০৫:৪০ পি.এম
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেছেন যে, অপরাধের শাস্তি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কৌশলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অনেক সদস্য এখন জামায়াতের দিকে ঝুঁকছে।
তিনি রবিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্টে এ কথা বলেন।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, ‘আমরা যেসময় আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে মিছিল করেছি, ডাকসুর বর্তমান ভিপি সাদিক কায়েম সেসময় ছাত্রলীগের হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিছিল করেছে! শিবির তকমা দিয়ে আবরার ফাহাদকে হত্যা করা হলো, কিন্তু একজন শিবির নেতা সেই প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ পর্যন্ত করেনি। অথচ এরা নাকি গণভবন দখলের সব নকশা রেডি করে ফেলেছিল।’
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
তিনি আরও বলেন, ‘২০২৪ সালে পুনরায় কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু না হলে এবং শেখ হাসিনার হত্যার প্রতিবাদে জনগণ রাস্তায় না নামলে এরা ছাত্রলীগের বড় বড় পদ বাগিয়ে নিতে রেডি ছিল! কিন্তু এখন এই কথা এখন আর স্বীকার যাবে না!’
রাশেদ খাঁন যোগ করেন, ‘বিশেষ করে চাকরির ভেরিফিকেশনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সম্পৃক্ততার তথ্য যাদের বিরুদ্ধে উঠে আসছে, এরা অধিকাংশই শিবির। এজন্য কে শিবির এবং কে ছাত্রলীগ সেই পার্থক্য খুঁজে বের করতে প্রশাসনকে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। কারণ কেউ শিবির (ছাত্রলীগ) হলে তাকে ভেরিফিকেশন থেকে বাদ দিলে যেমন ঝামেলা, আবার প্রকৃত নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেউ চাকরিতে ঢুকে পড়লে জনগণ আবার সেটি মানবে না। আবার পুলিশ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করতে গেলেও তার বিষয়ে নানা জায়গা থেকে তদবির আসছে যে, সে তো কায়দা করে বেঁচে থাকার জন্য ছাত্রলীগে ঢুকেছিল, সে প্রকৃতপক্ষে আমাদের লোক মানে শিবির!’
সবশেষে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘আবার শোনা যাচ্ছে, কায়দা করে বেঁচে থাকার জন্য আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের অনেকে এখন জামায়াত হয়ে যাচ্ছে! কি একটা মসিবত!!’
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন