ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬: কার ঘরে লাভ, কার কাঁধে ক্ষতির বোঝা?


বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬: কার ঘরে লাভ, কার কাঁধে ক্ষতির বোঝা?

আগের যেকোনো আসরের তুলনায় এবারের বিশ্বকাপটি সবচেয়ে বড়। অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাচও বেড়েছে। ফলে দর্শকসংখ্যার বৃদ্ধির পাশাপাশি শত শত কোটি ডলারের বাণিজ্যও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তবে এই বিশাল আর্থিক আয়ের ভাগ সবাই সমানভাবে পাচ্ছেন না। কেউ বিপুল লাভবান হচ্ছেন, আবার কেউ আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা বিশ্বকাপ থেকে সবচেয়ে বেশি আয় করছে। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ থেকে ফিফা রেকর্ড ৭.৬ বিলিয়ন ডলার আয়ে পৌঁছেছিল। ২০২৬ সালের যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো বিশ্বকাপে ৪৮টি দলের অংশগ্রহণের ফলে সেই আয় আরও বৃদ্ধি পাবে বলেই আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডয়চে ব্যাংক রিসার্চের সিনিয়র স্ট্র্যাটেজিস্ট ম্যারিয়ন লাবোর বলেছেন, চার বছরে ফিফার মোট আয় প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। সম্প্রচার স্বত্ব, লাইসেন্সিং, আতিথেয়তা, স্পনসরশিপ, টিকিট বিক্রি এবং নিজস্ব পুনঃবিক্রয় প্ল্যাটফর্ম থেকে এই আয় আসে। পুনঃবিক্রয় প্ল্যাটফর্মে ফিফা ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের কাছ থেকে ১৫ শতাংশ ফি নেয়।

ভবিষ্যতে বিশ্বকাপ ৬৪ দলে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে চীন ও ভারতের মতো বড় বাজার যুক্ত হলে দর্শক ও আয়; দুটিই আরও বাড়বে।

বিশ্বকাপ দেখার স্বপ্ন পূরণ হলেও, দর্শকদের জন্য এটি বেশ ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে। টিকিটের উচ্চ মূল্য এবং চাহিদা অনুযায়ী মূল্য বৃদ্ধির ফিফার নীতির বিষয়ে সমালোচনা করা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও বলেন, প্যারাগুয়ের বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বোধনী ম্যাচের সম্ভাব্য এক হাজার ডলারের টিকিট তিনি কিনতেন না।

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালের অফিসিয়াল টিকিটের মূল্য ছিল ৩২ হাজার ৯৭০ ডলার। কিছু পুনঃবিক্রয় টিকিটের দাম ২০ লাখ ডলারেরও বেশি ছিল। এ ছাড়া বিমানভাড়া, হোটেল ও খাবারের খরচ দর্শকদের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করেছে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

নিউ জার্সিতে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ৩০ মিনিটের ট্রেন যাত্রার ফিরতি ভাড়া ১২.৯০ ডলার থেকে ১৫০ ডলারে উন্নীত হয়েছিল। পরে সমালোচনার মুখে তা কমানো হলেও, এটি আগের চেয়ে বেশি ছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বকাপ সম্প্রচারের জন্য সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করলেও, দর্শকসংখ্যা ও স্পনসরদের আগ্রহের কারণে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তারা বিপুল আয় করছে। এবারের বিশ্বকাপে ফিফা প্রথমবারের মতো হাইড্রেটিং ব্রেক চালু করেছে।

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এটিকে পুরোপুরি খেলোয়াড়দের স্বার্থে নেয়া সিদ্ধান্ত বলছেন এবং দাবি করছেন, এর মাধ্যমে ফিফা অতিরিক্ত কোনো রাজস্ব আয় করছে না।

কিন্তু খেলোয়াড়দের পানি পানের জন্য দেয়া ৯০ সেকেন্ডের বিরতি সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠান ও স্পনসরদের জন্য নতুন বাণিজ্যিক সুযোগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে, যেখানে দর্শকরা বিজ্ঞাপন বিরতির সঙ্গে অভ্যস্ত।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

মার্কিন সম্প্রচারকারী ফক্স স্পোর্টস, যারা বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্বের জন্য প্রায় ৪৮৫ মিলিয়ন ডলার দিয়েছে, তারা এই হাইড্রেটিং ব্রেককে স্পনসরকৃত বিরতি হিসেবে ব্যবহার করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ফক্সে বিশ্বকাপ চলাকালে ৩০ সেকেন্ডের একটি বিজ্ঞাপনের গড় মূল্য ২ থেকে ৩ লাখ ডলার। শেষ দিকের মার্কিন ম্যাচগুলোতে এই মূল্য ৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত পৌঁছায়। ফলে শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রে হাইড্রেটিং ব্রেকের বিজ্ঞাপন থেকে প্রায় ২৫০ মিলিয়ন ডলার আয় হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ডয়চে ব্যাংক রিসার্চের ম্যারিয়ন লাবোর বলেন, পানি পানের বিরতিগুলো এখন মূলত বিজ্ঞাপনের একটি মাধ্যম হয়ে উঠেছে। ভবিষ্যতেও এই বিরতি চালু থাকবে, কারণ বড় পরিসরের আয়োজনই এখন ফিফার ব্যবসায়িক কৌশলের অংশ।

তবে যুক্তরাজ্যের বিবিসি ও আইটিভিতে খেলা দেখা দর্শকরা এই বিরতির সময় বিজ্ঞাপন দেখেননি। কারণ বিবিসিতে কোনো বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয় না এবং আইটিভিও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিজ্ঞাপনের সংখ্যা সীমিত রাখে।

অন্যদিকে অ্যাডিডাস, কোকা-কোলাসহ বিশ্বকাপের আনুষ্ঠানিক স্পনসররা নিজেদের ব্র্যান্ড প্রচারের জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় করলেও, ব্যাপক প্রচারণার মাধ্যমে তারা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৪, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ জন

জার্মান ক্রীড়াসামগ্রী নির্মাতা অ্যাডিডাস, প্রতিদ্বন্দ্বী নাইকির সঙ্গে প্রতিযোগিতায় লামিন ইয়ামাল, জুড বেলিংহ্যাম ও লিওনেল মেসিকে নিয়ে নির্মিত 'ব্যাকইয়ার্ড লেজেন্ডস' বিজ্ঞাপনের জন্য প্রায় ৫ কোটি পাউন্ড ব্যয় করেছে।

তবে ফিফা স্টেডিয়ামের ভেতরে অনানুষ্ঠানিক ব্র্যান্ডের উপস্থিতি কমানোর চেষ্টা করলেও, কিছু ব্র্যান্ড পরোক্ষভাবে প্রচার পেয়েছে। যেমন, সান ফ্রান্সিসকোর লেভিস স্টেডিয়ামের বাইরে থাকা লেভিস ব্র্যান্ডের লোগো আলোচনায় আসে।

বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক সফলতার আরেকটি বড় নাম ইংল্যান্ডের সাবেক তারকা ডেভিড বেকহ্যাম। অ্যাডিডাসের বিজ্ঞাপনে তাঁর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি সংস্করণ ব্যবহার করা হয়েছে।

হোম ডিপো থেকে শুরু করে ব্যাংক অব আমেরিকাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনে নিয়মিত দেখা যায় তাঁকে। অবসরের এক দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও, বেকহ্যাম এখনও যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবলের অন্যতম বড় মুখ।

আরও পড়ুন: প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে ৫ বিষয়ে অগ্রাধিকার ঘোষণা প্রতিমন্ত্রীর

তাঁর সহ-মালিকানাধীন ক্লাব ইন্টার মায়ামি বর্তমানে প্রায় ১.৪৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যে মেজর লিগ সকারের সবচেয়ে মূল্যবান ফ্র্যাঞ্চাইজি হিসেবে বিবেচিত। মাঠে বিশ্বকাপ জিততে না পারলেও, মাঠের বাইরে বাণিজ্যিক দুনিয়ায় ডেভিড বেকহ্যাম নিঃসন্দেহে বড় বিজয়ী।

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ১৬টি আয়োজক শহরে বিশ্বকাপ উপলক্ষে বিপুলসংখ্যক দর্শক ও পর্যটক এসেছে। এতে আতিথেয়তা, হোটেল এবং স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যে সাময়িক গতি ফিরেছে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সুফল দীর্ঘমেয়াদে তেমন প্রভাব ফেলবে না। স্কটল্যান্ডের সমর্থকেরা বোস্টনে ব্যাপক উপস্থিতি দেখিয়ে শহরের অর্থনীতিতে সাময়িক প্রভাব ফেললেও, দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক লাভ সীমিত বলেই মনে করছেন তারা।

ফিফার হিসাবে, বিশ্বকাপের মাধ্যমে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রায় ৪১ বিলিয়ন ডলার যুক্ত হবে। এর মধ্যে শুধু যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতেই যোগ হবে প্রায় ১৭ বিলিয়ন ডলার। পাশাপাশি আতিথেয়তা ও আবাসন খাতে প্রায় ১ লাখ ৮৫ হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে।

আরও পড়ুন: নারী ও শিশুদের কল্যাণে ইউনিসেফের সঙ্গে অংশীদারিত্ব চায় বাংলাদেশ

তবে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট প্র্যাকটিসের ফেলো এবং অক্সফোর্ড গ্লোবাল প্রজেক্টসের প্রধান নির্বাহী আলেকজান্ডার বুডজিয়ার বলেন, এত বড় ক্রীড়া আয়োজনের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সুফল সাধারণত বাস্তবে দেখা যায় না। বিশ্বকাপ চলাকালে অনেক পর্যটক ভিড় ও বিশৃঙ্খলা এড়ানোর জন্য ওই শহরগুলোতে ভ্রমণ করেন না। ফলে প্রত্যাশিত পর্যটক প্রবাহ তৈরি হয় না। যে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়, তার বেশিরভাগই আতিথেয়তা খাতের স্বল্প বেতনের চাকরি। এটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে, কিন্তু সম্পদ তৈরি করে না।

সরকারি তথ্যেও দেখা গেছে, টুর্নামেন্ট শুরুর আগে মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের পাব, বার ও রেস্তোরাঁয় কর্মী নিয়োগ বেড়ে গিয়েছিল। তবে সেই প্রবৃদ্ধি ছিল অল্প সময়ের জন্য। আর বুডজিয়ারের মতে, বড় ক্রীড়া আসরের প্রকৃত অর্থনৈতিক সুফল এসে থাকে পুনর্গঠন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প থেকে। যেমন, ২০১২ সালের অলিম্পিকের পর লন্ডনের স্ট্র্যাটফোর্ড এলাকায় পুনর্নির্মাণ ও আবাসন প্রকল্প।

কিন্তু এবারের বিশ্বকাপে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিদ্যমান স্টেডিয়াম, হোটেল, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও পরিবহন অবকাঠামো ব্যবহৃত হয়েছে। ফলে নতুন উন্নয়ন প্রকল্প থেকে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক সুবিধা পাওয়ার সুযোগ খুবই সীমিত।

বিশ্বকাপ ঘিরে হোটেল খাতও প্রত্যাশিত ব্যবসা পায়নি। শিল্পসংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় এবার অনেক আয়োজক শহরেই হোটেল বুকিং কম হয়েছে।

ব্রিটিশ কলাম্বিয়া হোটেল অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে সাতটি ম্যাচ আয়োজন হলেও জুন ও জুলাই মাসে হোটেল বুকিং আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম ছিল। বিশ্বকাপ মানে টানা ৪০ দিন হোটেল পূর্ণ থাকে না। বরং নির্দিষ্ট ম্যাচের দিনগুলোতেই চাহিদা বাড়ে।

যুক্তরাষ্ট্রের হোটেল মালিকরাও প্রত্যাশিত সাড়া পাননি। আমেরিকান হোটেল অ্যান্ড লজিং অ্যাসোসিয়েশন (এএইচএলএ) অভিযোগ করেছে, ফিফা নিজেদের ব্যবহারের জন্য অতিরিক্ত কক্ষ ব্লক বুকিং করে কৃত্রিম চাহিদা তৈরি করেছে। যদিও ফিফা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

ডয়চে ব্যাংক রিসার্চের ম্যারিয়ন লাবোর বলেন, ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপেও একই ধরনের পরিস্থিতি দেখা গিয়েছিল। এপ্রিল মাসেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৮০ শতাংশ হোটেল মালিক জানিয়েছিলেন, বুকিং তাদের প্রত্যাশার চেয়ে কম। নিউইয়র্কের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ এবং সিয়াটলের প্রায় ৮০ শতাংশ হোটেল মালিকও একই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। অনেকেই বিশ্বকাপকে তাদের ব্যবসার জন্য 'অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা' বলেও মন্তব্য করেছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া বাজির আসর।

জুয়া শিল্পসংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠান ম্যাকোয়ারির হিসাব অনুযায়ী, পুরো টুর্নামেন্টে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারের বাজি ধরা হতে পারে। এর মানে প্রতি ম্যাচে গড়ে প্রায় ৫০ কোটি ডলারের বাজি। এর প্রধান কারণ ৪৮ দলের বিশ্বকাপে ম্যাচের সংখ্যা ২০২২ সালের ৬৪টি থেকে বেড়ে ১০০টিরও বেশি হচ্ছে।

প্যাডি পাওয়ার, বেটফেয়ার ও স্কাই বেটের মালিক ফ্লটার এন্টারটেইনমেন্ট জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলে বাজার সম্প্রসারণের কারণে আগের বিশ্বকাপের তুলনায় বাজির পরিমাণ দ্বিগুণ হতে পারে।

ম্যাকোয়ারির বিশ্লেষক চ্যাড বেইনন বলেন, এখন ম্যাচ শুরুর আগে বাজি ধরার চেয়ে খেলা চলাকালে তাৎক্ষণিকভাবে বাজি ধরার প্রবণতা অনেক বেশি বেড়েছে। বর্তমানে মাঠে যা ঘটছে, তার ওপর ভিত্তি করে সঙ্গে সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়াই মূল বিষয়। আগে মানুষ ম্যাচ শুরুর আগেই বাজি ধরত এবং পরে শুধু খেলা দেখত।

যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীড়া বাজি এখনও তুলনামূলক নতুন শিল্প। ২০১৮ সাল পর্যন্ত এটি শুধু নেভাদা অঙ্গরাজ্যে বৈধ ছিল। পরে সুপ্রিম কোর্টের এক রায়ের মাধ্যমে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ক্রীড়া বাজি বৈধ হয়েছে।

কিন্তু ক্যালিফোর্নিয়া ও টেক্সাসসহ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে এখনও এটি অবৈধ। এসব অঞ্চলে বিকল্প হিসেবে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে প্রেডিকশন মার্কেট, যা আইনগতভাবে জুয়ার আওতায় পড়ে না। ফলে যে কোনো অঙ্গরাজ্য থেকেই মানুষ খেলাধুলার ফলাফল নিয়ে অংশ নিতে পারেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফিলিস্তিনি বন্দিদের রাখতে কুমিরঘেরা কারাগারের প্রস্তাব দিলেন ইসরাইলি মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৫৮ পি.এম


ফিলিস্তিনি বন্দিদের রাখতে কুমিরঘেরা কারাগারের প্রস্তাব দিলেন ইসরাইলি মন্ত্রী

ফিলিস্তিনি বন্দিদের জন্য কুমিরবেষ্টিত একটি উচ্চ-নিরাপত্তা কারাগার নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছেন ইসরাইলের কট্টর ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির। এ প্রস্তাবটি ইতোমধ্যে ইসরায়েলি কারা কর্তৃপক্ষ (আইপিএস) সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের অংশ হিসেবে বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন ও ব্যয় নিরূপণের মাধ্যমে পরীক্ষা করছে, এমনটি হিব্রু গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দেখা গেছে।

বেন-গভির এই পরিকল্পনাকে ‘অ্যালিগেটর আলকাট্রাজ’ নাম দিয়েছেন তিনি। তিনি জানান, এই পরিকল্পনাটি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার এভারগ্লেডস জলাভূমি অঞ্চলের একটি কারাগার থেকে অনুপ্রাণিত এবং সেখানে প্রাকৃতিকভাবে অ্যালিগেটরের (এক প্রজাতির কুমির) উপস্থিতি রয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আজ শুক্রবার (১৭ জুলাই) ইসরাইলের পরিবেশ সুরক্ষামন্ত্রী ইদিত সিলমান নীল নদের কুমিরকে ‘তত্ত্বাবধানে থাকা বন্য প্রাণী’ হিসেবে পুনঃশ্রেণিবদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে কারাগার প্রাঙ্গণে পরীক্ষামূলকভাবে কুমির রাখার ব্যবস্থা উন্মুক্ত হবে।

হিব্রু গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তর ইসরাইলের অধিকৃত গোলান মালভূমির হামাত গাদের এলাকায় এই কারাগার নির্মাণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এখানে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০টি কুমির নিয়ে এই অঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ কুমির খামার রয়েছে।

গত ১ জানুয়ারি, ইসরাইলি কারা কর্তৃপক্ষ আইপিএসের উপ-কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের একটি প্রতিনিধি দল হামাত গাদের কুমির খামার পরিদর্শন করেছিল। তারা কুমির পালন, খাদ্য ব্যবস্থাপনা, শীতকালীন আচরণ, নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করেন।

হামাত গাদেরের প্রধান নির্বাহী ইয়োসি মুসানেজাদ জানান, এটি ছিল একটি ‘শিক্ষামূলক সফর’। তিনি বলেছেন, ‘খাঁচায় কুমির পালন মোটেও সহজ নয়। এটি কোনো পোষা কুকুর নয়। এর জন্য বিশেষ যত্ন, পানির সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োজন।’

বেন-গভির দাবি করেছেন যে এই ব্যবস্থা নিরাপত্তা জোরদার ও পালানোর ঝুঁকি কমানোর ক্ষেত্রে ব্যয়-সাশ্রয়ী হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘একটি ছোট কুমিরের দাম প্রায় ৮ হাজার ডলার এবং বড় কুমিরের দাম প্রায় ২০ হাজার ডলার। প্রয়োজনীয় যে বাজেট লাগবে, আমি তা দিতে প্রস্তুত।’

তবে প্রস্তাবটি মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। মানবাধিকার সংস্থা বিতসেলেম-এর চেয়ারম্যান অরলি নয় একটি মন্তব্যে একে ‘ইসরাইলের বর্তমান নীতির আরেকটি ভয়াবহ ও বিকৃত উদাহরণ’ বলেছেন। তাঁর ভাষায়, ‘ন্যায়বিচারের পথ বেছে নেওয়ার আগে কর্তৃপক্ষ যেন সব ধরনের অমানবিক উপায়ই চেষ্টা করতে প্রস্তুত।’

এই প্রস্তাবকে ঘিরে ইসরাইলের কারা নীতি এবং ফিলিস্তিনি বন্দিদের প্রতি আচরণ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের ১৩ অঞ্চলে সন্ধ্যার আগেই ঝড়-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:০২ পি.এম


দেশের ১৩ অঞ্চলে সন্ধ্যার আগেই ঝড়-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস

এবার আবহাওয়া অধিদপ্তর জানাচ্ছে, শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ১৩ অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া সহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে উল্লেখিত তথ্য সামনে এসেছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া সহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

এ কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিজয় সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে তামিলনাড়ুতে সাংবাদিক সন্দেহের তালিকায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:০৭ পি.এম


বিজয় সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে তামিলনাড়ুতে সাংবাদিক সন্দেহের তালিকায়

তামিলনাড়ুতে মুখ্যমন্ত্রী থালাপাতি বিজয়ের নেতৃত্বাধীন সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে চেন্নাই পুলিশ। গত ১০ মে মুখ্যমন্ত্রীর শপথ নেওয়ার পর, জুন মাসেই এই সরকার পতনের ছক কষা হয়।

এ ঘটনার প্রেক্ষাপটে সন্দেহভাজন হিসেবে পুথিয়া থালাইমুরাই চ্যানেলের সিনিয়র সাংবাদিক বিজয়নকে বিস্তারিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। একই সঙ্গে, সাবেক ক্ষমতাসীন দল ডিএমকে-এর সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ায় সাবেক মন্ত্রী সেন্থিল বালাজি ও তার ভাই অশোক বালাজিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে পুলিশ।

তদন্তকারী সূত্র জানায়, সরকারবিরোধী এই চক্রান্তের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘প্রজেক্ট মেঘালয়’। সমীক্ষা পরামর্শক ও ইউটিউবার তিরুনাভুক্কারাসুকে সামনে রেখে এই ষড়যন্ত্র সাজানো হয়েছিল। মূল লক্ষ্য ছিল অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে বিজয়ের দল টিভিকে-র অন্তত ১৫ জন বিধায়ককে কিনে ফেলা।

ফ্লোর ক্রসিংয়ের আইনি জটিলতা এড়াতে প্রথমে স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনে সরকারকে অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনা ছিল। এরপর পরিকল্পনা ছিল ১৫ জন বিধায়কের একযোগে পদত্যাগের মাধ্যমে সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাবে। গত নির্বাচনে ১০৮টি আসন পাওয়া টিভিকে ছোট দলগুলোর সমর্থনে ১১৮ আসনের ম্যাজিক ফিগার ছুঁয়ে জোট সরকার গঠন করে।

এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গত জুনের শেষ সপ্তাহে উথানগারাই কেন্দ্রের টিভিকে বিধায়ক এন. ইলাইয়ারাজার সাথে অভিযুক্ত তিরুনাভুক্কারাসুর যোগাযোগ হয়েছিল। দলীয় হুইপকে অমান্য করে ভোটদানে তাকে ৩৫ কোটি রুপির লোভ দেখানো হয়। কিন্তু বিধায়ক প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করলে তাকে ও তার পরিবারকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়। ফলশ্রুতিতে, ২৯ জুন তিনি চেন্নাই পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ জানালে ‘প্রজেক্ট মেঘালয়া’র খবর প্রকাশ্যে আসে।

অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তিরুনাভুক্কারাসুসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। ফরেনসিক পরীক্ষায় মূল অভিযুক্তের সাথে সাংবাদিক বিজয়নের নিয়মিত যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়, যার কারণে পুলিশ তার ফোন জব্দ করে।

চেন্নাই প্রেসক্লাব সংবাদপত্রের স্বাধীনতা দমনের অভিযোগ তোলে, তবে পুলিশ যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় জিজ্ঞাসাবাদের দাবি করে। অন্যদিকে, গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে সেন্থিল বালাজিদের সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত মিললেও ডিএমকে এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে।

গত সেপ্টেম্বরে বিজয়ের জনসভায় পদদলিত হয়ে ৪১ জন নিহতের ঘটনার জন্য ডিএমকে ও সেন্থিলকে দায়ী করা হয়েছিল। এই ঘটনা তাদের মধ্যেকার পুরোনো বৈরিতার সূচনা করে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্মপাশায় ৭ বছর বয়সী মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সজীব মিয়া ধর্মপাশা উপজেলা প্রতিনিধি

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১২ পি.এম


ধর্মপাশায় ৭ বছর বয়সী মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের । গ্রামে এক কিশোরের (১৭) বিরুদ্ধে সাতবছর বয়সী। শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। ওই শিশুটি স্থানীয়। একটি মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শিশুটির পরিবার গোপনীয়তা স্বার্থে নাম পরিচয় গোপন রাখার জন্য অনুরোধ করেছে । আহত ওই শিশুটিকে ওইদিন বিকেল পৌনে চারটার দিকে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। পরে সেখানকার কর্তব্যরত ডাক্তার শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে নেত্রকোনা জেলা আধুনিক সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

মোবাইলে গেইম দেখানোর কথা বলে প্রতিবেশি অভিযুক্ত। ওই শিশুটিকে পাশের একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে যায়। পরে শিশুটিকে ভয় দেখিয়ে জোর পূর্বক ওই পরিত্যক্ত ঘরের চৌকির ওপর ফেলে শিশুটিকে বলাৎকার করে। পরে শিশুটি কেঁদে কেঁদে ওই ঘর থেকে বের হয়ে স্থানীয় একজন সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্যকে ঘটনাটি জানায়। এ সময় ওই কিশোরকে চলে যেতে দেখে শিশুটি চিৎকার করে বলে হে আমারে জোর কইরা খারাপ কাম করছে। কিশোরটি তখন তাৎক্ষণিকভাবে দৌড়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরে পরিবারের লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় ওই শিশুটিকে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। শিশুটির পায়ূপথ দিয়ে রক্ত বের হওয়ায় সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে নেত্রকোনা জেলা আধুনিক সদর হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
বলাৎকারী বর্তমানে ধর্মপাশা থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।
ধর্মপাশা থানা পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%