ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কলকাতা থেকে দেশে ফিরেছে ৬ বাংলাদেশির মরদেহ


কলকাতা থেকে দেশে ফিরেছে ৬ বাংলাদেশির মরদেহ

কলকাতায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মধ্যে ছয়জনের মরদেহ দেশে নিয়ে আসা হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া ও ঢাকার নিহতদের মরদেহ বিভিন্ন সীমান্তের মাধ্যম্যে বাংলাদেশে আনা হয়েছে।

এ তথ্য জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম ভূইয়া।

এর আগে গত বুধবার (১৯ আগস্ট) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের কারণে সাত বাংলাদেশি নিহত হন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দুর্ঘটনার পর থেকেই কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সাথে এবং নিহতদের পরিবারের সঙ্গে সমন্বয় করে মরদেহ দেশে ফেরত পাঠানোর আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্নে সহযোগিতা করেছে।

আজ সকালে সাতক্ষীরার এস এম আলীমুজ্জামানের মরদেহ ঘোজাডাঙ্গা-ভোমরা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে আনা হয়েছে এবং পরে পরিবারের কাছে তা হস্তান্তর করা হয়েছে।

এছাড়া কুষ্টিয়ার দেবাশীষ দত্ত এবং একই পরিবারের তিন সদস্য আফসানা শারমিন, শর্ণশিষ দত্ত ও মো. আকরাম আলীর মরদেহ পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে আজ বিকেলে দেশে আনা হয়েছে। ঢাকার আমিনবাজারের নিহত বাবু আহমেদের মরদেহও একই সীমান্ত দিয়ে দেশে আনা হয়েছে।

কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন জানিয়েছে, মরদেহ সংরক্ষণ, পরিবহন ও দেশে ফেরত পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়ায় নিহতদের পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: কমিউনিটি ব্যাংকে চাকরির সুযোগ, বয়স ২৩ হলেই আবেদন করতে পারবেন

এদিকে সাতক্ষীরার নিহত রেপতি সরকারের মরদেহ তার পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী গতকাল রাতে কলকাতায় সৎকার করা হয়েছে। এই বিষয়ে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন আর্থিকসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করেছে।

কলকাতার হোটেল অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রণালয় নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাই হিসেবে খুন করে ভারতে পালাচ্ছিলেন দুই ভাই, অতঃপর...

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৫৩ পি.এম


ভাই হিসেবে খুন করে ভারতে পালাচ্ছিলেন দুই ভাই, অতঃপর...

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার গড়িয়াডাঙ্গা গ্রামের কৃষক জিতেন মণ্ডল (৫৮)-কে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার পর ভারতে পালিয়ে যাচ্ছিলেন তার আপন দুই চাচাতো ভাই। বিএসএফের হাতে আটক হয়েছে তারা। জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে জিতেন মণ্ডলকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় আটক হন তার চাচাতো ভাই, একই গ্রামের পাঁচু মণ্ডলের ছেলে তপন (৩০) এবং ভগেন (৩৫)। শনিবার (২২ আগস্ট) ভোরে ভারতের বসিরহাট মহকুমার স্বরূপনগর থানার আমুদিয়া ক্যাম্পের বিএসএফের টহলদল তাদের আটক করে। সীমান্তের একাধিক সূত্র থেকে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার চারাবাড়ি সীমান্ত দিয়ে তারা অবৈধপথে ভারতে পালিয়ে যান। কিন্তু ভারতীয় ভূখণ্ডে গিয়ে বিএসএফের হাতে আটক হন।

পুলিশ এবং এলাকাবাসী জানায়, জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে জিতেন মণ্ডলকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক আঘাত করা হয়। পরে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ওই রাতেই তার মৃত্যু হয়।

সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মাহমুদুর রহমান জানিয়েছেন, নিজেদের মধ্যে জমিজমা-সংক্রান্ত সহিংসতা চলছিল। কৃষক জিতেন মণ্ডল চিকিৎসাধীন অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। তার হত্যাকারী তপন ও ভগেন ভারত পালানোর সময় বিএসএফের হাতে আটক হয়েছেন। এ বিষয়ে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে। পুলিশের পক্ষ থেকে বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়েছে। তাদের ফেরত পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান বলেছেন, বিএসএফের আটক হত্যা মামলার দুই আসামিকে ফেরত দেওয়ার জন্য বিজিবি ও বিএসএফের কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের প্রস্তাব দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কে যুক্ত করতে নতুন মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৫৪ পি.এম


ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কে যুক্ত করতে নতুন মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত

দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।

এই মধ্যে শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে নিজ কার্যালয়ে এক সভায় প্রধানমন্ত্রীর দ্বারা এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় ভোলার সঙ্গে ঢাকা ও বরিশালের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনে তিনটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর অনুকূলে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের প্রস্তাবিত বরিশাল (রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা) রুটটি বিবেচনায় নেওয়া হয়, কারণ এটি সবচেয়ে সাশ্রয়ী ও কার্যকর হিসেবে বিচার করা হয়েছে।

সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভৌগোলিক প্রতিবন্ধকতা দূর করে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ বাড়াতে সমন্বিত সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, ভোলাকে মূল সড়ক নেটওয়ার্কে যুক্ত করার জন্য মহাসড়ক নির্মাণের উদ্যোগ দ্রুত এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রস্তাবিত রুটে বিদ্যমান সড়ক প্রশস্ত করার পাশাপাশি নতুন সড়ক নির্মাণ ও তিনটি ছোট সেতু নির্মাণের প্রয়োজন হবে। প্রকল্পের সম্ভাব্যতা ও বাস্তবায়নযোগ্যতা দ্রুত যাচাই করা হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ভোলার সঙ্গে বরিশাল, ঢাকা ও দেশের অন্যান্য এলাকার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ তৈরি হবে। এতে যাতায়াতের সময় ও খরচ—দুটিই কমবে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নদীবেষ্টিত হওয়ায় দেশের মূল ভখণ্ডের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষায় দীর্ঘদিন ধরে নৌপথের ওপর নির্ভরশীল ভোলার মানুষ। নতুন সড়ক সংযোগ তৈরি হলে সেই নির্ভরতা কমে যাবে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটের বড় সুবিধা হলো দূরত্ব, সময় ও ব্যয় সাশ্রয়। বিশেষ করে ঢাকা ও বরিশালের সঙ্গে ভোলার যোগাযোগের ক্ষেত্রে এটি একটি কার্যকর বিকল্প পথ হয়ে উঠতে পারে।

সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক, সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ এবং সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটে ট্রাক-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহতদের মধ্যে তিনজন একই পরিবারের সদস্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৯ পি.এম


সিলেটে ট্রাক-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহতদের মধ্যে তিনজন একই পরিবারের সদস্য

সিলেটের ওসমানীনগরে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত চারজনের মধ্যে তিনজন একই পরিবারের। এই ঘটনায় ওই পরিবারের আরও দুই সন্তান গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শনিবার (২২ আগস্ট) বেলা আড়াইটার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ওসমানীনগর ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় গাড়ি দুর্ঘটনায় তারা মারা যান।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার শ্রীরামশী গ্রামের মৃত গফুর মিয়ার ছেলে মো. নিয়ামত (৪৫), তার স্ত্রী উসুফা বেগম, তার মেয়ে আয়শা আক্তার (৫) এবং সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক মো. লালন মিয়া (২৬)৷

এই ঘটনায় নিহত নিয়ামত ও উসুফার দম্পতির আরও এক ছেলে ও এক মেয়ে গুরুতর আহতাবস্থায় সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মূল বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলায়।

নিহত মো. নিয়ামতের মামা আব্দুল আউয়াল জানান, নিহত নিয়ামত এবং উসুফা দীর্ঘদিন ধরে জগন্নাথপুরে বসবাস করছিলেন। তাদের মূল বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। শনিবার কিশোরগঞ্জ থেকে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে জগন্নাথপুর যাচ্ছিলেন নিয়ামত। বাস থেকে অটোরিকশায় করে যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে ওসমানীনগরের ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় সিলেট থেকে ঢাকাগামী পদ্মা কোম্পানির তেলবাহী ট্রাকের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে অটোরিকশার চালকসহ চারজনের মৃত্যু হয়।

ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। অপরদিকে, হতাহতদের উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্রিসে বেড়াতে গিয়ে ভয়াবহ আগুন লাগিয়েছেন ইসরায়েলি পর্যটকরা, এর পরবর্তী ঘটনার চিত্র...

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০০ পি.এম


গ্রিসে বেড়াতে গিয়ে ভয়াবহ আগুন লাগিয়েছেন ইসরায়েলি পর্যটকরা, এর পরবর্তী ঘটনার চিত্র...

যারা ইউরোপের দেশ গ্রিসে ঘুরতে গিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে কয়েকজন ইসরায়েলি পর্যটক ভয়াবহ একটি অগ্নিকাণ্ড ঘটিয়েছেন। তাদের লাগানো সেই আগুন থেকে ভয়ংকর দাবানল ছড়িয়ে পড়ার উপক্রম হয়েছিল।

ভয়াবহ এই ঘটনাটি ঘটে গ্রিসের ক্রিট দ্বীপে, যা গত শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যার দিকে সংগঠিত হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য প্রায় ৪ ঘণ্টার প্রচেষ্টার পর, গ্রিসের পুলিশ ওই ইসরায়েলি পর্যটকদের একজনকে আটক করেছে।

সংবাদ সূত্র অনুযায়ী, রোববার (২৩ আগস্ট) ৩৫ বছর বয়সী আলী ওই ইসরায়েলি পর্যটককে আদালতে সোপর্দ করার পরিকল্পনা রয়েছে। খবরটি দ্য জেরুজালেম পোস্ট থেকে পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো এই ঘটনার সময়ের বিস্তারিত তথ্য জানায়। তারা জানায়, শুক্রবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিটে পর্যটন শহর প্লাকিয়াসের কাছাকাছি দক্ষিণ রেথিমনোর সেলিয়া গ্রামের কাছে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।

গ্রিক ফায়ার সার্ভিসের অগ্নিসংযোগ তদন্ত ইউনিটের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল একটি ভাড়া করা ভিলার আঙিনা থেকে যেখানে কিছু ইসরায়েলি পর্যটক অবস্থান করছিলেন।

তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তীব্র বাতাস ও উচ্চ অগ্নিঝুঁকির সতর্কতার মধ্যেও তারা বারবিকিউ জ্বালিয়েছিলেন। ভিলার মালিক জানান, নিরাপত্তার কারণে ওই এলাকায় বারবিকিউ ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ছিল এবং সেই বিষয়ে তাদের লিখিতভাবে সতর্কবার্তা দেয়া হয়েছিল।

যদিও মেনে না চলেই, ইসরায়েলিরা বারবিকিউ জ্বালান। এরপর আগুনের স্ফুলিঙ্গ বাতাসে উড়ে শুকনো গাছপালায় পড়ে যায়। এর ফলে মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের খোলা এলাকায়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য ঘটনাস্থলে বেশ কয়েকটি ফায়ার সার্ভিস ইউনিট পাঠানো হয়। তাছাড়াও ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি, পানি বহনকারী ট্যাংকার, হেলিকপ্টার এবং স্বেচ্ছাসেবকরা আগুন নেভানোর কাজে অংশগ্রহণ করেন। প্রায় চার ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

এদিকে, গ্রিস কয়েক সপ্তাহ ধরে ভয়াবহ দাবানলের সাথে সংগ্রাম করে আসছে। মাত্র দুই সপ্তাহ আগে রেথিমনো এলাকায় বড় ধরনের দাবানল ছড়িয়ে পড়েছিল। ন্যাশনাল অবজারভেটরি অব অ্যাথেন্সের তথ্যমতে, মাত্র দুইদিনে রেথিমনোর দক্ষিণাঞ্চলে প্রায় ৪৫ হাজার জমির গাছপালা পুড়ে যায়।

ওই সময় আট হাজারের বেশি বাসিন্দা ও পর্যটককে বাড়ি ও হোটেল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। আগুন নিয়ন্ত্রণে ২২৪ জন দমকলকর্মী, ৫৩টি ফায়ার ইঞ্জিন এবং ১১টি বিশেষ ইউনিট কাজ করেছিল। আকাশপথে আগুন নিয়ন্ত্রণে প্লেন এবং হেলিকপ্টারও ব্যবহার করা হয়েছিল।

এই অভিযানে দুই দমকলকর্মীর নিহতের ঘটনাও ঘটে। তখন বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত ওঠে। কিছু এলাকায় ঝোড়ো বাতাসের গতি ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার ছাড়িয়ে যায়, যা আকাশপথে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজকে কঠিন করে দেয়।

এ বছর একাধিক দাবানলের পর গ্রিসের কর্তৃপক্ষ আগুন প্রতিরোধের নিয়ম ভাঙার বিষয়ে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন। উচ্চ অগ্নিঝুঁকির দিনগুলোতে বারবিকিউ জ্বালানো পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়াও, শুকনো গাছপালা পোড়ানো বা আগুনের স্ফুলিঙ্গ তৈরি করতে পারে—এমন যে কোনো কাজও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%