ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সরকার ২৫০টি অবৈধ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছে


সরকার ২৫০টি অবৈধ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছে

রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা হাসপাতাল, ব্লাড ব্যাংক, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। ইতোমধ্যে সকল কার্যক্রমের অংশ হিসাবে বিগত পাঁচ মাসে সারা দেশে ২৫০ টির বেশি অবৈধ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

অবৈধ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার উদ্দেশ্যে চলতি বছরের ২৯ মার্চ থেকে স্বাস্থ্য বিভাগ নিয়মিত অভিযানের কাজ শুরু করেছে। বিভিন্ন অভিযানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন নিজেও উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. মো. নূরুল ইসলাম রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস’কে জানান, ইতোমধ্যে সারা দেশে প্রায় ৫ হাজার অবৈধ ও মানহীন হাসপাতাল, ক্লিনিক, ব্লাড ব্যাংক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ২৫০ টির বেশি অবৈধ ক্লিনিক বন্ধ করেছে এবং ২০০টি ক্লিনিককে সংশোধনের সময় প্রদান করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

যেসব ক্লিনিকের লাইসেন্সের মেয়াদ নেই, তাদেরও সময় দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৬ হাজার ক্লিনিক তাদের লাইসেন্স নবায়ন করতে সক্ষম হয়েছে। আরও ২ থেকে ৩ হাজার আবেদন জমা পড়েছে, সেগুলো যাচাই-বাছাই করে অনুমোদন দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্য খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে নিয়ে আসাটা জরুরি, মানুষের আস্থা বাড়ানো এবং সাধারণ মানুষের নিরাপদ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় অভিযান চলছে। সেই সঙ্গে দেশজুড়ে অবৈধ ও মানহীন হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে একটি ব্যাপক অভিযান শুরু হয়। যাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম, লাইসেন্সবিহীন কার্যক্রম, এবং নিম্নমানের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের ২০২৪ সালের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সারা দেশে ১,২৮৫টি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার অবৈধভাবে চলছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪১৫টি অবৈধ প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিভাগে রয়েছে।

এছাড়া রংপুরে ১১১, ময়মনসিংহে ২৫২, রাজশাহীতে ৫৫, চট্টগ্রামে ২৪০, বরিশালে ৪৮, খুলনায় ১৫৬ এবং সিলেটে রয়েছে ৮টি।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

জানা গেছে, গত কয়েক মাসের অভিযানে রাজধানীর প্রায় ২৫টি অবৈধ প্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং তদন্তকারী দল এসব প্রতিষ্ঠানগুলোতে গুরুতর অনিয়ম শনাক্ত করেন এবং বহু প্রতিষ্ঠানে জরিমানা আরোপ করা হয়, কিছু প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে এবং কিছু প্রতিষ্ঠানে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ফরিদপুরে চারটি বেসরকারি হাসপাতাল ও একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, টাঙ্গাইলে অনুমোদনহীন ৬টি ক্লিনিক, শরীয়তপুরে ২টি ক্লিনিক, নরসিংদীতে ২টি, পাবনায় ২টি ক্লিনিক, মানিকগঞ্জে ২টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডে ১টি, রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ১টি ক্লিনিকসহ দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলায় মিলিয়ে প্রায় ২ শতাধিক অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ক্লিনিক ও ব্লাড ব্যাংক বন্ধ করা হয়েছে।

এই বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, "যেকোনো হাসপাতাল বা ক্লিনিক যদি ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবার মান বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে। কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।" তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কোনো আপস করা হবে না।

মন্ত্রী বলেন, "রাজধানী থেকে শুরু হওয়া এই অভিযান ধাপে ধাপে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত করা হয়েছে।" একই সঙ্গে যারা অবৈধভাবে হাসপাতাল বা ক্লিনিক পরিচালনা করছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বাসস’কে জানান, সারা দেশে অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে বিভিন্ন হাসপাতালের অনিয়ম দূরীকরণ এবং স্বাস্থ্য খাতে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা হবে।

অভিযানের অংশ হিসেবে লাইসেন্স যাচাই, চিকিৎসা সরঞ্জামের মান পরীক্ষা, স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ এবং চিকিৎসকদের বৈধ সনদপত্র যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, "যেখানে অনিয়ম পাওয়া যাবে, সেখানে তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানা আরোপ, সিলগালা বা কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার মতো ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" সঙ্গে সঙ্গে ভুয়া ডাক্তার, নার্স ও মেডিকেল টেকনিশিয়ানদের বিরুদ্ধেও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকার অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪৪ পি.এম


সরকার অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী

বর্তমান সরকার অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছে বলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬’-এ প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে সেখানে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের রাজস্বসহ অর্থনৈতিক পুরো বিষয়টার কী অবস্থা বা বিগত একযুগ কেমন ছিল, কী ছিল, কীভাবে হয়েছে? এটা আমরা যারা এনবিআরের সঙ্গে সম্পৃক্ত না, আপনারা আমাদের থেকে অনেক বেশি ভালো জানেন। আপনারা ডিপার্টমেন্টের কিছু ফ্যাসিলিটির কথা বলেছেন। অবশ্যই সেটা প্রয়োজন আছে। কারণ এফিশিয়েন্সি বাড়াতে হলে সাপোর্টিং কিছু বিষয় প্রয়োজন। তবে একই সঙ্গে এটাও একটু বিবেচনা করতে হবে— আপনারা নিশ্চয়ই দেখেছেন যে, আমরা চেষ্টা করছি সরকারের অনেক জায়গা থেকে অনেক খরচ কমিয়ে ফেলতে। যেগুলো আমাদের কাছে মনে হয়েছে প্রয়োজন নেই।

এরকম অনেকগুলো জায়গায় দেখছি আমরা খরচ হচ্ছে, সেখান থেকে খরচ কমানোর চেষ্টা করছি। তবে অবশ্যই যেখানে প্রয়োজন আছে, সেখানে অর্থ ব্যয় করা জরুরি। যেখানে যেই ফ্যাসিলিটি বা ইনফ্রাস্ট্রাকচার দরকার সেটা আমরা অবশ্যই করবো। তবে যেহেতু এসব কিছুই হবে ট্যাক্সপেয়ারের পয়সা দিয়ে এবং ট্যাক্সপেয়ারের কাছ থেকে তার যেটা প্রযোজ্য ট্যাক্স, যেটা সে সরকারকে-রাষ্ট্রকে দেবে, এটাকে সুন্দর করে তার কাছ থেকে আদায় করে নিয়ে আসার দায়িত্বটা আপনাদেরকেই পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, আপনাদেরকে এক্ষেত্রে অনেক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়। কতগুলো পারসেপশন তৈরি হয়েছে, সেটাই হচ্ছে আমাদের চ্যালেঞ্জ। সেজন্যই বর্তমান সরকার বারবার বলার চেষ্টা করছে যে, আসুন আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করি। সকলেই মিলে আমরা একটা পরিবর্তনের চেষ্টা করি। যেই পরিবর্তনটাকে সবাই ভালো পরিবর্তন বলবে। এখানে আমাদের সবার কন্ট্রিবিউট করার মতো অবস্থা আছে। কন্ট্রিবিউট করার মতো স্পেস আছে। আসুন আমরা সবাই মিলে কাজ করি। আমরা যদি যার যার কাজ, দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের চেষ্টা করি— সেখানেই আমরা চেঞ্জটা আনতে পারবো।

এক্ষেত্রে আমরা আপনাদেরকে সহযোগিতা করবো। আপনারা সরকারকে দয়া করে সহযোগিতা করবেন। তবে এখানে একটা ভুল পারসেপশন আছে যে, এনবিআর মানুষের ওপরে ট্যাক্সের জন্য চাপ দেয়। এটা একটা ভুল ধারণা। এই ধারণা ভাঙতে প্রত্যেককে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি আরও বলেন, যারা ট্যাক্স দেবেন তাদেরকে সহযোগিতা করতে হবে। ট্যাক্সপেয়ারদের ওপরেও যাতে কোনও প্রেশার না হয়। বরং তারা অনুপ্রাণিত হন। মানুষ যাতে অনুপ্রাণিত হয় যে, ঠিক আছে আমার ট্যাক্সটা দিতে হবে। আমার ট্যাক্সটা দিলে আমরা স্বাস্থ্য সেবা পাবো। ট্যাক্সটা দিলে আমাদের সন্তানেরা এডুকেশনের সুবিধা পাবে। ট্যাক্সটা দিলে আরও সোশ্যাল বেনিফিট অর্থাৎ মানুষের জন্য সরকার বা রাষ্ট্র বিভিন্ন ভালো কাজের উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

এই বিষয়গুলো যাতে মানুষের মধ্যে আসে, সেই জন্য আপনাদেরকে মনোযোগী হতে হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করেছে। সম্মেলন মঞ্চে উপস্থিত আছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সম্মান বাঁচাতে তারকা ক্রিকেটারকে একাদশে নিল অস্ট্রেলিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪৫ পি.এম


সম্মান বাঁচাতে তারকা ক্রিকেটারকে একাদশে নিল অস্ট্রেলিয়া

ঘরের মাঠে প্রথম টেস্টে টাইগারদের কাছে রীতিমত বিধ্বস্ত হয়েছে অজিরা।

সম্মান বাঁচাতে অস্ট্রেলিয়ার সামনে দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই।

তাহলে স্বাগতিকরা দ্বিতীয় টেস্টের জন্য শক্তিশালী দল ঘোষণা করেছে।

দ্বিতীয় টেস্টের জন্য ঘোষিত ১৩ সদস্যের দলে জায়গা হারিয়েছেন অভিষিক্ত ওপেনার জেক ওয়েদারাল্ড। তার পরিবর্তে দলে ফিরেছেন বাঁহাতি ব্যাটার ম্যাথিউ রেনশ।

ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার দুই ইনিংসে ২৩ ও ০ রানে আউট হন ওয়েদারাল্ড। তখন থেকেই তাকে দলের জন্য প্রশ্নবিদ্ধ মনে করছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেকরা।

গত মৌসুমে অ্যাশেজসহ ছয়টি ম্যাচ খেলে ২০.৩৮ গড়ে তার সংগ্রহ ছিল ২২৪ রান।

বাংলাদেশের বিপক্ষে ডারউইন টেস্টে ওয়েদারাল্ডের ব্যাটিং কৌশলে কিছুটা পরিবর্তন দেখা যায়। কাউন্টি ক্রিকেটে খেলার সময় ব্যাটিং কৌশলে এ পরিবর্তন আনার চেষ্টা থাকলেও বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে কোনো ইনিংসেই থিতু হতে পারেননি ওয়েদারাল্ড।

অন্যদিকে ২০২৩ সালের পর প্রথম টেস্ট দলে ডাক পেলেন রেনশ। ব্রিসবেনে দলের সঙ্গে অনুশীলনের পর, এ সিরিজের জন্য স্ট্যান্ডবাই হিসেবে ছিলেন।

গত শেফিল্ড শিল্ড মৌসুমে যে তিনটি সেঞ্চুরিসহ তার গড় ছিল ৪৯.৯০, অস্ট্রেলিয়ার সীমিত ওভারের দলে সুযোগ পেয়ে দুর্দান্ত ছন্দে ছিলেন এই ওপেনার।

দুই ম্যাচের সিরিজে বাংলাদেশ ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। আগামী ২২ আগস্ট ম্যাকাইতে শুরু হবে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। সিরিজে সমতা ফেরাতে অস্ট্রেলিয়ার সামনে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ।

অন্যদিকে বাংলাদেশের লক্ষ্য হবে ঐতিহাসিক সিরিজ জয় নিশ্চিত করা।

দ্বিতীয় টেস্টের অস্ট্রেলিয়া স্কোয়াড: প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), স্কট বোল্যান্ড, অ্যালেক্স ক্যারি, ক্যামেরন গ্রিন, জশ হ্যাজলউড, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিস, মার্নাস লাবুশেন, নাথান লায়ন, ম্যাথিউ রেনশ, স্টিভ স্মিথ, মিচেল স্টার্ক ও বিউ ওয়েবস্টার।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হজ করতে গিয়ে ভিক্ষা করবেন না, পাকিস্তানি নাগরিকদের সতর্ক করেছে দূতাবাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪৬ পি.এম


হজ করতে গিয়ে ভিক্ষা করবেন না, পাকিস্তানি নাগরিকদের সতর্ক করেছে দূতাবাস

সৌদি আরবে হজ ও ওমরাহ পালনকালে ভিক্ষাবৃত্তি, অননুমোদিত অর্থ সংগ্রহ এবং ভিসার শর্ত ভঙ্গ না করতে দেশটির নাগরিকদের ফলে কঠোর বার্তা দিয়েছে পাকিস্তান। এই ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকলে তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তার, কারাদণ্ড এবং সৌদি থেকে বহিষ্কারের মতো কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

রোববার (১৬ আগস্ট) সৌদি আরবে নিযুক্ত পাকিস্তানি দূতাবাস থেকে প্রকাশিত এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সৌদি আরবে গমনাগমনকারী সব ওমরাহযাত্রী ও কর্মীদের জন্য এই জরুরি নির্দেশনা জারি করা হচ্ছে।

সৌদি আইনি ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়, পবিত্র মক্কা ও মদিনাসহ সৌদি আরবের সর্বত্র ভিক্ষাবৃত্তি এবং অনুমোদনহীন অর্থ উত্তোলনের বিষয়ে প্রশাসন সম্পূর্ণ ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি গ্রহণ করেছে। পাকিস্তানি নাগরিকদের আইনি জটিলতা থেকে বাঁচাতে অনুমোদিত পদ্ধতি ব্যতীত যেকোনো ধরনের স্থানীয় আর্থিক সহায়তা লেনদেনে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া নির্দিষ্ট সময়ের পর সৌদি আরবে বেআইনিভাবে অবস্থান না করা এবং ভিসার প্রকারভেদের বাইরে কোনো কার্যক্রমে যুক্ত না হওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য দূতাবাস একটি এআই তৈরি কৃত্রিম ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে আইন ভঙ্গের কারণে এক ব্যক্তিকে সৌদি পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাচ্ছে।

সৌদি আরবে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক বিভিন্ন তদন্তে গ্রেপ্তার হওয়া ভিক্ষুকদের মধ্যে কিছু পাকিস্তানি নাগরিক হিসাবে উঠে এসেছে। এর পরেই হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় পাকিস্তান সরকারকে বিষয়টি জানায় বেশ কয়েক দফায়। পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার (এফআইএ) তথ্যমতে, বিভিন্ন চক্র দরিদ্র মানুষকে ওমরাহ টিকিটের প্রলোভন দেখিয়ে সৌদি আরবে পাঠায় এবং সংগৃহীত ভিক্ষার বড় অংশ হাতিয়ে নেয়। এই ধরনের অপরাধ রোধে ইতোমধ্যে কয়েক হাজার সন্দেহভাজনকে কালো তালিকাভুক্ত করে পাকিস্তান ছাড়ায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪৭ পি.এম


সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু

সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। এখন সিলেট বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে একশত আটত্রিশ জনে পৌঁছেছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

মারা যাওয়া দুই শিশু হলো- তাসমিন ও তামিম। তাদের বয়স যথাক্রমে ৬ মাস ও ৯ মাস।

এদিকে, বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন মোট তিনশ' এক কুড়ি জন রোগী রয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ৯ জন। একই সময়ে ১১৫ জন সন্দেহভাজন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আজ ১৮ আগস্ট পর্যন্ত বিভাগে মোট ৯৮৮ জন ল্যাব-নিশ্চিত (কনফার্মড) হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে ৬ জন নিশ্চিত হামের রোগী ছিলেন, সেটি নিশ্চিত করা গেছে। বাকিরা সন্দেহভাজন অবস্থায় রয়েছে।

রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে রোববার (১৬ আগস্ট) পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৮০৯ শিশু। একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরো ৯৯ শিশুর। সব মিলিয়ে, এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯০৮ জনে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%