ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রধানমন্ত্রী খান সাইফুলের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন


প্রধানমন্ত্রী খান সাইফুলের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন

‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনা মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক খান সাইফুলের চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

এ তথ্য রোববার (১১ অক্টোবর) জানান কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন (মিথুন), যিনি আমরা বিএনপি পরিবারের সদস্য সচিব।

মোকছেদুল মোমিন জানান, সম্প্রতি খুলনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় খান সাইফুলের একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তার নজরে আনেন।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

এরপর প্রধানমন্ত্রী অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে নির্দেশ দেন চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এবং সার্বিক খোঁজ খবর নেওয়ার জন্য।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অধ্যাপক ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহর তত্ত্বাবধানে খান সাইফুলের চিকিৎসার কার্যক্রম শুরু হয়।

আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয় সাইফুলকে, হাসপাতালটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নুরুজ্জামান খানের অধীনে।

চিকিৎসক নুরুজ্জামান জানিয়েছেন, আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হবে এবং সাইফুলের চিকিৎসার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এসময় উপস্থিত ছিলেন অ্যানেস্থেশিয়া বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এ জেড এম সাইফউদ্দিন, কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন (মিথুন), ড্যাবের আইন বিষয়ক সম্পাদক ডা. এম আর হাসান, আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. মাজহারুল ইসলাম, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসনাইন নাহিয়ান সজীব, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক ডা. জহিরুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা মশিউর রহমান মহান, শেকৃবি ছাত্রদল নেতা শোআইব ইসলাম প্রমুখ।

উল্লেখ্য, খান সাইফুল ২০১৩ সালে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুলিশের নির্যাতনের শিকার হয়ে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতায় ভুগছেন।

এর আগে বিভিন্ন সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষার সুযোগ, মাসে ১ হাজার ইউরো বৃত্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৯ পি.এম


ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষার সুযোগ, মাসে ১ হাজার ইউরো বৃত্তি

ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির সুযোগ প্রদান করছে প্যারিসভিত্তিক উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একোল নর্মাল সুপেরিয়র (ইএনএস)। এই বৃত্তির নাম ‘ইএনএস সিলেকশন স্কলারশিপ’, যার আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা সম্পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফের পাশাপাশি আবাসন সুবিধা এবং প্রতি মাসে ১ হাজার ইউরো ভাতা পাবেন, যা বাংলাদেশি টাকায় ১ লাখ ৩৮ হাজার ২০০ টাকার সমান।

বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের শেষ সময় ১৫ ডিসেম্বর ২০২৬।

বৃত্তির সুযোগ-সুবিধা

এই স্কলারশিপের আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফ করা হবে। পাশাপাশি, আবাসন সুবিধা ও প্রতি মাসে ১ হাজার ইউরো ভাতা প্রদান করা হবে। এই বৃত্তির মেয়াদ তিন বছর, যেখানে বিজ্ঞান বিভাগে ১০টি এবং সাহিত্য বিভাগে ১০টি আসন রয়েছে।

যেসব বিষয়ে পড়ার সুযোগ

বৃত্তির আওতায় মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান এবং বিজ্ঞান বিভাগের বিভিন্ন বিষয়ে পড়ার সুযোগ রয়েছে। মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞানের বিষয়গুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে নৃবিজ্ঞান, প্রত্নতত্ত্ব, ধ্রুপদি সাহিত্য, চলচ্চিত্র অধ্যয়ন, থিয়েটার অধ্যয়ন, শিল্পকলার ইতিহাস, সংগীততত্ত্ব, জ্ঞানীয় বিজ্ঞান, অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ভূগোল, ইতিহাস, আইন ও দর্শনের ইতিহাস, বিজ্ঞান ও দর্শনের ইতিহাস, ভাষাতত্ত্ব, সাহিত্য, দর্শন এবং সমাজবিজ্ঞান।

বিজ্ঞান বিভাগের বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে জীববিজ্ঞান, রসায়ন, ভূবিজ্ঞান, কম্পিউটার বিজ্ঞান, গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও জ্ঞানীয় বিজ্ঞান।

আবেদনের যোগ্যতা

আবেদনকারীকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হতে হবে এবং বয়স ২৬ বছরের কম হতে হবে। সংশ্লিষ্ট প্রগ্রামে ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় পূর্ববর্তী শিক্ষাগত যোগ্যতা ও সনদ থাকতে হবে। এছাড়া, প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট প্রগ্রামের ভর্তি ও বৃত্তির নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে।

আবেদনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

আবেদনের জন্য অনলাইন আবেদন ফরম, হালনাগাদ জীবন-বৃত্তান্ত (সিভি), শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে হবে।

এক থেকে তিন পৃষ্ঠার মোটিভেশন লেটার, পাসপোর্ট, দুই থেকে চারটি সুপারিশপত্র এবং গবেষণাকর্মের তথ্য (যদি থাকে) জমা দিতে হবে। সব নথি পিডিএফ ফরম্যাটে জমা দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।

আবেদন করবেন যেভাবে

আগ্রহী শিক্ষার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদনপ্রক্রিয়া, বিস্তারিত শর্ত, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অন্যান্য তথ্য জানার জন্য একোল নর্মাল সুপিরিয়রের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাভাবিপ্রবিতে শিল্পক্ষেত্রে সিএডি ও সিমুলেশনের সম্ভাবনা নিয়ে সেমিনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৯ পি.এম


মাভাবিপ্রবিতে শিল্পক্ষেত্রে সিএডি ও সিমুলেশনের সম্ভাবনা নিয়ে সেমিনার

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) ‘CAD Modeling and Simulation: Skills, Careers and Industry Perspective’ শীর্ষক একটি কারিগরি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বক্তারা সেমিনারে সিএডি মডেলিং ও সিমুলেশনে দক্ষতা অর্জন, পেশাগত সম্ভাবনা এবং শিল্পক্ষেত্রে এসব প্রযুক্তির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করেন।

সেমিনারটি রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল ও অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদ্যোগে বিভাগের সেমিনার হলে অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মতিউর রহমান।

অনুষ্ঠানে রিসোর্স পারসন হিসেবে আলোচনা করেন GaleoLab-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং সিএফডি ও এফইএ সিমুলেশন ইঞ্জিনিয়ার ইঞ্জি. মো. রাকিবুল ইসলাম। আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. খাইরুল ইসলাম এবং ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির মোল্ড ও ডাই উৎপাদন বিভাগের জুনিয়র এক্সিকিউটিভ প্রকৌশলী আলাউদ্দিন।

এছাড়া অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এফটিএনএস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আজিজুল হক। শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য দেন তানভীর আহমেদ আবির। সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন বিভাগের শিক্ষার্থী মশিউর রহমান মারুফ। সভাপতিত্ব করেন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ইঞ্জিনিয়ার মো. ইকবাল মাহমুদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান উল্লেখ করেন, সিএডি মডেলিং ও সিমুলেশন আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। তিনি বলেন, দেশ-বিদেশে এ বিষয়ে দক্ষ জনবলের চাহিদা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে হবে প্রযুক্তির ক্রমাগত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে।

তিনি আরও বলেন, আধুনিক প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সততা, নৈতিক মূল্যবোধ ও মানবিক গুণাবলির চর্চা করতে হবে। অধ্যাপক আনিছুর রহমান বলেন, প্রযুক্তির বিকাশ ও ব্যবহার বাড়লেও যেকোনো উদ্যোগের সাফল্য সততা ও ন্যায়নিষ্ঠার ওপর নির্ভরশীল।

সেমিনারের বক্তারা বলেন, সিএডি মডেলিং ও সিমুলেশনে দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শিল্পপ্রতিষ্ঠানের চাহিদা অনুযায়ী নিজেদের প্রস্তুত করতে পারবেন। তারা তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি ব্যবহারিক দক্ষতা, প্রযুক্তির যথাযথ প্রয়োগ এবং কর্মক্ষেত্রসংশ্লিষ্ট জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সেমিনারে সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কায়দা করে বাঁচার জন্য আ.লীগ-ছাত্রলীগ এখন জামায়াত হয়ে যাচ্ছে: রাশেদ খাঁন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪০ পি.এম


কায়দা করে বাঁচার জন্য আ.লীগ-ছাত্রলীগ এখন জামায়াত হয়ে যাচ্ছে: রাশেদ খাঁন

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেছেন যে, অপরাধের শাস্তি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কৌশলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অনেক সদস্য এখন জামায়াতের দিকে ঝুঁকছে।

তিনি রবিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্টে এ কথা বলেন।

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, ‘আমরা যেসময় আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে মিছিল করেছি, ডাকসুর বর্তমান ভিপি সাদিক কায়েম সেসময় ছাত্রলীগের হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিছিল করেছে! শিবির তকমা দিয়ে আবরার ফাহাদকে হত্যা করা হলো, কিন্তু একজন শিবির নেতা সেই প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ পর্যন্ত করেনি। অথচ এরা নাকি গণভবন দখলের সব নকশা রেডি করে ফেলেছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০২৪ সালে পুনরায় কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু না হলে এবং শেখ হাসিনার হত্যার প্রতিবাদে জনগণ রাস্তায় না নামলে এরা ছাত্রলীগের বড় বড় পদ বাগিয়ে নিতে রেডি ছিল! কিন্তু এখন এই কথা এখন আর স্বীকার যাবে না!’

রাশেদ খাঁন যোগ করেন, ‘বিশেষ করে চাকরির ভেরিফিকেশনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সম্পৃক্ততার তথ্য যাদের বিরুদ্ধে উঠে আসছে, এরা অধিকাংশই শিবির। এজন্য কে শিবির এবং কে ছাত্রলীগ সেই পার্থক্য খুঁজে বের করতে প্রশাসনকে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। কারণ কেউ শিবির (ছাত্রলীগ) হলে তাকে ভেরিফিকেশন থেকে বাদ দিলে যেমন ঝামেলা, আবার প্রকৃত নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেউ চাকরিতে ঢুকে পড়লে জনগণ আবার সেটি মানবে না। আবার পুলিশ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করতে গেলেও তার বিষয়ে নানা জায়গা থেকে তদবির আসছে যে, সে তো কায়দা করে বেঁচে থাকার জন্য ছাত্রলীগে ঢুকেছিল, সে প্রকৃতপক্ষে আমাদের লোক মানে শিবির!’

সবশেষে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘আবার শোনা যাচ্ছে, কায়দা করে বেঁচে থাকার জন্য আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের অনেকে এখন জামায়াত হয়ে যাচ্ছে! কি একটা মসিবত!!’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আদালতের সঙ্গে প্রতারণার প্রমাণ মিলল তদন্তে, ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়ে চিঠি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪০ পি.এম


আদালতের সঙ্গে প্রতারণার প্রমাণ মিলল তদন্তে, ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়ে চিঠি

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে সহোদর কোটায় তিন শিক্ষার্থীর ভর্তির প্রক্রিয়ায় জালিয়াতি ও সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে মিথ্যা তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপনের মাধ্যমে প্রতারণার প্রমাণ পেয়েছে উপজেলা প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটি। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে জেলা প্রশাসন।

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ভর্তির ক্ষেত্রে তিন শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে পূর্বে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের সহোদর হিসেবে দেখানো হলেও তাদের বাবার নাম আলাদা। বিদ্যালয়ের ভর্তি রেজিস্টার, হাজিরা খাতা ও ফলাফলপত্র যাচাই করে তদন্ত কমিটি এ জালিয়াতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর, ১০ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে একটি চিঠি পাঠান।

রোববার (১১ অক্টোবর) জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, এখনো পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কোনো আদেশ পাওয়া যায়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা খাতুন গত ২৭ জুলাই অভিযোগটি তদন্তের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম এ কাদেরকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেন। কমিটির অন্য দুই সদস্য ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাহবুবুল কবীর ও উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. অনিক রহমান। কমিটি সরেজমিন তদন্ত শেষে ১৬ আগস্ট ইউএনওর কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। পরে ২৪ আগস্ট প্রতিবেদনটি জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হয়।

তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, নবম শ্রেণিতে ওয়াসি চৌধুরী নামে এক শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা হয়। তার বাবা মো. ওয়ালি উল্লাহ চৌধুরী। অথচ সহোদর হিসেবে দেখানো হয় একই শ্রেণিতে পড়ুয়া সাদাদ চৌধুরীকে, যার বাবার নাম মো. আলী হোসেন চৌধুরী। একইভাবে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয় মারিয়া আক্তার মিমকে। তার বাবা মঞ্জুরুল হক। মিমের সহোদর হিসেবে দেখানো হয় অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ আহমেদ কণককে, যার বাবার নাম এনায়েত কবির।

এছাড়া, সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া মাহফুজা হাসানের সহোদর হিসেবে দেখানো হয় দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোহাইমিন চৌধুরীকে। মাহফুজার বাবার নাম মাহমুদ হাসান হলেও মোহাইমিনের বাবার নাম মাহবুব হোসেন চৌধুরী।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, তিন শিক্ষার্থীর ভর্তি কার্যক্রমে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শেখ মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ, সহকারী শিক্ষক আবু বকর সিদ্দিক ও আব্দুল মালেক আকন্দের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। শিক্ষকদের দেওয়া সহোদর-সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্রের ভিত্তিতেই অভিভাবকেরা হাইকোর্ট বিভাগে এমন তথ্য উপস্থাপনের সুযোগ পেয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষকেরা প্রত্যয়নপত্রে নিজেদের স্বাক্ষর করার কথা স্বীকার করেছেন। তবে তারা ইচ্ছাকৃতভাবে জালিয়াতিতে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। প্রত্যয়নপত্র দেওয়ার দায় নিয়ে প্রধান শিক্ষক ও দুই শ্রেণিশিক্ষক পরস্পরের ওপর দায়িত্ব চাপিয়েছেন।

তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, প্রত্যয়নপত্রগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দেওয়া হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও অভিভাবকেরা জালিয়াতির দায় এড়াতে পারেন না। আর তথ্য যাচাই না করে প্রত্যয়নপত্র দেওয়া হলেও তা শিক্ষকদের দায়িত্ব ও পেশাদারিত্বে গুরুতর অবহেলা।

এছাড়া, ভর্তিকৃত তিন শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের সঙ্গে তাদের সহোদর হিসেবে দেখানো শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের যোগসাজশ থাকতে পারে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এ ঘটনায় শুধু অন্য ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়নি, বরং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ ও শিক্ষাব্যবস্থার মর্যাদাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের হাইকোর্ট বিভাগের কাছে মিথ্যা ও বিকৃত তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপনের মাধ্যমে প্রতারণা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে তদন্ত কমিটি।

জেলা প্রশাসকের চিঠিতে তদন্ত প্রতিবেদনের বরাতে বলা হয়েছে, সহোদর কোটায় তিন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে প্রতারণা ও জালিয়াতির বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক আবু বকর সিদ্দিক ও আব্দুল মালেক আকন্দের দাবি, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের কথায় তারা কাগজপত্র যাচাই না করেই স্বাক্ষর করেছিলেন। স্বাক্ষর না করলে বিদ্যালয়ে হয়রানির শিকার হওয়ার আশঙ্কা ছিল বলেও তারা জানান।

এ বিষয়ে জানতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শেখ মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।

উল্লেখ্য, গত মার্চে বিদ্যালয়ের সরঞ্জামাদি না কিনেই সাড়ে ৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছিল ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শেখ মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদের বিরুদ্ধে। পরে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) তদন্তে সেটি প্রমাণিত হয়। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%