলটুকুও কাড়ি নিল রাক্ষসী’

উত্তরের পাঁচটি জেলায় তিস্তার ভাঙন আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেছে, এবং জিও ব্যাগ ও বালুর বস্তা ফেলেও ভাঙন প্রতিরোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। পানি উন্নয়ন বোর্ড রংপুর অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবীব জানিয়েছেন, গত সাত দিনে রংপুর, গাইবান্ধা, লালমনিহাট, নীলফামারী ও কুড়িগ্রাম জেলায় তিস্তার ভাঙনে ৩৮৬টি ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

তিনি আরও জানান, ভাঙন থেমে নেই, বরং এই পাঁচ জেলার ১১৩টি পয়েন্টে ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। তিনি বলেন, ভাঙন প্রতিরোধে পর্যাপ্ত বরাদ্দ না থাকায় প্রতিরোধ করা যাচ্ছে না। আমরা মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি জানিয়ে দিয়েছি।

তিস্তা নদীর ভাঙনের কারণে প্রতিদিনই বসতবাড়ি নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। এর ফলে নদীতীরবর্তী মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বসতভিটা হারিয়ে অনেক পরিবার এখন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের সিংগীজানী ও ভোরের পাখি এলাকায় সম্প্রতি হঠাৎ ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, কয়েকদিন ধরে তিস্তা নদীতে স্রোতের চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছিল। হঠাৎ স্রোতের তীব্রতা বেড়ে নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভাঙন শুরু হয়। অল্পসময়ের মধ্যে নদীর পাড়ের মাটি ধসে পড়তে থাকে এবং একের পর এক বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

ভাঙন এতটাই আকস্মিক ছিল যে, অনেক পরিবার ঘরের আসবাবপত্র, ধান-চাল, কাপড়চোপড় ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরিয়ে নেওয়ারও সুযোগ পায়নি। নদীপাড়ের বাসিন্দারা চোখের সামনে বসতভিটা ও ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হতে দেখে অসহায় হয়ে পড়েছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সদস্যরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা তিস্তার ভাঙনের সঙ্গে লড়াই করে আসছেন। কেউ কয়েকবার বসতভিটা পরিবর্তন করেছেন, আবার কেউ নদীর পাড়ে নতুন করে ঘর তুলেছেন। কিন্তু এবার আকস্মিক ভাঙনে অনেকের সেই শেষ আশ্রয়টুকুও নদীতে চলে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম বলেন, "হঠাৎ করে নদীর পাড় ভাঙতে শুরু করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঘরবাড়ি নদীতে চলে যায়। ঘরের অনেক মালামাল বের করারও সুযোগ হয়নি।"

আহাদ মিয়া নামে আরেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য বলেন, "সারা জীবনের কষ্টে তৈরি করা ঘর চোখের সামনে নদীতে চলে গেছে। এখন কোথায় থাকব, কীভাবে পরিবার নিয়ে চলব-কিছুই বুঝতে পারছি না।"

ভাঙনের কারণে শুধু বসতবাড়ি নয়, নদীর তীরবর্তী ফসলি জমি, গাছপালা ও অন্যান্য স্থাপনাও হুমকির মুখে পড়েছে। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, ভাঙন অব্যাহত থাকলে আরও পরিবার তাদের বসতভিটা হারাতে পারে।

এদিকে, ভাঙনের খবর পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঈফফাত জাহান তুলি। তিনি ভাঙন কবলিত এলাকা ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেন এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেন।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম জানান, ভাঙন প্রবণ এলাকায় তাৎক্ষণিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুড়িগ্রামের উলিপুর ও রাজাহাট উপজেলায় একই অবস্থা বিরাজ করছে, গত সাত দিনে এই দুই উপজেলায় ৮০টি ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। নদী পাড়ের মানুষ চোখের সামনে তাদের স্বপ্নে গড়া ঘরবাড়ি বিলীন হতে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ছে। গবাদিপশু ও ছেলেমেয়ে নিয়ে তারা এখন কোথায় থাকবেন এই চিন্তায় দিশেহারা।

লালমনিরহাটের পাঁচটি উপজেলাতেও তিস্তা ভাঙছে, এবং এই নদীর ভাঙন থামছে না। পানি কমা-বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের লালমনিরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল রায় বলেন, "আমরা কিছু জায়গায় ভাঙন প্রতিরোধে জিও ব্যাগ ফেলেছি, কিন্তু স্থায়ী ভাঙন রোধের জন্য বরাদ্দ না থাকায় কিছুই করা সম্ভব নয়।"

স্থানীয় খুলিয়াগাছ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খায়রুজ্জামান বাদল বলেছেন, "আগ্রাসী তিস্তা কোনোভাবেই থামছে না, প্রতিদিনই ভাঙছে নদী।"

রংপুরের পীরগাছা, কাউনিয়া ও গঙ্গাচড়া উপজেলায়ও একইভাবে ভাঙন চলছে। গত সাত দিনে এই তিন উপজেলার ৫৩টি বসতবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী হাফিজ উদ্দিন। তিস্তাপাড়ের মানুষের কান্নায় আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠছে। তারা বলছেন, "আমরা চাই না কোন ত্রাণ চাই, আমরা চাই স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ।"

সরেজমিনে দেখা যায়, নীলফামারীর ভাঙন কবলিত এলাকার শত শত পরিবার নদীর তীরে খোলা জায়গায় দিন কাটাচ্ছে। রান্না বা খাবারের কোনো ব্যবস্থা নেই। কেউ কেউ উঁচু বাঁধ ও স্বজনের আঙিনায় অমানবিক দিন কাটাচ্ছেন; জরুরি ভিত্তিতে তাদের জন্য তাঁবু ও শুকনা খাবার প্রয়োজন।

চর খরিবাড়ির বাসিন্দা আব্দুল করিম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "এখন কোথায় যায়া ঠাঁই নিমু! ঘর তোলার শেষ সম্বলটুকুও কাড়ি নিল রাক্ষসী তিস্তা। দুই বছরে ছয়বার নদী ভাঙার পর এই জায়গাত কোনোমতে মাথা গুঁজে আছনু। সেটাও চলি গেছে নদীত। হামারঘরে দুঃখ দেখার মতো কেউ নাই। চোখের সামনত ঘর দুইটা নদীত চলি গেল, কিছুই করবার পানু না।"

তিস্তার এই আগ্রাসী রূপ নিয়ে ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, "তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ছাড়া কোনোভাবেই এই ভাঙন ঠেকানোর সম্ভব নয়। তাই আমরা যত দ্রুত সম্ভব ২০২৭ সালের শুরুতেই নিজস্ব অর্থায়নে হলেও তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করতে চাই। অন্যথায় এই অঞ্চলের মানুষের দুঃখ কষ্ট কোনোভাবেই লাঘব হবে না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের যুদ্ধজাহাজে পাকিস্তানি জাহাজের ধাক্কা, নয়াদিল্লি চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্সকে তলব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৫ পি.এম


ভারতের যুদ্ধজাহাজে পাকিস্তানি জাহাজের ধাক্কা, নয়াদিল্লি চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্সকে তলব

আন্তর্জাতিক জলসীমায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে ভারতীয় নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধজাহাজ এবং পাকিস্তানি একটি জাহাজের মধ্যে। এ বিষয়ে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাকিস্তানি হাইকমিশনের চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স সাদ আহমেদ ওয়ারাইচকে তলব করেছে।

নয়াদিল্লি এই ঘটনার জন্য অগ্রহণযোগ্য ও অপেশাদার শব্দ ব্যবহার করেছে। একইসঙ্গে, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিও প্রকাশ করেছে। খবর এনডিটিভির

বিবৃতিতে নয়াদিল্লি উল্লেখ করেছে যে, পাকিস্তানি নৌ-জাহাজের আচরণ ১৯৯১ সালে স্বাক্ষরিত চুক্তির ১০ নম্বর অনুচ্ছেদের সরাসরি লঙ্ঘন। উক্ত চুক্তিতে সামরিক মহড়া, কৌশলগত কার্যক্রম এবং সৈন্য চলাচলের বিষয়ে আগাম নোটিশ প্রদানের নিয়মাবলি নির্ধারিত রয়েছে।

এছাড়া, পাকিস্তানের চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্সকে জানানো হয়েছে যে, তিনি বিষয়টি সংশ্লিষ্ট পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সব সামরিক ইউনিটের যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন এবং উভয় পক্ষের মধ্যে প্রাসঙ্গিক চুক্তির শর্তাবলি মেনে চলার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।

পাকিস্তানি কূটনীতিককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন তিনি ভারতের বার্তাটি পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৌঁছে দেন।

সূত্রমতে, এই ঘটনা ঘটেছে ১৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায়। ভারতের সম্মুখসারির একটি যুদ্ধজাহাজ উত্তর আরব সাগরে নিয়মিত নজরদারি অভিযানে ছিল, তখন পাকিস্তানের একটি জাহাজ খুব কাছাকাছি চলে আসে।

সূত্রগুলো জানায়, ওমানের প্রায় ২২০ কিলোমিটার পূর্বে পাকিস্তানি যুদ্ধজাহাজটি ভারতীয় জাহাজটিকে অত্যন্ত কাছ ঘেঁষে অতিক্রম করে, যা 'গার্জিং' বা বিপজ্জনকভাবে পাশ দিয়ে দ্রুত চলে যাওয়া হিসেবে পরিচিত। পাকিস্তানি জাহাজটি অপেশাদার ও অনিরাপদ কৌশলে ভারতের যুদ্ধজাহাজের দিকে এগিয়ে যায়, যার ফলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

উল্লেখযোগ্য যে, এ ধরনের ঘটনা এর আগেও ঘটেছে। ২০১১ সালের জুন মাসে পাকিস্তানের নৌবাহিনীর জাহাজ ‘বাবর’ এবং ভারতের নৌবাহিনীর জাহাজ ‘গোদাবরী’-র মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের সভায় ইলেকট্রিক ট্রেন প্রকল্পের অনুমোদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৬ পি.এম


জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের সভায় ইলেকট্রিক ট্রেন প্রকল্পের অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ইলেকট্রিক ট্রেন প্রকল্পের অনুমোদন লাভ করেছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত একনেকের এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-জয়দেবপুর রুটে চলাচল করবে এই ইলেকট্রিক ট্রেন। ৩ হাজার ৮২২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পের ২০৩১ সালে চালুর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

একনেক সভায় তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্পেরও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে- মেট্রো রেল লাইন-৫ সাউদার্ন রুট, মেট্রো রেল লাইন-১ এবং মেট্রো রেল লাইন-৫ নর্দান রুট।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, তিনটি মেট্রো রেল প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা।

প্রকল্পগুলোর মধ্যে জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে এমআরটি লাইন-১ (বিমানবন্দর-কমলাপুর) ও এমআরটি লাইন-৫ নর্দান (হেমায়েতপুর-ভাটারা) প্রকল্পের সংশোধিত ব্যয় প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এছাড়া, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ অর্থায়নে নতুন এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন (গাবতলী-দাশেরকান্দি) প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তথ্যমন্ত্রী: সরকারের গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৬ পি.এম


তথ্যমন্ত্রী: সরকারের গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা নেই

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান জানিয়েছেন, সরকারের গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা নেই। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের উদ্দেশ্য হচ্ছে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারকে সমুন্নত রেখে দায়িত্বশীল পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এই কথা বলেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত আন্দালিভ রহমানকে তথ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান।

সাক্ষাৎকালে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার, ভুল তথ্য ও অপতথ্য মোকাবিলা এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

আন্দালিভ রহমান বলেন, বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে কাজ করছে। তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) বিরোধী দলের সংবাদ প্রচারের উদাহরণ তুলে ধরেন।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং স্বাধীন গণমাধ্যমের পরিবেশ বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে মানহানিকর বক্তব্য, ভুল তথ্য ও অপতথ্যের বিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, বিগত ১৭ বছরে তাদের অভিজ্ঞতা ভালো ছিল না। তবে বর্তমান সরকার সৎ উদ্দেশ্যে রাষ্ট্র পরিচালনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

সাইবার সুরক্ষা আইন প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারের গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা নেই। সরকারের দায়িত্বশীল পদক্ষেপগুলো গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারকে সমুন্নত রেখেই নেওয়া হয়েছে।

ভুল তথ্য ও অপতথ্য প্রতিরোধে অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময়ের গুরুত্বারোপ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন।

তিনি বলেন, ভুল তথ্য ও অপতথ্যের কারণে সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি করে অপপ্রচার চালানো হয়। নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হয়। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক ক্রমাগত আরও শক্তিশালী হচ্ছে। ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ সম্পর্ক সম্প্রসারিত হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

রোহিঙ্গা জনগণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত অর্থনৈতিক সহায়তার কথাও তুলে ধরেন ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের সহায়তায় স্বাস্থ্য খাতে সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে বিশেষ সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%