মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:০৭ পি.এম
মার্কিন সেনাবাহিনীর সচিব ড্যানিয়েল ড্রিসকল তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে চলমান টানাপোড়েনের মধ্যে এই সিদ্ধান্তটি এসেছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনের বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে হোয়াইট হাউস ড্রিসকলের পদত্যাগের খবর অস্বীকার করেনি। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি জানান, সেনাবাহিনী বিভাগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর্মসূচি বাস্তবায়নে ড্রিসকল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
তবে রয়টার্সের একটি সূত্রের দাবি, হোয়াইট হাউস এখনও নিশ্চিত নয় যে, তারা ড্রিসকলের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছে কি না। মার্কিন সেনাবাহিনীও এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানায়।
রয়টার্সের সূত্র অনুযায়ী, ড্রিসকল ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে সেনাবাহিনীর রূপান্তর এবং প্রস্তুতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, হেগসেথ এসব উদ্যোগে বাধা সৃষ্টি করছেন এবং এ বিষয়ে কাজ করা জেনারেলদের বরখাস্ত করছেন।
ড্রিসকল পেন্টাগন থেকে বিদায় নেওয়া সর্বশেষ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, যিনি হেগসেথের অধীনে কাজ করেছেন। এর আগে এপ্রিলে সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ র্যান্ডি জর্জকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। জুন মাসে ইউরোপ ও আফ্রিকায় মার্কিন সেনাবাহিনীর কমান্ডার জেনারেল ক্রিস্টোফার ডোনাহু পদ ছাড়েন। নৌবাহিনীর সচিব জন ফেলানও এপ্রিলে পদত্যাগ করেন।
ড্রিসকল ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন সেনাবাহিনীর শীর্ষ বেসামরিক পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি কম খরচে অস্ত্র সংগ্রহের জন্য সেনাবাহিনীকে দ্রুত ও নমনীয় করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তিনি বড় অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সমালোচনাও করেন।
রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধ বন্ধে মস্কো ও কিয়েভের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেওয়ার দায়িত্বও ট্রাম্প তাঁকে দিয়েছিলেন। ইরাক যুদ্ধে মোতায়েন থাকা ড্রিসকল ২০২০ সালে কংগ্রেস নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, তবে তিনি জয়ী হননি। পরে ট্রাম্পের ২০২৪ সালের পুনর্নির্বাচন প্রচারে উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেন।
ড্রিসকল মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের আইন স্কুলের সাবেক সহপাঠী।
সূত্র: বিবিসি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে দীর্ঘ নয় বছর ধরে আপসহীনভাবে কাজ করেছেন। তিনি গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার সংগ্রামে কারও সঙ্গে আপস করেননি। জনগণের কাছে যে ওয়াদা ও অঙ্গীকার তিনি করেছিলেন, তা বাস্তবায়নে তিনি শেষ পর্যন্ত দৃঢ় ছিলেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, তাই বিএনপি ওয়াদা রক্ষাকারী ও জনগণের কাছে অঙ্গীকার রক্ষাকারীর দল।
মঙ্গলবার বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবর্ষিকী উপলক্ষে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, বেগম খালেদা জিয়া নানা নিপীড়ন, নির্যাতন, অত্যাচার ও ভয়াবহ নৈরাজ্যের মধ্য দিয়ে দেশ ও দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন শক্তি এবং নানা ধরনের চক্রান্তের মাধ্যমে বারবার বিএনপি ও বেগম খালেদা জিয়াকে পর্যুদস্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু সব ধরনের বাধা, অত্যাচার ও ষড়যন্ত্র অতিক্রম করে গণতন্ত্রকে সুসংহত করার দৃঢ় প্রত্যয় থেকে তিনি কখনো সরে যাননি।
তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সেই অঙ্গীকারকে সামনে রেখে বেগম খালেদা জিয়া তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত বিএনপির নেতাকর্মীদের সংগঠিত করেছেন এবং আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার নেতৃত্বে দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম একপর্যায়ে প্রবল গণআন্দোলনে রূপ নেয়। রাজপথে জনতার শক্তির যে বিস্ফোরণ ঘটেছিল, তা পরবর্তীতে আরও ব্যাপক আকার ধারণ করে। সেই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভ ও প্রতিরোধ আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
রিজভী বলেন, এই দীর্ঘ আন্দোলন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। মানুষের হৃদয়ে তিনি ‘গণতন্ত্রের মা’ হিসেবে স্থান করে নিয়েছেন। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচারের পতন ঘটানোর যে দৃষ্টান্ত তিনি স্থাপন করেছেন, তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অনন্য।
বেগম খালেদা জিয়ার অবর্তমানে তার আদর্শ, সাহস, বীরত্ব এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের চেতনা সামনে রেখে বিএনপি এগিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন রিজভী। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের হাতে গড়ে ওঠা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পতাকা এবং বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক আদর্শ তারেক রহমানের হাতে অর্পিত হয়েছে। তার নেতৃত্বে সারা দেশে বিএনপি সংগঠিত হচ্ছে এবং জনগণের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মারনাস লাবুশেন অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছেন। পাকিস্তান ও বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বশেষ সিরিজে তার ফর্ম খারাপ ছিল, যা তাকে দল থেকে বাদ পড়ার দিকে নিয়ে গেল। তবে টেস্ট দলের পরিস্থিতি এখনও তার পক্ষে রয়েছে, যেখানে তিনি এখনও দলে রয়েছেন।
অস্ট্রেলিয়া দক্ষিণ আফ্রিকা এবং জিম্বাবুয়ের সিরিজের জন্য ওয়ানডে স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। দলে ফিরেছেন দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার, ট্রাভিস হেড এবং মিচেল মার্শ। বাংলাদেশ সফরে টি-টোয়েন্টি সিরিজে অংশগ্রহণ করলেও ওয়ানডেতে মার্শের খেলা হয়নি। অন্যদিকে, হেড কোনো সিরিজেই ছিলেন না।
বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভালো পারফরম্যান্সের জন্য অলরাউন্ডার জোয়েল ডেভিস ওয়ানডে দলে ডাক পেয়েছেন এবং তিনি অভিষেকের অপেক্ষায় রয়েছেন। এছাড়া, দলে টিকে গেছেন ওলি পিক।
অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে দলের আনুষ্ঠানিক অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। তবে জিম্বাবুয়ে সিরিজে অজিদের নেতৃত্ব দেবেন মিচেল মার্শ। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে কামিন্স এবং মার্শ অধিনায়কত্ব ভাগাভাগি করবেন, যা কামিন্সের খেলার উপর নির্ভর করবে। মিচেল স্টার্কও কেবল দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে কামিন্সের সঙ্গে থাকবেন।
অস্ট্রেলিয়া জিম্বাবুয়ে এবং দক্ষিণ আফ্রিকা দুই সফরেই তিনটি করে ওয়ানডে ম্যাচ খেলবে। জিম্বাবুয়ে সিরিজের তিনটি ম্যাচ হবে ১৫, ১৮ এবং ২০ সেপ্টেম্বর হারারেতে। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ২৪, ২৭ এবং ৩০ সেপ্টেম্বর ডারবান, জোহানেসবার্গ এবং পচেফস্ট্রুমে।
অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে স্কোয়াড:
জাভিয়ের বার্টলেট, অ্যালেক্স ক্যারি (উইকেটরক্ষক), কুপার কনোলি, প্যাট কামিন্স (কেবল দক্ষিণ আফ্রিকা), জোয়েল ডেভিস, নাথান এলিস, ক্যামেরন গ্রিন, জশ হ্যাজলউড, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিস, স্পেনসার জনসন, মিচেল মার্শ, ওলিভার পিক, ম্যাট রেনশ, বিলি স্টেনলেক, মিচেল স্টার্ক (কেবল দক্ষিণ আফ্রিকা), অ্যাডাম জাম্পা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়া উদ্যানে বৃক্ষরোপণ ও লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ মঙ্গলবার সকালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী।
এরপর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন– বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানিসহ দলটির শীর্ষ নেতারা।
বিএনপি নেতারা উল্লেখ করেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও রাজনৈতিক দর্শনকে সামনে রেখে দলকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে হবে। একই সঙ্গে দেশের গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
উল্লেখ্য, ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত বিএনপি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে রাশিয়ার পরিচালিত ‘ব্যাপক’ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। এ হামলায় আহত হয়েছেন আরও এক ডজনের বেশি মানুষ।
মঙ্গলবার এই তথ্য জানিয়েছেন ইউক্রেনের কর্মকর্তারা।
গ্রীষ্মের ছুটির পর মঙ্গলবার ইউক্রেনের শিশুদের স্কুলে ফেরার কথা ছিল। তবে সম্ভাব্য আরও রুশ হামলার আশঙ্কায় দেশের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
কিয়েভ আঞ্চলিক সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তাকাচেঙ্কো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামে জানান, ‘কিয়েভ অঞ্চলে রাতে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও হামলাকারী ড্রোনের মাধ্যমে বড় ধরনের হামলা চালানো হয়েছে।’
মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীতে অবস্থানরত এএফপি’র সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, প্রায় এক ডজন বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এ সময় আকাশে আলোর ঝলকানিও দেখা যায়। এর কিছুক্ষণ আগে ইউক্রেনের বিমানবাহিনী কিয়েভের দিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আসার বিষয়ে সতর্ক করেছিল।
কিয়েভ শহরের সামরিক প্রশাসন জানায়, রাজধানীতে হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন।
কিয়েভের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত বরিসপিল এলাকায় হামলায় একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে একজন নিহত এবং একজন আহত হওয়ার খবর জানিয়েছেন তাকাচেঙ্কো।
এছাড়া একটি আবাসিক ভবনে হামলার ঘটনায় আরও আটজন আহত হয়েছেন।
এর আগে, ইউক্রেনের বিমানবাহিনী সতর্ক করে বলেছিল, ‘কিয়েভ ও আশপাশের এলাকায় ব্যালিস্টিক অস্ত্রসহ অন্যান্য ধরনের হামলার ঝুঁকি এখনো রয়েছে।’
এছাড়া বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার ইউক্রেনের শিশুরা নতুন শিক্ষাবর্ষে স্কুলে ফিরছে। এ কারণে কিয়েভ আঞ্চলিক সামরিক প্রশাসন উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বড় ধরনের কোনো অনুষ্ঠান আয়োজন না করার নির্দেশ দিয়েছে।
সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহ ধরে কিয়েভ ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলো রাশিয়ার ধারাবাহিক ড্রোন হামলার শিকার হচ্ছে। হামলায় জেট-চালিত ড্রোনও ব্যবহার করা হচ্ছে।
এসব হামলার কারণে কিছু দিন রাজধানী ও এর আশপাশের এলাকায় প্রায় উপর্যুপরি হামলার সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
সপ্তাহান্তে কিয়েভের উপকণ্ঠে একটি গোলাবারুদের গুদামে রুশ হামলায় ৩৮ জন নিহত হন।
সাম্প্রতিক কয়েক মাসে রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় পক্ষই দূরপাল্লার হামলা বৃদ্ধি করেছে। এসব হামলায় গুদাম, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, তেল ও বন্দর স্থাপনাসহ বিভিন্ন অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে। হামলায় জাহাজও আক্রান্ত হচ্ছে। এর ফলে বেসামরিক মানুষের হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে।
এদিকে রাশিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে ব্যবহৃত বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন ধরনের প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্রের সংকটে রয়েছে ইউক্রেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ