ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আলোচনায়


ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আলোচনায়

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার জামবাড়িয়া ইউনিয়নের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহসিলদার) মো. মফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, সেবা প্রদান, নামজারি (খারিজ), খাজনা আদায় ও অন্যান্য কার্যক্রমে সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে দেদারসে ঘুষ নেওয়ার। একটি ভিডিও, যাতে নগদ অর্থ গ্রহণের দৃশ্য রয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে, যা ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে।

এই ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, ইউনিয়ন ভূমি অফিসের একটি কক্ষে টেবিলের সামনে বসা এক সেবাগ্রহীতা থেকে ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. মফিজুল ইসলাম টাকা গ্রহণ করছেন। পরবর্তীতে তিনি সেই টাকা গুনে নিজের পকেটে রেখে দেন। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ফলে জেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

ভিডিওতে আরও একটি দৃশ্য দেখা যায় যেখানে ভূমি অফিসে কাজ করেন বলে পরিচয় দেওয়া এক দালাল বলছেন, 'আমরা কাজ করে দিই। কাগজপত্র ঠিক থাকলে খারিজ করতে ৬ হাজার টাকা নিই। আবার কেউ কেউ আছে উম্মুক ধুম্মুক টাকা ল্যায়, সেগুলো আমরা করি না। আর চেক কাটলে ২০০ টাকা, কখনো ২ হাজার, আবার কখনো ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে।'

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

জামবাড়িয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আসা সেবাগ্রহীতা মো. শফিকল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, 'তারা যাকে যেমন পাচ্ছে, তেমনভাবে টাকা নিচ্ছে। আমার একটি দলিলের জন্য ৬ হাজার টাকা চেয়েছিল। পরে দুটি দলিলের কথা বললে ৯ হাজার টাকা দাবি করে। কোনো উপায় না পেয়ে আমি দুইটি দলিলের খারিজের জন্য ৯ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি।'

এছাড়াও ওই ইউনিয়নের কয়েকজন সেবাগ্রহীতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করেন যে, ইউনিয়ন ভূমি অফিসে প্রকাশ্যেই ঘুষের লেনদেন হয়। টাকা ছাড়া কোনো কাজই করা হয় না। নির্ধারিত টাকার চেয়ে কম দিতে চাইলে কাজ ফাইলবন্দি করে রাখা হয়। দীর্ঘকাল ধরে এমন অরাজকতা চলতে থাকলেও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নীরব ভূমিকা পালন করছে।

এ ব্যাপারে কথা বলতে জামবাড়িয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহসিলদার) মো. মফিজুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি মুঠোফোনে সময় সংবাদকে জানান, 'এ বিষয়ে আমার কিছুই বলার নেই। এনিয়ে ভোলাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে কথা বলুন।'

ভোলাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাহিদ হোসেন বলেন, 'বিষয়টি আমরা প্রাথমিকভাবে তদন্ত করছি। যেহেতু একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, তাই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নিয়ে ঘটনার সত্যতা যাচাই করা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারি বর্ষণে পতেঙ্গা সৈকত সংলগ্ন সড়ক ধস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:১৫ পি.এম


ভারি বর্ষণে পতেঙ্গা সৈকত সংলগ্ন সড়ক ধস

চট্টগ্রামে ভারি বর্ষণে পতেঙ্গা সৈকত সংলগ্ন একটি সড়ক ধসে পড়েছে। এটি মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল বেলা ঘটেছে, যখন ভারি বৃষ্টির মধ্যে এই ঘটনা ঘটে।

সি বীচ পুলিশ বক্সের বিপরীতে রাস্তার অর্ধেক ভারি বর্ষণে ধসে পড়ে। রাস্তার এক পাশে গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও, ধসে পড়া অংশটি দিয়ে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

এদিকে, চট্টগ্রামে টানা দুই দিনের ভারী বর্ষণ এবং জোয়ারের পানিতে নগরের নিচু এলাকা গুলোতে ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। দুপুরে ভারী বর্ষণে নগরীর মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, চকবাজার, কাপাসগোলাসহ নানা সড়ক হাঁটুসমান পানিতে তলিয়ে গিয়ে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জনজীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

বিশেষ করে চকবাজার, কাতালগজ্ঞ, আগ্রাবাদসহ বেশ কিছু এলাকায় হাট থেকে কোমর সমান পানির সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে সকাল থেকে অফিসগামী সাধারণ মানুষ, চাকরিজীবী, এবং খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পরতে বাধ্য হয়েছেন।

সকাল ৯টা পর্যন্ত পতেঙ্গায় ২৪৯ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই দফার বন্যার আঘাতে কুড়িগ্রামে ব্যাপক ফসলহানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:১৯ পি.এম


দুই দফার বন্যার আঘাতে কুড়িগ্রামে ব্যাপক ফসলহানি

অনবরত বৃষ্টিপাত এবং উজানের ঢলের কারণে কুড়িগ্রামে পরপর দুই দফার স্বল্পমেয়াদী বন্যায় প্রায় ৫০০ হেক্টর জমির সবজি ও অন্যান্য ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিষয়টি কৃষকদের জন্য চরম আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, বিশেষ করে নদ-নদীর অববাহিকার প্রান্তিক কৃষকদের জন্য। উল্লেখ্য, স্থানীয় কৃষি বিভাগ ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করে তাদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছে।

সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা যায়, বন্যার পানিতে একরের পর একর পটল ও করলার ক্ষেত তলিয়ে সম্পূর্ণরূপে নষ্ট হয়ে গেছে। অন্যান্য ফসলের ক্ষেত, বিশেষ করে পাট, মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষেতগুলো রক্ষার উপায় না থাকায় অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে তাদের ক্ষেত থেকে নষ্ট ও আধপাকা ফসল সরিয়ে নিতে দেখা যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুই সপ্তাহ আগে বৃষ্টিপাত এবং উজানের ঢলের ফলে কুড়িগ্রামের ৯টি উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তা ও দুধকুমার নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নদ-নদীর অববাহিকা এবং বিস্তীর্ণ নিচু এলাকা তলিয়ে যায়। এর ফলস্বরূপ পটল, শসা, করলা, পাট, বাদাম, আমন বীজতলা সহ নানা ফসল নিমিষে তলিতে যায়। এক সপ্তাহের ব্যবধানে পরপর দুই দফা বন্যায় ফসলের ক্ষেত দীর্ঘদিন ধরে পানির নিচে থাকায় তা সম্পূর্ণরূপে পচে গেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা জানিয়েছেন, হঠাৎ বন্যায় তাদের উঠতি ফসলের ক্ষেত নষ্ট হওয়ার কারণে তারা চরম বিপাকে পড়েছেন। তারা ধারদেনা করে লাগানো ফসল থেকে উৎপাদন খরচও তুলতে পারছেন না। বন্যার পানি পুরোপুরি নেমে গেলে পরবর্তী ফসল চাষ করার জন্য তারা এখন সরকারি জরুরি সহযোগিতার দাবি জানাচ্ছেন।

কুড়িগ্রাম সদরের পাঁচগাছী এলাকার ভুক্তভোগী কৃষক মোছাব্বের হোসেন সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে জানাচ্ছেন, '২ বিঘা জমিতে পটল লাগিয়েছিলাম। কিন্তু সম্পূর্ণ আবাদটাই বন্যার পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে। মাত্র তিন বার পটল তুলে বাজারে বিক্রি করতে পেরেছিলাম। তাতে আমার উৎপাদন খরচই ওঠেনি। এখন সরকারিভাবে সহযোগিতা না পেলে পরবর্তী আবাদের জন্য আমার অর্থনৈতিক সামর্থ্য কোনো নেই।'

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. মেহেদী হাসান কৃষকদের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেছেন, 'বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। তাদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এবং পরবর্তী আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা নিয়ে আমরা কৃষকদের পাশে দাঁড়াব।'

জেলা কৃষি বিভাগের সরকারি তথ্যানুযায়ী, পরপর দুই দফা বন্যার ফলে জেলার ৯টি উপজেলার মোট ৪৯৯ হেক্টর জমির সবজিসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষেত তলিয়ে গেছে। বর্তমানে মাঠপর্যায়ের কৃষকদের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ চলছে বলে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাঙ্গামাটিতে গাছচাপায় একজন নিহত, পাহাড় ছাড়তে প্রশাসনের মাইকিং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২৩ পি.এম


রাঙ্গামাটিতে গাছচাপায় একজন নিহত, পাহাড় ছাড়তে প্রশাসনের মাইকিং

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘটেছে, কারণ তিনি ধসে পড়া গাছের গোড়ায় চাপা পড়েছিলেন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে এই দুর্ঘটনা ঘটে বাঘাইছড়ি পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের লাইল্যাঘোনা এলাকায় গাছ চাপার ফলে।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা গেছে, সকালে লক্ষী বিলাস চাকমা নামের একজন ব্যক্তি একটি মরা গাছের গোড়া পরিষ্কার করার কাজ করছিলেন। এই অবস্থায় হঠাৎ একটি মরা গাছ ধসে গিয়ে তার গায়ের ওপর পড়ে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে। খবর পাওয়ার পর বাঘাইছড়ি থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আমেনা মারজান ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে মন্তব্য করেন, 'গাছ চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু ঘটেছে। আমরা পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী সকলকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।'

এদিকে, টানা বৃষ্টির কারণে রাঙ্গামাটির বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মাইকিং করা হচ্ছে।

কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টির ফলে রাঙ্গামাটির বিভিন্ন পাহাড়ে ধসের আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশে এবং ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে বসবাসকারী জনগণের জন্য দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে, তবে অনেক বাসিন্দা এখনই ঘরবাড়ি ছাড়তে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন।

রাঙ্গামাটি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যে ৫৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। যদি বৃষ্টিপাত আরও বৃদ্ধি পায়, তাহলে পাহাড় ধসের ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১১ জেলেকে নিয়ে ট্রলারডুবি, বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ ৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২৭ পি.এম


১১ জেলেকে নিয়ে ট্রলারডুবি, বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ ৬

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপকূলের অদূরে বঙ্গোপসাগরে প্রবল স্রোত ও উত্তাল ঢেউয়ের মুখে পড়ে একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে গেছে। ট্রলারে থাকা ১১ জন জেলেদের মধ্যে ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু, ঘটনার দুই দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরও ৬ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

রবিবার (৫ জুলাই) রাত ১০টার দিকে, রাঙ্গাবালী উপজেলার মৌডুবী এলাকা থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণে গভীর বঙ্গোপসাগরে এটি ঘটেছে।

উদ্ধার হওয়া জেলেদের মধ্যে রয়েছেন- বায়েজিদ (৩০), ইমাদুল সিকদার (৪০), নাজমুল (৩০), রাকিব (২২) ও সজিব (২৫)।

অন্যদিকে, এখনো নিখোঁজ রয়েছেন পানপট্টি ইউনিয়নের তুলারাম গ্রামের ইমাদুল খা (৪৫), খরিদা গ্রামের হারুন (৬০), গজালিয়া ইউনিয়নের আদানী গ্রামের ফরকান (৪৫), সায়েদ (২০), আল-আমিন (৪০) এবং গলাচিপা সদর ইউনিয়নের পক্ষিয়া গ্রামের আক্কাস (২৫)।

উদ্ধার হওয়া জেলেরা জানিয়েছেন, গলাচিপা উপজেলার পানপুট্টি ইউনিয়নের খরিদা গ্রামের ইমাদুল সিকদারের মালিকানাধীন ট্রলারটি শনিবার (৪ জুলাই) রাতে ১১ জন জেলে নিয়ে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে বঙ্গোপসাগরে রওনা হয়েছিল। পরবর্তীতে রোববার রাতে সাগরে প্রবল স্রোত ও বিশাল ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটি উল্টে ডুবে যায়। এ সময় জেলেরা ট্রলারের বিভিন্ন অংশ ও একটি বয়া ধরে সাগরের বুকে প্রায় ৬ ঘণ্টা ভেসে ছিলেন। রাত ৩টার দিকে, একই এলাকার ইমাম সিকদারের একটি মাছ ধরার ট্রলার তাদের দেখতে পেয়ে ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে।

ট্রলারডুবির প্রায় দুই দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো নিখোঁজ ৬ জেলের কোনো সন্ধান মেলেনি। স্থানীয় জেলে ও মাছ ধরার ট্রলারগুলো সাগরে নিখুঁজ জেলেদের উদ্ধারের জন্য নিরলস তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজার মো. ইজাজুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, 'ট্রলারডুবির খবর পাওয়ার পরপরই রাঙ্গাবালী ও কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে। নিখোঁজ জেলেদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারের জন্য কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে সাগরে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।'

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%