ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জুলাই আন্দোলনে পেশাজীবীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের কথা জানালেন দুদু


জুলাই আন্দোলনে পেশাজীবীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের কথা জানালেন দুদু

বাঙালি জাতি কখনো অন্যায় সহ্য করে না, এই মন্তব্য করে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সব শ্রেণির মানুষের অবদান রয়েছে। তিনি এ কথা বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী জুলাই অভ্যুত্থানে পেশাজীবীদের সক্রিয় ভূমিকা ছিল।

শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশের (ডিইএব) সেমিনার হলে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন।

‘রক্তাক্ত জুলাই এবং পেশাজীবীদের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে ডিইএব ডিপিডিসি শাখা। আলোচনার সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক প্রকৌশলী মীর হোসেন পাটোয়ারী (মিলন) এবং পরিচালনা করেন সাংগঠনিক সম্পাদক মজিবুর রহমান জুয়েল। আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন প্রকৌশলী তরিকুল হক, প্রকৌশলী রেজাউল করিম, শ্রমিক দল নেতা দেলোয়ার হোসেন, প্রকৌশলী আবুল মনসুর, প্রকৌশলী এএসএম তারেক তুষার, প্রকৌশলী ওবায়দুল আলম প্রমুখ।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

প্রধান অতিথি শামসুজ্জামান দুদুকে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে অনুষ্ঠানের সভাপতি জুলাই আন্দোলনের সক্রিয় যোদ্ধা প্রকৌশলী মো. মীর হোসেন পাটোয়ারীর হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন প্রধান অতিথি শামসুজ্জামান দুদু।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামসুজ্জামান দুদু বলেন, বাঙালি জাতি কখনো অন্যায় সহ্য করে না। সে জন্যই গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ। তিনি উল্লেখ করেন, ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনে পেশাজীবীদের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। কেননা, সার্বজনীন না হলে সেটা আন্দোলন হয়ে ওঠে না। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সব শ্রেণির মানুষ আমাদের পেছনে ছিল। চব্বিশে আমরা ছিলাম তরুণদের পেছনে।

তিনি আরো বলেন, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের দাবিগুলো যৌক্তিক। যারা ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে জনগণের সেবা দেয় তাদের কথা সরকারের অবশ্যই শোনা এবং বোঝা দরকার। সেই সাথে দাবিগুলো সমাধানে উদ্যোগী হওয়া উচিত। যারা ভোট দিয়ে, রাস্তায় আন্দোলন করে জীবন দিয়ে শ্রম দিয়ে এই সরকারকে ক্ষমতায় বসিয়েছেন তাদের তো দাবি দাওয়া থাকবেই। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেগুলো ইতিবাচকভাবে নেবেন। কারণ তিনি নিজেও নির্যাতিত। তার বাবা ও মা এদেশের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। সুতরাং তিনি পেশাজীবীদের কথা অবশ্যই ভাববেন। এই সরকার জনগণের সরকার, আমাদের স্বপ্নের সরকার।

এ সময় সভাপতির বক্তব্যে মীর হোসেন পাটোয়ারী মিলন বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের আন্দোলনে ডিইএব‘র প্রকৌশলীসহ পেশাজীবীদের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। তিনি উল্লেখ করেন, অনেকেই প্রাণ হারিয়েছেন। অনেকেই নির্যাতনের শিকার হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। তিনি অসহায় সহযোদ্ধাদের প্রতি সুদৃষ্টি রাখার জন্য সরকারের প্রতি বিনীত আহ্বান জানিয়েছেন। সেই সাথে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্যও সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

অন্যান্য বক্তারা বলেন, বিগত সরকারের আমলে বিদ্যুৎ খাতে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে। এখন বলছেন বিদ্যুৎ খাত বেসরকারি খাতে দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। বক্তারা সতর্ক করেন, এটা হবে বড় ভুল এবং এতে বিদ্যুৎ খাতে কর্মরত সবার মাঝে অসন্তোষ দেখা দিবে। বরং সিস্টেম লস কমিয়ে এবং গ্রাহক সেবার মান বৃদ্ধি করে কিভাবে আরও ভালোভাবে সেবা দেওয়া যায় সে দিকে সরকারকে নজর দিতে হবে। অন্যথায় সাধারণ মানুষ আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারা সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রীকে তার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি যাওয়ার স্বপ্নে প্রতারণার শিকার, সর্বস্বান্ত দর্শনার ৫ পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৮ পি.এম


সৌদি যাওয়ার স্বপ্নে প্রতারণার শিকার, সর্বস্বান্ত দর্শনার ৫ পরিবার

সৌদি আরবে উচ্চ বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে চুয়াডাঙ্গার দর্শনার পাঁচটি পরিবারের কাছ থেকে মোটামুটিভাবে ২৮ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগটি করা হয়েছে দর্শনা থানাধীন জিরাট বাগানপাড়া গ্রামের মিনু খাতুন এবং তার সহযোগী দামুড়হুদা উপজেলার বক্কর মাস্টারের পুত্র মো. সবুজের বিরুদ্ধে।

কাজের ভিসা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও চারজনকে টুরিস্ট ভিসায় সৌদি আরবে পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সেখানে পৌঁছে তারা চাকরি না পাওয়ায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন, এমন অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

ভুক্তভোগীদের মতে, কাজের ভিসা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি থাকলেও প্রকৃতপক্ষে সৌদি আরবে চারজনকে টুরিস্ট ভিসায় পাঠানো হয়েছিল। সেখানে গিয়ে তাদেরকে বিভিন্ন কফিলের কাছে হস্তান্তর করা হয়। প্রতিশ্রুত চাকরির অভাব, নিয়মিত বেতনের ব্যবস্থা না থাকা, এবং খাবারের অভাবে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছে। এর পর আরও ৩০ হাজার টাকা করে জরিমানার অজুহাতে আদায় করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

বিদেশে অবস্থানরত ব্যক্তিরা পদে পদে বেতন না পাওয়ায় চরম দুর্ভোগের সম্মুখীন। দেশে থাকা পরিবারের সদস্যরা বৈদেশিক কর্মসংস্থান ব্যাংক, এনজিও এবং অন্য বিভিন্ন উৎস থেকে নেওয়া ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে না পারায় কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। পরিবারের উপার্জনক্ষম সদস্যরা বিদেশে আটকা পড়ায় তাদের স্বজনরা অর্থনৈতিক এবং মানসিক সংকটে দিন কাটাচ্ছেন।

সৌদি আরবে থাকা ভুক্তভোগী রুবেল, আজানুর এবং অন্য তিনজন একটি ভিডিও বার্তায় জানান, তাদেরকে এনে বিভিন্ন কফিলের কাছে দেওয়া হয়েছে। তারা কোনো বেতন পাচ্ছেন না এবং একবেলা খেয়ে না খেয়ে বেঁচে আছেন। দেশে ফেরত যাওয়ার সম্ভাবনাও নেই। জীবন বাঁচানোর জন্য তারা অন্যত্র চলে গেছেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, জিরাট বাগানপাড়া গ্রামের যারা প্রতারণার শিকার হয়েছেন তাদের মধ্যে রুবেল (৩৫), আজানুর (৪০), আবু সাইদ ওরফে পিন্টু (৩৬), সুরুজ (৪০) এবং মো. সাদির ছেলে সজিব অন্তর্ভুক্ত।

সজিব জানিয়েছেন, গ্রামের চারজনের দুরবস্থার কারণে তিনি অবশেষে বিদেশে যেতে পারেননি। তবে বিদেশ পাঠানোর নামে তাঁর কাছ থেকে আগেই ২ লাখ ১০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে গত ৫ জুলাই দর্শনা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সজিব উদ্দীন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রায় সাত মাস আগে মিনু খাতুন বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সজিবের কাছ থেকে ২ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং অন্যান্য চারজনের কাছ থেকে জনপ্রতি ৫ লাখ ২০ হাজার টাকা দাবি করেন, পরে জরিমানা বাবদ ৩০ হাজার টাকা করে এবং অন্যান্য খরচের নামে অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করেছেন। সব মিলিয়ে প্রায় ২৮ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এই চারজনকে সৌদি পাঠানোর পর সেখানে বৈধ কর্মসংস্থানের অভাব দেখা দেয়।

অভিযোগে আরও জানানো হয়েছে, টুরিস্ট ভিসায় যাওয়ার কারণে বর্তমানে তারা আইনি জটিলতায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। টাকা ফেরত চাইলে অভিযুক্তরা হুমকি দিছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

মিনু খাতুন অভিযোগের বিষয়ে একটি ফোন কলের মাধ্যমে জানান যে, তারা তাঁর কাছে এসেছিল এবং টাকা-পয়সার লেনদেন হয়েছে। বিদেশ ভাগ্যের ব্যাপার, কার কপালে কী রয়েছে সেটা তিনি জানাতে পারেননি। তিনি বলেন, যে স্থানগুলোতে পাঠিয়েছিলেন, সেখান থেকে তারা পালিয়ে গেছে।

বিদেশে জনশক্তি পাঠানোর বৈধ লাইসেন্স আছে কি না জানতে চাইলে তিনি সরাসরি উত্তর না দিয়ে জানান, বিষয়টি দামুড়হুদার বক্কর মাস্টারের ছেলে সবুজ দেখেছেন।

অভিযোগ অস্বীকার করে মো. সবুজ বলেন, তারা ডিস্টার্ব করছে। মিনু আপার বাড়িতে কেন গিয়েছেন? তারা বলেন, আমাদের সাথে হয়রানি করা হচ্ছে। আমাদের আসল কাজ হয়রানি থেকে রক্ষা করা। বিষয়টি নিয়ে মামলা দায়ের হবে। বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্সে সম্পর্কে কোনো তথ্য তিনি দেননি।

তবে ঢাকার আল আমিনের কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়নি, যার ফলে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, অভিযোগ পাওয়া পর উভয়পক্ষকে থানায় বসানো হয়েছে। তবে সমঝোতা না হওয়ায় আদালতের মাধ্যমে আইনগত প্রতিকার নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, বিদেশে কর্মসংস্থানের নামে গ্রামের সহজ-সরল মানুষের ওপর একটি দালালচক্র সক্রিয়। বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির বাইরে দালালদের মাধ্যমে বিদেশে গিয়ে অনেকেই প্রতারণার শিকার হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীরা তেমন কোনো ন্যায়বিচার পান না।

অভিযোগে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের অর্থ ফেরত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয় জনগণ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়লেন ব্যবসায়ী, হারালেন অর্ধ লাখ টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৯ পি.এম


অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়লেন ব্যবসায়ী, হারালেন অর্ধ লাখ টাকা

রাজধানীতে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে আব্দুল করিম (৪০) নামে এক ব্যবসায়ী ৫০ হাজার টাকা খুইয়েছেন।

শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে যাত্রাবাড়ী থানার সাইনবোর্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আব্দুল করিমের স্ত্রী রুনা আক্তার বলেন, "আমরা স্বামী-স্ত্রী আজ নারায়ণগঞ্জ থেকে কেনাকাটা করতে বাসে করে ঢাকায় আসছিলাম। পাশাপাশি সিট না থাকায় আমি বাসের সামনের একটি সিটে বসি এবং আমার স্বামী পেছনের একটি সিটে বসেন। সাইনবোর্ড এলাকায় পৌঁছামাত্র আমার স্বামী অচেতন হয়ে পড়েন। পরে বাসের স্টাফদের সহযোগিতায় দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে পাকস্থলী ওয়াশ করোনার পর তাকে নতুন ভবনের মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, "অজ্ঞানপার্টির সদস্যরা তার স্বামীর কাছে থাকা নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে। তবে তার মোবাইল ফোনটি নিতে পারেনি।"

এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মোহাম্মদ ফারুক গণমাধ্যমকে বলেন, "সাইনবোর্ড এলাকা থেকে অজ্ঞানপার্টির খপ্পরে পড়ে আব্দুল করিম নামের এক ব্যবসায়ী ঢামেক হাসপাতালে এসেছেন। তাকে পাকস্থলী ওয়াশ করিয়ে মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।"

তিনি আরও বলেন, "স্বজনদের মাধ্যমে জেনেছি অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা তার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নওগাঁয় ছাত্রাবাসে কলেজছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু, ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১৩ পি.এম


নওগাঁয় ছাত্রাবাসে কলেজছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু, ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নওগাঁ শহরের একটি ছাত্রাবাস থেকে ইমন (২৪) নামের নওগাঁ সরকারি কলেজের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল বেলা শহরের ভাঙ্গাবাড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকার ‘জননী ছাত্রাবাস’ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

মৃত ইমন নওগাঁর মান্দা উপজেলার মাগুড়া গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে। ইমন নওগাঁ সরকারি কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ইমন জননী ছাত্রাবাসের ১০৯ নম্বর ডাবল রুমে একাই থাকতেন। শুক্রবার রাতে পরিবারের সদস্যরা তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন, কিন্তু তারা ব্যর্থ হন। কোনো সাড়া না পেয়ে শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তার মামা সরাসরি ছাত্রাবাসে যান। সেখানে গিয়ে বারবার দরজায় কড়া নাড়লেও ইমনের কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে ছাত্রাবাসের অন্যান্য আবাসিক শিক্ষার্থীদের সহায়তায় ঘরের দরজা ভেঙে তিনি ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় ঘরের ফ্যান ঝুলানোর রডের সঙ্গে ইমনের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে দ্রুত নওগাঁ সদর মডেল থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

সংবাদ পেয়ে নওগাঁ সদর মডেল থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।

নওগাঁ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ছাত্রাবাস থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছি। ঘটনার মূল কারণ জানতে পুলিশের তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা ও মামলা রুজু করা হবে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১১০ বোতল কোরেক্স ও ৩২ রাউন্ড গুলিসহ তুষারকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১৪ পি.এম


১১০ বোতল কোরেক্স ও ৩২ রাউন্ড গুলিসহ তুষারকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ ১১০ বোতল মাদকদ্রব্য কোরেক্স ও ৩২ রাউন্ড গুলির সঙ্গে তুষার শেখ (২৮) নামক এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) ভোর সাড়ে ৪টার সময় শ্রীনগর থানাধীন দেলভোগ দয়হাটা এলাকায় অভিযানটি অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদে ভিত্তি করে এসআই মোহাম্মদ কামরুল হাসান (পিপিএম) সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করে ভাড়াকৃত একটি বসতবাড়ির উঠান থেকে তুষার শেখকে এভাবে গ্রেপ্তার করেন।

গ্রেপ্তার তুষার শেখ দেলভোগ দয়হাটা এলাকার অধিবাসী।

অভিযানকালে পুলিশ তার কাছ থেকে উদ্ধার করে ১১০ বোতল ‘উইন কোরেক্স’ (ফেন্সিডিল জাতীয় মাদক) এবং ৩২ রাউন্ড পিতলের তৈরি কার্তুজ (গুলি)।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. কামরান হোসেন জানান, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে শ্রীনগর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীনে মামলার প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি তদন্ত করা হচ্ছে যে তুষার শেখের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কিনা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%