ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জুন মাসের মধ্যে ৮৭ লাখ ৫০ হাজার প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার স্থাপন করা হয়েছে


জুন মাসের মধ্যে ৮৭ লাখ ৫০ হাজার প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার স্থাপন করা হয়েছে

সরকারের চলমান কর্মসূচির আওতায় চলতি বছরের জুন মাসের শেষ পর্যন্ত দেশে ৮৭ লাখ ৫০ হাজার প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার স্থাপন করা হয়েছে। কারিগরি বহির্ভূত সিস্টেম লস কমানো এবং নির্বিঘ্ন রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাকি গ্রাহকদের জন্য মিটার স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম আজ বাসসকে জানিয়েছেন, ‘কারিগরি বহির্ভূত সিস্টেম লস কমানো এবং রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সব গ্রাহককে স্মার্ট প্রিপেইড মিটারের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ১০ থেকে ১৫ শতাংশ গ্রাহককে হয়ত স্মার্ট প্রিপেইড মিটারিং ব্যবস্থার আওতায় আনা সম্ভব হবে না। তবে সর্বোচ্চ সংখ্যক গ্রাহককে এ ব্যবস্থার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দেশের ৫ কোটিরও বেশি বিদ্যুৎ গ্রাহককে ধাপে ধাপে স্মার্ট প্রিপেইড মিটারিং ব্যবস্থার আওতায় আনতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় একটি মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করছে।

তিনি উল্লেখ করেন, গ্রাহক পর্যায়ে ৫ থেকে ৭ শতাংশ অতিরিক্ত কারিগরি বহির্ভূত বিদ্যুৎ অপচয় ঘটে মিটারে কারসাজি, অবৈধ সংযোগ এবং অন্যান্য অনিয়মের কারণে। প্রিপেইড মিটার বিদ্যুতের সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

বিউবোর পরিসংখ্যান অনুসারে, দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা পর্যায়ক্রমে স্মার্ট প্রিপেইড মিটার স্থাপন করছে। জুন মাসের মধ্যে সারাদেশে মোট ৮৭ লাখ ৫০ হাজার ৮২৩টি প্রিপেইড মিটার স্থাপন 완료 হয়েছে।

পাওয়ার সেলের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সময় প্রতি গ্রাহক গড়ে ৬৬১ কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছেন। এছাড়া ২০২৬ সালের ১৩ জুলাই পর্যন্ত দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা পৌঁছেছে ৩৩ হাজার ৯২ মেগাওয়াটে। চলতি বছরের ২০ মে সর্বোচ্চ ১৭ হাজার ২০১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

বিউবো পরিচালকের মো. শামীম হাসান বাসসকে বলেছেন, চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত বিপিডিবি ৩৫ লাখ ৩৭ হাজার ১২৬টি স্মার্ট ও প্রচলিত একক ও তিনফেজ প্রিপেইড মিটার স্থাপন করেছে।

তিনি জানান, ‘বাকি প্রিপেইড মিটার স্থাপনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

বিউবোর তথ্য অনুযায়ী, জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি) ১৮ লাখ, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) ১০ লাখ ৭৯ হাজার ১৮৪, ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো) ৯ লাখ ১৬ হাজার ৯১০, ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো) ৯ লাখ ১২ হাজার ২৩৩ এবং নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (নেসকো) ৯ লাখ ৩৯ হাজার ৩০৩টি প্রিপেইড মিটার স্থাপন করেছে।

বিউবো চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও খুলনা অঞ্চলের প্রায় ৪৪ লাখ ৪৯ হাজার খুচরা গ্রাহককে সরাসরি বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

ডিপিডিসি ঢাকা সিটি করপোরেশন ও আশপাশের এলাকায় প্রায় ১৯ দশমিক ৯ লাখ গ্রাহককে এবং বিআরইবি সারাদেশে ৩ কোটি ৩ লাখ থেকে ৩ কোটি ৬২ লাখ গ্রাহককে বিদ্যুৎ সেবা দিচ্ছে।

ডেসকো প্রায় ১২ লাখ গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। এর বিতরণ নেটওয়ার্ক মূলত ঢাকা মহানগরের উত্তরাংশ, গাজীপুরের টঙ্গী এবং পূর্বাচল মডেল টাউন এলাকাজুড়ে বিস্তৃত রয়েছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত নেসকো রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬টি জেলায় আবাসিক, কৃষি ও বাণিজ্যিক খাতের প্রায় ২০ লাখ ১১ হাজার গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।

ওজোপাডিকো খুলনা ও বরিশাল বিভাগ এবং বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলের প্রায় ১০ লাখ ৬৮ হাজার গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

বিউবোর তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলো ২০২২ সালে ৮ লাখ ৫০ হাজার স্মার্ট প্রিপেইড মিটার স্থাপনের একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এর আগে ২০১৮ সালে স্মার্ট মিটারিং ব্যবস্থা চালু হয় এবং যন্ত্রের মাধ্যমে প্রিপেইড মিটার রিচার্জ (ভেন্ডিং) ব্যবস্থা শুরু করা হয়।

স্মার্ট প্রিপেইড মিটার ব্যবস্থায় বিল পরিশোধ, সংযোগ বিচ্ছিন্ন বা পুনঃসংযোগের ঝামেলা থাকে না। স্মার্ট মিটারে কোনো ন্যূনতম চার্জ বা জামানৎ দিতে হয় না এবং বিতর্কিত বিলেরও কোন অবকাশ থাকে না।

এছাড়া স্মার্ট প্রিপেইড মিটার ব্যবহারকারীরা প্রচলিত বিদ্যুৎ বিলের হারের ওপর ২ শতাংশ মূল্যছাড় পান। অফিসের অফ-পিক সময় ও সরকারি ছুটির দিনে ব্যালেন্স কমে গেলে বা ঋণাত্মক হলে আগাম সতর্কবার্তাও পাওয়া যায়।

এ ব্যবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে ঋণ সুবিধা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে এবং অস্বাভাবিক ভোল্টেজ ওঠানামা প্রতিরোধেও এটি সহায়ক। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবহারসংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করে।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

বিউবোর তথ্য অনুযায়ী, মিটারে কারসাজি, অবৈধ সংযোগ এবং অন্যান্য অনিয়মের কারণে গ্রাহক পর্যায়ে ৫ থেকে ৭ শতাংশ কারিগরি বহির্ভূত ক্ষতি হয়। প্রিপেইড মিটার বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করতে কার্যকর অবদান রাখতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নরসিংদীতে অতিবৃষ্টির ক্ষয়ক্ষতি দেখতে প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৪ পি.এম


নরসিংদীতে অতিবৃষ্টির ক্ষয়ক্ষতি দেখতে প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ

টানা অতিবৃষ্টির ফলে জেলার মনোহরদী উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা, সড়ক ও কালভার্টের ক্ষয়ক্ষতি এবং নদীভাঙনগুলোর পরিদর্শন করে উপজেলা প্রশাসন দ্রুত সমাধানে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। গতকাল মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এ মুহাইমিন আল জিহানের সভাপতিত্বে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির একটি জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, শিক্ষক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভাটিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা দ্রুত পরিদর্শন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এ মুহাইমিন আল জিহান, নরসিংদী পানি উন্নয়ন বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. হুমায়ূন কবির, উপজেলা প্রকৌশলী হরষিত কুমার সাহা, পানি উন্নয়ন বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী রাসেল মিয়া, উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আমিনুর রহমান সরকার দোলন, মনোহরদী প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. হারুন অর রশিদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপজেলা এলাকার বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনের সময় চালাকচর-বড়চাপা সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা যায়। এর পাশাপাশি, বড়চাপা ইউনিয়নের পাইকান গ্রামে নদীভাঙন ফলে বসতবাড়ি হুমকির সম্মুখীন হয়েছে। কায়তেরগাঁও গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, কায়তেরগাঁও-জামালপুর সড়কের ভেঙে যাওয়া কালভার্ট এবং মনোহরদী গার্লস স্কুল মোড় থেকে ড্রেনেরঘাট পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন অংশের ক্ষয়ক্ষতি পর্যবেক্ষণ করা হয়।

পরিদর্শনে আরও দেখা যায়, পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার বিঘ্ন পর্যালোচনা করা হয়।

পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্টরা জানান, উপজেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়, উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো সংস্কার এবং স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এদিকে, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সজিব মিয়া খিদিরপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা ও সড়ক ক্ষয়ক্ষতি পরিদর্শন করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কাজ করছেন। উপজেলা প্রশাসন জানায়, অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং জনদুর্ভোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় অক্সফ্যামের ১ কোটি ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ পি.এম


বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় অক্সফ্যামের ১ কোটি ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ

অক্সফাম ইন বাংলাদেশ সম্প্রতি জানায়, টানা ভারি বৃষ্টি ও উজানের ঢলে সৃষ্ট বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত দশটি জেলার মানুষের জন্য ১ কোটি ২০ লাখ ৬৫ হাজার টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। সংস্থাটি এর পাশাপাশি সর্বোচ্চ ১ লাখ ৬০ হাজার মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য ৩০ লাখ ইউরো সংস্থান করার উদ্যোগ নিচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায় সংস্থাটি।

অক্সফাম জানায়, ১৪ জুলাই পর্যন্ত বন্যার কারণে ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৩৯ জন আহত হয়েছে। হাজারো মানুষ বাধ্য হয়ে ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে হয়েছে। এই বন্যায় ঘরবাড়ি, সড়ক, বাঁধ, কৃষিজমি, পানির উৎস, শৌচাগার ও মৎস্য খামার ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে।

অক্সফ্যাম ইন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর অনিল পান্ত বলেন, "বন্যার কারণে মানুষের জীবন ও জীবিকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।" তিনি আরও যোগ করেন, "বিশেষ করে চট্টগ্রামের বহু পরিবার ঘরবাড়ি এবং আয়ের উৎস হারিয়েছে।" অন্যদিকে, কক্সবাজারের ঘনবসতিপূর্ণ রোহিঙ্গা শিবিরগুলোর বাসিন্দারাও অস্থিতিশীল পাহাড়ি ঢালে বসবাসের কারণে বন্যা ও ভূমিধসের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

সংস্থাটির তথ্যানুসারে, অন্তত ৩ হাজার ৫০০টি পানির উৎস এবং ১২ হাজার ৪০০টি শৌচাগার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ফলে পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে। দুর্গত মানুষের জন্য নিরাপদ খাবার পানি, খাদ্য, আশ্রয়সামগ্রী, স্বাস্থ্যবিধি কিট, স্যানিটেশন সহায়তা এবং নগদ অর্থের কড়া প্রয়োজন অনুভূত হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামানত ছাড়াই তরুণ উদ্যোক্তারা পাবেন ৫ কোটি টাকা ঋণ: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ পি.এম


জামানত ছাড়াই তরুণ উদ্যোক্তারা পাবেন ৫ কোটি টাকা ঋণ: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তরুণ স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের জামানত ছাড়াই ৫ লাখ থেকে সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

তিনি বলেন, সরকার মেধাবী উদ্যোক্তাদের পাশে আছে। স্টার্টআপগুলোকে সহায়তা করার জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ প্রায় ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। এই তহবিল থেকে আমরা উদ্যোক্তাদের ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করব।

আজ মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘তরুণ, স্টার্টআপ এবং সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে তরুণ উদ্যোক্তাদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এই ঘোষণা দেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এই অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে উদ্বোধন করা হয়েছে জাতীয় স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্ম।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যানের ছাত্রী নুসরাত জাহানের এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, প্রথমবারের মতো স্টার্টআপ শুরু করতে ইচ্ছুক উদ্যোক্তাদের জমি, সম্পদ বা অন্যান্য জামানতের মতো প্রচলিত ব্যাংকিং পদ্ধতির মধ্য দিয়ে যেতে হবে না।

তিনি বলেন, একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে কোনো মন্ত্রী বা উপদেষ্টা নেই। তারা আপনার প্রকল্পটি মূল্যায়ন করবে এবং অনুমোদন দিলে আপনি কোনো জামানত ছাড়াই অর্থায়ন পাবেন।

আরেক শিক্ষার্থীর করা প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সম্ভাবনাময় ব্যবসায়িক ধারণা নিয়ে আসা তরুণ উদ্যোক্তারা জামানত ছাড়াই সরকার-সমর্থিত স্টার্টআপ অর্থায়ন পেতে পারবেন। সম্ভাবনাময় স্টার্টআপগুলো শুরুতে ব্যর্থ হলেও অর্থায়নের জন্য তাদের আরেকটি সুযোগ দেওয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় আটটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩০ জনের বেশি শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

ঢাকার বাইরের উদ্যোক্তাদের সমর্থন করার বিষয়ে জগনাথ বিশ্ববিদ্যালয়-এর ছাত্রী সৈয়দা অনন্যা ফারিয়ার প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে রাজধানীতে সীমাবদ্ধ না রেখে দেশজুড়ে প্রসারিত করতে চায়। আমরা চাই বাংলাদেশের সব প্রান্ত থেকে আপনাদের মতো তরুণ উদ্যোক্তারা এগিয়ে আসুক। আমরা আপনাদের কাছে পৌঁছাতে চাই।

অপর একটি প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, একটি ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে সময় লাগবে, তবে আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব।

তিনি বলেন, আমাদের কিছুটা সময় লাগবে। কিন্তু আমরা সবাই একসঙ্গে আন্তরিকভাবে কাজ করলে, আমরা লক্ষ্যে পৌঁছাব বলেই বিশ্বাস করি।

প্রশ্নকারীদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ডিইউ), বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জেইউ), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জেএনইউ), বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালস (বিইউপি), মিলিটারি ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি), নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ছিলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং উদ্যোক্তারা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে রেস্তোরাঁয় অভিযান, অনিয়মে গুনতে হলো ৩ লাখ টাকা জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫১ পি.এম


চট্টগ্রামে রেস্তোরাঁয় অভিযান, অনিয়মে গুনতে হলো ৩ লাখ টাকা জরিমানা

চট্টগ্রাম নগরের পূর্ব নাসিরাবাদ এলাকায় অবস্থানকারী রেস্তোরাঁ ও ফাস্ট ফুড চেইন ‘সাদিয়াস কিচেন’-এর প্রধান রান্নাঘরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই অভিযানে মালিকপক্ষকে তিন লাখ টাকা জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিফাত বিনতে আরা এই অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রাম কার্যালয়ের অফিসার ফরহানুল ইসলাম, মেট্রোপলিটন কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সিএমপির একটি টিম।

অভিযানে ‘সাদিয়াস কিচেন’ প্রতিষ্ঠানে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর পরিবেশের প্রবল উপস্থিতি দেখা যায়। এখানে পচা ডিম ও ব্রেডক্রাম্প ব্যবহারের পাশাপাশি ফ্রিজে উচ্ছিষ্টের সঙ্গে মুরগির মাংস এবং খোলা অবস্থায় দই সংরক্ষণ করতে দেখা যায়। আরও দেখা যায়, প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে ইঁদুর, তেলাপোকা ও মশা-মাছির উপদ্রব ছিল, সেইসঙ্গে খোলা ড্রেনেজসহ বিভিন্ন অসঙ্গতি ধরা পড়ে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির অনিবন্ধিত (মেয়াদোত্তীর্ণ নিবন্ধন) পদ্ধতিতে খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন করার মতো আরও কিছু অনিয়ম ধরা পড়ে। এসব অপরাধের কারণে সাদিয়াস কিচেনের মালিকপক্ষকে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়, এবং তা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিফাত বিনতে আরা এই অভিযানের সময় বলেন, ‘অভিযানের সময় নানা অনিয়ম পাওয়ায় তিন লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করে তা আদায় করা হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%