বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:১১ পি.এম
রাজধানীর বংশাল থানাধীন চানখারপুল এলাকার একটি মেস থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) অনিক চন্দ্র পাল নামের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, প্রেমের সম্পর্কের বিচ্ছেদজনিত কারণে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বি কে গাঙ্গুলী লেনের ওই ছাত্র মেস থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত অনিক চন্দ্র পাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রয়িং ও পেইন্টিং বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তার গ্রামের বাড়ি সিলেট জেলার শিবপুর উপজেলায়। বর্তমানে নিহতের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
ঘটনার বর্ণনায় নিহতের মেস সদস্য ও জবি শিক্ষার্থী জয় ভূঁইয়া জানান, গত সোমবার থেকেই অনিকের তেমন সাড়াশব্দ বা খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। মঙ্গলবার রাত ৯টা বা সাড়ে ৯টার দিকে অনিকের এক ব্যাচমেট তাকে ফোন কলে না পেয়ে মেসে তার রুমে গিয়ে দেখতে বলেন। পরে তারা দুজন মিলে রুমে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ দরজায় কড়া নাড়লেও কোনো সাড়া পাননি।
জয় ভূঁইয়া বলেন, দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় সন্দেহ হয়। পরে জানালার কাচ ভেঙে ভেতরে তাকিয়ে অনিককে গলায় গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলতে দেখা যায়। এরপর দরজা খুলে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সহপাঠী ও মেস সদস্যদের সূত্রে জানা যায়, দুই দিন আগে নিহত অনিকের সঙ্গে তার প্রেমিকার বিচ্ছেদ ঘটে। বিচ্ছেদের পর থেকে অনিকের মোবাইল ফোন বন্ধ ও ভাঙা পাওয়া যায়। এরপর থেকেই তিনি মেসে একা চুপচাপ থাকতে শুরু করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রয়িং ও পেইন্টিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং সহকারী প্রক্টর সুবাস পাল। তিনি বলেন, স্টুডেন্টরা আমাকে ঘটনা জানানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই আমি ঢাকা মেডিকেলে পৌঁছাই। কিন্তু ততক্ষণে আমাদের স্টুডেন্ট আর বেঁচে ছিল না।
সহকারী প্রক্টর আরও বলেন, আমি ওর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। ওর বাবার সঙ্গেও কথা হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা আসার পর মেডিকেল ও থানার প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। স্বজনদের উপস্থিতিতে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, বিষয়টি এখনো আমরা জানি না। খোঁজ নিয়ে বিস্তারিত জেনে আপনাকে বলতে পারব।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠীর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার বিরুদ্ধে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোট ‘দৃঢ়ভাবে’ জবাব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সাম্প্রতিক হামলাগুলোর ফলে সৌদি আরবের তিনটি শহরে ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভোরে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানায়, খামিস মুশাইত, আবহা ও তাইফে হুথিদের হামলায় ১৩ জন আহত হন। যদিও আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর নয়, তবে এসব হামলায় সাতটি বাড়ি ও দুটি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি বলেন, সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জোটের যৌথ বাহিনী এসব হামলার জবাব দায়িত্বশীল ও কঠোরভাবে দেবে।
ইয়েমেনে বাস্তুচ্যুতি বাড়ছে
এদিকে, ইয়েমেনে চলমান সংঘাতের কারণে মানবিক পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।
জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয় দপ্তর (ওসিএইচএ) জানিয়েছে, চলতি মাসের শুরু থেকে ইয়েমেনে সংঘাতের কারণে অন্তত ১৮ হাজার পরিবার বা প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
জাতিসংঘ বলছে, সংঘাতের কারণে মানুষ বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে, বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে এবং আগে থেকেই চাপের মধ্যে থাকা মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের ওপর আরও চাপ তৈরি হচ্ছে।
অন্যদিকে, সোমবার রাতে হুথিরা দাবি করেছে গত ২৪ ঘণ্টায় ইয়েমেনের লাহিজ, তাইজ, আল-জাওফ, মারিব ও হাজ্জাহ প্রদেশে সৌদি আরব ৫৪টি বিমান হামলা চালিয়েছে।
হুথিদের দাবি, তাইজ প্রদেশের খাদির জেলার সরকারি কমপ্লেক্সেও সৌদি বিমান হামলা হয়েছে এবং এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন।
হুথি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, সৌদি ঘাঁটি থেকে পরিচালিত এফ-১৫ ও টাইফুন যুদ্ধবিমান এসব হামলায় অংশ নেয়। গোষ্ঠীটি এর জবাবে প্রতিশোধ নেওয়ারও হুমকি দিয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ফেনীতে টানা দুই দিন ধরে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। জনজীবনে তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে হাঁসফাঁস অবস্থা বিরাজ করছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি। অসহনীয় গরমের কারণে ঘরে-বাইরে কোথাও স্বস্তি নেই, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের ও শ্রমজীবী মানুষের জন্য পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।
এদিকে, বৈরী আবহাওয়ার কারণে নিউমোনিয়া, জ্বর, সর্দি ও ডায়রিয়াজনিত রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। ফেনী জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সরা রোগীর বাড়তি চাপ সামাল দিতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন।
আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ফেনীতে দেশের সর্বোচ্চ ৩৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এর আগে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ফেনীতে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন এলাকায় গরমের অনুভূতি ছিল বেশি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তেজ ও তাপমাত্রা বাড়তে থাকায় বাইরে চলাচলকারী মানুষের ভোগান্তিও বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে রিকশা ও অটোরিকশাচালক, শ্রমজীবী মানুষ এবং খোলা আকাশের নিচে কাজ করা ব্যক্তিরা বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
ফেনী শহরের বিভিন্ন সড়কে দেখা যায়, প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই বাইরে বের হচ্ছেন না। বাইরে বের হওয়া মানুষের মধ্যে কেউ কেউ ছাতা ব্যবহার করছেন, আবার অনেকে পথের পাশে দাঁড়িয়ে পানি পান করে কিছুটা স্বস্তি নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তীব্র গরমের কারণে রিকশাচালকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অস্বস্তি দেখা যাচ্ছে। দীর্ঘ সময় রোদে রিকশা চালানোর ফলে শরীর ঘেমে একাকার হয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন তারা। বিদ্যুতের লোডশেডিং হওয়ায় ঘরে থাকা মানুষকেও গরমের মধ্যে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
এনামুল হক নামের এক পথচারী বলেন, "তীব্র গরমে ঘর থেকে বের হওয়ার উপায় নেই। তারপরও কাজের সুবাদে বের হতে হচ্ছে। তৃষ্ণা মেটানোর জন্যই ভ্রাম্যমাণ দোকান থেকে শরবত খাচ্ছি।" শহরের রাজনন্দিনী দিঘির পাড়ে শরবত বিক্রেতা সালেহ আহম্মদ জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি লেবু আর তোকমার দুই ধরনের শরবত বিক্রি করছেন। তবে গত কয়েক দিন বেচাবিক্রি ভালোই হচ্ছে। দৈনিক ১৫০ থেকে ২০০ গ্লাস শরবত বিক্রি করছেন তিনি।
ফেনী শহরের রিকশাচালক সুরুজ মিয়া বলেন, "সকাল থেকেই গরম ছিল। দুপুরের দিকে রোদের তাপ আরও বেড়ে যায়। রাস্তায় রিকশা চালাতে গিয়ে শরীর ঘেমে যাচ্ছে। গরমের কারণে আগের তুলনায় যাত্রীও কম পাওয়া যাচ্ছে।" মো. আবুল হোসেন নামের এক ব্যবসায়ী জানান, "গত সপ্তাহে তুলনামূলক স্বস্তি থাকলেও সোমবার থেকে হঠাৎ গরম বেশি অনুভূত হচ্ছে। দুপুরের দিকে দোকানে বসেও অস্বস্তি লাগছে। বাইরে বের হলে রোদের তাপ আরও বেশি মনে হচ্ছে।"
জ্বরে আক্রান্ত মেয়েকে নিয়ে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছেন ফাজিলপুরের বাসিন্দা আবদুল কাদের। তিনি বলেন, "দুই দিন আগে অতিরিক্ত জ্বরে আক্রান্ত মেয়েকে হাসপাতালে নিয়ে আসি। পরীক্ষায় নিউমোনিয়া শনাক্ত হয়েছে। এখানে এত বেশি গরম, সঙ্গে রোগীর চাপে মনে হচ্ছে আরও অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি।"
ফেনী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান জানান, পরপর দুই দিন ফেনীতে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টিপাতের স্বল্পতা, বাতাসের কম গতিবেগ এবং বাতাসে আর্দ্রতার আধিক্য বেশি থাকার কারণে এই ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে। এ ছাড়া বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় ঘাম সহজে শুকায় না, ফলে ভ্যাপসা গরম ও অস্বস্তিকর মনে হচ্ছে। তা ছাড়া জলবায়ুর পরিবর্তন তো আছেই।
সার্বিক বিষয়ে ফেনী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. রৌকন উদ দোলা বলেন, "গত দুই দিন ধরে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালে রোগীর চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে অতিরিক্ত গরমের কারণে ডায়রিয়া, জ্বর, পানিশূন্যতা ও অন্যান্য গরমজনিত সমস্যায় আক্রান্ত রোগী বাড়ছে। শিশু, ডায়রিয়া, নারী ও পুরুষ ওয়ার্ডে শয্যার কয়েক গুণ বেশি রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। এতে সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।"
তিনি আরও বলেন, "তীব্র গরমে শিশু ও বয়স্কদের প্রতি বিশেষ নজর দিতে হবে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান, মাস্ক ব্যবহার, অসুস্থ হলে দূরত্ব মেনে চলা, প্রয়োজন ছাড়া রোদে না বের হওয়া এবং বাইরে বের হলে ছাতা বা প্রয়োজনীয় সুরক্ষা নিতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী নেতারা বিস্কিট ও ব্রেডের দাম ২০ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত রাখার বিষয়ে একমত হয়েছেন। এ ছাড়া, বেকারি পণ্যের উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ ব্যয়ের পাশাপাশি কাঁচামালের দাম, কর ও শুল্কসহ অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় ব্যবসায়ীদের গত শনিবার থেকে বেকারি পণ্যের দাম ২০ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা এবং উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ ব্যয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এতে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সভা শেষে ব্যবসায়ী নেতারা বিস্কিট ও ব্রেডের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত রাখার বিষয়ে সম্মতি প্রদান করেন। একই সঙ্গে, বেকারি পণ্যের উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের ব্যয় পর্যালোচনায় বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান নাসির উদ দৌলার নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
সভায় সরকার পক্ষ থেকে জানানো হয়, ব্যবসায়ীদের ক্ষতিগ্রস্ত না করে জনস্বার্থ ও ভোক্তাদের স্বার্থকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে। যৌক্তিক মূল্যে পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান নাসির উদ দৌলা এবং বেকারি পণ্য ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকাতে প্রতিদিনই কেনাকাটার প্রয়োজন হতে পারে। তবে, কোনো মার্কেটে যাওয়ার পূর্বে ওই এলাকার সাপ্তাহিক বন্ধের দিন সম্পর্কে জানা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায়, বিড়ম্বনায় পড়ার সম্ভাবনা থাকে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) তারিখে কোন কোন মার্কেট, শপিংমল এবং দোকানপাট বন্ধ থাকবে তা দেখে নিন।
বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার মার্কেট
পাবলিক ওয়ার্কস সেন্টার, ইউনিটি প্লাজা, যমুনা ফিউচার পার্ক, নুরুনবী সুপার মার্কেট, ইউনাইটেড প্লাজা, কুশল সেন্টার, এবি সুপার মার্কেট, আমির কমপ্লেক্স এবং উত্তরার মাসকট প্লাজা।
যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ
বারিধারা, সাঁতারকুল, শাহাজাদপুর, নিকুঞ্জ-১, ২, কুড়িল, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, মধ্য ও উত্তর বাড্ডা, জগন্নাথপুর, খিলক্ষেত, উত্তরখান, দক্ষিণখান, জোয়ার সাহারা, আশকোনা, বিমানবন্দর সড়ক এবং উত্তরা থেকে টঙ্গী সেতু পর্যন্ত এলাকা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ