বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৩৭ পি.এম
কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর, নিকলী, কুলিয়ারচরসহ আশেপাশের উপজেলার নদী বেষ্টিত হাওরগুলোতে অসাধু ব্যবসায়ীরা স্টীলবডি নৌকা ব্যবহার করে বালি আনলোড করার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রশাসন ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ জেল-জরিমানা করার পরেও এসব ব্যবসায়ীরা আবারও বেপরোয়া ভাবে ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে বালি আনলোড করছে বলে স্থানীয়দের মধ্যে অভিযোগ রয়েছে।
জানা গেছে, বাজিতপুর পৌরসভাসহ আশেপাশের নদী বেষ্টিত ইউনিয়নগুলোতে দিনে এবং রাতে একটি প্রভাবশালী মহল নদী থেকে বালি আনলোড করছে। একই উপজেলার পৌর শহরের বিভিন্ন স্থানে গত কয়েক মাস ধরে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালি আনলোডের কারণে এলাকাবাসীর মধ্যে প্রশাসনের প্রতি অসন্তোষ সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানা গেছে।
নিকলী উপজেলার দামপাড়া, শিংপুর ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকায় ধনু নদী ও ঘোড়াউত্রা নদীর মোহনায় রাতের বেলায় ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে বালি আনলোড করার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া দিনের বেলায় বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা অন্য একটি উপজেলা থেকে বালি আনলোড করার ফলে বৃষ্টির সময় ঐসব এলাকায় অস্থায়ীভাবে পানি জমে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হওয়ার উপক্রম হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।
অন্যদিকে কুলিয়ারচর উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে বালি স্টীলবডি নৌকা দিয়ে আনলোড করা হচ্ছে। এ উপজেলা সদরের পাশে জিল্লুর রহমান সেতুটি বর্তমানে হুমকির মুখে পড়েছে বলে এলাকাবাসীর ধারণা। বাজিতপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ সিদ্দিকুর রহমান গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, "আমরা অভিযান পরিচালনা করছি। কিন্তু বালি উত্তোলন বন্ধের বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ দিচ্ছে না।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন যে, বাংলাদেশকে ফ্যাসিস্টদের হাত থেকে মুক্তি ও গণতন্ত্র ফিরে পাওয়ার জন্য অনেক বেশি মূল্য দিতে হয়েছে। তিনি এই মন্তব্যটি করেছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনকালে এবং একটি সংক্ষিপ্ত প্রামাণ্যচিত্র দেখার সময় আবেগাপ্লুত হয়ে। রাষ্ট্রপতি বলেন, "রাষ্ট্র কখনোই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদ ও আহতদের ঋণ শোধ করতে পারবে না।"
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে রাষ্ট্রপতি জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে পৌঁছান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী রাহাত আরা বেগম। জাদুঘরে পৌঁছানোর পর সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাদুঘরের মহাপরিচালকসহ রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাঁকে স্বাগত জানান।
দর্শনার্থীর টিকিট সংগ্রহ করে জাদুঘরে প্রবেশ করার পর রাষ্ট্রপতি ‘লংওয়াক টু ডেমোক্রেসি’ ওয়াকওয়ে ঘুরে দেখেন। সেখানে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার বিভিন্ন ধাপের ঐতিহাসিক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
এরপর রাষ্ট্রপতি দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনে শহিদদের স্মরণে নির্মিত মেমোরিয়াল ও রেপ্লিকা আয়নাঘর পরিদর্শন করেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদ ও আহতদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি জাদুঘর প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারাও রোপণ করেন।
জাদুঘরের বিডিআর ম্যাসাকার, শাপলা ম্যাসাকার, নির্যাতনের সামগ্রী এবং জোরপূর্বক গুমের বিভিন্ন সেকশনও ঘুরে দেখেন রাষ্ট্রপতি। সেখানে শহিদদের চিঠি, স্মারক ও বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্ন দেখে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি এবং শিক্ষার্থী-জনতার আন্দোলন ও সংগ্রামের বিভিন্ন চিত্র দেখার পর রাষ্ট্রপতি জাদুঘরের মনসুন থিয়েটারে একটি সংক্ষিপ্ত প্রামাণ্যচিত্র দেখেন। প্রামাণ্যচিত্র চলাকালীন সময়ে তাঁকে অশ্রুসিক্ত ও আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়।
পরিদর্শন শেষে রাষ্ট্রপতি জাদুঘরের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। সেখানে তিনি বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা আমাদের সবার দায়িত্ব।”
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, “ফ্যাসিস্টদের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছি, গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি, কিন্তু এর জন্য মূল্য দিতে হয়েছে অনেক বেশি। রাষ্ট্র কখনোই এই শহিদ ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের ঋণ শোধ করতে পারবে না।”
তিনি বলেন, “এ দেশে যেন আর কোনোদিন এ ধরনের মর্মান্তিক ও নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞ না ঘটে।”
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস যথাযথভাবে তুলে ধরতে স্মৃতি সংরক্ষণ ও জাদুঘরের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলেও রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, বৈষম্যহীনতা ও মানবিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা সবার দায়িত্ব।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদ ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি তাঁদের আত্মত্যাগকে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের সংগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ও আত্মোৎসর্গকারী ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
রাষ্ট্রপতি শহিদদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত সবার দ্রুত সুস্থতা ও কল্যাণ কামনা করেন। শহিদদের আত্মত্যাগ এবং আহতদের ত্যাগ ও সাহসের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি তাঁদের পরিবারের প্রতিও সমবেদনা প্রকাশ করেন।
পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রপতিকে জাদুঘরের বিভিন্ন স্থাপনা ও দলিলপত্র সম্পর্কে ব্রিফ করেন জুলাই জাদুঘরের গবেষণা দলের সদস্য জুবায়ের ইবনে কামাল ও ফারহান মাসুদ।
এ সময় জুলাই জাদুঘর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলি, আবরার ইলিয়াস ও মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা এক হাজারের বেশি হয়ে গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম এবং হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ২ জনে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ১০০ জন নিশ্চিতভাবে হাম আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন এবং ৯০২ জনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য ও নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে একজন ঢাকা বিভাগের এবং দুজন ময়মনসিংহ বিভাগের। এই সময়ে নিশ্চিত হাম শনাক্ত রোগীর মধ্যে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ১১৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে পরীক্ষায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৬৯ জনের শরীরে। ফলে হাম ও এর উপসর্গ মিলিয়ে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ১৮৮ জন।
বিভাগভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ৪৯৬ জন, চট্টগ্রামে ২২০ জন, সিলেটে ১৮৩ জন, বরিশালে ১৩৮ জন, খুলনায় ৫৯ জন, ময়মনসিংহে ৪১ জন, রাজশাহীতে ৩৫ জন এবং রংপুরে ১৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন হামের উপসর্গ নিয়ে।
একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ৩৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৯৬৯ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৫৮০ জনের শরীরে। একই সময়ে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১৯ হাজার ৯০৪ জনের। সব মিলিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৮৪ জনে।
এ সময়ের মধ্যে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৯৩ জন। চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৮১৯ জন।
আক্রান্তের সংখ্যার দিক থেকে ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ বিভাগে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৭২ হাজার ৩৮ জনের এবং নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১২ হাজার ১৯৫ জনের শরীরে। সন্দেহজনক হামে এ বিভাগে মৃত্যু হয়েছে ৪০৪ জনের।
চট্টগ্রাম বিভাগ আক্রান্তের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। এখানে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৩২ হাজার ৯৩৬ জনের এবং নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৭১১ জনের শরীরে। বরিশাল, সিলেট, খুলনা, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগেও হাম ও হামের উপসর্গের রোগী শনাক্ত হয়েছে।
সন্দেহজনক হাম রোগীর মৃত্যুর ক্ষেত্রে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগে বেশি চাপ লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলা এবং ঢাকা জেলায় সন্দেহজনক হামে মৃত্যুর সংখ্যা বেশি।
এদিকে হাম-রুবেলা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ে এ কর্মসূচিতে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৬৪ জন। এর বিপরীতে টিকা পেয়েছেন ১ কোটি ৯৭ লাখ ৪৬ হাজার ৭৭৩ জন। ফলে জাতীয় পর্যায়ে টিকাদানের কাভারেজ ১০৯ দশমিক ৬ শতাংশে পৌঁছেছে।
বিভাগগুলোর মধ্যে টিকাদানের কাভারেজ সবচেয়ে বেশি ময়মনসিংহে, ১১৫ শতাংশ। সিলেটে সবচেয়ে কম ১০৪ দশমিক ৩ শতাংশ হলেও সেখানে টিকাদানের কাভারেজ ১০০ শতাংশের বেশি।
সিটি করপোরেশন এলাকায় টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৯ লাখ ৫ হাজার ৯৫০ জন। এর বিপরীতে টিকা পেয়েছেন ২০ লাখ ৬৯ হাজার ৯১১ জন। এসব এলাকায় টিকাদানের কাভারেজ ১০৮ দশমিক ৬ শতাংশ। এর মধ্যে গাজীপুর সিটি করপোরেশনে সর্বোচ্চ ১১৫ দশমিক ৭ শতাংশ এবং রংপুর সিটি করপোরেশনে সর্বনিম্ন ৯৯ দশমিক ৯ শতাংশ কাভারেজ হয়েছে।
হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। শিশুদের মধ্যে এ রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। চলমান সংক্রমণের মধ্যে আক্রান্ত ও উপসর্গযুক্ত রোগীর সংখ্যা এবং মৃত্যুর হিসাব স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিয়মিতভাবে প্রকাশ করছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের উদ্যোগে ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরে অসহায় দুস্থ, গরীব মানুষ এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে।
যবুধবার(৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ১৩৯ জন সুবিধাভোগীর মাঝে ১৭ লাখ ৩০ হাজার টাকার চেক আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।
সুবিধাভোগীদের মধ্যে অসহায় ও দুস্থদের চিকিৎসা সহায়তা এবং গরীব ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনার জন্য এই অর্থ প্রদান করা হয়।
টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ওই চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এসএম ওবায়দুল হক নাসির।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব শামছুন নাহার স্বপ্না।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট এসএম ওবায়দুল হক নাসির বলেন, ‘জেলা পরিষদ সবসময়ই সাধারণ এবং অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছে। মেধা বিকাশ ও দুস্থদের চিকিৎসায় এই অনুদান সামান্য হলেও তাদের জীবনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।’
জেলা পরিষদের এই ধরনের মানবিক ও সামাজিক কল্যাণমূলক কার্যক্রম আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের অন্যান্য কর্মকর্তা, কর্মচারী, গণমাধ্যমকর্মী এবং উপকারভোগী ও তাদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলে জেলা পরিষদের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো নতুন ডাকবাংলোর নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে টাঙ্গাইল শহরের মেইন রোডে অবস্থিত মা ও শিশু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পশ্চিম পাশে এই ডাকবাংলোর নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম ওবায়দুল হক নাসির।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রশাসক উল্লেখ করেন, জেলা পরিষদের পুরাতন ডাকবাংলোটি দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল এবং এটি মাদকের আখড়ায় পরিণত হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর, আমরা এ ডাকবাংলোটি নতুন করে নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি। এর ধারাবাহিকতায় আজ ১০ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৬ তলা বিশিষ্ট ভবন উদ্বোধন করা হলো। তিনি জানান, আগামী এক বছরের মধ্যে এই ডাকবাংলোর কাজ শেষ হবে।
তিনি আরও বলেন, জেলা পরিষদের আওতাধীন এই ডাকবাংলো নির্মাণের ফলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের আবাসন সুবিধা বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি, জেলার গুরুত্বপূর্ণ কাজে আগত অতিথিদের জন্যও এটি সহায়ক হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামছুন নাহার স্বপ্না, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক কাজী শফিকুর রহমান লিটন, জেলা রেড ক্রিসেন্টের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক শাহীনসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী ও জেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার বিভিন্ন সংবাদকর্মী।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ