ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাতে ঘুম কম হলে সকালে মাথাব্যথা, মিলবে স্বস্তির উপায়


রাতে ঘুম কম হলে সকালে মাথাব্যথা, মিলবে স্বস্তির উপায়

রাতে পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া এবং সকালে উঠে মাথা ভার বা ব্যথার অনুভূতি অনেকের জন্য পরিচিত একটি সমস্যা। গবেষকরা জানিয়েছেন, ঘুমের অভাবের সঙ্গে মাথাব্যথার একটি সম্পর্ক বিদ্যমান। শরীরে ঘুমের অভাব হলে ব্যথা সহ্য করার ক্ষমতা কমে যেতে পারে, যার ফলে মাইগ্রেন এবং চিন্তায় মাথাব্যথার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অধিকাংশ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রতিদিন ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম শরীরকে বিশ্রাম দেয়ার পাশাপাশি মাথাব্যথার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

ঘুম কমলে কেন মাথাব্যথা হয়?

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৪, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ জন

ঘুমের অভাব শরীরের ব্যথা অনুভব করার সীমাকে কমিয়ে দিতে পারে। এর ফলে সামান্য অস্বস্তিও অধিক ব্যথার অনুভূতি সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে, মাইগ্রেন এবং চিন্তায় মাথাব্যথার ক্ষেত্রে ঘুমের অভাবের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।

মাইগ্রেনের ব্যথা সাধারণত মাথার এক পাশে বেশি অনুভূত হয় এবং এটি কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এর সঙ্গে আলো এবং শব্দের প্রতি অস্বস্তি, বমি বমি ভাব অথবা বমি হতে পারে।

অন্যদিকে, চিন্তায় মাথাব্যথায় মাথার ওপরের অংশ, দুই পাশ বা পেছনে হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার ব্যথা অনুভূত হতে পারে। সাধারণত, আলো বা শব্দে এ ধরনের ব্যথা খুব বেশি বৃদ্ধি পায় না।

কত ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন?

আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু

বয়স অনুযায়ী ঘুমের প্রয়োজন ভিন্ন। নবজাতক থেকে শুরু করে বয়স্ক মানুষ পর্যন্ত সবার ঘুমের চাহিদা একরকম নয়।

সাধারণত প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে ৭ ঘণ্টার কম ঘুমকে কম ঘুম হিসেবে ধরা হয়।

মাথাব্যথা হলে কী করবেন?

ঘুমের অভাবে টানধরনের মাথাব্যথা বা মাইগ্রেন হলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করলে ব্যথার তীব্রতা এবং স্থায়িত্ব কমানো সম্ভব।

আরও পড়ুন: ক্যানসার হাসপাতালগুলোতে রেডিওথেরাপি মেশিন স্থাপনের উদ্যোগ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

চিন্তায় মাথাব্যথার ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কিছু ব্যথানাশক ওষুধ ব্যবহার করা হয়। মাইগ্রেনের ক্ষেত্রে সাধারণ ব্যথানাশকের পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শে বিশেষ ধরনের ওষুধ প্রয়োজন হতে পারে।

তবে মাথাব্যথা যদি বারবার হয় বা দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে, তাহলে নিজের মতো করে নিয়মিত ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

ঘরেই ব্যথা কমানোর কিছু উপায়

চিন্তায় মাথাব্যথা কমানোর জন্য মানসিক চাপ হ্রাস, হালকা ব্যায়াম এবং শিথিল হওয়ার কিছু পদ্ধতি কার্যকর হতে পারে।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্যখাতের বাজেটের বড় অংশ ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যয় হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মাথায় ৫ থেকে ১০ মিনিটের জন্য ঠান্ডা বা গরম সেঁক দেওয়া যেতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে হালকা মালিশও আরাম দিতে পারে।

মাইগ্রেন হলে আলো এবং শব্দ কম এমন অন্ধকার এবং শান্ত ঘরে বিশ্রাম নেওয়া উপকারী হতে পারে। ঘাড়ের পেছনে ঠান্ডা সেঁক এবং কপালের ব্যথার জায়গায় হালকা মালিশও করা যেতে পারে।

মাথাব্যথা এড়াতে ঘুমের অভ্যাস ঠিক করুন।

ঘুমের নিয়ম ঠিক রাখা মাথাব্যথা প্রতিরোধের একটি সহজ উপায়। এর জন্য কিছু অভ্যাস মেনে চলা যেতে পারে—

আরও পড়ুন: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিনামূল্যে অনলাইন কোর্সে আবেদন করার পদ্ধতি

প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমান এবং উঠুন: নিয়মিত সময়ে ঘুমানো এবং জাগার অভ্যাস শরীরের স্বাভাবিক ঘুম-জাগরণ ছন্দ ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

দিনে নিয়মিত শরীরচর্চা করুন: ব্যায়াম ভালো ঘুমে সহায়তা করতে পারে। তবে ঘুমানোর ঠিক আগে ব্যায়াম না করে অন্তত তিন ঘণ্টা আগে শেষ করা ভালো।

রাতে হালকা খাবার খান: রাতে বেশি ভারী খাবার খেলে বদহজম বা অস্বস্তির কারণে ঘুমে সমস্যা হতে পারে।

দিনে পর্যাপ্ত আলো পান: দিনের আলো শরীরের ঘুম এবং জাগরণের স্বাভাবিক ছন্দ ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন: খাদ্যপণ্যে নিষিদ্ধ টেক্সটাইল রং ও হাইড্রোজ মেশানোর ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে

ঘুমের আগে চা-কফি এড়িয়ে চলুন: ঘুমানোর ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা আগে ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়, ধূমপান এবং মদ্যপান এড়িয়ে চলা ভালো।

ঘর ঘুমের উপযোগী রাখুন: শোবার ঘর অন্ধকার, শান্ত এবং আরামদায়ক রাখুন। ঘর অতিরিক্ত গরমও যেন না হয়।

ঘুমের জায়গা থেকে কাজের জিনিস সরিয়ে রাখুন: টেলিভিশন, কম্পিউটার, কাজের কাগজপত্র বা মানসিক চাপ বাড়ায় এমন জিনিস শোবার ঘরে না রাখাই ভালো।

ঘুমের আগে নির্দিষ্ট অভ্যাস তৈরি করুন: বই পড়া, ধ্যান করা বা হালকা গরম পানিতে গোসলের মতো শান্ত কাজ ঘুমের প্রস্তুতিতে সাহায্য করতে পারে। শোবার কয়েক ঘণ্টা আগে মুঠোফোন, কম্পিউটারসহ বৈদ্যুতিক পর্দা এড়িয়ে চলা ভালো।

ঘুম না এলে জোর করবেন না: নির্দিষ্ট সময়ে বিছানায় গেলেই সঙ্গে সঙ্গে ঘুম আসবে, এমন নয়। ঘুম না এলে অতিরিক্ত চেষ্টা এবং দুশ্চিন্তা উল্টো মানসিক চাপ বাড়াতে পারে।

রাতে অতিরিক্ত পানি পান করবেন না: শোবার আগে বেশি পানি পান করলে রাতে বারবার ঘুম ভাঙতে পারে।

পর্যাপ্ত ঘুমই হতে পারে সহজ সমাধান

গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুমের ঘাটতি এবং মাইগ্রেন ও টানধরনের মাথাব্যথার মধ্যে একটি সুস্পষ্ট সম্পর্ক রয়েছে। পর্যাপ্ত ঘুম শরীরের ব্যথা সহ্য করার ক্ষমতা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

সুতরাং, নিয়মিত মাথাব্যথায় ভুগলে শুধুমাত্র ব্যথানাশক ওষুধের ওপর নির্ভর না করে ঘুমের সময় এবং ঘুমের অভ্যাসের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। মাথাব্যথা যদি ঘন ঘন হয়, তীব্র হয় অথবা স্বাভাবিক কাজকর্মে বাধা দেয়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ছবির ক্যাপশন: ঘুমের ঘাটতি শরীরের ব্যথা সহ্য করার ক্ষমতা কমিয়ে মাথাব্যথার প্রবণতা বাড়াতে পারে।

সূত্র: হেলথলাইন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদিকে সামরিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাজ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩৯ পি.এম


হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদিকে সামরিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাজ্য

যুক্তরাজ্য ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদি আরবকে সীমিত সামরিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম এই তথ্য জানিয়েছেন।

বার্নহাম জানান, ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্স সৌদি যুদ্ধবিমানকে আকাশে জ্বালানি সরবরাহে সহায়তা করবে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আরএএফ ভয়েজার ট্যাংকার বিমান মোতায়েন করে এই সহায়তা কার্যকর করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক যাওয়ার পথে বিমানেই সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রধানমন্ত্রী বার্নহাম এসব তথ্য প্রদান করেন। তিনি জানান, সৌদি যুদ্ধবিমানকে আকাশে জ্বালানি সরবরাহে সহায়তা করতে ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্সকে (আরএএফ) অনুমতি দিয়েছেন।

বার্নহাম আরও বলেন, এই সহায়তা সাময়িকভাবে কয়েক সপ্তাহের জন্য দেওয়া হবে। তবে পরিস্থিতি নিয়মিতভাবে পর্যালোচনা করা হবে।

ব্রিটিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এই অভিযান শুরু হবে। এ জন্য একটি আরএএফ ভয়েজার ট্যাংকার বিমান মোতায়েন করা হবে। এটি ‘প্রতিরক্ষামূলক’ অভিযানে থাকা সৌদি যুদ্ধবিমানগুলোকে আকাশে জ্বালানি সরবরাহ করবে।

বার্নহাম মন্তব্য করেন, ‘আমি ব্রিটেন ও বৃহত্তর অঞ্চলের স্বার্থ রক্ষায় পদক্ষেপ নিচ্ছি। কারণ সৌদি আরব হামলার শিকার হচ্ছে, সামনে আরও অস্থিরতার আশঙ্কা রয়েছে। আমাদের তেল পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথগুলো খোলা রাখতে হবে।’

এদিকে ইয়েমেনে আবারও সংঘাত তীব্র হয়ে উঠেছে। হুতিরা সৌদি আরবের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। গত শনিবার রাজধানী রিয়াদকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়, তবে সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেটি প্রতিহত করে।

হুতিরা লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে সৌদি আরবের সমুদ্রপথে চলাচলের ওপর অবরোধ ঘোষণা করেছে। বিশ্বের মোট বাণিজ্যের প্রায় ১২ শতাংশ যে সমুদ্রপথ দিয়ে যায়, সেই গুরুত্বপূর্ণ পথটিতে তারা সৌদি আরবের বাণিজ্যিক জাহাজ ও দেশটির জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে টার্গেট করছে।

এর আগে চলতি মাসের শুরুতে হুতিরা ইয়েমেনের উপকূলীয় এলাকাগুলোতে আরও অগ্রসর হয়ে কৌশলগত বন্দরনগরী মোকা এবং লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি দ্বীপ দখল করে। এর ফলে সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচলের ওপর নজরদারির সক্ষমতা আরও বেড়েছে গোষ্ঠীটির।

লন্ডন হুতিদের এসব হামলার নিন্দা জানিয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্য বলেছে, ‘আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে, বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে এবং মানবিক সহায়তা পৌঁছাতে অংশীদারদের সঙ্গে কাজ’ করবে তারা।

অতীতে যুক্তরাষ্ট্র হুতিদের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে সরাসরি হামলা চালালেও সর্বশেষ উত্তেজনার মধ্যে ওয়াশিংটন সামরিকভাবে হস্তক্ষেপে আগ্রহ দেখাচ্ছে না।

এমন অবস্থায় হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সৌদি আরব আন্তর্জাতিক অংশীদারদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আকাশ প্রতিরক্ষা সহায়তা চাওয়ার খবরের পরই যুক্তরাজ্যের এই সহায়তার সিদ্ধান্ত এসেছে। ব্রিটেনের পাশাপাশি ফ্রান্স, মিশর ও পাকিস্তানের কাছেও সৌদি আরব সহায়তা চেয়েছে বলে জানা গেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠা হবে: মন্ত্রী জাহিদ হোসেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩৯ পি.এম


দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠা হবে: মন্ত্রী জাহিদ হোসেন

মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, সরকার দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় পর্যায়ক্রমে একটি করে প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে।

তিনি সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইস্কাটনে বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিবন্ধী ও দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ তথ্য তুলে ধরেন।

বর্তমানে দেশে ৮৫টি প্রতিবন্ধী স্কুল কার্যক্রমে রয়েছে উল্লেখ করে ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, কেবল স্কুল প্রতিষ্ঠার বিষয়টিই নয়, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের গুণগত শিক্ষাদানের সুবিধার্থে বিশেষভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টিও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি বৈষম্যহীন, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান, যেখানে প্রতিটি নাগরিকের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত হবে এবং কেউ পিছিয়ে থাকবে না।

মন্ত্রী জানান, সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শুধু সুরক্ষার আওতায় আনাই নয়, বরং তাদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার বাস্তবমুখী কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, যেসব পরিবারে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু রয়েছে, তাদের অভিভাবকরা অনেক সময় সন্তান লালন-পালন করতে গিয়ে স্বাভাবিক কর্মক্ষেত্রে যুক্ত হতে পারেন না। সেসব পিতা-মাতারা যাতে ঘরে বসে বা উপযোগী পরিবেশে আয়ের সুযোগ পান এবং কর্মক্ষম থাকতে পারেন, সে বিষয়েও সরকার সক্রিয়ভাবে চিন্তা-ভাবনা করছে।

সভায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিরা ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধির দাবি জানালে, মন্ত্রী তাদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন এবং তা বৃদ্ধির বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ ও বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের নির্বাহী সচিব মো. কামরুজ্জামান (দুলাল)।

ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় ভাতার হার বৃদ্ধির পাশাপাশি উপকারভোগীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আগে নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট (এনডিডি) থেকে সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা প্রদান করা হলেও বর্তমানে তা বাড়িয়ে এগারো কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।

এছাড়াও সভায় বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, বিভিন্ন নিবন্ধিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিগণ এবং উপকারভোগী পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে মন্ত্রী ৯২ জন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের কাছে বিশেষ অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না, তা জানাবে যেসব লক্ষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪০ পি.এম


ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না, তা জানাবে যেসব লক্ষণ

ডেঙ্গু জ্বরের সৃষ্টি ঘটে ডেঙ্গু ভাইরাসের মাধ্যমে। এডিস নামক স্ত্রী মশার কামড়ের মাধ্যমে ডেঙ্গু রোগটি হয়। ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহী মশা যখন কোনো সুস্থ ব্যক্তিকে কামড়ায়, তখন ৩-১৩ দিনের মধ্যে সেই ব্যক্তি জ্বরে আক্রান্ত হতে পারেন।

সাধারণ ডেঙ্গুর লক্ষণ

১. তীব্র জ্বর (১০৪°-১০৫° ফারেনহাইট এমনকি তার বেশি)

২. মাথাব্যথা ও চোখের পেছনে ব্যথা

৩. শরীরের অস্থি, কোমর, পিঠসহ অস্থিসন্ধি এবং মাংসপেশিতে তীব্র ও প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হওয়া।

৪. ক্লান্তিবোধ, অরুচি ও বমি বমি ভাব।

৫. শরীরজুড়ে লালচে দানা দেখা যাওয়া

ডেঙ্গুর বিপজ্জনক লক্ষণ

১. তীব্র পেটে ব্যথা

২. ক্রমাগত বমি হতে থাকা

৩. পেটে বা ফুসফুসে পানি জমা হওয়া এবং শ্বাসকষ্ট।

৪. অতিরিক্ত দুর্বলতা, অবসাদ কিংবা অস্থিরতা।

৫. চামড়া কিংবা মিউকাস ঝিল্লির নিচে রক্তক্ষরণ অথবা নাক, মুখ বা মলদ্বার থেকে তীব্র রক্তপাত।

৬. যকৃত ২ সে.মি. এর বেশি বড় হয়ে যাওয়া।

৭. রক্তে অণুচক্রিকার পরিমাণ দ্রুত কমে যাওয়া এবং হেমাটোক্রিট দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া।

৮. জন্ডিস হওয়া এবং প্রস্রাবের পরিমাণ কমতে থাকা।

৯. রক্তচাপ হঠাৎ কমে যাওয়া

১০. নাড়ির স্পন্দন অত্যন্ত ক্ষীণ ও দ্রুত হওয়া।

১১. শরীরের হাত-পা ও অন্যান্য অংশ ঠান্ডা হয়ে যাওয়া।

ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সাধারণ ডেঙ্গুর উপসর্গের পাশাপাশি যদি এ ধরনের কোনো লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নিতে হবে। মূলত জ্বর কমে যাওয়ার পর ডেঙ্গুর সংকটাপন্ন দশা শুরু হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

এ কারণে ‘জ্বর কমে গেলেই রোগী সুস্থ হয়ে গেল’—এমন ধারণা রাখা উচিত নয়। যারা পূর্বে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে আবারও রোগটি হলে তা মারাত্মক হতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন ২৩ জানুয়ারি ২০২৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪০ পি.এম


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন ২৩ জানুয়ারি ২০২৭

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘ এক দশকের প্রতীক্ষার পর দ্বিতীয় সমাবর্তন আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে। এই সমাবর্তন আগামী ২০২৭ সালের ২৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার সম্মতি প্রদান করেছেন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর সভাপতিত্বে সমাবর্তন আয়োজনের লক্ষ্যে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সমাবর্তন সুষ্ঠু ও সফলভাবে আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্টদের মতামতের ভিত্তিতে একটি শক্তিশালী সমাবর্তন ব্যবস্থাপনা কমিটি এবং বেশ কয়েকটি প্রয়োজনীয় উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে।

উপাচার্য ড. আমানুল্লাহ সভায় বলেন, ‘দীর্ঘ সময় পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সমাবর্তন শুধুমাত্র একটি আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ শিক্ষাজীবনের অর্জন ও সাফল্যের স্বীকৃতি। বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর প্রত্যাশা বিবেচনায় নিয়ে এটি একটি সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও স্মরণীয় আয়োজন হিসেবে রূপ দিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।’

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গতকাল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি সমাবর্তনে চ্যান্সেলর হিসেবে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, সমাবর্তন বক্তা নির্ধারণ, কোন কোন শিক্ষাবর্ষের গ্র্যাজুয়েটরা অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন এবং নিবন্ধন প্রক্রিয়াসহ বিস্তারিত তথ্যাবলী দ্রুত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এই সমাবর্তন বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। দেশের প্রায় আড়াই হাজার কলেজের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সঙ্গে যুক্ত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ বছর বিরতির পর আবার সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দীর্ঘ বিরতির পর দ্বিতীয় সমাবর্তনের আয়োজন ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আশা করছে, বিপুল সংখ্যক গ্র্যাজুয়েটের অংশগ্রহণে সমাবর্তনটি একটি বড় আয়োজন হিসেবে অনুষ্ঠিত হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. নাজমুল হোসাইন, রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেনসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও দপ্তর প্রধানগণ। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%