মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:০২ পি.এম
জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও পাসপোর্টের তথ্যের গরমিলে নানা ধরনের জটিলতায় পড়ছেন গ্রিসে বসবাসরত হাজারো প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বিশেষ করে বিদেশে যাওয়ার সময় ভুল বা ভিন্ন তথ্য দিয়ে তৈরি করা পাসপোর্টের কারণে পরবর্তীতে দেশে এসে সরকারি বিভিন্ন সেবা নিতে গিয়ে বিপাকে পড়তে হচ্ছে অনেক প্রবাসীকে।
হবিগঞ্জের মশিউর রহমান মুমিন এরই একটি উদাহরণ। তার জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী জন্ম ১৯৯৫ সালের জুলাই মাসে। কিন্তু বিদেশ যাওয়ার সময় এক দালালের মাধ্যমে তার নামে তৈরি করা হয় একটি পাসপোর্ট। সেখানে নাম দেওয়া হয় ‘মশিউর মিয়া’ এবং জন্মসাল উল্লেখ করা হয় ১৯৯৯।
ওই পাসপোর্ট ব্যবহার করেই বিভিন্ন পথ পাড়ি দিয়ে ইউরোপের দেশ গ্রিসে যান মশিউর। পরে গ্রিসে তার রেসিডেন্স পারমিটসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ওই পাসপোর্টের তথ্য অনুযায়ী তৈরি হয়। ফলে বিদেশে বসবাসের ক্ষেত্রে তার এনআইডির তথ্যের প্রয়োজন হয়নি।
সম্প্রতি দেশে ফিরে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে নতুন করে সমস্যায় পড়েন তিনি। ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য এনআইডি প্রয়োজন হওয়ায় আবেদন করতে গিয়ে দেখা যায়, তার এনআইডির নাম ও জন্মসালের সঙ্গে বিদেশে ব্যবহৃত পাসপোর্ট এবং অন্যান্য নথির তথ্যের মিল নেই। ফলে তিনি ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে পারেননি। পরে বিদেশে ব্যবহৃত পাসপোর্ট ও অন্যান্য নথির তথ্য অনুযায়ী এনআইডি সংশোধনের জন্য আবেদন করেন মশিউর। কিন্তু মাসের পর মাস অপেক্ষা করেও সমস্যার সমাধান হয়নি।
মশিউর রহমান মুমিনের মতো এমন পরিস্থিতিতে পড়েছেন আরও অনেক প্রবাসী।
ভুক্তভোগী মশিউর বলেন, ‘বিদেশ যাওয়ার সময় দালালের মাধ্যমে আমার পাসপোর্টে নাম ও জন্মসালের তথ্য পরিবর্তন করা হয়েছিল। ওই পাসপোর্ট দিয়েই গ্রিসে রেসিডেন্স পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র করেছি। এখন দেশে এসে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়েও সমস্যায় পড়েছি। এনআইডি সংশোধনের জন্য আবেদন করেছি, কিন্তু দীর্ঘদিনেও সমাধান হয়নি। আমার মতো যারা এমন সমস্যায় পড়েছেন, তাদের বিষয়টি মানবিকভাবে বিবেচনা করে দ্রুত সমাধানের ব্যবস্থা করার দাবি জানাচ্ছি।’
শুধু ড্রাইভিং লাইসেন্স নয়, দেশে ফিরে ই-পাসপোর্ট নবায়ন করতেও একই ধরনের জটিলতায় পড়ছেন অনেক প্রবাসী। বিদেশে ব্যবহৃত পাসপোর্টে থাকা নাম, জন্মতারিখ বা অন্যান্য তথ্যের সঙ্গে এনআইডির তথ্য না মেলায় নবায়নের আবেদন আটকে যাচ্ছে।
ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলাম। বিদেশে থাকা অবস্থায় যে পাসপোর্ট ব্যবহার করেছি, সেটির তথ্য অনুযায়ী আমার অন্যান্য কাগজপত্র তৈরি হয়েছে। দেশে ফিরে পাসপোর্ট নবায়ন করতে গিয়ে দেখি এনআইডির তথ্যের সঙ্গে পাসপোর্টের তথ্যের মিল নেই। ফলে নবায়ন প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হয়েছে। তাই বিদেশে বৈধভাবে ব্যবহৃত নথিপত্র যাচাই করে এ ধরনের সমস্যার দ্রুত সমাধান করার আহবান জানাই। যেহেতু বিদেশে আমাদের ডকুমেন্ট তৈরি হয়েছে তাই ওই তথ্য দিয়েই দেশে এনআইডি সংশোধনের অন্তত একবার সুযোগ দেওয়া দরকার।’
সংশ্লিষ্টদের দাবি, বিদেশে যাওয়ার সময় দালাল বা মধ্য স্বত্বভোগীদের মাধ্যমে কিংবা নিজেদের অসচেতনতনায় ভুল তথ্য, ভিন্ন নাম কিংবা বয়স দিয়ে পাসপোর্ট তৈরি হওয়ার কারণে পরবর্তীতে এসব তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বিদেশের রেসিডেন্স পারমিট, ব্যাংক হিসাব, চাকরির কাগজপত্রসহ বিভিন্ন নথি তৈরি হয়ে যায়। দীর্ঘদিন পর দেশে এসে এনআইডির সঙ্গে এসব তথ্যের গরমিল দেখা দিলে তৈরি হয় জটিলতা।
গ্রিসের কমিউনিটি নেতা জাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বিদেশে যাওয়ার সময় অনেক প্রবাসী দালাল বা মধ্য স্বত্বভোগীদের হস্তক্ষেপে ভুল নাম, বয়স কিংবা জন্মতারিখের পাসপোর্ট নিয়ে বিদেশে চলে যান। পরবর্তীতে ওই তথ্যের ভিত্তিতে রেসিডেন্স পারমিট, ব্যাংক হিসাব, চাকরির কাগজপত্রসহ বিভিন্ন বৈধ নথি তৈরি হয়ে যায়। দেশে ফিরে এনআইডির তথ্যের সঙ্গে গরমিল দেখা দিলে তারা বড় ধরনের সমস্যায় পড়েন। প্রকৃত পরিচয় ও বিদেশের বৈধ নথিপত্র যাচাই করে প্রবাসীদের এনআইডি সংশোধনের জন্য বিশেষ ও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।’
প্রবাসীরা বলেন, বিদেশে থাকার সময় এনআইডির প্রয়োজন না হলেও দেশে ফিরে ড্রাইভিং লাইসেন্স, ব্যাংক হিসাব খোলা, জমি ক্রয়-বিক্রয়, কর সংক্রান্ত কাজসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সেবা নিতে এনআইডি প্রয়োজন হয়। তখনই তথ্যের গরমিলের কারণে অনেককে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়।
প্রবাসীরা আরও বলেন, বিদেশে থাকা বাংলাদেশিদের বৈধ পাসপোর্ট, রেসিডেন্স পারমিট ও অন্যান্য সরকারি নথিপত্র যাচাই করে বিশেষ ব্যবস্থায় এনআইডির তথ্য সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হলে এ সমস্যার সমাধান হতে পারে। একই সঙ্গে প্রকৃত পরিচয় যাচাই করে সংশোধনের আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য পৃথক ব্যবস্থা চালুরও দাবি জানিয়েছেন তারা।
তাদের মতে, দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা প্রবাসীদের জন্য এনআইডি সংশোধন প্রক্রিয়া আরও সহজ, স্বচ্ছ ও দ্রুত করা প্রয়োজন। বিদেশের বৈধ নথিপত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এনআইডি সংশোধনের সুযোগ দিতে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ চান তারা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংগঠনটি ভরিতে ৪ হাজার ১১৫ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৬ হাজার ২৫৪ টাকা নির্ধারণ করেছে।
সোমবার সকাল ১০টা থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। মঙ্গলবারও একই দামে বিক্রি হবে স্বর্ণ।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এই কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম হবে ২ লাখ ৩৬ হাজার ২৫৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৫ হাজার ৬৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৩ হাজার ৭৩৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ২৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সকল জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে।
স্বর্ণের দামের পাশাপাশি বাজুস রুপার দামও কমিয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম রুপার দাম ১৭৫ টাকা কমিয়ে ৫ হাজার ১৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা কমিয়ে ৩ হাজার ২০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ফুটবলের মঞ্চে কিছু বিদায় কেবল বিদায় নয়, বরং এক যুগের পর্দা নামানোর মুহূর্ত হয়ে দাঁড়ায়। লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা যেন তেমনই একটি ক্ষণ। আর্জেন্টিনার নীল-সাদা জার্সিতে যার পায়ের জাদুতে বহু রাত রঙিন হয়ে উঠেছে, সেই জাদুকরকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যাবে না, এই বাস্তবতা মেনে নেওয়া ফুটবলবিশ্বের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।
মেসির বিদায়ে সেই আক্ষেপ ফুটে উঠেছে পর্তুগিজ কোচ হোসে মরিনহোর কথায়। আর্জেন্টাইন মহাতারকার বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের জন্য অভিনন্দন জানিয়ে তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, মেসিকে ছাড়া আগামী বড় আন্তর্জাতিক আসরগুলো আর আগের মতো হবে না।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় মেসি জানান, তিনি আর আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে খেলবেন না। দীর্ঘ ২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানার এই সিদ্ধান্ত যে সহজ ছিল না, তা তার কথাতেই প্রতিফলিত হয়েছে।
মেসি লিখেছেন, ‘অনেক ভেবেচিন্তে সবাইকে জানাতে চাই, আমি জাতীয় দলের হয়ে খেলা থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
বিদায়ের সিদ্ধান্তে নিজের কষ্টের কথাও প্রকাশ করেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘এটি ছিল কষ্টদায়ক একটি সিদ্ধান্ত, যা এখনো আমাকে ভেতর থেকে কষ্ট দেয়। কিন্তু আমি বুঝতে পারছি, সময় এসে গেছে।’
তবে বিদায়ের মুহূর্তেও দেশের জার্সির প্রতি নিজের ভালোবাসা এবং দায়বদ্ধতার কথা স্মরণ করেছেন মেসি। তার কাছে আর্জেন্টিনা মানে শুধু ট্রফি জয়ের গল্প নয়; বরং প্রতিটি ম্যাচে দেশের জন্য নিজেকে উজাড় করে দেওয়ার একটি দীর্ঘ যাত্রা।
মেসির ভাষায়, ‘আমি সবসময় আমার সবকিছু দিয়েছি। শুধু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে, যখন আমরা সবকিছু জিতেছি, তখন নয়; তার আগেও। এই জার্সির জন্য সবসময় লড়েছি এবং মাঠে নিজের সর্বস্ব দিয়েছি। ফুটবলের মাধ্যমে তোমাদের আনন্দ দিতে এবং আর্জেন্টাইন হওয়ার গর্ব অনুভব করাতে চেয়েছি।’
মেসির সেই বিদায়ী বার্তার নিচে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন মরিনহো। ‘স্পেশাল ওয়ান’খ্যাত এই কোচ লিখেছেন, ‘একটি অসাধারণ ও অবিস্মরণীয় আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের জন্য অভিনন্দন।’
এরপর মরিনহোর সবচেয়ে আবেগঘন উপলব্ধি আসে। মেসিকে ছাড়া ফুটবলের সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক আসরগুলোর চেহারাই বদলে যাবে বলে মনে করেন তিনি।
মরিনহোর ভাষায়, ‘পরবর্তী কোপা আমেরিকা ও বিশ্বকাপ তোমার অনুপস্থিতিতে আগের মতো হবে না।’
সাবেক পর্তুগিজ তারকা মরিনহোর এই কথায় যেন প্রতিধ্বনিত হলো কোটি ফুটবলপ্রেমীর মনের কথাই। কারণ মেসি শুধু আর্জেন্টিনার একজন ফুটবলার নন, তিনি নিজেই বিশ্বকাপের এক অধ্যায়। মাঠে তার বাঁ পায়ের ছোঁয়া ফুটবলপ্রেমীদের মাতিয়ে রাখে।
সূত্র :
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কানাডার ক্যালগেরিতে অনুষ্ঠিত ‘গ্লোবাল ফেস্ট’ ২০২৬-এ বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করেছে, হৃদয়ে বাংলাদেশকে ধারণ করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এই উৎসবে উপস্থিত হয়েছেন। ‘বিসসি’র উদ্যোগে বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়েছে।
চার দিনব্যাপী এই উৎসবের সময় প্রবাসী বাংলাদেশিরা বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির বিভিন্ন উপাদান দিয়ে সাজিয়েছেন বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন। উৎসবের প্রতিটি দিনেই দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
কানাডার অন্যতম বৃহৎ লোকজ ও বহুসাংস্কৃতিক উৎসব হিসেবে বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বিভিন্ন ভাষাভাষী ও সংস্কৃতির মানুষের কাছে ব্যাপক আকর্ষণ সৃষ্টি করেছে।
এ বছর নাচ, গান এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশের সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরেছেন। বিশেষ করে প্রবাসী বাংলাদেশি শিশু-কিশোর ও তরুণদের অংশগ্রহণ ছিল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
আতশবাজি, বিভিন্ন দেশের আকর্ষণীয় সাংস্কৃতিক উপস্থাপনা এবং সুরের মূর্ছনায় একাকার হয়ে ওঠে এই বহুসংস্কৃতির মিলনমেলা।
বহুজাতিক সম্প্রদায়ের বৈচিত্র্যকে সমর্থন, ভিন্ন সংস্কৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং সমতার মূল্যবোধকে তুলে ধরাই ছিল ‘গ্লোবাল ফেস্ট’-এর মূল উদ্দেশ্য।
আয়োজকরা জানান, বিশ্বের মানুষের সামনে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা এবং দেশের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি তুলে ধরতে পেরে তারা গর্বিত। প্রবাসী বাংলাদেশিদের সন্তানদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেশের প্রতি তাদের ভালোবাসা ও মমত্ববোধেরই প্রমাণ।
তারা বলেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে চান। আয়োজকদের মতে, এ ধরনের আয়োজন বাংলাদেশ ও কানাডার মানুষের মধ্যে সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধন আরও সুদৃঢ় করবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন সেনাবাহিনীর সচিব ড্যানিয়েল ড্রিসকল তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে চলমান টানাপোড়েনের মধ্যে এই সিদ্ধান্তটি এসেছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনের বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে হোয়াইট হাউস ড্রিসকলের পদত্যাগের খবর অস্বীকার করেনি। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি জানান, সেনাবাহিনী বিভাগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর্মসূচি বাস্তবায়নে ড্রিসকল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
তবে রয়টার্সের একটি সূত্রের দাবি, হোয়াইট হাউস এখনও নিশ্চিত নয় যে, তারা ড্রিসকলের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছে কি না। মার্কিন সেনাবাহিনীও এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানায়।
রয়টার্সের সূত্র অনুযায়ী, ড্রিসকল ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে সেনাবাহিনীর রূপান্তর এবং প্রস্তুতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, হেগসেথ এসব উদ্যোগে বাধা সৃষ্টি করছেন এবং এ বিষয়ে কাজ করা জেনারেলদের বরখাস্ত করছেন।
ড্রিসকল পেন্টাগন থেকে বিদায় নেওয়া সর্বশেষ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, যিনি হেগসেথের অধীনে কাজ করেছেন। এর আগে এপ্রিলে সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ র্যান্ডি জর্জকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। জুন মাসে ইউরোপ ও আফ্রিকায় মার্কিন সেনাবাহিনীর কমান্ডার জেনারেল ক্রিস্টোফার ডোনাহু পদ ছাড়েন। নৌবাহিনীর সচিব জন ফেলানও এপ্রিলে পদত্যাগ করেন।
ড্রিসকল ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন সেনাবাহিনীর শীর্ষ বেসামরিক পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি কম খরচে অস্ত্র সংগ্রহের জন্য সেনাবাহিনীকে দ্রুত ও নমনীয় করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তিনি বড় অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সমালোচনাও করেন।
রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধ বন্ধে মস্কো ও কিয়েভের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেওয়ার দায়িত্বও ট্রাম্প তাঁকে দিয়েছিলেন। ইরাক যুদ্ধে মোতায়েন থাকা ড্রিসকল ২০২০ সালে কংগ্রেস নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, তবে তিনি জয়ী হননি। পরে ট্রাম্পের ২০২৪ সালের পুনর্নির্বাচন প্রচারে উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেন।
ড্রিসকল মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের আইন স্কুলের সাবেক সহপাঠী।
সূত্র: বিবিসি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ