বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১০:১০ পি.এম
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন কেপ ভার্ডের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনহা।
৪০ বছর বয়সে তার অসাধারণ নৈপুণ্য শুধু প্রশংসা কুড়ায়নি, বিশ্বকাপ শেষে তার বাজারমূল্যও বেড়েছে প্রায় ১০ গুণ।
বর্তমানে ভোজিনহা ফ্রি এজেন্ট হিসেবে রয়েছেন, কারণ তার পর্তুগিজ ক্লাব জিডি চাভেসের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। ট্রান্সফারমার্কেটের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বকাপ শুরুর আগে তার আনুমানিক বাজারমূল্য ছিল ৫০ হাজার ইউরো। কিন্তু টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পর সেটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ইউরোতে, যা এবারের বিশ্বকাপ-পরবর্তী সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় মূল্যবৃদ্ধিগুলোর একটি।
বিশ্বকাপে কেপ ভার্ডের ঐতিহাসিক অভিযানে, ভোজিনহা দলের অন্যতম ভরসা ছিলেন। গ্রুপ পর্বে স্পেনের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্রয়ের ম্যাচে একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করে তিনি দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক পয়েন্ট নিশ্চিত করেছেন। এরপর শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে অসাধারণ কিছু সেভ করে কেপ ভার্দেকে ম্যাচে ধরে রেখেছেন।
যদিও অতিরিক্ত সময়ের নাটকীয় ম্যাচে ৩-২ ব্যবধানে হেরে কেপ ভার্ড বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয়, তবুও ভোজিনহার পারফরম্যান্স ফুটবলবিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে।
এদিকে ফরাসি সংবাদমাধ্যম ফুটমারকাতো জানাচ্ছে, এই ফ্রি এজেন্ট গোলরক্ষককে দলে ভেড়াতে আগ্রহী চিলির ঐতিহ্যবাহী ক্লাব কলো-কলো। ক্লাবটি ভোজিনহার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং শিগগিরই আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ নিতে পারে।
৪০ বছর বয়সেও দুর্দান্ত ফর্ম ধরে রাখা ভোজিনহা বর্তমানে দলবদলের বাজারে সবচেয়ে আলোচিত ফুটবলারদের মধ্যে একজন হয়ে উঠেছেন। এখন দেখার বিষয়, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে কোন ক্লাব হবে তার নতুন ঠিকানা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুর, ২৩ জুলাই, ২০২৬ : মহানগরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে পোশাককর্মী শান্তা বেগমের (২৬) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মূল রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে নিহতের দ্বিতীয় স্বামী মো. সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার দক্ষিণখান এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে নিহত শান্তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
পিবিআই জানায়, আদালতে হাজির করা হলে আসামি সাইফুল ইসলাম ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
নিহত শান্তা বেগম নাটোর জেলা সদরের বাসিন্দা ছিলেন এবং তিনি গাজীপুরের সফিপুর এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ জুলাই দুপুরে সাইফুল ও শান্তা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে চান্দনা চৌরাস্তার 'ইভ্যালি আবাসিক হোটেল'-এর ৩০৭ নম্বর কক্ষে ওঠেন। একই দিন রাতে থানা পুলিশ ওই কক্ষের ভেতর থেকে শান্তার গলা ও বুক কাটা মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত সাইফুল পলাতক ছিলেন।
প্রথমে নিহতের পরিচয় জানা না গেলেও পিবিআইয়ের ক্রাইমসিন টিম ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে শান্তার পরিচয় শনাক্ত করে।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাসন থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে পিবিআই গাজীপুর জেলা শাখা স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে।
সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার জানান, হোটেলটির সিসিটিভি ফুটেজ, নিবন্ধন খাতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর অনুসন্ধানের মাধ্যমে আসামির অবস্থান শনাক্ত করে পিবিআই।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা দক্ষিণখান থানাধীন ফায়দাবাদ ট্রান্সমিটার মোড় এলাকায় বিরামহীন অভিযান চালিয়ে সাইফুলকে গ্রেফতার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদ ও জবানবন্দির বরাতে পিবিআই আরও জানায়, তিন মাস আগে সাইফুল ও শান্তার বিয়ে হয়। তবে উভয়েরই আগের সংসারের সন্তান ও পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ ও সন্দেহ তৈরি হয়।
ঘটনার দিন হোটেলে অবস্থানকালে এ নিয়ে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির একপর্যায়ে সাইফুল ধারালো ছুরি দিয়ে শান্তার গলা ও বুকে আঘাত করে হত্যা করেন। এরপর তার মোবাইল ও পরিচয়পত্র নিয়ে পালিয়ে যান।
গ্রেফতার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পিবিআই জানিয়েছে, হত্যায় ব্যবহৃত আলামত উদ্ধার ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে দ্রুত সময়ের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রতিদিন বিদ্যালয়ের ঘণ্টাধ্বনির সঙ্গে শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন গড়ার কাজে যে মানুষটি নিজেকে নিবেদিত রেখেছিলেন, বিদায়ের দিন তাঁর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁকে সম্মানিত করা হলো। সহকর্মী, শিক্ষার্থী এবং সাবেক শিক্ষার্থীরা ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে, করতালি দিয়ে এবং সুসজ্জিত একটি গাড়িতে করে বাড়ি পৌঁছে দিয়ে ব্যতিক্রমী আয়োজনে বিদায় জানান কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার ছাতাড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল ইসলামকে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে অনুষ্ঠিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। দীর্ঘ ৩১ বছরের শিক্ষকতা জীবনের স্বীকৃতি হিসেবে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাবেক শিক্ষার্থীরা এ সংবর্ধনার আয়োজন করেছিলেন।
বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. জয়নাল আবেদিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার লিপিকা রানী পোদ্দার।
অম্বরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গৌতম কুমার দে'র সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য দেন উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কাউছার আহমেদ ভূইয়া এবং সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফাতিহা বিনতে বশীর।
এ সময় বক্তব্য রাখেন ছাতাড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলী মেম্বার, সাবেক সভাপতি মোসলেম উদ্দিন মজুমদার, মহিচাইল জোবেদা মমতাজ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জামাল হোসেন, মহিচাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক একেএম নজরুল ইসলাম, বাতাবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শীবানী চক্রবর্তী, দৈনিক কালবেলার চান্দিনা প্রতিনিধি আকিবুল ইসলাম হারেছ, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ফারজানা আক্তার এবং সাবেক শিক্ষার্থী আবুল বাশার ও মাসুদ রানা।
বক্তারা বলেন, ১৮ জানুয়ারি ১৯৯৫ সালে শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করেন মো. নুরুল ইসলাম। দীর্ঘ ৩১ বছরের কর্মজীবনে তিনি পাঠদানেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না, বরং বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। তাঁর প্রচেষ্টায় বিদ্যালয়ে তিনতলা ভবন নির্মিত হয়েছে। ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ও সাফল্য অর্জনে ও ছিল তাঁর নিরলস উৎসাহ। সততা, শৃঙ্খলা, কর্মনিষ্ঠা এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি আন্তরিকতার কারণে তিনি এলাকাবাসীর কাছেও একজন আদর্শ শিক্ষক হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেছেন।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং সাবেক শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে তাঁকে ক্রেস্ট, পোশাক ও বিভিন্ন উপহার সামগ্রী দিয়ে সংবর্ধিত করা হয়। বিদায়বেলায় কর্মজীবনের নানা স্মৃতি তুলে ধরে উপস্থিত সবার প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
পরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি আবেগঘন মুহূর্ত তৈরি হয়। শিক্ষার্থীরা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে করতালি ও ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে তাঁদের প্রিয় শিক্ষককে শেষবারের মতো সম্মান জানান। এরপর সুসজ্জিত একটি গাড়িতে করে তাঁকে বাড়ি পৌঁছে দেন তারা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
খুলনা, ২৩ জুলাই, ২০২৬ : খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল’র উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে 'সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও মূল্যায়ন' শীর্ষক সেমিনার।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সেমিনারটিতে মুখ্য আলোচক হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ডেজিগনেট) প্রফেসর ড. আনিছুর রহমান পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও মূল্যায়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উপস্থাপন করেন।
তিনি বক্তব্যে উল্লেখ করেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের গুণগত মান নিশ্চিতে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও মানসম্মত পরীক্ষার ব্যবস্থা অপরিহার্য। আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করতে ফলাফলভিত্তিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞানসম্মত মূল্যায়ন পদ্ধতির কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে ন্যায্যতা, বস্তুনিষ্ঠতা, নির্ভুলতা এবং শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মেধা যাচাইয়ের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।
উপাচার্য আরও বলেন, পরীক্ষকের দায়িত্বকে বিচারকের দায়িত্বের সাথে তুলনা করে, উত্তরপত্র মূল্যায়নের সময় ব্যক্তিগত পক্ষপাত বা আবেগ নয় বরং নিরপেক্ষতা, ন্যায়বিচার এবং পেশাগত সততাই এক্ষেত্রে প্রধান বিবেচ্য বিষয় হবে।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন আইকিউএসি-এর পরিচালক প্রফেসর ড. আনোয়ারুল হক জোয়ারদার।
তিনি বলেন, মানসম্মত উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করা একান্তই গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও মানসম্মত মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত জ্ঞান, দক্ষতা এবং সক্ষমতা যথাযথভাবে নিরূপণ করা সম্ভব।
সেমিনারে প্রশ্নপত্র প্রণয়নের মৌলিক নীতিমালা, প্রশ্নের মান ও ভারসাম্য রক্ষা, ব্লুমস ট্যাক্সোনমি অনুসরণ, ফলাফলভিত্তিক শিক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও মূল্যায়ন পদ্ধতি, উত্তরপত্র মূল্যায়নে নিরপেক্ষতা, অভিন্ন মূল্যায়ন মানদণ্ড অনুসরণ এবং পরীক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতকরণের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
এ সময় অংশগ্রহণকারী শিক্ষকবৃন্দ বিষয়ভিত্তিক বিভিন্ন মতামত, অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ উপস্থাপন করেন এবং প্রাণবন্ত আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্বে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এস এম আতিয়ার রহমান, ইংরেজি বিভাগের অ্যাডভাইজর প্রফেসর ড. গাজী আবদুল্লাহেল বাকী, আইকিউএসি-এর অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো. মঈন উদ্দিন ও মো. মুস্তাফিজুর রহমান সহ বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষকবৃন্দ এবং অ্যাডজাঙ্কট ফ্যাকাল্টিসহ ৪০ জন শিক্ষকের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল।
সেমিনারটি অংশগ্রহণকারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, প্রাণবন্ত আলোচনা এবং মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)-এর দ্রুত রোগমুক্তি ও পূর্ণ সুস্থতা কামনায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ দেশব্যাপী বিশেষ দোয়ার আয়োজন করেছে।
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে সংগঠনটির আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, ধর্মমন্ত্রী বর্তমানে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে দেশ ও জনগণের সেবায় ফিরে আসতে পারেন, সেই কামনায় মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করা হচ্ছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার বাদ আসর চট্টগ্রামের জামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসা মসজিদে উলামায়ে কেরাম, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ধর্মমন্ত্রীর সুস্থতা কামনায় একটি দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এ মাহফিলে মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা আইয়ুব বাবুনগরীসহ বিশিষ্ট আলেমরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া, একই দিনে দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান যেমন দক্ষিণ হাটহাজারী মাদ্রাসা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হবিগঞ্জ, জামিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা, জামিয়া ইউনুছিয়া এবং কুমিল্লার আসরাফুল উলুম মাদ্রাসাসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে ধর্মমন্ত্রীর দ্রুত সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান দেশবাসী, তাওহিদী জনতা ও সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ধর্মমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য ও পূর্ণ সুস্থতার জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া করার আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে হেফাজত নেতারা বলেন, অসুস্থ ব্যক্তির জন্য দোয়া করা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। তারা মহান আল্লাহর কাছে ধর্মমন্ত্রীর দ্রুত রোগমুক্তি, সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ