ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিজয় সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে তামিলনাড়ুতে সাংবাদিক সন্দেহের তালিকায়


বিজয় সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে তামিলনাড়ুতে সাংবাদিক সন্দেহের তালিকায়

তামিলনাড়ুতে মুখ্যমন্ত্রী থালাপাতি বিজয়ের নেতৃত্বাধীন সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে চেন্নাই পুলিশ। গত ১০ মে মুখ্যমন্ত্রীর শপথ নেওয়ার পর, জুন মাসেই এই সরকার পতনের ছক কষা হয়।

এ ঘটনার প্রেক্ষাপটে সন্দেহভাজন হিসেবে পুথিয়া থালাইমুরাই চ্যানেলের সিনিয়র সাংবাদিক বিজয়নকে বিস্তারিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। একই সঙ্গে, সাবেক ক্ষমতাসীন দল ডিএমকে-এর সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ায় সাবেক মন্ত্রী সেন্থিল বালাজি ও তার ভাই অশোক বালাজিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে পুলিশ।

তদন্তকারী সূত্র জানায়, সরকারবিরোধী এই চক্রান্তের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘প্রজেক্ট মেঘালয়’। সমীক্ষা পরামর্শক ও ইউটিউবার তিরুনাভুক্কারাসুকে সামনে রেখে এই ষড়যন্ত্র সাজানো হয়েছিল। মূল লক্ষ্য ছিল অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে বিজয়ের দল টিভিকে-র অন্তত ১৫ জন বিধায়ককে কিনে ফেলা।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ফ্লোর ক্রসিংয়ের আইনি জটিলতা এড়াতে প্রথমে স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনে সরকারকে অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনা ছিল। এরপর পরিকল্পনা ছিল ১৫ জন বিধায়কের একযোগে পদত্যাগের মাধ্যমে সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাবে। গত নির্বাচনে ১০৮টি আসন পাওয়া টিভিকে ছোট দলগুলোর সমর্থনে ১১৮ আসনের ম্যাজিক ফিগার ছুঁয়ে জোট সরকার গঠন করে।

এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গত জুনের শেষ সপ্তাহে উথানগারাই কেন্দ্রের টিভিকে বিধায়ক এন. ইলাইয়ারাজার সাথে অভিযুক্ত তিরুনাভুক্কারাসুর যোগাযোগ হয়েছিল। দলীয় হুইপকে অমান্য করে ভোটদানে তাকে ৩৫ কোটি রুপির লোভ দেখানো হয়। কিন্তু বিধায়ক প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করলে তাকে ও তার পরিবারকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়। ফলশ্রুতিতে, ২৯ জুন তিনি চেন্নাই পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ জানালে ‘প্রজেক্ট মেঘালয়া’র খবর প্রকাশ্যে আসে।

অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তিরুনাভুক্কারাসুসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। ফরেনসিক পরীক্ষায় মূল অভিযুক্তের সাথে সাংবাদিক বিজয়নের নিয়মিত যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়, যার কারণে পুলিশ তার ফোন জব্দ করে।

চেন্নাই প্রেসক্লাব সংবাদপত্রের স্বাধীনতা দমনের অভিযোগ তোলে, তবে পুলিশ যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় জিজ্ঞাসাবাদের দাবি করে। অন্যদিকে, গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে সেন্থিল বালাজিদের সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত মিললেও ডিএমকে এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

গত সেপ্টেম্বরে বিজয়ের জনসভায় পদদলিত হয়ে ৪১ জন নিহতের ঘটনার জন্য ডিএমকে ও সেন্থিলকে দায়ী করা হয়েছিল। এই ঘটনা তাদের মধ্যেকার পুরোনো বৈরিতার সূচনা করে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্মপাশায় ৭ বছর বয়সী মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সজীব মিয়া ধর্মপাশা উপজেলা প্রতিনিধি

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১২ পি.এম


ধর্মপাশায় ৭ বছর বয়সী মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের । গ্রামে এক কিশোরের (১৭) বিরুদ্ধে সাতবছর বয়সী। শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। ওই শিশুটি স্থানীয়। একটি মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শিশুটির পরিবার গোপনীয়তা স্বার্থে নাম পরিচয় গোপন রাখার জন্য অনুরোধ করেছে । আহত ওই শিশুটিকে ওইদিন বিকেল পৌনে চারটার দিকে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। পরে সেখানকার কর্তব্যরত ডাক্তার শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে নেত্রকোনা জেলা আধুনিক সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

মোবাইলে গেইম দেখানোর কথা বলে প্রতিবেশি অভিযুক্ত। ওই শিশুটিকে পাশের একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে যায়। পরে শিশুটিকে ভয় দেখিয়ে জোর পূর্বক ওই পরিত্যক্ত ঘরের চৌকির ওপর ফেলে শিশুটিকে বলাৎকার করে। পরে শিশুটি কেঁদে কেঁদে ওই ঘর থেকে বের হয়ে স্থানীয় একজন সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্যকে ঘটনাটি জানায়। এ সময় ওই কিশোরকে চলে যেতে দেখে শিশুটি চিৎকার করে বলে হে আমারে জোর কইরা খারাপ কাম করছে। কিশোরটি তখন তাৎক্ষণিকভাবে দৌড়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরে পরিবারের লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় ওই শিশুটিকে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। শিশুটির পায়ূপথ দিয়ে রক্ত বের হওয়ায় সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে নেত্রকোনা জেলা আধুনিক সদর হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
বলাৎকারী বর্তমানে ধর্মপাশা থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।
ধর্মপাশা থানা পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে ত্রাণ বিতরণের সময় মঞ্চ ভেঙে পড়ে অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৮ পি.এম


চট্টগ্রামে ত্রাণ বিতরণের সময় মঞ্চ ভেঙে পড়ে অর্থমন্ত্রী

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করার সময় মঞ্চ ভেঙে পড়ে যায়। এতে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ উপস্থিত কয়েকজন নেতা মঞ্চ থেকে নিচে পড়ে যান। তবে, এই ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার কোনো খবর নেই।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ দোহাজারী পৌরসভা এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।

যাদের মুখোমুখি দেখা গেছে, তারা জানান, ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে গাড়ি থেকে নামার পর মন্ত্রী মঞ্চে ওঠেন। একই সময়ে অতিরিক্ত নেতাকর্মী ও অতিথিরা মঞ্চে উঠে আসলে সেটি ভেঙে পড়ে।

অর্থমন্ত্রীর পাশাপাশি অন্য যারা উপস্থিত ছিলেন, তাদের মধ্যে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য জসীম উদ্দীন আহমদ, পটিয়া আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক, বোয়ালখালী আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহও ছিলেন। মঞ্চের ধসের ঘটনায় তারা সকলেই নিচে পড়ে গেলেও নিরাপদেই উঠে আসেন। কারও গুরুতর আহত হওয়ার কোনো খবর না পাওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে। ঘটনার পর অর্থমন্ত্রী সেখানে থেকে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশ নিতে সাতকানিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

এদিকে, মন্ত্রী চলে যাওয়ার পর স্থানীয় নেতারা যখন ত্রাণ বিতরণ শুরু করেন, তখন উপকারভোগীদের মধ্যে হুড়োহুড়ির সৃষ্টি হয়। এতে নারী-পুরুষসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের চন্দনাইশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় এবং সেখানে চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবদুর রহমান জানান, "মন্ত্রী ত্রাণ বিতরণের জন্য মঞ্চে ওঠার পর অতিরিক্ত লোকজনের চাপে সেটি ভেঙে পড়ে। এতে মঞ্চে থাকা সবাই পড়ে গেলেও কেউ আহত হননি।" তিনি আরও জানান, পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবৈধ অভিবাসী সরবরাহ চক্রের মূলহোতা মালয়েশিয়ায় গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০২ পি.এম


অবৈধ অভিবাসী সরবরাহ চক্রের মূলহোতা মালয়েশিয়ায় গ্রেফতার

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে বৈধ স্থায়ী বাসিন্দার (মাইপিআর) আড়ালে অবৈধ অভিবাসী সরবরাহ ও মানবপাচারের অভিযোগে এক বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায় দেশটির অভিবাসন বিভাগ।

বিবৃতিতে বলা হয়, গত বুধবার দুপুরে পুত্রজায়া ইমিগ্রেশনের গোয়েন্দা ও বিশেষ অভিযান শাখার একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টানা এক মাস নজরদারি শেষে দুটি পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। এই অভিযানে মূলহোতার পাশাপাশি আরও চার বাংলাদেশি পুরুষ, একজন বাংলাদেশি নারী এবং একজন থাই নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান জানান, গ্রেফতারদের মধ্যে ‘মূলহোতা’ বাংলাদেশির মালয়েশিয়ার স্থায়ী বসবাসের অনুমতি (মাইপিআর) রয়েছে। আটকদের অন্যদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি ছাত্র ভিসা এবং থাই নারী রেস্তোরাঁ কর্মী হিসেবে সাময়িক কাজের পাস (পিএলকেএস) ব্যবহার করছিলেন। বাকিদের কাছে মালয়েশিয়ায় থাকার মতো কোনো বৈধ পাসপোর্ট বা ভ্রমণ নথি ছিল না। অভিযান চলাকালীন আইন প্রয়োগকারী সংস্থাটি ৩১টি বাংলাদেশি পাসপোর্ট, ১টি থাই পাসপোর্ট, ব্যবসায়ী নিবন্ধন নথির কপি এবং নগদ ৪৮ হাজার ৫২৪ রিঙ্গিত জব্দ করে।

ইমিগ্রেশন বিভাগের সূত্রে জানা যায়, চক্রটি মূলত ক্ল্যাং ভ্যালি এলাকার স্থানীয় নিয়োগকর্তাদের টার্গেট করে অবৈধভাবে বিদেশি কর্মী সরবরাহ করে আসছিল। আইনি চোখ ফাঁকি দিতে তারা একটি রেস্তোরাঁ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আড়ালে এই সিন্ডিকেট চালাত এবং প্রতিটি কর্মীর ভিসা নবায়ন ও ব্যবস্থাপনার নামে ৪ হাজার রিঙ্গিত করে হাতিয়ে নিত। বর্তমানে আটকদের পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য পুত্রজায়া ইমিগ্রেশন অফিসে রাখা হয়েছে।

এছাড়া তদন্তে সহায়তার জন্য আরও চার স্থানীয় নাগরিক এবং একজন বাংলাদেশিকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। মূল অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পাসপোর্ট আইন ১৯৬৬ এবং ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ এর অধীনে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে ইমিগ্রেশন বিভাগ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খাল থেকে শিশু সাজ্জাদের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজের দুই দিন পর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৬ পি.এম


খাল থেকে শিশু সাজ্জাদের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজের দুই দিন পর

কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের ধনপুর গ্রামে নিখোঁজের দুই দিন পর বাড়ির পাশে একটি খাল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে সাজ্জাদ হোসেন (৫) নামে এক শিশুর মরদেহ। পুলিশ এই উদ্ধার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। বিশেষ করে, এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত শিশুটি হলো ওই গ্রামের সানজু মিয়ার ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে, গত বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেল থেকে সাজ্জাদ নিখোঁজ ছিল। এই অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি চালানোর পরও তার কোনো সন্ধান পাননি। তখন তারা কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। নিখোঁজ শিশুকে উদ্ধারের জন্য স্বজনদের পাশাপাশি স্থানীয়রাও বিভিন্ন স্থানে অনুসন্ধান চালান।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে, বাড়ির পাশে একটি খালে স্থানীয়রা সাজ্জাদের মরদেহ ভাসতে দেখে চিৎকার করতে থাকে, যার ফলে আশপাশের লোকজন সেখানে জড়ো হন। এরপর খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতসহ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারে হস্তান্তর করা হয়।

এদিকে, একমাত্র ছেলে সন্তানের মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে মা শাকিলা বেগম কান্নায় ভেঙে পড়েন। তার বুকফাটা আহাজারিতে উপস্থিত সবার চোখ অশ্রুসিক্ত হয়ে ওঠে।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শিশুটির মা যখন দোকানে যান, তখন সাজ্জাদ খেলতে খেলতে বাড়ির পাশের খালের পাড়ে চলে যায়। এক পর্যায়ে অসাবধানতাবশত পানিতে পড়ে ডুবে তার মৃত্যু হয়। পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে না পেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। শেষ পর্যন্ত, শুক্রবার সকালে খাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%