প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
মার্কিন সেনাবাহিনীর সচিব ড্যানিয়েল ড্রিসকল তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে চলমান টানাপোড়েনের মধ্যে এই সিদ্ধান্তটি এসেছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনের বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে হোয়াইট হাউস ড্রিসকলের পদত্যাগের খবর অস্বীকার করেনি। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি জানান, সেনাবাহিনী বিভাগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর্মসূচি বাস্তবায়নে ড্রিসকল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
তবে রয়টার্সের একটি সূত্রের দাবি, হোয়াইট হাউস এখনও নিশ্চিত নয় যে, তারা ড্রিসকলের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছে কি না। মার্কিন সেনাবাহিনীও এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানায়।
রয়টার্সের সূত্র অনুযায়ী, ড্রিসকল ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে সেনাবাহিনীর রূপান্তর এবং প্রস্তুতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, হেগসেথ এসব উদ্যোগে বাধা সৃষ্টি করছেন এবং এ বিষয়ে কাজ করা জেনারেলদের বরখাস্ত করছেন।
ড্রিসকল পেন্টাগন থেকে বিদায় নেওয়া সর্বশেষ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, যিনি হেগসেথের অধীনে কাজ করেছেন। এর আগে এপ্রিলে সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ র্যান্ডি জর্জকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। জুন মাসে ইউরোপ ও আফ্রিকায় মার্কিন সেনাবাহিনীর কমান্ডার জেনারেল ক্রিস্টোফার ডোনাহু পদ ছাড়েন। নৌবাহিনীর সচিব জন ফেলানও এপ্রিলে পদত্যাগ করেন।
ড্রিসকল ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন সেনাবাহিনীর শীর্ষ বেসামরিক পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি কম খরচে অস্ত্র সংগ্রহের জন্য সেনাবাহিনীকে দ্রুত ও নমনীয় করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তিনি বড় অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সমালোচনাও করেন।
রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধ বন্ধে মস্কো ও কিয়েভের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেওয়ার দায়িত্বও ট্রাম্প তাঁকে দিয়েছিলেন। ইরাক যুদ্ধে মোতায়েন থাকা ড্রিসকল ২০২০ সালে কংগ্রেস নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, তবে তিনি জয়ী হননি। পরে ট্রাম্পের ২০২৪ সালের পুনর্নির্বাচন প্রচারে উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেন।
ড্রিসকল মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের আইন স্কুলের সাবেক সহপাঠী।
সূত্র: বিবিসি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন