বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:৫৩ পি.এম
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার আহমদাবাদ হোসাইনিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আব্দুল হালিমের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, নিজ হাতে ঘষামাজা সার্টিফিকেট, আর্থিক অনিয়ম এবং দায়িত্ব পালণে গুরুত্বর অসাদাচারণ সহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে তাকে অধ্যক্ষের পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। মাদরাসার গর্ভনিং বডির সভায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে উপাধ্যক্ষ মো. অলিউল্লাহ্কে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। গত ১৪ জুলাইয়ের এক চিঠিতে, আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে সাময়িক বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগসমূহের বিষয়ে তাকে সন্তোষজনক লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। একইসাথে অভিযোগগুলো তদন্তের জন্য উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা তনয় সিংহকে প্রধান করে সাত সদস্যরের তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা তনয় সিংহ বলেছেন, পদের মর্যাদার দিক থেকে মাদরাসার গর্ভনিং বডি তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়ার এখতিয়ার নেই। ইউএনও কিংবা জেলা প্রশাসক তাকে এ দায়িত্ব দিতে পারেন। মাদরাসার গর্ভনিং বডির সভাপতি মো. রুহুল আমিন জসিম জানিয়েছেন, নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য অধ্যক্ষকে সাময়িক বরখাস্ত করে সাত সদস্যরের তদন্ত কমিটি গঠণ করা হয়েছে। উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা তনয় সিংহকে তদন্ত কমিটির প্রধান করা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় বিষয়টি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে। তিনি মাদরাসায় এসে এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত দেবেন।
জানা গেছে, গত ২১ মে মাদ্রাসার গভর্নিং বডির অভিভাবক সদস্য মো. আব্দুর রহিম ফরাজী মাদ্রাসার সভাপতি বরাবর অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অসঙ্গতির বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। ওই অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে অধ্যক্ষ মো. আব্দুল হালিম দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার অপব্যবহার করে মাদ্রাসার কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। বেসরকারি শিক্ষকদের নৈমিত্তিক ছুটির বিধান উপেক্ষা করে তিনি ২০২৩ সালের ১৯ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ১৬ দিন ছুটি ভোগ করেছেন। পরবর্তীতে গভর্নিং বডির সদস্যরা এ ব্যাপারে ব্যাখ্যা চাইলে তিনি বিষয়টিকে নিজের ব্যক্তিগত ব্যাপার বলে এড়িয়ে যান।
এছাড়া অসুস্থতার কারণে দীর্ঘদিন মাদ্রাসায় অনুপস্থিত থাকার পরেও নিয়ম অনুযায়ী মেডিকেল ছুটি গ্রহণ না করে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগপত্রে অধ্যক্ষের শিক্ষাগত সনদ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, তার দাখিল, আলিম ও ফাজিল পাসের সনদের একাধিকস্থানে ঘষামাজা ও কাটাকাটির চিহ্ন রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে সনদগুলোর সত্যতা যাচাইয়ের দাবি জানানো হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, বিভিন্ন সময়ে অডিট কমিটির নিরীক্ষায় মাদ্রাসার অর্থসংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ উঠে এসেছে। তবে প্রভাব খাটিয়ে এসব অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, মাদ্রাসার এক নিরাপত্তারক্ষীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগসংক্রান্ত ফাইল পার্শ্ববর্তী খালে ফেলে দিতে বাধ্য করা হয়েছে। পরে পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে ওই ফাইল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তারক্ষী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়াও, মাদ্রাসার গাছ ও পুরোনো আসবাবপত্র নিয়মবহির্ভূতভাবে বিক্রিসহ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অতীতের আরও কিছু গুরুত্বর অভিযোগের কথা লিখিত অভিযোগে তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগকারী মো. আব্দুর রহিম ফরাজী বলেছেন, অধ্যক্ষের বিভিন্ন কর্মকান্ড ও আচরণে স্থানীয় বাসিন্দা এবং অভিভাবকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ বিরাজ করছে। এর নেতিবাচক প্রভাব মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী ভর্তির ওপর পড়ছে বলেও তিনি দাবি করেছেন। এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আহমদাবাদ হোসাইনিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আব্দুল হালিম জানিয়েছেন, গত মঙ্গলবার সকালে মাদরাসার গর্ভনিং বডির সভায় আমাকে মারধর করে চাবি ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে আমাকে অন্যায়ভাবে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তিনি এ ব্যাপারে থানায় সাধারণ ডায়েরীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন এবং সাংবাদিক সম্মেলন করারও ঘোষণা দিয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বরগুনার তালতলীতে কৃষিকার্ড বিতরণের উদ্বোধন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৬টায় উপজেলার মালিপাড়ায় একটি অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জাহিদুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে কৃষিকার্ড বিতরণের উদ্বোধন করেন।
এসময় উপজেলা কৃষি অফিসার আবু জাফর মোঃ ইলিয়াস এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও তালতলী বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মাহবুবুল আলম মামুন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, জাকির হোসেন খলিফাসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ এবং সাধারণ কৃষকরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরে আজ বৃহস্পতিবার জুলাই শহীদ দিবস পালন করা হয়েছে। এই উপলক্ষে সকাল ১০ টায় পিরোজপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন জুলাই স্মৃতি স্তম্ভে জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ প্রথমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর পুলিশ বিভাগ, জেলা পরিষদ, জেলা বিএনপি সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এবং বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা জুলাই শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক আবু সাঈদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা জুলাই আন্দোলনে শহীদদের আত্মত্যাগকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের চেতনাকে ধারণ করে দেশে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং দেশকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সভায় বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী, জেলা পরিষদ প্রশাসক আলমগীর হোসেন, জেলা বিএনপির আহবায়ক নজরুল ইসলাম খান, সদস্য সচিব ছাইদুল ইসলাম কিসমত, জেলা জামায়াত আমীর তোফাজ্জল হোসেন ফরিদ এবং পিরোজপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’র সভাপতি গাজী ওয়াহিদুজ্জামান লাভলু প্রমুখ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ফুটবল উন্মাদনায় যখন শোবিজ অঙ্গনের তারকারা মেতে উঠেছেন, তখন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা একটি ব্যতিক্রমী মন্তব্য করে আলোচনায় চলে এসেছেন। তিনি মনে করেন, ফুটবল দলের জয় বা পরাজয়ের ওপর বিয়ের মতো জীবনের একটি বড় সিদ্ধান্ত নির্ভর করা অপ্রাসঙ্গিক এবং সম্পর্কহীন।
পারিবারিক কারণে ছোটবেলা থেকেই আর্জেন্টিনা দলের একজন একনিষ্ঠ সমর্থক তিনি। কিন্তু প্রিয় দলের জয়কে নিজের ব্যক্তিগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বিয়ের সঙ্গে মেলাতে নারাজ তানজিন। তার মতে, ফুটবল দলের জয়-পরাজয়ের সাথে তার বিয়ের মতো জীবনের বড় কোনো সিদ্ধান্তের কোনো সম্পর্ক নেই।
প্রিয় দল চ্যাম্পিয়ন হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শোবিজ দুনিয়ার অনেকেই নানা চমকপ্রদ ঘোষণা দিচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে, অভিনেত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হয়, এবারের বিশ্বকাপে যদি আর্জেন্টিনা জিতে, তাহলে কি তিনি বিয়ে করবেন?
এমন প্রশ্নের উত্তরে বিস্ময় প্রকাশ করে তিশা পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, "আর্জেন্টিনার সঙ্গে বিয়ের কী সম্পর্ক।"
এরপর তিনি আরও বলেন, "আমি অজস্বরবার বলেছি, আমার বাবা আর্জেন্টিনা ছিল, তাই আমি আর্জেন্টিনা।" তিনি বলেন, "খেয়াল করে দেখবেন, আর্জেন্টিনা হলেও তার দেশের জার্সি পরে তিনি কোনো ছবি ফেসবুকে দেননি।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, প্রিয় দলের জয় নিয়ে তার ব্যক্তিগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া পুরোপুরি সম্পর্কহীন। তাছাড়া, তার বিয়ে প্রিয় দলের জয়-পরাজয়ের ওপর নির্ভর করে না।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনাল ম্যাচের টিকিট নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। এ খুশির মুহূর্তে চিত্রনায়িকা পরীমণি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে আবারও বিয়ে করার ঘোষণা দিয়েছেন এবং লিখেছেন, 'আর্জেন্টিনা কাপ জিতলে আরেকটা বিয়ে করব।' এরপর থেকেই প্রিয় দলের জয়ের সঙ্গে বিয়ের সংযোগ নিয়ে নেটদুনিয়ায় আলোচনা চলমান রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিধবার মোবাইলে তিন মাস অন্তর ভাতার টাকা আসে। প্রতারণা করে একটি চক্র প্রতিবারই হাতিয়ে নেয় সেই টাকা। এতে রাগে ক্ষোভে অভিযোগ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয়ে হাজির হন অসহায় দিনমজুর খতিজা বেগম নামে এই মহিলা। হাউ মাউ করে কেঁদে অভিযোগ দেন এই কর্মকর্তাকে।
অবশেষে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অদ্ভুতভাবে অপ্রস্তুত হয়ে তাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন ও বলেন, "ভাতার টাকা আমার কাছে আছে। একটু পরে দিয়ে দেওয়া হবে।"
এই কথা শুনে মুহূর্তে হাসি ফুটে উঠে মহিলার মুখে। পরে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে তিন মাসের বিধবা ভাতার দুই হাজার টাকা দিয়ে দেওয়া হয়। এতে খুশিতে হাউ মাউ করে কেঁদে ফেললেন ভুক্তভোগী বৃদ্ধা।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এটি ঘটে। সে বিষয়ে একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হওয়ার পর প্রশংসায় ভাসছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল ইকবাল।
জানা যায়, বিধবা খতিজা বেগম হাতিয়া পৌরসভা ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরে সরকারের বিধবা ভাতা পেয়ে আসছেন। সর্বশেষ কিস্তির টাকা উত্তোলনের সময় এক প্রতারক তার সরলতার সুযোগ নিয়ে কৌশলে পুরো টাকাই হাতিয়ে নেয়। হঠাৎ করেই ভাতার অর্থ হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন বৃদ্ধা।
পরে কান্নাজড়িত কণ্ঠে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে তিনি অভিযোগ করেন। আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, "আব্বা, আর তো ব্যাক লই গেছে গই, আই অন কেন্নে চলমু" (বাবা, আমার টাকা নিয়ে গেছে, আমি এখন কীভাবে চলব)।
অসহায় বৃদ্ধার কান্না শুনে তাকে সান্ত্বনা দেন ইউএনও মোহাম্মদ রাসেল ইকবাল। তিনি খতিজা বেগমকে আশ্বস্ত করে বলেন, "আপনার টাকা আমার কাছেই আছে।"
এরপর নিজের পক্ষ থেকে তাকে আর্থিক সহযোগিতা করেন। ইউএনওর এমন আশ্বাস ও সহায়তা পেয়ে মুহূর্তেই খতিজা বেগমের মুখে হাসি ফিরে আসে। তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাসেল ইকবাল বলেন, "সরকারি ভাতাভোগীদের লক্ষ্য করে প্রতারক চক্র নানা কৌশলে সক্রিয় হয়েছে। সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো অপরিচিত ব্যক্তির হাতে কার্ড, মোবাইল ফোন, পিন নম্বর বা ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়া যাবে না। প্রতারণার শিকার হলে দ্রুত প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে হবে।"
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ইউএনওর মানবিক উদ্যোগ ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। অনেকেই বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার এমন সহমর্মিতা শুধু একজন অসহায় বৃদ্ধাকেই স্বস্তি দেয়নি, বরং সাধারণ মানুষের কাছে প্রশাসনের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসও আরও দৃঢ় করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ