০৭:৩৬ পি.এম
দারিদ্র্য-ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ গঠনের জন্য শিক্ষা, শিল্প, কর্মসংস্থান এবং বৈষম্য নিরসন প্রয়োজন। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) এই ৬ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সামর্থ্যের অভাব এখনও মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। চ্যালেঞ্জগুলির মোকাবিলায় সরকার প্রাথমিক স্তর থেকে শিক্ষা ব্যবস্থা পুনর্গঠনের পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে এসেছে। সময়োপযোগী শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য ২০২৮ সাল থেকে নতুন কারিকুলাম চালুর পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, আমাদের অধীনে যে পুরানো শিক্ষা ব্যবস্থা বিদ্যমান, সেটি শুধু বাংলাদেশে সীমাবদ্ধ। তিনি উল্লেখ করেন, আমরা যেকোনোভাবেই হোক করিকুলাম পরিবর্তন করব। তবে এই বছরে এটি বাস্তবায়িত হবে না। পরিবর্তে আমরা কিছু পরিমার্জনা করেছি এবং নতুন চারটি বই প্রকাশ করেছি। তিনি ২০২৮ সালে নতুন কারিকুলাম চালুর জন্য অপেক্ষা করার কথা জানান। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এসডিজির জাতীয় সম্মেলনের একটি অধিবেশনে তিনি এ কথা বলেন। দারিদ্র্য, ক্ষুধা, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, শিল্প এবং বৈষম্য হ্রাসের চ্যালেঞ্জগুলো বাংলাদেশকে মোকাবিলা করতে হচ্ছে। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এই চ্যালেঞ্জে সফলতার বিকল্প নেই। বক্তারা সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তার উপরও আলোচনা করেন। এসডিজি বাস্তবায়নে পাঁচ বছরের কৌশলগত কাঠামোয় জাতীয় সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে ছয়টি বিষয় তুলে ধরে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। পরে একটি প্যানেল আলোচনা পরিচালনা করার মাধ্যমে বাস্তবায়নের সামর্থ্যহীনতার বিষয়টি উঠে আসে। এসডিজি অর্জনের নির্দিষ্ট লক্ষ্য অনুযায়ী কাজ করার পাশাপাশি প্রাথমিক স্তর থেকেই কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব এবং দক্ষতা উন্নয়নের উপর জোর দেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি। তিনি তরুণদের স্টার্ট-আপ ও ঋণ সহায়তার উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন। পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাস্তবায়নের জন্য সময়সীমা নিশ্চিত করতে হবে, বাজেট নির্ধারণ করতে হবে এবং কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এ বিষয়ে তিনি জানান, আমরা আমাদের পরিকল্পনা সম্পন্ন করে রেখেছি এবং সরকারের ১৮০ দিনের মধ্যে এটি সম্পন্ন করার আশা করি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন