প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নতুন ঋণ কর্মসূচির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। দুই পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে ঋণ নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে পুরোনো ঋণ কর্মসূচি চলমান থাকলেও নতুন প্রকল্পের জন্য ঋণ পেতে কোনো সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি হবে না বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এ কথা বলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
তিনি বলেন, নতুন ঋণ কর্মসূচির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে আইএমএফের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশনের কাজ শেষ হয়েছে। এর পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে দুই পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে ঋণ সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পুরোনো ঋণের পাশাপাশি নতুন প্রকল্পে অর্থায়নের ক্ষেত্রে কোনো সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে না বলে বাংলাদেশ ব্যাংক আশাবাদী।
আরিফ হোসেন খান জানান, আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা কালে আগের পরিকল্পনার পরিবর্তে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন প্রকল্পে যাওয়ার প্রক্রিয়ায় সরকারের অগ্রাধিকারের বিষয়গুলোও প্রতিনিধি দলের সামনে তুলে ধরা হয়েছে।
নতুন ঋণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে পাঁচ দিনের সফরের শেষ দিনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করেছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল। সফরজুড়ে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি, চলমান সংস্কার কার্যক্রম এবং সম্ভাব্য নতুন ঋণ কর্মসূচি বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত ১২ জুলাই ঢাকায় আসে আইএমএফের ১২ সদস্যের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন। সফরের শেষ দিনে পাঁচ দিনের পর্যবেক্ষণ ও তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে আলোচনা করে প্রতিনিধি দল।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আনুষ্ঠানিক ঋণ আলোচনা শুরুর আগে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন এবং নীতিগত অবস্থান নির্ধারণের জন্য এই সফরের তথ্য-উপাত্ত গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।
এ সময় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট, মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামো, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি), রাজস্ব আদায়, করনীতি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, সরকারি কর্মচারীদের বেতন ও নিয়োগ, বিদ্যুৎ, গ্যাস, জ্বালানি, সার ও খাদ্য ভর্তুকির বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পায়।
এছাড়া বিদ্যুৎ খাতের ক্যাপাসিটি পেমেন্ট, ব্যাংকিং খাতের সংস্কার, ব্যাংক রেজল্যুশন আইন বাস্তবায়ন, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের অর্থায়ন, বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্যিক ঋণ গ্রহণ এবং বৈদেশিক অর্থায়নের ঝুঁকিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
এসব তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে আইএমএফ তাদের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রস্তুত করবে। পাশাপাশি কোন কোন খাতে কারিগরি সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে, তাও ওই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন