বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৫৬ পি.এম
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান জানিয়েছেন, সরকারের গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা নেই। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের উদ্দেশ্য হচ্ছে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারকে সমুন্নত রেখে দায়িত্বশীল পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এই কথা বলেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত আন্দালিভ রহমানকে তথ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান।
সাক্ষাৎকালে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার, ভুল তথ্য ও অপতথ্য মোকাবিলা এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
আন্দালিভ রহমান বলেন, বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে কাজ করছে। তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) বিরোধী দলের সংবাদ প্রচারের উদাহরণ তুলে ধরেন।
তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং স্বাধীন গণমাধ্যমের পরিবেশ বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে মানহানিকর বক্তব্য, ভুল তথ্য ও অপতথ্যের বিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, বিগত ১৭ বছরে তাদের অভিজ্ঞতা ভালো ছিল না। তবে বর্তমান সরকার সৎ উদ্দেশ্যে রাষ্ট্র পরিচালনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
সাইবার সুরক্ষা আইন প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারের গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা নেই। সরকারের দায়িত্বশীল পদক্ষেপগুলো গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারকে সমুন্নত রেখেই নেওয়া হয়েছে।
ভুল তথ্য ও অপতথ্য প্রতিরোধে অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময়ের গুরুত্বারোপ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন।
তিনি বলেন, ভুল তথ্য ও অপতথ্যের কারণে সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি করে অপপ্রচার চালানো হয়। নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হয়। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক ক্রমাগত আরও শক্তিশালী হচ্ছে। ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ সম্পর্ক সম্প্রসারিত হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
রোহিঙ্গা জনগণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত অর্থনৈতিক সহায়তার কথাও তুলে ধরেন ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের সহায়তায় স্বাস্থ্য খাতে সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে বিশেষ সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
টানা তিন বছর দেশের বাইরে অনুষ্ঠিত হওয়ার পর, ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) নিলাম আবারও ভারতে ফিরছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) ২০২৭ আইপিএলের মিনি-নিলাম ভারতের মাটিতে আয়োজনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
মঙ্গলবার আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের বৈঠকে এই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়। তবে, নিলামের নির্দিষ্ট তারিখ এবং ভেন্যু এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি।
২০২৩ সালে কোচিতে ভারতের মাটিতে সর্বশেষ আইপিএলের নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর ২০২৪ সালের নিলাম দুবাই, ২০২৫ সালের নিলাম জেদ্দা এবং ২০২৬ সালের নিলাম আবুধাবিতে আয়োজন করা হয়। এবার ২০২৭ আসরের মিনি-নিলাম ফের ভারতে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বিসিসিআই কর্তৃক।
বিদেশে নিলাম আয়োজনের ফলে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর জন্য অতিরিক্ত যাতায়াত, থাকা এবং ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিভিন্ন জটিলতা সৃষ্টি হয়। দলগুলোর পক্ষ থেকে আপত্তি ওঠার পর, ভারতের কোনো শহরে নিলাম আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানায় ক্রিকবাজ।
তবে, ভেন্যু নির্ধারণে নতুন করে ভাবনা চিন্তা করতে হচ্ছে বিসিসিআইকে। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারতে বিয়ের মৌসুম থাকায়, পাঁচ তারকা হোটেলে পর্যাপ্ত কক্ষ পাওয়া নিয়ে সমস্যা হতে পারে। ফলে, ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর থাকার ব্যবস্থা বিবেচনায় নিয়ে শহর ও ভেন্যু চূড়ান্ত করা হবে।
ক্রিকবাজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৭ সালের মিনি-নিলাম সাধারণত ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে অনুষ্ঠিত হতে পারে। যদিও এখনো নির্দিষ্ট কোনো তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।
এদিকে, আইপিএলের বহুল আলোচিত ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ নিয়ম নিয়েও মঙ্গলবারের বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি। বিষয়টি নিয়ে আগামী মাসে আবারও গভর্নিং কাউন্সিলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠকের পর নিয়মটি বহাল থাকবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
এছাড়া, ২০২৮ সালের আইপিএলের মেগা নিলাম আবারও ভারতের বাইরে আয়োজনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানায় ক্রিকবাজ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় পুলিশের বিশেষ চেকপোস্টে দেহ তল্লাশি পরিচালনা করে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ দুইজনকে আটক করেছে থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে কলারোয়া বাজারের গরুর হাট মোড় সংলগ্ন ব্রিজের ওপর পুলিশের বিশেষ চেকপোস্টে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চেকপোস্টে দায়িত্ব পালনকালে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের দেহ তল্লাশি করা হয়। এই সময় মো. বেলাল হোসেন ও মো. সাজু সানাকে আটক করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড, যা স্কয়ার গ্রুপের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান, জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদনকারীরা আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: সেলস অফিসার
বিভাগ: কোল্ড চেইন বিজনেস
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি পাস
অন্যান্য যোগ্যতার মধ্যে রয়েছে, ডিস্ট্রিবিউটর ও আউটলেট পর্যায়ে ফ্রিজার/তাপমাত্রা বজায় রাখা এবং পরিচ্ছন্নতা তদারকিতে দক্ষতা।
অভিজ্ঞতার প্রয়োজনীয়তা: প্রার্থীদের জন্য কমপক্ষে ১ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে, তবে অভিজ্ঞতা না থাকলেও আগ্রহীরা আবেদন করতে পারবেন।
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: ১৮ থেকে ৩০ বছর
কর্মস্থল নির্ধারণ করা হয়েছে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং কুমিল্লায়।
বেতন: আকর্ষণীয় ও প্রতিযোগিতামূলক বেতন
অন্যান্য সুবিধা: কোম্পানির নীতিমালা অনুযায়ী সুবিধাদি প্যাকেজ প্রদান করা হবে।
আবেদন করার নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাহিরা খান ৪১ বছর বয়সে দ্বিতীয়বার মা হতে চলেছেন। ১৭ বছর পর তিনি আবার মাতৃত্বের স্বাদ নিতে যাচ্ছেন। সম্প্রতি কানাডার টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নিজের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর প্রকাশ্যে এনে, এই নতুন জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি কথা বলেছেন।
মাহিরা প্রথমবার মা হন ২৪ বছর বয়সে। তার তৎকালীন স্বামী আলি আসকারির সঙ্গে ছেলে আজলানের জন্ম হয়। ২০০৭ সালে তাদের বিয়ে হয়েছিল, যা ২০১৫ সালে বিচ্ছেদের দিকে গড়ায়। এরপর ২০২৩ সালে ব্যবসায়ী সেলিম করিমকে বিয়ে করেন মাহিরা। দ্বিতীয় বিয়ের প্রায় তিন বছর পর এবার তাদের ঘরে আসছে নতুন অতিথি।
টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে মাহিরা শুধু চলচ্চিত্র নিয়ে আলোচনা করেননি, বরং সেখানেই তার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টিও সবার সামনে আসে। উৎসবের একটি আলোচনায় তিনি দক্ষিণ এশিয়ার গল্প ও শিল্পীদের বিশ্ব চলচ্চিত্রে আরও বেশি জায়গা পাওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও কথা বলেন।
তবে ব্যক্তিগত বিষয় প্রকাশ্যে আনার সিদ্ধান্তটি তার জন্য সহজ ছিল না। মাহিরা জানান, তিনি সাধারণত ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব বেশি কথা বলতে পছন্দ করেন না। তাই অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আনা নিয়ে কিছুটা অস্বস্তি ছিল তার।
এছাড়া পোশাক নিয়েও চিন্তায় ছিলেন তিনি। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় লালগালিচায় হাঁটার অভিজ্ঞতা তার জন্য একেবারেই নতুন। শেষ পর্যন্ত নিজের পরিবর্তিত শরীরকে লুকিয়ে রাখার পরিবর্তে সেটিকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
উৎসবে মাহিরা গাঢ় রঙের শাড়ি পরেছিলেন। শাড়িটির নকশায় ছিল সূক্ষ্ম কারুকাজ। সঙ্গে ছিল কাজ করা ওড়না, বড় কানের দুল, সাজসজ্জা এবং খোলা বেণি।
নিজের দুইবারের মাতৃত্বের অভিজ্ঞতার তুলনা করে মাহিরা বলেন, এবারের অভিজ্ঞতা অনেকটাই ভিন্ন। ২৪ বছর বয়সে যখন প্রথমবার মা হয়েছিলেন, তখন তার মধ্যে এক ধরনের সরলতা ছিল। স্বাস্থ্যও ভালো ছিল এবং ভবিষ্যতে কী হতে পারে, তা নিয়ে খুব বেশি ভাবতেন না।
কিন্তু এবার বয়স ৪১। ফলে শারীরিক ও মানসিক—দুই দিক থেকেই বিষয়টি তার কাছে বেশি কঠিন মনে হচ্ছে। মাহিরার ভাষায়, এখন এমন অনেক দিন আসে যখন তার শরীর সেভাবে সাড়া দেয় না, যেভাবে তার মন কাজ করতে চায়। অথচ তিনি নিয়মিত কাজ, ভ্রমণ ও ব্যস্ত জীবনে অভ্যস্ত।
শুধু শারীরিক পরিবর্তন নয়, মানসিকভাবেও এবারের অভিজ্ঞতা আলাদা বলে জানান তিনি। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জীবনের মূল্য ও ভঙ্গুরতা সম্পর্কে তার সচেতনতা বেড়েছে। ফলে আনন্দের পাশাপাশি ভয়, ক্লান্তি ও দুর্বলতার অনুভূতিও কাজ করছে।
মাহিরা বলেন, দ্বিতীয়বার মা হওয়ার এই সময়টিতে তার জীবন আগে থেকেই অনেকটা গুছানো ছিল। বড় হয়ে যাওয়া ছেলে, নিজের কাজ, দৈনন্দিন জীবন ও স্বাধীনতা—সবকিছুর সঙ্গে তিনি অভ্যস্ত ছিলেন। জীবনের এই পর্যায়টি কেমন হবে, সে সম্পর্কে তার নিজের একটি ধারণাও ছিল।
কিন্তু এত বছর পর আবার মাতৃত্বের পথে হাঁটবেন—এটি তিনি আগে থেকে ভাবেননি। তবে এই অপ্রত্যাশিত পরিবর্তনকে এখন জীবনের একটি শিক্ষা হিসেবে দেখছেন মাহিরা। তার উপলব্ধি, জীবনের সবকিছু আগে থেকে পরিকল্পনা করে রাখা সম্ভব নয়। অনেক সময় মানুষ একভাবে পরিকল্পনা করে, কিন্তু জীবন অন্যভাবে এগিয়ে যায়।
নিজের এই অভিজ্ঞতা সম্পর্কে মাহিরা বলেন, সবকিছু নিজের মতো করে নিয়ন্ত্রণ করার প্রয়োজন নেই—জীবন যেদিকে নিয়ে যায়, সেটিও গ্রহণ করতে হয়।
টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে মাহিরার উপস্থিতি তাই একই সঙ্গে তার পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনের দুটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হয়ে উঠেছে—একদিকে বিশ্বমঞ্চে পাকিস্তানি ও দক্ষিণ এশীয় চলচ্চিত্রের প্রতিনিধিত্ব, অন্যদিকে ১৭ বছর পর আবার মাতৃত্বের পথে যাত্রা।
সূত্র: ডাউন নিউজ, দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ