মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৫১ পি.এম
নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি শহরের সড়ক ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। ১৫ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত ‘Vision Zero Reimagined’ পরিকল্পনায় শহরের প্রথম কিছু পথচারী-নির্ভর ও গাড়িমুক্ত জেলা তৈরির উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। নিরাপদ সড়ক নকশা, গণপরিবহন উন্নয়ন, সাইকেল অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর নির্ভরতা কমানোর জন্য একাধিক পদক্ষেপের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
মামদানি প্রশাসনের ১০ বছরের এই পরিকল্পনায় ১০০টির বেশি নীতিগত উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে শহরের প্রথম ‘pedestrian-only’ এবং ‘pedestrian-priority’ district তৈরির উদ্যোগ, প্রতি বছর অন্তত ১ হাজার ইন্টারসেকশনে পথচারী নিরাপত্তার উন্নয়ন, সাইকেল লেন সম্প্রসারণ এবং বাস চলাচলকে আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য করার পদক্ষেপ রয়েছে। তবে, কোন কোন এলাকায় পুরোপুরি গাড়িমুক্ত জেলা তৈরি হবে, সে বিষয়ে পরিকল্পনায় এখনও নির্দিষ্ট স্থান ঘোষণা করা হয়নি।
এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হলো দুর্ঘটনার পরিণতি কমানো নয়, বরং সড়কের নকশা এমনভাবে পরিবর্তন করা যাতে দুর্ঘটনা ও গুরুতর আঘাতের ঝুঁকি হ্রাস পায়। মেয়রের কার্যালয় জানাচ্ছে, নিউইয়র্কে গাড়ি জড়িত দুর্ঘটনা শহরের মোট ট্রাফিক মৃত্যুর একটি বড় অংশের জন্য দায়ী। তাই হাঁটা, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট, সাইকেল ও অন্যান্য বিকল্প যাতায়াত ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ, সহজলভ্য ও আকর্ষণীয় করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
মামদানি পরিকল্পনা ঘোষণার সময় বলেন, নিউইয়র্কের সড়ককে আরও নিরাপদ করার জন্য শহরকে এমন নকশা গ্রহণ করতে হবে যেখানে মানুষকে কেন্দ্র করে রাস্তা ও পাবলিক স্পেস তৈরি করা হবে। পরিকল্পনায় ‘safe systems’ পদ্ধতির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। এর মানে হলো, শুধুমাত্র চালকদের আচরণ পরিবর্তন বা আইন প্রয়োগের ওপর নির্ভর না করে সড়কের নকশা, গতি নিয়ন্ত্রণ, পথচারী অবকাঠামো এবং যানবাহনের নিরাপত্তা একসঙ্গে উন্নত করা।
এদিকে, নিউইয়র্কে কিছু সড়ক পুনর্নকশার কাজ চলছে। সেপ্টেম্বরে প্রশাসন পার্ক অ্যাভিনিউর ১১টি ব্লকের নতুন নকশা প্রকাশ করেছে, যেখানে একটি গাড়ির লেনকে দুই দিকের সুরক্ষিত সাইকেল লেনে রূপান্তর, মিডিয়ান বড় করা এবং পথচারীদের জন্য অতিরিক্ত জায়গা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। এর আগে ১১৬তম স্ট্রিটে ২ দশমিক ৫ মাইল নতুন বাস লেন ও অন্যান্য সড়ক নিরাপত্তা অবকাঠামোর নির্মাণ শুরু হয়েছে। শহরের হিসাবে, ওই করিডোর দিয়ে প্রতিদিন ৬৫ হাজারের বেশি বাসযাত্রী চলাচল করেন।
নিউইয়র্কের বর্তমান ‘Vision Zero’ কর্মসূচির ওপর নতুন পরিকল্পনাটি নির্মিত হয়েছে। শহরের পরিবহন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে পথচারী মৃত্যুর সংখ্যা রেকর্ডের সর্বনিম্ন পর্যায়ের কাছাকাছি ছিল এবং ২০১৪ সালে Vision Zero চালুর পর থেকে পথচারী মৃত্যুর হার ৪২ শতাংশের বেশি কমেছে। প্রশাসনের দাবি, নতুন পরিকল্পনার লক্ষ্য এই অগ্রগতিকে আরও এগিয়ে নেওয়া।
গাড়িমুক্ত বা পথচারী-নির্ভর এলাকা তৈরির ধারণা নতুন নয়। বার্সেলোনা, প্যারিসসহ ইউরোপের বিভিন্ন শহরে দীর্ঘদিন ধরে পথচারী-কেন্দ্রিক সড়ক ব্যবস্থার ব্যবহার রয়েছে। তবে এসব উদ্যোগের অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে গবেষণার ফল একেবারে একমুখী নয়। স্পেনের বিভিন্ন শহরের ওপর একটি গবেষণায় পথচারী-নির্ভর এলাকায় দোকানের বিক্রি বাড়ার প্রমাণ পাওয়া গেলেও, ২০২৬ সালে বার্সেলোনার ২০১৪ থেকে ২০২২ সালের বাণিজ্যিক তথ্য বিশ্লেষণ করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে, পথচারীকরণ পুরোনো কিছু ব্যবসা বন্ধ হওয়া এবং খুচরা ব্যবসার বৈচিত্র্য কমার সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল। গবেষকরা বলেছেন, শুধুমাত্র পথচারীকরণকে এসব পরিবর্তনের একমাত্র কারণ হিসেবে দেখা যায় না এবং পর্যটনের চাপও বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
ফলে, মামদানির পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে নিউইয়র্কের বিভিন্ন এলাকায় গাড়ি, পথচারী, সাইকেল ও পাবলিক ট্রান্সপোর্টের মধ্যে জায়গা ভাগাভাগির ধরন বদলাতে পারে। তবে কোন এলাকা কতটা গাড়িমুক্ত হবে, স্থানীয় ব্যবসা ও বাসিন্দাদের ওপর এর কী প্রভাব পড়বে এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো কীভাবে তৈরি হবে, এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখনও বাস্তবায়নের পরবর্তী ধাপে নির্ধারিত হওয়ার কথা। পরিকল্পনাটি আপাতত একটি দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত রূপরেখা, চূড়ান্ত সড়ক নকশা নয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর, বাগেরহাটের মোংলা বন্দরে রাজস্ব আয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বন্দরের রাজস্ব আয় দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৮৭৯ কোটি ৫১ লাখ টাকা। জাহাজ, কার্গো এবং কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের পরিমাণও বেড়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের অডিটোরিয়ামে, বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা বাগেরহাট ও মোংলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এই তথ্য তুলে ধরেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ হাজার ৪৭৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা। কিন্তু এর বিপরীতে আয় হয়েছে ৩ হাজার ৮৭৯ কোটি ৫১ লাখ ২০ হাজার টাকা। আগের অর্থবছরের তুলনায় রাজস্ব আয় বেড়েছে ৪০৮ কোটি ২৬ লাখ টাকা, যা ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে।
এই সময়ের মধ্যে বন্দরে ৮১৫টি জাহাজ এসেছে। কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ২২ লাখ ৫১ হাজার মেট্রিক টন, এবং কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে ২৯ হাজার ৭১৪ টিইইউজ। এছাড়া, ১২ হাজার ৭৫টি রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানি করা হয়েছে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য নতুন সহায়ক জলযান সংগ্রহ এবং কনটেইনার টার্মিনাল ও ইয়ার্ড নির্মাণের মতো বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলছে। তবে ১৪৪ কিলোমিটার চ্যানেলের নাব্যতা বজায় রাখা এখনও একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা আরও জানান, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কচুয়া উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষক-কর্মচারী সমিতির উদ্যোগে অবসরপ্রাপ্ত ও মরণোত্তর শিক্ষক-কর্মচারীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে মোট ৮৪ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে সম্মাননা দেওয়া হয়, যার মধ্যে ৬৬ জন অবসরপ্রাপ্ত এবং ১৮ জন মরণোত্তর শিক্ষকের অন্তর্ভুক্তি রয়েছে।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন হযরত শাহ নেয়ামত শাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ইলিয়াস মিয়া। সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন আশরাফপুর আহসানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আলাউদ্দিন সোহাগ এবং বুরগী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ জসিম উদ্দিন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবি।
প্রধান অতিথি নাজমুন নাহার বেবি তার বক্তব্যে বলেন, "আমরা আজ যারা চাকরি করি, চাকরি শেষে আমাদের সকলেরই একই গন্তব্যে যেতে হবে—অবসর। আমি দেখছি, এই সমিতি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রতি যে ভালোবাসা ও সম্মান দেখিয়েছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।"
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ ফজলুল হক, চাঁদপুর এম এ খালেক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মোশারফ হোসেন, মাসনিগাছা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিন উল্যাহ, সাচার ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত উপাধ্যক্ষ নওশের আলম মিয়া, রহিমানগর উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম, আশরাফপুর গনিয়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ আলী আশরাফ সরদার, বারৈয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম, খোরশেদ আলম, তেতৈয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলাম পাটোয়ারী এবং আইনগিরি উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের মেয়ে জাহানারা আক্তার।
এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
অনুষ্ঠানে অবসরপ্রাপ্ত ও প্রয়াত শিক্ষক-কর্মচারীদের শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদানের কথা স্মরণ করে তাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। উপস্থিত শিক্ষক-কর্মচারীরা জানান, সমিতির এই উদ্যোগ আন্তরিকতা ও সম্মানের একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবির পর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরে (বেরোবি) বাসের লাইভ লোকেশন ট্র্যাকিং সুবিধা চালু হয়েছে। ফলে, শিক্ষার্থীরা এখন মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে বাসের বর্তমান অবস্থান ও রুট সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবেন।
এই সুবিধা ব্যবহারের জন্য শিক্ষার্থীদের প্রথমে মোবাইলে ALO App ডাউনলোড করতে হবে। এরপর Student User অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের লগইনের জন্য ইমেইল: [email protected] এবং পাসওয়ার্ড: VTS@2026 ব্যবহার করতে হবে। এই অ্যাকাউন্টে প্রবেশের জন্য কোনো ওটিপি ভেরিফিকেশনের প্রয়োজন হবে না।
অ্যাপে সফলভাবে লগইন করার পর Vehicle Tracking অপশনে গেলেই চলাচলরত বাসগুলোর লাইভ লোকেশন ও নির্ধারিত রুট দেখা যাবে।
এ বিষয়ে রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী হাবিবুর রহমান মন্তব্য করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে বাস ট্র্যাকিং সুবিধা চালু হওয়া নিঃসন্দেহে একটি শিক্ষার্থীবান্ধব, সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা খুব সহজেই মোবাইলের মাধ্যমে বাসের বর্তমান অবস্থান জানতে পারবে, ফলে অপেক্ষার সময় ও অনিশ্চয়তা অনেকটাই কমবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবস্থায় প্রযুক্তির এমন কার্যকর ব্যবহার আধুনিক ও স্মার্ট ক্যাম্পাস গড়ে তোলার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী জাওয়াদ সাজিদ বলেন, বেরোবিতে বাস ট্র্যাকিং সুবিধা চালু হওয়া শিক্ষার্থীবান্ধব ও সময়োপযোগী একটি উদ্যোগ। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাসের অবস্থান ও সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময় জানতে পারবে, ফলে অপেক্ষার সময় কমবে এবং যাতায়াত আরও সহজ ও নিরাপদ হবে। বিশেষ করে দূরবর্তী স্থান থেকে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য এটি বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবস্থার অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রযুক্তিনির্ভর এমন আরও উদ্যোগ নেওয়া হবে।
পরিবহন পুলের পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক মাসুদ রানা বলেন, শিক্ষার্থীদের একটি দাবি ছিল অনেক দিনের। তিনি উল্লেখ করেন, "আমি পরিবহন দপ্তরের দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই শিক্ষার্থীরা আমাকে অনেকবার বলেছে যে স্যার যদি গাড়ির লাইভ ট্রাকিং এর ব্যবস্থা করা যেত। তাহলে আমাদের জন্য উপকার হত। গাড়িটি কোন জায়গায় অবস্থান করছে আমরা জানতে পারতাম।" তখন থেকেই তিনি দাবিটি নোট আকারে প্রশাসনের অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছিলেন। সেটাই বিভিন্ন যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে কিছুদিন আগে কাজের অর্ডার হয়ে ডিভাইসগুলো গ্রামীন ফোন থেকে নেওয়া হয়েছে। শিক্ষক শিক্ষার্থী কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য আলাদা আইডি রয়েছে। সে আইডি দিয়ে তারা তাদের লোকেশন দেখতে পারবে। পরিবহন দপ্তর পুরোটা কন্ট্রোলের মধ্যে রাখবে। অনেকদিন পরে হলেও শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের চাওয়াটা যে পূরণ হলো, এটা আমাদের দপ্তরের পক্ষ থেকে ভালো লাগার বিষয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ইউএনজিএ’র ৮১তম অধিবেশনে উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্কে অংশগ্রহণ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব নাজমুল হক জানিয়েছেন, তারেক রহমান মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ‘নর্থ ডেলিগেটস লাউঞ্জ’-এ সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের সঙ্গে এ অধিবেশনে যোগদান করেন।
সাধারণ পরিষদ মিলনায়তনের আসনগুলো বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজানো থাকায় বি আদ্যাক্ষরের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল প্রথম সারিতে আসন গ্রহণ করে।
অধিবেশনস্থলে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। মিলনায়তনে প্রবেশের পর প্রধানমন্ত্রী ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) সভাপতি ড. খলিলুর রহমানকে অভিবাদন জানান। এরপর তিনি আসন গ্রহণ করেন।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান গত ২ জুন অনুষ্ঠিত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে ৯৯টি ভোট পেয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন।
প্রধানমন্ত্রী সাধারণ পরিষদ মিলনায়তনে প্রবেশ করে নিজ আসনে বসার পর জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস উদ্বোধনী বক্তব্য প্রদান করেন।
অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।
এবারের অধিবেশনে জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক সংঘাত নিরসন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জন এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যুগুলো বিশেষভাবে প্রাধান্য পাচ্ছে।
আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর তারেক রহমান সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন, যা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর প্রথম ভাষণ হবে। আশা করা হচ্ছে, ভাষণটি তিনি বাংলায় দেবেন।
জাতিসংঘ অধিবেশনের পাশাপাশি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্কে বেশ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
এছাড়া, তিনি সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভাষণ দেবেন, যেখানে তিনি বিশ্ব শান্তিরক্ষা, জলবায়ু ন্যায়বিচার এবং বাংলাদেশের সাম্প্রতিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরবেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ