মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:১৫ পি.এম
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আইনশৃঙ্খলা কমিটি এবং চোরাচালান, সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ কমিটির মাসিক সভা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইএনও) সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তারের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির উপদেষ্টা হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার।
এ সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাইনুল ইসলাম খান, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তৌকির আহম্মেদ, থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ শাহিনুর রহমান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা অর্ণা চক্রবর্তী, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সদস্য শেখ এবাদুল ইসলাম, সাবেক সদস্য সচিব শেখ শফিকুল ইসলাম বাবু, রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক নিয়াজ কওছার তুহিন, মথুরেশপুর ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাকিম, বিষ্ণুপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ উকশা বিওপির কমান্ডার সুবেদার কবির হোসেন, নলতা ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান প্রমুখ।
এ সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শংকর কুমার দে, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শাকিল আহম্মেদ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা হোসনে আরা খানম, কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যান সাফিয়া পারভীন, ধলবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান গাজী শওকাত হোসেন, হাজী তফিল উদ্দীন মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপার শেখ শফিউল্লা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, আনসার ও ভিডিপি অফিস এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কালিগঞ্জ কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় মাদকের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ, চাঁদাবাজি ও দখলবাজি বন্ধ করা, বাল্যবিয়ে বন্ধে তদারকি, অবৈধ বালু ব্যবসায়ী ও চিংড়িতে পুশের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা, সর্বস্তরের মানুষের নিরাপদ বিচরণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বন্ধ শ্রেণিকক্ষ, শূন্য বারান্দা, কাঁধে ব্যাগ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সেই চেনা আনাগোনা নেই—চুয়েট ক্যাম্পাসজুড়ে যেন স্থবিরতা নেমে এসেছে। তবে এই নীরবতার মধ্যেও একটি দাবির আন্দোলন থেমে নেই। শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার ক্যাম্পাসে দেখা গেল ভিন্ন এক দৃশ্য—মুখে মুখোশ, হাতে শিক্ষার্থী পরিচয়পত্র; ‘সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’ দাবিতে মুখোশ মিছিলে রাজপথে নামলেন চুয়েট শিক্ষার্থীরা।
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের ৫৬ দিন স্মরণে ‘মুখোশ মিছিল’ নামে এই ভিন্নধর্মী কর্মসূচি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা পালন করেন। অধ্যাপক সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে পুনর্বহালের দাবিতে চলমান আন্দোলনের অষ্টম দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে মিছিলটি শুরু হয়। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অধ্যাপক সায়েমের ছবি-সম্বলিত মুখোশ পরে অংশ নেন। তাঁরা নিজেদের শিক্ষার্থী পরিচয়পত্র উঁচিয়ে ধরে মিছিলে অংশগ্রহণের বিষয়টি জানান দেন। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্র-সংলগ্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্বাধীনতা চত্বর ঘুরে পুনরায় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়।
মুখোশ মিছিলে অংশ নেয়া পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী মৌমিতা দত্ত প্রিয়া বলেন, "আমরা সায়েম স্যারকে যে ভিসি হিসেবে পুনর্বহাল চাচ্ছি সেটার পক্ষে আজকে আমরা মুখোশ মিছিলের আয়োজন করেছি। এই মুখোশটা বার্তা দেয় যে আমাদের প্রতিটা শিক্ষার্থী, যেহেতু আমরা সবাই মনে করি যে আমরা সবাই আসলে সায়েম স্যার এবং সায়েম স্যারকে ভিসি হিসেবে পাওয়া হচ্ছে যে আমাদের অন্যতম দাবি। তো সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই আমরা হচ্ছে যে এই মুখোশটি নিয়ে আজকে মিছিল করেছি। শিক্ষার্থীরা তাদের আইডি কার্ডসহ এই মুখোশ মিছিলে অংশ নিয়ে এটা প্রমাণ করেছে যে আমাদের দাবিটা সম্পূর্ণ স্টুডেন্টদের, শিক্ষকদের এবং সকল চুয়েটিয়ানের একমাত্র দাবি।"
এছাড়াও আজ কর্মদিবস হলেও ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। তালাবদ্ধ উপাচার্য ভবনের সামনে সকাল ১১.০০ টা থেকে অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে কর্মবিরতি পালন করছেন চুয়েটের শিক্ষকবৃন্দ। এর পাশাপাশি পূর্বনির্ধারিত ঘোষণা অনুযায়ী কর্মবিরতিতে আছেন চুয়েটের কর্মকর্তা ও কর্মচারী সমিতিও।
বিভিন্ন মহল থেকে আন্দোলনকারী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের হুমকি ও ভয় ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে গতকাল মধ্যরাতে উত্তাল হয় চুয়েট স্বাধীনতা চত্বর এবং আয়োজিত হয় এক বিক্ষোভ মিছিল।
এ বিষয়ে অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও কৌশল বিভাগে তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফাইজুল কবির আবরার বলেন, ‘আমাদের ভিসি পুনর্বহালের এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেখা যাচ্ছে যে বিভিন্ন মহল আমাদেরকে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। এই হুমকি-ধমকির প্রতিবাদেই আমরা গতকালকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেছি, যেখানে অনেক ছাত্রের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছে। আরেকটি মহল তারা আমাদেরকে বিভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক ট্যাগিং দিচ্ছে। আমরা জুলাই পরবর্তী সময়ে আশা করেছিলাম যে আমাদেরকে এই ট্যাগিংয়ের শিকার হতে হবে না। কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে যখনই আমরা কোনো যৌক্তিক দাবি-দাওয়া নিয়ে, ভিসি পুনর্বহালের মতো দাবি-দাওয়া নিয়ে যখন আমরা আসতেছি, আমাদেরকে বিভিন্ন ট্যাগিংয়ের শিকার হতে হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে ট্রফি উন্মোচন ও ফিক্সচার ড্র, যা আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের গ্যালারিতে শরীরচর্চা শিক্ষা দপ্তরের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শরীরচর্চা শিক্ষা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. অভিনু কিবরিয়া। বক্তব্য রাখেন দপ্তরের উপপরিচালক মো. আব্দুল্লাহ-হেল কাফি এবং আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর সাংগঠনিক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. নাসিম রেজা। ট্রফি উন্মোচনের পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী বিভাগগুলোর ম্যাচের সূচি নির্ধারণে ফিক্সচার ড্র অনুষ্ঠিত হয়।
ড. মো. অভিনু কিবরিয়া বলেন, "আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতায় ছাত্র ও ছাত্রী উভয়ের অংশগ্রহণের পরিকল্পনা থাকলেও পর্যাপ্ত সংখ্যক ছাত্রী দল গঠন করা সম্ভব না হওয়ায় আপাতত শুধু ছাত্রদের নিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু করা হচ্ছে।" তিনি আরও জানান, শিগগিরই আন্তঃহল ছাত্রী ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে এবং ভবিষ্যতে আন্তঃবিভাগ ছাত্রী ফুটবল প্রতিযোগিতাও আয়োজন করা হবে। তিনি প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে নির্ধারিত সময়ে ফুটবল প্রতিযোগিতা শুরু করা সম্ভব হয়নি উল্লেখ করে বলেন, "পূজার ছুটির আগে দ্বিতীয় রাউন্ড পর্যন্ত খেলা শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।"
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. হামিদুর রহমান, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. রাফিউল হাসান, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। শরীরচর্চা শিক্ষা দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৪ অক্টোবর আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় মহাসড়ক দিয়ে গাড়িচাপা দিয়ে দুজনকে হত্যা করার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় পুলিশ বাবা ও ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে সলঙ্গা থানার পুলিশ পার্শ্ববর্তী তাড়াশ উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের হেমনগর কাটাবাড়ী এলাকা থেকে তাদের আটক করে।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন তাড়াশ উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের হেমনগর কাটাবাড়ী গ্রামের আব্দুল ওহাব আলী এবং তার ছেলে মো. জাকির হোসেন।
সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম আলী মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ২০২৫ সালের ২৪ মার্চ, মো. রোকনুজ্জামান ও মো. নাসির উদ্দীন মোটরসাইকেল নিয়ে সিরাজগঞ্জ আদালতে যাচ্ছিলেন। হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়কের সলঙ্গা থানার হরিণচড়া এলাকায় পৌঁছালে একটি মাইক্রোবাস তাদের মোটরসাইকেল চাপা দেয়, ফলে রোকনুজ্জামান ও নাসির উদ্দীন নিহত হন।
পরবর্তীতে নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে আদালতে নামীয় ৫ জনসহ অজ্ঞাত ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে তাদের নিজ বাড়ি থেকে বাবা-ছেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর মঙ্গলবার দুপুরে (২৮ সেপ্টেম্বর) আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সাথে মতবিনিময়ের উদ্দেশ্যে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঠানো ১১ সদস্যের শিক্ষক প্রতিনিধি তালিকা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি করেছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্টার স্বাক্ষরিত একটি চিঠি থেকে জানা যায়, সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সাথে মতবিনিময়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) শিক্ষক সমাজের প্রতিনিধিদের তালিকা চেয়েছিল। এই প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান স্বাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে ১১ সদস্যের তালিকা ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ গোলাম মোস্তফার কাছে পাঠানো হয়।
তবে তালিকাটি প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রবল সমালোচনা শুরু হয়েছে। জুলাই আন্দোলনের সক্রিয় সমন্বয়ক ও প্রতিনিধিরা এই তালিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন।
জুলাই আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য আরমান হোসেন বলেন, "এখানে যাদের নাম দেখতেছি ২/১জন ছাড়া তাদের কোনো অবদান ছিলো না এই জুলাইয়ে, থাকলে প্রমাণ দেখাক। বরং এই লিস্টে সেই সকল শিক্ষকদের নাম নেই যাদের থেকে আমরা অনেক সাপোর্ট পেয়েছি।"
তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে পরিষ্কারভাবে জানাতে বলেন কিসের ভিত্তিতে তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
শামসুর রহমান সুমন মন্তব্য করেন, "নিজের চোখে দেখা, নেতৃত্ব দেয়া জুলাইয়ের এত বড় বিকৃতি কখনোই মেনে নিতে পারবো না! ধিক্কার জানাই! বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এতটাও নিচে নামবেন ভাবতে পারি নাই।" তিনি আরও বলেন, "এই তালিকায় অধিকাংশ ব্যক্তি আছেন যারা আওয়ামী খোলস পাল্টিয়ে নব্য বিএনপি হয়ে গেছেন। প্রশাসনিক পদ পদবি নিতে নিয়েছেন, সংবিধান সংশোধন কমিটি সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় অংশ নিতে পারেন, কোন আপত্তি নাই। কিন্তু 'জুলাই গণঅভ্যুত্থানে' অবদান রেখেছেন এটা মানতে পারব না। অনতিবিলম্বে এই তালিকা প্রত্যাহার ও সংশোধন করুন।"
ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিফাত রাফি বলেন, "আজ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অবদান রাখা শিক্ষকদের তালিকা প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু কী মানদণ্ডে, কী প্রক্রিয়ায় এই তালিকা করা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়, এটি ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের ইতিহাস। তাই প্রকৃত অবদানকারীদেরই স্বীকৃতি দেওয়া হোক।"
বেরোবি শিবির সভাপতি রাকিব মুরাদ বলেন, "জুলাই গনঅভ্যুত্থান নিয়ে বিকৃতি কোনভাবেই কাম্য নয়। জুলাইয়ে অবদান ছিল না এমন শিক্ষকের সংখ্যায় তালিকায় বেশি। এটাও প্রকাশ করুণ- জুলাইয়ে তাদের কি কি অবদান ছিলো নতুবা এই তালিকা আগে সংশোধন করতে হবে।"
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফেরদৌস রহমানকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
প্রেরিত তালিকায় ১১ শিক্ষক অন্তর্ভুক্ত আছেন: অধ্যাপক হিসেবে ড. মো. মতিউর রহমান, ড. মো. ফেরদৌস রহমান, ড. মো. ইলিয়াছ প্রামানিক। সহযোগী অধ্যাপকদের মধ্যে ড. মো. তানজিউল ইসলাম, মাসুদ রানা, ড. মনিরুজ্জামান, মাসুদ উল হাসান। সহকারী অধ্যাপকদের মধ্যে মোঃ ইউসুফ, ফারজানা জান্নাত তসি, ইফ্ফাত আরা বাধঁন, শরিফা আক্তার নিপা নামও রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ