বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৩৯ পি.এম
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে নীলু ড্রাইভার নামে পরিচিত এক বাড়ির কেয়ারটেকারের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক রয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার হরিণহাটি এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে।
ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নীলফামারী জেলা থেকে জীবিকার তাগিদে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে আসেন শফিকুল ইসলাম ও তার স্ত্রী ময়না বেগম। তারা পরে হরিণহাটি এলাকায় লেহাজ উদ্দিনের বাসায় ভাড়া নিয়ে একমাত্র সন্তানকে নিয়ে বসবাস শুরু করেন। উক্ত দম্পতি স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত। তাদের কিশোরী মেয়ে স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করে।
বুধবার সকালে, বাবা-মা কাজের জন্য চলে যান এবং কিশোরী মাদরাসায় যায়। দুপুরে মাদরাসা ছুটি শেষে কিশোরী বাড়িতে ফিরে আসে। এ সময় বাড়ির কেয়ারটেকার নীলু ড্রাইভার ঘরে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দেয়। অভিযোগ রয়েছে যে, পরে গামছা দিয়ে কিশোরীর মুখ বেঁধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে সে।
পরবর্তীতে কিশোরীকে অচেতন অবস্থায় ঘরে ফেলে রেখে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। বিকেলে কারখানা থেকে ফিরে ময়না বেগম ঘরের দরজা বন্ধ দেখতে পান। দরজা ধাক্কা দিয়ে ভেতরে ঢুকে তিনি মেয়েকে অচেতন ও বিবস্ত্র অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন।
পরে পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী কিশোরীকে উদ্ধার করে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশও হাসপাতালে উপস্থিত হয়।
ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, এর আগে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ওই কেয়ারটেকার তাদের হুমকি দিয়েছে। এ ঘটনায় কয়েক দিন আগে তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগও করা হয়েছিল।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জমির নামজারি বা খতিয়ান খোলার সরকারি ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে এক তহশিলদারের বিরুদ্ধে।
অভিযুক্ত মোহাম্মদ আবদুস সোবাহান ওই ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মরত আছেন। সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা চাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, পৃথক চারটি জমির দলিলের বিপরীতে নামজারি বা নতুন করে খতিয়ান খুলে দিতে এক সেবাগ্রহীতার কাছে ৭০ হাজার টাকা দাবি করছেন মোহাম্মদ আবদুস সোবাহান। এ সময় ওই সেবাগ্রহীতা আপত্তি জানিয়ে বলেন, ‘১ হাজার ১৫০ টাকার কাজে ৭০ হাজার টাকা লাগবে কেন? এত টাকা দিতে হলে তো জমি বিক্রি করতে হবে।’ জবাবে তহশিলদার সার্ভেয়ার-কানুনগোসহ মোট আটটি টেবিলের খরচের হিসাব তুলে ধরেন।
পরে দুটি দলিলের বিপরীতে একটি খতিয়ান খুলে দিতে ২০ হাজার টাকায় চুক্তি হয়। এরপর ওই সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে নগদ ১০ হাজার টাকা নেন আবদুস সোবাহান। বাকি ১০ হাজার টাকা বিকাশে দেওয়ার প্রস্তাব করা হলে তাতে আপত্তি জানিয়ে হাতে হাতে নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন তহশিলদার।
ওই সেবাগ্রহীতার নাম মহিউদ্দিন খন্দকার (৪২)। তিনি রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি বলেন, ‘পৃথক চারটি দলিলের জমি একই খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করাতে চরমোন্তাজ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার মোহাম্মদ আবদুস সোবাহানের কাছে যাই। এ সময় তিনি সরকার নির্ধারিত ১ হাজার ১৫০ টাকা ফির পরিবর্তে ৭০ হাজার টাকা দাবি করেন।’
মহিউদ্দিন বলেন, ‘দর-কষাকষির এক পর্যায়ে সরকারি ফিসসহ ২০ হাজার টাকায় চুক্তি হয় অভিযুক্ত ভূমি কর্মকর্তার সঙ্গে। তাকে নগদ ১০ হাজার টাকা অগ্রিম এবং বাকি টাকা কাজের পর দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এরপর আমাকে কয়েক মাস হয়রানি করে চারটি দলিলের মধ্যে দুটি বাদ দিয়ে বাকি দুটি দলিলের বিপরীতে একটি খতিয়ান করে দেওয়া হয়। এ ছাড়া সরকারি রাজস্ব খাতের ফি বাবদ ১ হাজার ১৫০ টাকা পরিশোধ করতে চাপ দেয়।’
জেলা প্রশাসনের রাজস্ব শাখা সূত্রে জানা গেছে, জমির নামজারি হলো বৈধ উপায়ে জমির মালিকানা পরিবর্তনের পর সরকারি রেকর্ড বা খতিয়ানে আগের মালিকের নাম বাদ দিয়ে নতুন মালিকের নাম অন্তর্ভুক্ত বা হালনাগাদ করার প্রক্রিয়া। এটিকে মিউটেশনও বলা হয়। এ জন্য সরকার নির্ধারিত ফি ১ হাজার ১৫০ টাকা।
তবে সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন মোহাম্মদ আবদুস সোবাহান। তিনি বলেন, ‘অভিযোগকারী মহিউদ্দিন খন্দকার আমার কাছে আসেননি এবং জমি-সংক্রান্ত কোনও কাগজপত্রও কাছে জমা দেওয়া হয়নি।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি দেখে ওই তহশিলদারের কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে বলে জানান রাঙ্গাবালী উপজেলা ভূমি অফিসের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হাসান। তিনি বলেন, ‘অভিযোগটির বিষয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পূর্ব বিরোধের কারণে সুনামগঞ্জে মধ্যবয়সী এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে মারধর করা হয়েছে এবং জোর করে তার মাথার চুল কেটে নেওয়া হয়েছে। নির্যাতনের শিকার কনটেন্ট ক্রিয়েটরের নাম সোনা মিয়া, যিনি সোনাই পাগলা নামেও পরিচিত, তার বয়স ৫০ বছর।
ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩ টার পর জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ পশ্চিম বাজারে, খাতুন কমপ্লেক্সের পেছনে। ঘটনার কয়েক মিনিটের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
সোনা মিয়া দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের টংঘর গ্রামের বাসিন্দা। অপরদিকে অভিযুক্ত ব্যক্তি মো. মাখন মিয়া, যিনি রানীগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা।
ফেসবুকে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, মাখন মিয়া সোনা মিয়ার মাথার মেহেদী রঙ করা লম্বা চুল কাচি দিয়ে কেটে দিচ্ছেন। সোনা মিয়া মাখন মিয়ার হাত থেকে রক্ষা পেতে দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করলেও তাকে ধরে চুল কেটে দেন মাখন মিয়া। এ সময় মাখন মিয়া তাকে লাথি মারতে দেখা যায়।
ভিডিওতে সোনা মিয়াকে বলতে শোনা যায়, "মাখন ভাই দয়া করেন, ও মাখন ভাই, ও মাখন ভাই আমরা চুলডা আর কাইট্টনারেবো মাখন ভাই। মাখন ভাই, ও মাখন ভাই আমারে ছাইড়া দেইন।" কিন্তু সোনা মিয়ার কথাগুলো শুনে মাখন মিয়া উল্টো গালি-গালাজ করতে থাকেন।
সোনা মিয়া আরও বলেন, "এক বছর আগের ঘটনাতো শেষ অইছে ওই সময়।" ঘটনার সময় সোনা মিয়া তার পরনের ছেঁড়া গেঞ্জি দেখিয়ে স্থানীয়দের বলেন, "আপনারা দেখইন, আমিতো কইরাম দেইক্কা দিমু, একদিন ইতা শক্তি আমিও খাটাইমু যা। এক বছর আগে তার সঙ্গে একটা ঘটনা করছিলাম।"
চুল কাটা শেষ হলে সোনা মিয়া ক্ষুদ্ধ হয়ে বলেন, "আমার বাড়ি দিরাই, এর হিসাব পাইবে তুই।" এরপর বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে সোনা মিয়া ফেসবুক লাইভে এসে বলেন, "রানীগঞ্জের মাখন গুন্ডা আমার চুল কাইট্টা দিছে। আমি আপনারের দেখানির লাগি জানাইরাম।" তিনি আরও বলেন, "এক বছর আগে দিরাইয়ে মাখনের লগে একটা বিষয় অইছিল, মুরব্বীরা শেষ কইরা দিছঅইছন। আমি রানীগঞ্জে বাজারে টমটম থেকে নামার পর চা খাওয়ার সময় মাখন আমার চুল কাইট্টা দিছে।"
অভিযুক্ত মাখন মিয়া ঘটনার দায় স্বীকার করে বলেন, "সোনা মিয়ার সঙ্গে আগে পরিচয় ছিল। গত বছরের নভেম্বর মাসের এক রাতে আমাকে দিরাইয়ের দাওয়াত করে নিয়ে সে আর ৫-৭ জন আমার কাছে মোটা অংকের চাঁদা দাবি ও নির্যাতন করেছিল। ঘটনাটি আমার মনে খুব কষ্ট দিয়েছে। বহুদিন পর আজ তাকে পেয়েছিলাম। তবে তার সঙ্গে যে আচরণ করেছি সেটা ঠিক হয়নি। রাগের মাথায় এসব করেছি। রাগ কমার পর বুঝতে পেরেছি তাকে আইনের হাতে তুলে না দিয়ে আমি অপরাধ করেছি। আইনকে নিজের হাতে তুলে নেওয়া ঠিক হয়নি। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, এখন সে যদি আইনি ব্যবস্থা নেয় নিবে।"
জগন্নাথপুর থানার ভারাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, "এমন কোন ঘটনা আমাদের নজরে পড়েনি। থানায় বা পুলিশকে কেউ জানায়নি বা কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
শরীয়তপুরের জাজিরা এলাকায় পদ্মা নদী থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে মাঝিরঘাট নৌ পুলিশ।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল বেলায় উপজেলার পালারচর এলাকার পদ্মার চরে জঙ্গলের মধ্যে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে স্থানীয়রা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখতে পেয়ে মাঝিরঘাট নৌ পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেন। খবর পাওয়ার পর, ফাঁড়ির এসআই এনামুল হকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে তল্লাশি শুরু করে। কিন্তু তীব্র স্রোতের কারণে সেদিন মরদেহটির সন্ধান পাওয়া যায়নি।
পরদিন, বুধবার সকালে নৌ পুলিশের সদস্যরা পুনরায় জাজিরার পালারচর সংলগ্ন পদ্মার চরে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। একপর্যায়ে চরের জঙ্গলে আটকে থাকা অবস্থায় মরদেহটি ভাসতে দেখে তা উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসা হয়।
মরদেহটি পচে গলে বিকৃত হয়ে যাওয়ায় পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে তার নাম-পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি। মৃত্যুর সঠিক কারণ অনুসন্ধান এবং নিহতের পরিচয় শনাক্তে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মাঝিরঘাট নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কংকন কুমার বিশ্বাস জানান, খবর পাওয়ার পর মঙ্গলবার থেকেই নদীতে তল্লাশি চলছিল। বুধবার চরের জঙ্গল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নিহতের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। পরিচয় মেলার পর এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের শিল্পকারখানা, পরিবহন ও বিমান চলাচল খাতে জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিইএ) অতিরিক্ত ৬ লাখ ৯৫ হাজার টন তেল আমদানির জন্য নীতিগত অনুমোদন প্রদান করেছে। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর—এই চার মাসের বাড়তি চাহিদা মেটাতে এবং পর্যাপ্ত মজুত বজায় রাখার জন্য এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত সিসিইএ’র ২৯তম সভায় এই প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, সম্পূর্ণ সরকারি পর্যায়ে সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) চুক্তির মাধ্যমে এই ৬ লাখ ৯৫ হাজার টন ডিজেল ও জেট ফুয়েল দেশে আমদানি করা হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, অতিরিক্ত এই জ্বালানি আমদানির পরিমাণ ২০২৬ সালের নির্ধারিত মূল বরাদ্দের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি।
খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, বছরের শেষ চার মাসে পরিবহন, বিমান চলাচল ও শিল্প খাতে জ্বালানির ব্যবহার প্রতিবছরই বৃদ্ধি পায়। আন্তর্জাতিক বাজারের অনিশ্চয়তা এবং ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে কৌশলগত মজুত বৃদ্ধি এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখার জন্য সরকার আগেভাগে এই আমদানির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ