সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:১২ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো অপেরা অর্কেস্ট্রার সংগীতশিল্পীরা আকস্মিক ধর্মঘটের ডাক দেওয়ার ফলে প্রতিষ্ঠানটির নতুন মৌসুমের উদ্বোধনী প্রদর্শনীগুলো বাতিল করা হয়েছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে ইতালীয় সুরকার ভার্দির বিখ্যাত অপেরা ‘সাইমন বোক্কানেগ্রা’-এর পরিবেশনের ঠিক আগ মুহূর্তে কর্মবিরতির ঘোষণা দেন সান ফ্রান্সিসকো অপেরা অর্কেস্ট্রার সংগীতশিল্পীরা। এই কারণে কর্তৃপক্ষ অনুষ্ঠানটি বাতিল করতে বাধ্য হয়। একই কারণে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া পার্কের ঐতিহ্যবাহী ‘অপেরা ইন দ্য পার্ক’ কনসার্টটিও বাতিল করা হয়েছে।
শিল্পীদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন ‘আমেরিকান ফেডারেশন অব মিউজিশিয়ানস লোকাল ৬’ জানায়, ধর্মঘটটি কোনো হালকা বিষয় নয়; যারা আজ সন্ধ্যায় অপেরায় সময় কাটানোর পরিকল্পনা করেছিলেন, তাদের কাছে আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।
তারা আরও জানান, "আমাদের চুক্তির মেয়াদ গত ৩১ জুলাই শেষ হয়েছে। এরপর আমরা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করি। তবে আলোচনা চলাকালীন আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলাম যে কর্তৃপক্ষের প্রস্তাবগুলো ছিল অপর্যাপ্ত এবং একটি ন্যায্য চুক্তি ছাড়া কাজ বন্ধ রাখা ছাড়া আমাদের আর কোনো উপায় নেই।"
যৌথ এক বিবৃতিতে তারা আরও উল্লেখ করেন, "মূল্যস্ফীতি বিবেচনা করলে আগামী পাঁচ বছরের জন্য প্রস্তাবিত মজুরি স্থগিতের অর্থ হলো প্রকৃতপক্ষে তাদের ২০ শতাংশ বেতন কমানো। যেখানে গত তিন বছরে ছয়টি প্রদর্শনীর সব টিকিট বিক্রি হয়েছে এবং অনুদান লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে, সেখানে এই বাজেট ছাঁটাই মেনে নেওয়ার মতো নয়।"
এদিকে, সান ফ্রান্সিসকো অপেরা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এক পৃথক বিবৃতিতে জানায়, প্রদর্শনী কিংবা অনুদান বাড়লেও প্রতিষ্ঠানটি চরম আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিগত কয়েক দশক ধরে আয়ের চেয়ে ব্যয় বহুগুণ বেড়েছে এবং তাদের বাৎসরিক ঘাটতির পরিমাণ প্রায় দেড় কোটি (১৫ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার।
সান ফ্রান্সিসকো অপেরার জেনারেল ডিরেক্টর ম্যাথিউ শিভলক জানান, "শিল্পমাধ্যমের বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে ৪৫ বছর আগের বেতনকাঠামো আর বয়ে বেড়ানো সম্ভব হচ্ছে না।" তবে তিনি দ্রুত সমাধান শেষে সংগীতশিল্পীদের অর্কেস্ট্রা পিটে ফিরে আসার আহ্বান জানান।
এদিকে শনিবারের বাতিল হওয়া নাটকের টিকিটধারীদের জন্য টিকেটের পূর্ণ অর্থ ফেরত দেওয়া কিংবা পরবর্তীতে অন্য কোনো প্রদর্শনীতে তা সামঞ্জস্য করার ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে অপেরা কর্তৃপক্ষ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লা জেলার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে পৃথক অভিযানের মাধ্যমে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) ৭৯ লাখ ৯৬ হাজার ৩২০ টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ চোরাচালানী পণ্য জব্দ করেছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া ও কসবা উপজেলার মাদলা ও খাদলা বিওপি এবং কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া, বুড়িচং ও আদর্শ সদর উপজেলার সালদানদী ও শশীদল বিওপির টহলদল তাদের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করে।
সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) জানায়, অভিযানের সময় ভারতীয় শাড়ি, গরু, বাজি, রেডবুল এনার্জি ড্রিংকস, বাসমতি চাল ও টিনা সাবান জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত পণ্যের আনুমানিক মূল্য ৭৯ লাখ ৯৬ হাজার ৩২০ টাকা।
বিজিবি জানায়, মহাপরিচালকের নির্দেশনা অনুযায়ী সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার ও চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলামের দিকনির্দেশনা ও পরিকল্পনা অনুযায়ী এসব অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
বিজিবি জানায়, সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা, পুশ-ইন, নারী ও শিশু পাচার, মাদক এবং চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের মধ্যে সুখী ও স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবনযাপনের ক্ষেত্রে শীর্ষস্থান দখল করেছে হাওয়াই, যা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত। অন্যদিকে, পশ্চিম ভার্জিনিয়া তালিকার নিচের দিকে অবস্থান করছে, যেখানে জীবনযাত্রার মান ও বিভিন্ন সামাজিক-অর্থনৈতিক সূচকে পিছিয়ে পড়েছে। এই তথ্যটি মার্কিন গবেষণা ও তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান 'ওয়ালেটহাব'-এর ২০২৬ সালের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে।
প্রতিবেদনটি ৩০টি ভিন্ন সূচকের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, যা মানসিক ও শারীরিক সুস্থতা, কর্মপরিবেশ এবং সামাজিক-পরিবেশগত পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করে। ওয়ালেটহাবের মতে, ৬৫ দশমিক ৫০ স্কোর নিয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে হাওয়াই। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মেরিল্যান্ড, যার স্কোর ৬৪ দশমিক ১৩, তৃতীয় স্থানে নেব্রাস্কা ৬৩ দশমিক ৬১ স্কোর নিয়ে, চতুর্থ স্থানে নিউ জার্সি ৬৩ দশমিক ৪২ স্কোর নিয়ে এবং পঞ্চম স্থানে কানেকটিকাট ৬২ দশমিক ৫৩ স্কোর নিয়ে অবস্থান করছে।
প্রতিবেদনটি উল্লেখ করে যে, হাওয়াইয়ের শীর্ষস্থান অর্জনের পেছনে স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবন নিয়ে উচ্চমাত্রার সন্তুষ্টি, বিষণ্নতার নিম্নহার এবং দীর্ঘ গড় আয়ু বড় ভূমিকা পালন করেছে। অঞ্চলটির প্রায় ৮৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক নিজেদের শারীরিক স্বাস্থ্য ভালো বলে জানিয়েছেন। এছাড়া, ২ দশমিক ৪ শতাংশের কম বেকারত্ব এবং উঁচুমাত্রার বার্ষিক পরিবারিক আয় রাজ্যটির অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে।
মেরিল্যান্ড, যা দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সামাজিক সম্পর্কের দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে। এই অঙ্গরাজ্যটিতে আত্মহত্যার হার দেশের পঞ্চম সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, তৃতীয় স্থানে থাকা নেব্রাস্কায় বেকারত্বের হার মাত্র ২ দশমিক ৯ শতাংশ এবং সেখানে দাম্পত্য বিচ্ছেদের হার দেশের মধ্যে ষষ্ঠ সর্বনিম্ন। নিউ জার্সি সামগ্রিক বিচারে চতুর্থ হলেও মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার পৃথক সূচকে এবং বিষণ্নতা ও আত্মহত্যার সর্বনিম্ন হারে দেশজুড়ে প্রথম স্থান অধিকার করেছে।
সূচক বিশ্লেষণে পরবর্তী স্থানগুলোতে রয়েছে যথাক্রমে উটাহ, ক্যালিফোর্নিয়া, নিউ হ্যাম্পশায়ার, ম্যাসাচুসেটস ও আইডাহো। এর মধ্যে কর্মপরিবেশ এবং পরিবেশগত সূচকে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে উটাহ।
তালিকার অপরপ্রান্তে, অর্থাৎ ৫০তম স্থানে অবস্থান করছে পশ্চিম ভার্জিনিয়া, যার সামগ্রিক স্কোর মাত্র ৩২ দশমিক ০৪। তলানির দিকে থাকা অন্য অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যে ৪৯তম স্থানে রয়েছে লুইজিয়ানা এবং ৪৮তম স্থানে রয়েছে আরকানসাস।
ওয়ালেটহাবের বিশ্লেষক চিপ লুপো জানান, "আর্থিক স্বচ্ছলতা গুরুত্বপূর্ণ হলেও কেবল টাকাপয়সা সুখ নিশ্চিত করতে পারে না।" তিনি আরো বলেন, "অর্থের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য, উপযুক্ত কর্ম পরিবেশ এবং সামাজিক ও পারিবারিক সুসম্পর্ক মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।" এই তালিকা মার্কিন আদমশুমারি ব্যুরো, শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরো, সিডিসিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তথ্য ডেটা বিশ্লেষণ করে তৈরি করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে অভিযানের নামে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৪০ ভরি সোনা আত্মসাতের অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল জাকির হোসেনসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি হলেন মামলার বাদী ব্যবসায়ী নিঝুমের দুলাভাই, যিনি সদর উপজেলার চকআলমপুরের বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী। ইতোমধ্যে মোহাম্মদ আলীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সাড়ে ২০ ভরি সোনা উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি সোনা উদ্ধারের জন্য অভিযান চলছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এন এম ওয়াসিম ফিরোজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তাদের গ্রেপ্তার করা হয় গত শনিবার গভীর রাতে সদর থানায় মামলা হওয়ার পর।
মামলার এজাহার ও সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহীর সোনা ব্যবসায়ী নিঝুমের ভাইয়ের জুয়েলার্সের দোকান থেকে অর্ডার অনুযায়ী বিভিন্ন স্থানে সোনা পাঠানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ৪০ ভরি গলিত সোনা একটি চালান চাঁপাইনবাবগঞ্জে পাঠানো হলে সেটি নিয়ে আসেন নিঝুমের দুলাভাই মোহাম্মদ আলী।
গত ৮ আগস্ট সদর উপজেলার কালীনগর ব্রিজের পাশে এক ব্যবসায়ীর কাছে সোনা চালানটি পৌঁছে দেওয়ার পরপরই সেখানে কনস্টেবল জাকির হোসেনসহ দুজন উপস্থিত হন। অভিযোগ রয়েছে, নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে তারা ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৪০ ভরি সোনা নিয়ে চলে যান।
নিঝুমের অভিযোগ, মোহাম্মদ আলী, তার ছেলে নয়ন এবং কনস্টেবল জাকির মিলে সোনাগুলো ভাগ-বাটোয়ারা করেন। ঘটনার পর কনস্টেবল জাকির এক মাসের ছুটি নিয়ে গ্রামের বাড়িতে চলে যান। ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরে অফিসার্স মেসে যোগ দেন তিনি। পরে সোনা আত্মসাতের অভিযোগ জানাজানি হলে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়।
ঘটনাটি অনুসন্ধানের জন্য জেলা পুলিশের সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াসির আরাফাতকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাকে ১০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল। এর মধ্যে শনিবার রাতে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী নিঝুম চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় কনস্টেবল জাকির হোসেনসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় আরও দুজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং একজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
মামলা দায়েরের পর রাতেই কনস্টেবল জাকির হোসেন ও মোহাম্মদ আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মোহাম্মদ আলীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সাড়ে ২০ ভরি সোনা উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জিজ্ঞাসাবাদে মোহাম্মদ আলী তার কাছে থাকা সোনা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন এবং বাকি সোনা কনস্টেবল জাকির হোসেনের কাছে থাকার কথা জানিয়েছেন। তবে জাকির হোসেন এখন পর্যন্ত অভিযোগের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেননি।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এন এম ওয়াসিম ফিরোজ জানান, প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া সোনা পরিমাণ সাড়ে ২০ ভরি। বাকি সোনা উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর পশ্চিমাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চলকে একই পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) লাইন-৫-এর সাউদার্ন রুট নির্মাণের জন্য ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি বড় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার।
‘ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (লাইন-৫): সাউদার্ন রুট’ শীর্ষক প্রকল্পটি বর্তমানে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
পরিকল্পনা কমিশনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিতব্য চলতি অর্থবছরের (২০২৬-২৭) একনেকের তৃতীয় সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন একনেকের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রকল্প পরিকল্পনার আওতায়, নতুন মেট্রোরেল করিডোরটি ঢাকার গাবতলী থেকে শুরু হয়ে দাশেরকান্দি পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। মাঝপথে ট্রেনটি টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, কলেজ গেট, আসাদ গেট, শুক্রাবাদ, কারওয়ান বাজার, হাতিরঝিল, তেজগাঁও, আফতাব নগর, আফতাব নগর সেন্টার, আফতাব নগর ইস্ট ও নাসিরাবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব পয়েন্টকে যুক্ত করবে। এই লাইনটি ঢাকার উত্তর-দক্ষিণ ও পূর্ব-পশ্চিমমুখী যাতায়াতকে সহজ করবে এবং এমআরটি লাইন-৫ (নর্দার্ন) এবং এমআরটি লাইন-১-এর সঙ্গে সরাসরি ইন্টারচেঞ্জ সুবিধা নিশ্চিত করবে।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীন ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির সময়কাল নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০৩৩ সালের আগস্ট পর্যন্ত। প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি তহবিলের অংশ হিসেবে ১৫ হাজার ১৯৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা যোগাবে এবং বাকি ৩০ হাজার ৩০৬ কোটি ১০ লাখ টাকা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও দক্ষিণ কোরিয়ার ইডিসিএফ থেকে সহজ শর্তে ঋণ হিসেবে আসবে।
প্রকল্পটির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. আবদুল ওয়াহাব জানিয়েছেন, সাউদার্ন রুটের প্রাথমিক সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রকল্পটি অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত দিক থেকে সবচেয়ে লাভজনক হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে, যা কয়েক দফায় ব্যয় ও নকশা পর্যালোচনার পর নিশ্চিত করা হয়েছে। নতুন এই লাইনটি চালু হলে রাজধানীর ওপর অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ কমবে এবং ঢাকার দুই প্রান্তের যাত্রীরা দ্রুত ও সুশৃঙ্খল যাতায়াতের সুযোগ পাবেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ