ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নির্মাণ শেষ হতেই ধসে পড়ল চার কোটি টাকার সড়ক


নির্মাণ শেষ হতেই ধসে পড়ল চার কোটি টাকার সড়ক

চার বছর ধরে নির্মাণের পর উদ্বোধনের আগেই বেহাল হয়ে পড়েছে একটি সড়ক, যার ব্যয় ছিল চার কোটি টাকা। নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার মাত্র দুই দিনের মধ্যেই ধস দেখা দিয়েছে নবনির্মিত সড়ক ও ব্রিজের সংযোগস্থলে। জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)-এর অর্থায়নে সাভারের ধামসোনা ইউনিয়নের নলাই মুকেন্দ্র হাউস থেকে কারিগরপাড়া ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার এই সড়ক প্রকল্পে স্থানীয়দের নিকট নিম্নমানের কাজ ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, ধামসোনা ইউনিয়নের নলাই মুকেন্দ্র হাউস থেকে কারিগরপাড়া ব্রিজ পর্যন্ত নির্মাণকাজের আওতায় এইচবিবি উন্নয়ন এবং তিনটি কালভার্ট নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত ছিল। জাইকার অর্থায়নে ২০২২-২৩ অর্থবছরে এ প্রকল্পের ব্যয় প্রায় চার কোটি টাকা ধরা হয়েছিল। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেয়েছিল সালেহ এন্টারপ্রাইজ। ২০২২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সড়ক নির্মাণে পুরোনো ও নিম্নমানের ইট বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া ঢালাইয়ের কাজে সিমেন্টের ব্যবহার ছিল অপ্রতুল। সড়কের দুপাশে স্থায়ী গাইডওয়াল নির্মাণের পরিবর্তে অস্থায়ী সুরক্ষা হিসেবে বাঁশের চাঁটাই, কাঠের বেড়া ও মাটি ব্যবহার করা হয়েছে। কোথাও কোথাও ভাঙন প্রতিরোধের চেষ্টা করা হলেও সেগুলো ইতোমধ্যে সরে গেছে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

অন্যদিকে, ব্রিজের দুই পাশের মাটি রক্ষায় কংক্রিটের স্থায়ী প্রতিরক্ষা দেয়াল নির্মাণের পরিবর্তে শুধু মাটি ভরাট করার অভিযোগ রয়েছে। ফলস্বরূপ, মাত্র দুদিনের মধ্যেই সংযোগস্থল ধসে পড়ছে। যেসব স্থানে কংক্রিটের কাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে, সেগুলোর অনেক অংশ বাঁকা হয়েছে এবং কিছু অংশ নিচে পড়ে রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ইট সাশ্রয়ের উদ্দেশ্যে সড়কের বিভিন্ন অংশে ফাঁকা রেখে মাটি দিয়ে ভরাট করা হয়েছে। নদীতীর সংরক্ষণের জন্য বসানো ব্লকগুলোর মধ্যে সিমেন্টের পরিবর্তে বালু ও মাটি ব্যবহার করা হয়েছিল।

স্থানীয় বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘ব্রিজের গোড়ায় বড় কংক্রিট ব্লক দিয়ে নদীতীর সংরক্ষণের কথা ছিল। কিন্তু সেখানে বাঁশ ও কাঠের বেড়া দিয়ে দায়সারা কাজ করা হয়েছে। দুদিনের মধ্যেই সব ধসে নদীতে চলে গেছে। ভারী যানবাহন চলাচল শুরু হলে পুরো সড়ক ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। কাজের অনিয়মের বিষয়ে আমরা বারবার অভিযোগ করলেও কেউ ব্যবস্থা নেয়নি।’

কসাইপাড়া এলাকার বাসিন্দা মিঠু বলেন, ‘চার বছর ধরে এই সড়কের জন্য ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। অথচ নির্মাণ শেষে দেখা গেল নিম্নমানের ইট, বালু ও মাটি দিয়ে জোড়াতালি দেওয়া হয়েছে। সরকারি চার কোটি টাকা অপচয় করে মানুষের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলা হয়েছে। আমরা দায়ীদের শাস্তি এবং টেকসইভাবে সড়ক পুনর্নির্মাণের দাবি জানাই।’

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রশাসনের তৎপরতা: বিভাগীয় কমিশনার

অভিযোগের বিষয়ে সালেহ এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম সুমন বলেন, ‘আমি ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলাম। ২০২২-২৩ অর্থবছরে কাজ শুরু করলেও নানা প্রতিকূলতা ও অসহযোগিতার কারণে সময়মতো শেষ করতে পারিনি। বিষয়টির পেছনে বিস্তারিত কারণ রয়েছে, যা সামনাসামনি বলতে চাই।’

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ফাইজুল ইসলাম জানান, ‘জাইকার অর্থায়নে প্রায় চার কোটি টাকার এ প্রকল্পের কাজের মান নিয়ে আমরাও অসন্তুষ্ট। পরিদর্শনে এসে সংশ্লিষ্ট মহাপরিচালকও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে ঠিকাদারকে সব ত্রুটি দ্রুত সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী টেকসই গাইডওয়াল ও প্রতিরক্ষা ব্লক নির্মাণ না করা পর্যন্ত ঠিকাদারকে চূড়ান্ত বিল দেওয়া হবে না। নির্ধারিত মান নিশ্চিত না হলে আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।’

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিবন্ধী তরুণী ইশারা ও অস্পষ্ট ভাষায় ধর্ষণের কথা মাকে জানালেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪১ পি.এম


প্রতিবন্ধী তরুণী ইশারা ও অস্পষ্ট ভাষায় ধর্ষণের কথা মাকে জানালেন

নওগাঁর মান্দা উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের চকরঘুনাথ মধ্যপাড়া গ্রামে ২৫ বছর বয়সী এক শারীরিক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, অভিযুক্ত যুবকের নাম শাহীন, যিনি ৩০ বছর বয়সী।

মামলা নিষ্পত্তির চেষ্টা করার অভিযোগ রয়েছে যে, স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ও মাতব্বর সালিশ-বৈঠকের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে আপস-মীমাংসার চেষ্টা করেছেন। এছাড়া ভুক্তভোগী পরিবারকে আইনি ব্যবস্থা নিতে নিরুৎসাহিত করেছেন।

শাহীন উপজেলার চকমানিক গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে, তিনি বিবাহিত এবং এক সন্তানের জনক। ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে চকরঘুনাথ বাজারে মামার বাড়িতে বিয়ের দাওয়াত শেষে নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন ওই তরুণী।

পথে দুপুর ১টার দিকে পুকুরপাড় সংলগ্ন একটি নির্জন জঙ্গলে শাহীন তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার কারণে তিনি কোন কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারছিলেন না। পরে বাড়িতে ফিরে ইশারা ও ভাঙা-ভাঙা অস্পষ্ট কথার মাধ্যমে মায়ের কাছে পুরো ঘটনার বিবরণ দেন।

ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ঘটনার পর বিষয়টি স্থানীয় প্রভাবশালী নাগরিক মো. কালাম, আহাম্মদ এবং শিক্ষক আফজালসহ কয়েকজনকে জানানো হলে তারা থানায় মামলা না করার জন্য চাপ দেন। আইনি ব্যবস্থা নিলেও উল্টো আর্থিক ক্ষতির ভয়ভীতিও দেখানো হয়। পরবর্তী সময়ে বুধবার আহাম্মদের বাড়িতে বিকেলে সালিশ-বৈঠক বসিয়ে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে তারা ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।

ভুক্তভোগীর মা রোজিনা আক্ষেপ করে বলেন, আমার মেয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধী, সে নিজে হাঁটতেই পারে না। আমি কোনো টাকা-পয়সা চাইনি, আমি সুষ্ঠু বিচার চেয়েছিলাম। কিন্তু মাতব্বররা ভয় দেখিয়ে ও প্রলোভন দিয়ে আমাদের থানায় যেতে দেয়নি। আমি এখন আইনগত লোকজনের কাছে সুষ্ঠু বিচার চাই।

ভুক্তভোগীর দাদি মোছা. আতরজান বলেন, শনিবার মামার বাড়ি থেকে ফেরার সময় শাহীন আমার নাতনিকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরে মাতব্বররা ৫০ হাজার টাকায় কাগজে সই করিয়ে আপসের চেষ্টা করে। তবে এই আপসে আমরা রাজি ছিলাম না, আমরা সঠিক বিচার চাই।

স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান বলেন, আমরা শুনেছি বিষয়টি গোপনে আপস করার চেষ্টা করা হয়েছে। ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধ সালিশে মীমাংসা করার চেষ্টা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা চাই এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার হোক।

অভিযুক্ত মো. শাহিনের বাড়িতে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। তার স্ত্রী জানায়, ঘটনার পর থেকেই স্বামী বাড়িতে নেই এবং মোবাইল ফোনটিও তার কাছে নেই।

অন্যদিকে, অভিযুক্ত শিক্ষক আফজাল সালিশ ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, মেয়ের বাবা-মা আমাদের কাছে এসেছিল। কিন্তু আমরা কোনো সালিশ বা টাকা লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত নই।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রভাবশালী মো. কালাম ও আহাম্মদও একই রকম বক্তব্য দিয়েছেন এবং টাকা-পয়সা বা স্ট্যাম্পে সই নেওয়ার কথা অস্বীকার করে বলেছেন, ভুক্তভোগী পরিবার যদি আইনগত ব্যবস্থা নেয়, তবে তাদের কোনো আপত্তি নেই।

মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলম জানান, আমার কাছে তো কোনো অভিযোগ নেই। আমি সাংবাদিকের নিউজ পেয়ে অফিসার পাঠাচ্ছি। যদি সত্যতা থাকে তবে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সারজিস ও পাটওয়ারীর গাড়িতে হামলার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৫ পি.এম


সারজিস ও পাটওয়ারীর গাড়িতে হামলার অভিযোগ

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই পদযাত্রা’তে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং সারজিস আলমের গাড়িবহরে হামলার ঘটনা অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতদসঙ্গে দলটির একাধিক নেতা এবং কর্মীর পাশাপাশি কয়েকজন সাংবাদিকও আহত হয়েছেন।

এ হামলার ঘটনা ঘটেছে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে হবিগঞ্জ জেলা সার্কিট হাউজের অভ্যন্তরীণ এলাকায়।

এই ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া তার নিজস্ব ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি জানান, জেলা সার্কিট হাউসের ভিতরে এনসিপির মিডিয়া টিমের মাইক্রোবাসে ভাঙচুর করা হয়েছে। উপরন্তু, হামলাকারীরা গণমাধ্যমকর্মীদের মোবাইল ফোন এবং ক্যামেরাও ছিনিয়ে নিয়েছে।

ফেসবুক পোস্টে আসিফ মাহমুদ আরও উল্লেখ করেন, উদ্বেগজনক হলো, পুলিশের উপস্থিতিতেই এই হামলার ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে সংঘটিত এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক সহিংসতার একটি ভয়াবহ উদাহরণ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সীমান্ত এলাকায় মাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশি যুবক আহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৭ পি.এম


সীমান্ত এলাকায় মাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশি যুবক আহত

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় একজন বাংলাদেশি যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত যুবকের নাম আব্দুল করিম, বয়স ২৫ বছর। এই বিস্ফোরণে তার বাঁ পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে জারুলিয়াছড়ি ইউনিয়নের ৪৬-৪৭ নম্বর সীমান্ত পিলারের মধ্যবর্তী মিয়ানমারের গরবিটা এলাকায় এই ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে।

আহত আব্দুল করিম নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার জারুলিয়াছড়ি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং মকতুল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় এবং বিজিবি সূত্র জানাচ্ছে, আব্দুল করিমসহ আরও তিনজন মিয়ানমারের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেছিলেন। হঠাৎ একটি স্থলমাইনের বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটলে আব্দুল করিম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়জুল কবির জানিয়ে বলেন, ঘটনাটি মিয়ানমারের অভ্যন্তরে ঘটেছে। সেখানে স্থলমাইন বিস্ফোরণের কারণে একজন বাংলাদেশি যুবক আহত হয়েছে। বিজিবি বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাম্মেল হক বলেছেন, ঘটনাটি মিয়ানমারের অভ্যন্তরে ঘটেছে বলে জানা গেছে এবং বিষয়টি সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. এনামুল হাসান মন্তব্য করেন, খবর পাওয়ার পর প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। তিনি সীমান্তবর্তী ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সাধারণ জনগণের প্রতি সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পার্বত্যাঞ্চলে মানবাধিকার পরিস্থিতি ও জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৯ পি.এম


পার্বত্যাঞ্চলে মানবাধিকার পরিস্থিতি ও জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

পার্বত্য অঞ্চলের মানবাধিকার পরিস্থিতি এবং জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে রাঙ্গামাটিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি)।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে রাঙ্গামাটি শহরের বনরূপায় এই সংগঠনটির উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পিসিএনপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. হাবীব আজম, রাঙ্গামাটি জেলা সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক এবং জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবিরসহ অন্যান্য নেতারা।

সংবাদ সম্মেলনে পিসিএনপির নেতারা তাদের দাবি তুলে ধরেন যে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে পার্বত্যাঞ্চলে সশস্ত্র সংগঠন জেএসএস, ইউপিডিএফ এবং কেএনএফের সদস্যদের কর্মকাণ্ডের ফলে প্রায় ২৪০টি মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে।

তাদের দাবি, এসব ঘটনার মধ্যে ৪৭টি অপহরণ এবং ১৬টি হত্যা ঘটনার শিকার হয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী, কৃষক, চালক, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ।

নেতারা আরও অভিযোগ করেন, জেএসএস, ইউপিডিএফ (প্রসীত) এবং কেএনএফসহ আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ৭০ জনের বেশি অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশু-কিশোরকে জোরপূর্বক সশস্ত্র কর্মকাণ্ড ও দলীয় কাজে সম্পৃক্ত করেছে, যা শিশু অধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এ ছাড়া ১৪ জন নারী অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেন বক্তারা।

বক্তারা আরও বলেন, পাহাড়ি সশস্ত্র আঞ্চলিক দলগুলোর আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে চাঁদাবাজি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাদের দাবি, গত এক বছরে পার্বত্যাঞ্চলে এক হাজার ৫২০টির বেশি চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটেছে। ব্যবসায়ী, পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আদায় করা চাঁদা এবং মুক্তিপণই এসব সংগঠনের প্রধান অর্থের উৎস।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, কেবল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন নয়, বরং ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ করা, ভূমি বিরোধের ন্যায়সংগত নিষ্পত্তি এবং সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিতের মাধ্যমে পার্বত্যাঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। এই লক্ষ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%