বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:১০ পি.এম
কুষ্টিয়ায় নাশকতার মামলায় জামিন নিয়ে বিএনপির কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগের সমর্থকদের বিরুদ্ধে। বিএনপির নেতাকর্মীরা দাবি করেছেন যে, হামলায় ৫-৬ জন সমর্থক আহত হয়েছেন। পরে বিএনপির ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা এক আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে ভাঙচুর ও তার পাটের গোডাউনে আগুন দিয়েছেন বলে জানা যায়।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ইবি থানার পাটিকাবাড়ি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের নলকোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
বিএনপির নেতাকর্মীদের অভিযোগ, এই হামলা ও ভাঙচুরের নেতৃত্ব দেন পাটিকাবাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. রুহুল।
প্রত্যক্ষদর্শী ও হামলার শিকার বিএনপির সমর্থকরা জানিয়েছেন, সন্ধ্যার পর নলকোলা গ্রামের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি কার্যালয়ে নেতাকর্মীরা মুড়ি-চানাচুর খাচ্ছিলেন। এ সময় রুহুলের নেতৃত্বে প্রায় ৫০-৬০ জন ব্যক্তি ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে কার্যালয়ে হামলা চালান। তারা কার্যালয়ে ভাঙচুর করেন এবং বিএনপির কয়েকজন সমর্থককে মারধর করেন। এতে ৫-৬ জন আহত হওয়ার দাবি করেন তারা।
তারা আরও জানান, কয়েক দিন আগে আওয়ামী লীগের সমর্থকরা মিছিল করায় ইবি থানায় একটি নাশকতার মামলা হয়। ওই মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা রুহুলসহ বেশ কয়েকজন আসামি হন। মঙ্গলবার আদালত থেকে জামিন নিয়ে এলাকায় ফেরার পর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মিষ্টি বিতরণ করে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ তাদের।
হামলার পর বিএনপির ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ নেতা রুহুলের বাড়িতে ভাঙচুর করেন। এ সময় তার পাটের গোডাউনে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।
কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. ফয়সাল মাহমুদ জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে ইবি থানা পুলিশ উপস্থিত রয়েছে। তিনি বলেন, "আমিও ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছি। বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার আটজন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-১ শাখা থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যা অ্যাডিশনাল ডিআইজি রায়হান উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত।
প্রজ্ঞাপনের আওতায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজা সারোয়ারকে ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। একইসঙ্গে, তাকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাতক্ষীরা হিসেবে বদলির পূর্বের আদেশ বাতিল করা হয়েছে।
অন্যদিকে, র্যাবে কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আনিচ উদ্দীনকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে কুড়িগ্রামে বদলি করা হয়েছে। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে টিআর পদে কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামকেও পুলিশ হেডকোয়ার্টারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
গোপালগঞ্জের মকসুদপুর সার্কেলে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত নাফিছুর রহমানকে র্যাবে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ সার্কেলে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত সুবীর কুমার সাহাকে গোপালগঞ্জের মকসুদপুর সার্কেলে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
নৌ পুলিশে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত মো. সোহেল মিয়াকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশে (জিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশে (কেএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে কর্মরত মো. আজিজুর রহমান খানকে খুলনায় রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। এছাড়া, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশে (জিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে কর্মরত অরুপ রতন সরকারকে নওগাঁর সাপাহার সার্কেলে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের আগামী ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার অর্পণ করতে হবে। অন্যথায়, ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে তাদের তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজড) হিসেবে গণ্য করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিদ্যুতের চলমান সংকটের মোকাবিলা এবং সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে তদারকি বৃদ্ধির জন্য সচিবদের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। কাজের দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রকল্প বাস্তবায়নের সমস্যা চিহ্নিতকরণ এবং উন্নয়ন কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও দক্ষতা নিশ্চিত করার বিষয়েও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে বিকেল সাড়ে ৪টায় সচিব সভা শুরু হয়। সভাটি সন্ধ্যা ৬টায় শেষ হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সূত্রে জানা গেছে, সভায় ৬১ জন সচিব উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানান, সচিবদের এই বৈঠকটি মূলত অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন বিষয়ে তাগিদ দেওয়ার জন্য আয়োজন করা হয়েছে। কীভাবে কাজের দক্ষতা আরও বৃদ্ধি করা যায় এবং কোন কাজ কীভাবে করতে হবে, এসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলো নিয়ে দপ্তরে সাধারণত কাঠামোবদ্ধভাবে আলোচনা হয়। তবে বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিদ্যুতের চলমান সমস্যা এবং পরদিন কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়, কীভাবে সমস্যাগুলো মোকাবিলা করা যায়, এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সরাসরি নির্দেশনা প্রদান করা।
অগ্রাধিকার প্রকল্পের প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রত্যেক সচিবকে তাদের নিজ নিজ জেলার দায়িত্বের বিষয়ে মাঠপর্যায়ে খোঁজ নিতে বলা হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে যে সমস্যাগুলো দেখা দিচ্ছে, সেগুলো জনগণের সঙ্গে কথা বলে চিহ্নিত করতে হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও উন্নয়ন কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় দক্ষতা এবং সংস্কারের উপাদানগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্টদের কাজ করতে বলা হয়েছে। এসব বিষয়ে কাজ করে পরবর্তী সময়ে জানাতে বলা হয়েছে, যাতে সবাই মিলে কাজের মান আরও উন্নত করতে পারে।
সভা সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সরকারি অফিসগুলোতে সোলার প্যানেল স্থাপনের বিষয়েও সচিবদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬–২০৩০) নিয়েও সভায় আলোচনা হয়েছে।
এছাড়া সরকারের চলমান কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, জনকল্যাণমুখী ও কার্যকর করার বিষয়টি সভার আলোচ্যসূচিতে ছিল। জনগণের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এমন গুরুত্বপূর্ণ অনানুষ্ঠানিক বিষয়ে সিনিয়র সচিব ও সচিবদের পক্ষ থেকে পাঠানো প্রস্তাব পর্যালোচনা এবং বিবিধ বিষয় নিয়েও আলোচনা করা হয়।
নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় সাত মাস পর সচিবদের নিয়ে প্রথমবারের মতো এই সভা অনুষ্ঠিত হলো। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে বিএনপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার দায়িত্ব নেয়। সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ২১০ দিন পর প্রথম সচিব সভা অনুষ্ঠিত হলো।
সচিব সভাকে সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় সভা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এতে মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবরা সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত, উন্নয়ন কার্যক্রম, প্রশাসনিক অগ্রাধিকার এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয়ের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর বংশাল থানাধীন চানখারপুল এলাকার একটি মেস থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) অনিক চন্দ্র পাল নামের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, প্রেমের সম্পর্কের বিচ্ছেদজনিত কারণে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বি কে গাঙ্গুলী লেনের ওই ছাত্র মেস থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত অনিক চন্দ্র পাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রয়িং ও পেইন্টিং বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তার গ্রামের বাড়ি সিলেট জেলার শিবপুর উপজেলায়। বর্তমানে নিহতের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
ঘটনার বর্ণনায় নিহতের মেস সদস্য ও জবি শিক্ষার্থী জয় ভূঁইয়া জানান, গত সোমবার থেকেই অনিকের তেমন সাড়াশব্দ বা খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। মঙ্গলবার রাত ৯টা বা সাড়ে ৯টার দিকে অনিকের এক ব্যাচমেট তাকে ফোন কলে না পেয়ে মেসে তার রুমে গিয়ে দেখতে বলেন। পরে তারা দুজন মিলে রুমে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ দরজায় কড়া নাড়লেও কোনো সাড়া পাননি।
জয় ভূঁইয়া বলেন, দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় সন্দেহ হয়। পরে জানালার কাচ ভেঙে ভেতরে তাকিয়ে অনিককে গলায় গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলতে দেখা যায়। এরপর দরজা খুলে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সহপাঠী ও মেস সদস্যদের সূত্রে জানা যায়, দুই দিন আগে নিহত অনিকের সঙ্গে তার প্রেমিকার বিচ্ছেদ ঘটে। বিচ্ছেদের পর থেকে অনিকের মোবাইল ফোন বন্ধ ও ভাঙা পাওয়া যায়। এরপর থেকেই তিনি মেসে একা চুপচাপ থাকতে শুরু করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রয়িং ও পেইন্টিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং সহকারী প্রক্টর সুবাস পাল। তিনি বলেন, স্টুডেন্টরা আমাকে ঘটনা জানানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই আমি ঢাকা মেডিকেলে পৌঁছাই। কিন্তু ততক্ষণে আমাদের স্টুডেন্ট আর বেঁচে ছিল না।
সহকারী প্রক্টর আরও বলেন, আমি ওর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। ওর বাবার সঙ্গেও কথা হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা আসার পর মেডিকেল ও থানার প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। স্বজনদের উপস্থিতিতে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, বিষয়টি এখনো আমরা জানি না। খোঁজ নিয়ে বিস্তারিত জেনে আপনাকে বলতে পারব।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠীর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার বিরুদ্ধে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোট ‘দৃঢ়ভাবে’ জবাব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সাম্প্রতিক হামলাগুলোর ফলে সৌদি আরবের তিনটি শহরে ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভোরে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানায়, খামিস মুশাইত, আবহা ও তাইফে হুথিদের হামলায় ১৩ জন আহত হন। যদিও আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর নয়, তবে এসব হামলায় সাতটি বাড়ি ও দুটি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি বলেন, সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জোটের যৌথ বাহিনী এসব হামলার জবাব দায়িত্বশীল ও কঠোরভাবে দেবে।
ইয়েমেনে বাস্তুচ্যুতি বাড়ছে
এদিকে, ইয়েমেনে চলমান সংঘাতের কারণে মানবিক পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।
জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয় দপ্তর (ওসিএইচএ) জানিয়েছে, চলতি মাসের শুরু থেকে ইয়েমেনে সংঘাতের কারণে অন্তত ১৮ হাজার পরিবার বা প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
জাতিসংঘ বলছে, সংঘাতের কারণে মানুষ বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে, বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে এবং আগে থেকেই চাপের মধ্যে থাকা মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের ওপর আরও চাপ তৈরি হচ্ছে।
অন্যদিকে, সোমবার রাতে হুথিরা দাবি করেছে গত ২৪ ঘণ্টায় ইয়েমেনের লাহিজ, তাইজ, আল-জাওফ, মারিব ও হাজ্জাহ প্রদেশে সৌদি আরব ৫৪টি বিমান হামলা চালিয়েছে।
হুথিদের দাবি, তাইজ প্রদেশের খাদির জেলার সরকারি কমপ্লেক্সেও সৌদি বিমান হামলা হয়েছে এবং এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন।
হুথি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, সৌদি ঘাঁটি থেকে পরিচালিত এফ-১৫ ও টাইফুন যুদ্ধবিমান এসব হামলায় অংশ নেয়। গোষ্ঠীটি এর জবাবে প্রতিশোধ নেওয়ারও হুমকি দিয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ