প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
সৌদি আরবে হজ ও ওমরাহ পালনকালে ভিক্ষাবৃত্তি, অননুমোদিত অর্থ সংগ্রহ এবং ভিসার শর্ত ভঙ্গ না করতে দেশটির নাগরিকদের ফলে কঠোর বার্তা দিয়েছে পাকিস্তান। এই ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকলে তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তার, কারাদণ্ড এবং সৌদি থেকে বহিষ্কারের মতো কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
রোববার (১৬ আগস্ট) সৌদি আরবে নিযুক্ত পাকিস্তানি দূতাবাস থেকে প্রকাশিত এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সৌদি আরবে গমনাগমনকারী সব ওমরাহযাত্রী ও কর্মীদের জন্য এই জরুরি নির্দেশনা জারি করা হচ্ছে।
সৌদি আইনি ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়, পবিত্র মক্কা ও মদিনাসহ সৌদি আরবের সর্বত্র ভিক্ষাবৃত্তি এবং অনুমোদনহীন অর্থ উত্তোলনের বিষয়ে প্রশাসন সম্পূর্ণ ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি গ্রহণ করেছে। পাকিস্তানি নাগরিকদের আইনি জটিলতা থেকে বাঁচাতে অনুমোদিত পদ্ধতি ব্যতীত যেকোনো ধরনের স্থানীয় আর্থিক সহায়তা লেনদেনে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া নির্দিষ্ট সময়ের পর সৌদি আরবে বেআইনিভাবে অবস্থান না করা এবং ভিসার প্রকারভেদের বাইরে কোনো কার্যক্রমে যুক্ত না হওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য দূতাবাস একটি এআই তৈরি কৃত্রিম ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে আইন ভঙ্গের কারণে এক ব্যক্তিকে সৌদি পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাচ্ছে।
সৌদি আরবে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক বিভিন্ন তদন্তে গ্রেপ্তার হওয়া ভিক্ষুকদের মধ্যে কিছু পাকিস্তানি নাগরিক হিসাবে উঠে এসেছে। এর পরেই হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় পাকিস্তান সরকারকে বিষয়টি জানায় বেশ কয়েক দফায়। পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার (এফআইএ) তথ্যমতে, বিভিন্ন চক্র দরিদ্র মানুষকে ওমরাহ টিকিটের প্রলোভন দেখিয়ে সৌদি আরবে পাঠায় এবং সংগৃহীত ভিক্ষার বড় অংশ হাতিয়ে নেয়। এই ধরনের অপরাধ রোধে ইতোমধ্যে কয়েক হাজার সন্দেহভাজনকে কালো তালিকাভুক্ত করে পাকিস্তান ছাড়ায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন