১০:৪৮ পি.এম
পাবনার ঈশ্বরদীতে মাদক সেবনের জন্য টাকা না পেয়ে স্ত্রীকে মারধর করার পাশাপাশি কোরআন শরীফ পোড়ানোর অভিযোগে স্থানীয়রা এক ব্যক্তিকে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে উপজেলার সাড়াগোপালপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম জুয়েল রানা (৪০), তিনি নাটোরের লালপুর উপজেলার লক্ষ্মীপুর এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।
স্থানীয়ভাবে জানা যায়, জুয়েল রানা তার স্ত্রীসহ ঈশ্বরদীর সাড়াগোপালপুর শেফালী পট্রি এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন এবং মাদক সেবনের টাকার জন্য মাঝে মাঝে স্ত্রীকে মারধর করতেন। ঘটনার দিনও এই কারণেই স্ত্রীকে মারধর করেন। এক পর্যায়ে তিনি পবিত্র কোরআন শরীফে আগুন দিয়ে তা পুড়িয়ে দেন।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
এই সময় স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে তাকে আটক করে এবং উত্তম মধ্যম দেন। এরপর তাকে খুঁটির সাথে বেঁধে, গলায় জুতার মাল পরিয়ে এবং মুখে চুনকালি মাখিয়ে তার শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই ব্যক্তিকে থানায় নিয়ে যায়।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান জানিয়েছেন, ওই ব্যক্তি মাদকাসক্ত ছিলেন। মাদক সেবনের জন্য স্ত্রীর কাছে টাকা চেয়েছিলেন, কিন্তু স্ত্রী তাকে টাকা না দিয়ে কোরআন শরীফের ভেতর টাকা লুকিয়ে রেখেছিলেন। এ সময় জুয়েল রানা তার স্ত্রীকে মারধর করতে থাকেন।
একপর্যায়ে খুঁজতে খুঁজতে কোরআন শরীফের ভেতর থেকে টাকা খুঁজে পান। পরবর্তীতে স্ত্রীর উপর খেপে গিয়ে আবারও মারধর শুরু করেন এবং কোরআন শরীফের পাতা পুড়িয়ে ফেলেন। তার স্ত্রীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। পরে তাকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ওই ব্যক্তিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এই ঘটনার সাথে সাথে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন