বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:০১ পি.এম
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নতুন ঋণ কর্মসূচির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। দুই পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে ঋণ নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে পুরোনো ঋণ কর্মসূচি চলমান থাকলেও নতুন প্রকল্পের জন্য ঋণ পেতে কোনো সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি হবে না বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এ কথা বলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
তিনি বলেন, নতুন ঋণ কর্মসূচির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে আইএমএফের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশনের কাজ শেষ হয়েছে। এর পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে দুই পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে ঋণ সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পুরোনো ঋণের পাশাপাশি নতুন প্রকল্পে অর্থায়নের ক্ষেত্রে কোনো সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে না বলে বাংলাদেশ ব্যাংক আশাবাদী।
আরিফ হোসেন খান জানান, আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা কালে আগের পরিকল্পনার পরিবর্তে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন প্রকল্পে যাওয়ার প্রক্রিয়ায় সরকারের অগ্রাধিকারের বিষয়গুলোও প্রতিনিধি দলের সামনে তুলে ধরা হয়েছে।
নতুন ঋণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে পাঁচ দিনের সফরের শেষ দিনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করেছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল। সফরজুড়ে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি, চলমান সংস্কার কার্যক্রম এবং সম্ভাব্য নতুন ঋণ কর্মসূচি বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত ১২ জুলাই ঢাকায় আসে আইএমএফের ১২ সদস্যের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন। সফরের শেষ দিনে পাঁচ দিনের পর্যবেক্ষণ ও তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে আলোচনা করে প্রতিনিধি দল।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আনুষ্ঠানিক ঋণ আলোচনা শুরুর আগে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন এবং নীতিগত অবস্থান নির্ধারণের জন্য এই সফরের তথ্য-উপাত্ত গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।
এ সময় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট, মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামো, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি), রাজস্ব আদায়, করনীতি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, সরকারি কর্মচারীদের বেতন ও নিয়োগ, বিদ্যুৎ, গ্যাস, জ্বালানি, সার ও খাদ্য ভর্তুকির বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পায়।
এছাড়া বিদ্যুৎ খাতের ক্যাপাসিটি পেমেন্ট, ব্যাংকিং খাতের সংস্কার, ব্যাংক রেজল্যুশন আইন বাস্তবায়ন, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের অর্থায়ন, বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্যিক ঋণ গ্রহণ এবং বৈদেশিক অর্থায়নের ঝুঁকিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
এসব তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে আইএমএফ তাদের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রস্তুত করবে। পাশাপাশি কোন কোন খাতে কারিগরি সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে, তাও ওই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ার পেনাংয়ে একটি নির্মাণাধীন ভবনের ৩৪তলা থেকে নিচে পড়ে মারা গেছেন এক বাংলাদেশি নির্মাণ শ্রমিক। গত ১২ জুলাই আনুমানিক বেলা সাড়ে ১১টায় বায়ান মুতিয়ারা এলাকার ১৩ নম্বর মুকিমে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।
পেনাংয়ের পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য বিভাগের এক বিবৃতিতে বুধবার (১৫ জুলাই) জানানো হয় যে, নিহত বাংলাদেশি ওই নির্মাণ সাইটে কর্মরত ছিলেন একটি সাব-কন্ট্রাক্টর কোম্পানির অধীনে। তার কাজ ছিল পেইন্টিং, প্লাস্টারিং এবং হাউসকিপিং। দুর্ঘটনার দিন, যখন ওই শ্রমিক ৩৪ তলায় কাজ করছিলেন, তখন হঠাৎ করেই তিনি নিচে পড়ে যান এবং পরে ৯ তলার ক্যানোপি ছাদের ওপর তার মরদেহ পাওয়া যায়।
খবর পেয়ে পেনাং হাসপাতালের একটি মেডিকেল টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং ওই শ্রমিককে মৃত ঘোষণা করে। এই ঘটনার পর, পেনাংয়ের পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য বিভাগ তাৎক্ষণিকভাবে একটি তদন্ত দল ঘটনাস্থলে পাঠায়। তারা তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সাব-কন্ট্রাক্টরকে নির্দেশ দেয় খোলা জায়গায় সব ধরনের পেইন্টিং ও প্লাস্টারিংয়ের কাজ অবিলম্বে বন্ধ রাখতে এবং নিষেধাজ্ঞা নোটিশ জারি করে। একই সাথে, নির্মাণ সাইটের খোলা অংশ বা ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে সুরক্ষাবেষ্টনী দিতে ব্যর্থ হওয়ায় মূল ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকেও আলাদা নিষেধাজ্ঞা নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
পেনাংয়ের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক খাইরোজী আসরি এই ঘটনাটির তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, কর্মক্ষেত্রে বিশেষ করে উঁচুতে কাজ করার সময় সুরক্ষার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা উচিত। তিনি ১৯৯৪ সালের পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য আইন এবং ২০২৪ সালের নির্মাণ কাজের বিধিমালা অনুযায়ী সব নিয়োগকর্তা ও ঠিকাদারদের কর্মক্ষেত্রের ঝুঁকি চিহ্নিত করে যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
এছাড়া, কর্মক্ষেত্রের যেকোনো দুর্ঘটনা গোপন করা বা রিপোর্ট না করার বিষয়টিকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, এই ঘটনার পেছনে আইনের কোনো লঙ্ঘন হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর পদ্মা নদীতে মাছ ধরার সময় এক জেলের জালে মাছের পরিবর্তে উঠে এসেছে একটি গ্রেনেড।
বুধবার (১৫ জুলাই) চারঘাট থানাধীন রাওথা গ্রামে সাইদুর নামক ওই জেলের জালে গ্রেনেডটি উঠে আসে।
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর জনসংযোগ কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) জানান, রাজশাহীর চারঘাট থানাধীন রাওথা গ্রামের সাইদুর নামের একজন জেলে পদ্মা নদীতে মাছ ধরার সময় তার জালে মাছের বদলে একটি ছোট কিন্তু ভারী বস্তু উঠে আসে। কর্দমাক্ত বস্তুটিকে তিনি মূল্যবান মনে করে বাড়িতে নিয়ে যান। সেটিকে পরিষ্কার করার সময় জেলের ছেলে সাব্বির রহমান গুগলে সার্চ দিয়ে বুঝতে পারেন এটি হয়তো বোমা বা গ্রেনেড হবে। তখন তিনি ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি জানান।
৯৯৯ তাৎক্ষণিকভাবে চারঘাট থানা, বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এবং জেলা পুলিশ কন্ট্রোলরুমে বিষয়টি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানায়। ৯৯৯ নম্বরে কলটি রিসিভ করেছিলেন ৯৯৯ এর কলটেকার কনস্টেবল ইয়াছিন আরাফাত এবং এ সংক্রান্তে কলার ও সংশ্লিষ্ট থানার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছিলেন ৯৯৯ এর পুলিশ ডিসপাচার এসআই আমিনুল ইসলাম।
খবর পেয়ে চারঘাট থানা ও বম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে গ্রেনেডটি উদ্ধার করে এবং যথাযথ নিরাপত্তা প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সেটি নিষ্ক্রিয় করে, বলছেন আনোয়ার সাত্তার।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জলাবদ্ধতা নিরসনে কোটি টাকা বরাদ্দ থাকার পরও কোনো শাসনামলেই কার্যকরী পদক্ষেপ দেখা যায়নি, এই বিষয়ে মন্তব্য করেছেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু রাজধানীর বিজয় নগরে বন্যা ও জলাবদ্ধতা নিয়ে জনসাধারণের ভোগান্তি এবং দুর্ভোগ সম্পর্কে রাজপথে গণশুনানির আয়োজন করেন।
মঞ্জু আরও বলেন, ‘আওয়ামী শাসনামল সহ অন্তর্বর্তী সরকার এবং বর্তমান সরকারের আমলেও জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। তবে, তারপরও প্রতি বছর জনসাধারণকে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।’
তিনি এই ঘটনায় সিটি করপোরেশনের সকল প্রশাসককে জবাবদিহিতার আওতায় আনার ব্যবস্থা নেয়ার প্রস্তাবও রেখেছেন।
গণশুনানিতে একাধিক পেশাজীবী তাদের প্রতিদিনের জীবনে জলাবদ্ধতা সম্পর্কে ভোগান্তির অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হলিউডের সিনেমা নির্মাতাদের মধ্যে অনবদ্য এক নাম ক্রিস্টোফার নোলান। তার সিনেমা মানেই অন্যরকম কিছু। তাতে শুধুমাত্র বক্স অফিসে ঝড় দেখা দেয় না, বরং তিনি দর্শক-সমালোচকদের জন্য নতুন ভাবনার জগত তৈরি করেন। কখনও স্বপ্নের গোলকধাঁধা, কখনও সময়ের রহস্য, আবার কখনও মহাকাশের অসীম বিস্তার—সবকিছুই অসাধারণ দক্ষতায় বড় পর্দায় তুলে ধরেছেন এই অস্কারজয়ী ব্রিটিশ নির্মাতা।
তার সিনেমা দেখার জন্য তাবৎ দুনিয়ার দর্শকরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন। বড় খবর হচ্ছে, আবারও দর্শকদের সেই অপেক্ষা শেষ করতে চলেছেন তিনি। ১৭ জুলাই বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেতে যাচ্ছে তার নতুন সিনেমা ‘দ্য ওডিসি’। এই উপলক্ষে বাংলাদেশের দর্শকরাও আনন্দিত হতে পারেন, কারণ একই দিনে স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পাবে সিনেমাটি।
প্রায় তিন হাজার বছর আগে-এর গ্রিক কবি হোমারের মহাকাব্য ‘দ্য ওডিসি’-র অবলম্বনে নির্মিত এই বিশাল বাজেটের সিনেমাটি নিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। গ্রিক বীর ওডিসিয়াসের দীর্ঘ ও বিপদসংকুল ঘরে ফেরার যাত্রা কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে ‘দ্য ওডিসি’। ট্রোজান যুদ্ধে অংশ নিতে গিয়ে এক দশক রণাঙ্গনে কাটানোর পর দেশে ফেরার পথে ভাগ্যের নির্মম খেলায় সঙ্গীদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন ওডিসিয়াস।
ভয়াল সমুদ্র, অচেনা দ্বীপ, অদ্ভুত প্রাণী, দেব-দেবীর রোষসহ সমস্ত বাধা অতিক্রম করে প্রায় ২০ বছর পর নিজের রাজ্য ইথাকায় ফেরার সংগ্রামই এই মহাকাব্যের মূল সুর। ওডিসিয়াস karakter ে অভিনয় করেছেন ম্যাট ডেমন। তাঁর ছেলে টেলিমাকাসের চরিত্রে টম হল্যান্ড এবং স্ত্রী পেনেলোপের চরিত্রে অ্যান হ্যাথাওয়েকে দেখা যাবে। ছবিতে একঝাঁক তারকা আরো অভিনয় করেছেন রবার্ট প্যাটিনসন, জেন্ডায়া, শার্লিজ থেরন, মিয়া গোথ, বেনি সাফডি এবং জন বার্নথালসহ।
‘দ্য ডার্ক নাইট’ ট্রিলজি, ‘ইনসেপশন’, ‘ইন্টারস্টেলার’ এবং ‘ওপেনহাইমার’-এর মতো বিখ্যাত ছবির নির্মাতা নোলান জানিয়েছেন, ‘দ্য ওডিসি’-র আসল বিশেষত্ব হচ্ছে এর বিশাল পরিসর। তার মতে, ‘প্রতিটি ছবিরই নিজস্ব চ্যালেঞ্জ থাকে। তবে এই ছবিতে যেন প্রতিটি ধাপে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছিল।’ তিনি বলেন, ‘দ্য ওডিসি’ তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে কঠিন এবং সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী প্রজেক্ট। তার মতে, গ্রিক কবি হোমারের অমর মহাকাব্য ‘দ্য ওডিসি’-কে সিনেমায় রূপ দেওয়া মোটেও সহজ ছিল না। বরং তার দীর্ঘ চলচ্চিত্রজীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে এই ছবি নির্মাণের সময়। মরক্কো, গ্রিস, ইতালি, আইসল্যান্ডসহ একাধিক দেশে হয়েছে ছবিটির শুটিং। প্রতিটি যুদ্ধের দৃশ্য, বিশাল সেট এবং অ্যাকশন দৃশ্য তৈরি করতে মাসের পর মাস ধরে পরিকল্পনা চলেছিল।
ছবিতে ওডিসিউসের ছেলে টেলেম্যাকাসের চরিত্রে অভিনয় করা টম হল্যান্ড শুটিংয়ের প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করে জানিয়েছেন, মরক্কোতে সেটে গিয়ে তিনি যেন কয়েক হাজার বছর পিছিয়ে গিয়েছিলেন। একটি বালিয়াড়ি পেরিয়ে সামনে এসে দেখেন হাজার হাজার শিল্পী, সৈন্যদের সারি, সমুদ্রতীরে শত শত নৌকা এবং বিশাল যুদ্ধের প্রস্তুতি। তিনি বলেন, ‘মনে হচ্ছিল আমি যেন কোনো সিনেমার সেটে নয়, ইতিহাসের এক অধ্যায়ে পৌঁছে গিয়েছি।’
অন্যদিকে, ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্র ওডিসিউসের ভূমিকায় অভিনয় করা ম্যাট ডেমন জানান, হলিউডে দীর্ঘদিন কাজ করার পরেও এমন আয়োজন আগে খুব কমই দেখেছেন। ট্রয়ের পতনের একটি দৃশ্যের শুটিংয়ের স্মৃতি তুলে ধরে তিনি বলেন, চারদিকে আগুনে জ্বলছে বাড়িঘর, হাজার হাজার এক্সট্রা শিল্পী যুদ্ধ করছে, আগুনের মধ্যে দিয়ে ছুটে চলেছেন অভিনেতারা।
শট শেষ হওয়ার পর সিনেমাটোগ্রাফার তাকে মনে করিয়ে দেন, এত বিশাল আয়োজন আসলে ছবির একটি ফ্ল্যাশব্যাক দৃশ্য মাত্র। প্রযুক্তিগত দিক থেকেও এই ছবি নোলানের ক্যারিয়ারে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। ‘দ্য ওডিসি’ হচ্ছে তার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য ছবি, যা সম্পূর্ণভাবে আইম্যাক্স ক্যামেরায় ধারণ করা হয়েছে। নোলান জানান, তার লক্ষ্য হচ্ছে, দর্শকদের সবচেয়ে বাস্তব ও নিমগ্ন সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতা উপহার দেওয়া। সব মিলিয়ে সিনেমাটি যে নতুন এক মাইলফলক সৃষ্টি করতে চলেছে তার আভাস স্পষ্ট।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ