ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বরগুনা সদর উপজেলায় অটোরিকশার বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু


বরগুনা সদর উপজেলায় অটোরিকশার বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

বরগুনা সদর উপজেলায় চার্জেথাকা অটোরিকশার বিদ্যুৎ সংযোগ খুলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী ও স্ত্রীর মৃত্যু ঘটেছে। এ ঘটনায় তাদের বড় মেয়ে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। ঘটনাটি সোমবার (৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের ডালভাঙা এলাকায় ঘটে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন মো. বেল্লাল (৪৫) ও তার স্ত্রী কমলা (৪০)।

স্থানীয় ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, বেল্লাল বাড়িতে একটি নতুন গরুর খামার নির্মাণের কাজে ছিলেন। যখন তার কাজ প্রায় শেষ হচ্ছে, তখন খামারের জন্য নতুন টিন কেনার উদ্দেশ্যে অটোরিকশা নিয়ে বাজারে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় বাড়িতে চার্জেথাকা অটোরিকশার বিদ্যুৎ সংযোগ খুলতে গিয়ে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। বেল্লালকে উদ্ধার করতে গিয়ে তার স্ত্রী কমলা এবং বড় মেয়ে আরিফা উভয়েই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে স্থানীয়রা ঘটনাটি টের পেয়ে বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তাদের উদ্ধার করেন এবং বরগুনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক বেল্লাল ও কমলাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত আরিফা পায়ে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছিলেন।

হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বর্তমানে তিনি সুস্থ আছেন, এ তথ্য জানিয়েছেন স্বজনরা। নিহত বেল্লালের প্রতিবেশী ফিরোজা জানান, সকালে চার্জেথাকা অটোরিকশার সংযোগ খুলতে গিয়ে প্রথমে বেল্লাল বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তাকে উদ্ধার করতে গেলে তার স্ত্রী ও মেয়েও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার বেল্লাল ও কমলাকে মৃত ঘোষণা করেন। বেল্লালের দুলাভাই মো. কবির জানিয়েছেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে হাসপাতালে এসে দেখি বেল্লাল ও তার স্ত্রী কমলা মারা গেছেন। তাদের বড় মেয়েও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হয়েছে। তবে চিকিৎসার পর সে এখন সুস্থ। বরগুনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. অপূর্ব কুমার চৌধুরী জানিয়েছেন, সকালে বেল্লাল ও কামলার নামের দুজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মৃত ঘোষণা করা হয়। বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুসাহাদাৎ মো. হাচনাইন পারভেজ বলেছেন, স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এছাড়া এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হবে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমতলীতে আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বৃদ্ধের জমির ধানের চারা তুলে ফেললেন আ.লীগ নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৫০ এম


আমতলীতে আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বৃদ্ধের জমির ধানের চারা তুলে ফেললেন আ.লীগ নেতা

আদালতের নির্দেশে জমির দখল ফিরে পেয়েছিলেন বরগুনার আমতলী উপজেলার পশ্চিম কলাগাছিয়া গ্রামের অহেদ মুসুল্লী। সেই জমিকে চাষ করে তিনি ধানের চারাও রোপণ করেন। কিন্তু পরদিন সকালে গিয়ে দেখতে পান, রাতের আঁধারে ওই ধানের চারা তুলে ফেলা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, গুলিশাখালী ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ঘোষিত ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. আলতাফ আকন, সেলিম আকন ও তাদের লোকজনই এ কাজ করেছেন। প্রতিবাদ করায়, তাঁরা জমির মালিক বৃদ্ধ অহেদ মুসুল্লী ও তার লোকজনকে দুই দিনের জন্য নিজ নিজ বাড়িতে আটকে রাখেন।

এ ঘটনায় গতকাল রোববার রাতে আমতলী থানায় অভিযোগও করা হয়েছে। অভিযোগকারী পক্ষের ভাষ্য, পশ্চিম কলাগাছিয়া গ্রামের অহেদ মুসুল্লী ও তার চার ভাই পৈত্রিক সূত্রে ৪.১৫ শতাংশ জমির মালিকানা ভোগ করছেন। তারা দাবি করেন, ওই জমি শত বছর ধরে তারা ভোগদখল করে আসছেন। অহেদ মুসুল্লীর অভিযোগ, ২০২১ সালে গুলিশাখালী ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ঘোষিত ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. আলতাফ আকন, সেলিম আকন, খবির আকন ও দেলোয়ার আকন সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে জোরপূর্বক জমিটি দখল করেন। পরে, তিনি বরগুনা জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন। অহেদ মুসুল্লী বলেন, মামলায় তাদের পক্ষে রায় হলেও আদালতের আদেশ অমান্য করে প্রতিপক্ষ জমি ভোগদখল করতে থাকে। গত বৃহস্পতিবার বরগুনা জজ আদালতের বিচারক জমিটি অহেদ মুসুল্লীদের চাষাবাদের নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশ পেয়ে, গত শুক্রবার জমিতে চাষাবাদ শেষে ধানের চারা রোপণ করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, শুক্রবার রাতেই আলতাফ আকন এবং তার লোকজন রোপণ করা ধানের চারা তুলে ফেলেন। শনিবার সকালে বিষয়টি দেখে অহেদ মুসুল্লীর লোকজন প্রতিবাদ জানালে, প্রতিপক্ষ ক্ষিপ্ত হয়। অহেদ মুসুল্লীর আরও অভিযোগ, প্রতিপক্ষের লোকজন গত দুই দিন ধরে তাদেরকে নিজের বাড়িতে জিম্মি করে রেখেছিল এবং তারা বাইরে বের হলে মেরে ফেলার হুমকি দেন।

পরে, গতকাল রোববার রাতে অহেদ মুসুল্লীর ভাই ছালাম মুসুল্লী পালিয়ে গিয়ে আমতলী থানায় অভিযোগ করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি বলেছেন, অহেদ মুসুল্লীর জমি সেলিম আকন, আলতাফ আকন ও তাদের লোকজন জোরপূর্বক দখল করে গত পাঁচ বছর ধরে ভোগদখল করে আসছেন। আদালতের আদেশ পাওয়ার পর গত শুক্রবার অহেদ মুসুল্লীর লোকজন সেখানে চাষাবাদ করে ধানের চারা রোপণ করেন, পরে রাতের আঁধারে সেই চারা তুলে ফেলা হয়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আলতাফ আকন বলেন, "ওই জমি আমাদের। আমাদের জমি আমরা চাষাবাদ করেছি।" আদালতের আদেশের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে যান। আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, "অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরগুনায় পল্লী বিদ্যুতের সাবস্টেশনে আগুন, ৬৭ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৫২ এম


বরগুনায় পল্লী বিদ্যুতের সাবস্টেশনে আগুন, ৬৭ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন

বরগুনায় পল্লী বিদ্যুতের গ্রিড সাবস্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের কারণে প্রায় ৬৭ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। আগুনের ফলে সাবস্টেশনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

এ ঘটনাটি ঘটে সোমবার (৭ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার ২ নম্বর গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতালা নামক এলাকার গ্রিড সাবস্টেশনে। পল্লী বিদ্যুতের বরগুনা জোনাল অফিসের ডিজিএম মোহাম্মদ নাজমুল হাসান রাতে এ বিষয়ে নিশ্চিত করেন। স্থানীয় সূত্র ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তথ্যমতে, বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতলা এলাকার এ ৩৩-১১ কেভি গ্রিড সাবস্টেশনে বিকট শব্দের পর আগুন লেগেছে।

শুধু এক থেকে দুই মিনিটের মধ্যে অগ্নিকাণ্ডে সাবস্টেশনের ৬ নম্বর ফিডারসহ বিভিন্ন তারের সংযোগ ও গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ পুড়ে যায়। যদিও এ ঘটনায় বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি, বরগুনা সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ৬৭ হাজার গ্রাহক এখন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন। পরে খবর পেয়ে পল্লী বিদ্যুতের প্রকৌশলী ও কর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রাংশ পরীক্ষা ও মেরামতের কাজ শুরু করেন।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অভ্যন্তরীণ ত্রুটির কারণে এ বিস্ফোরণ এবং অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুতের বরগুনা জোনাল অফিসের ডিজিএম মোহাম্মদ নাজমুল হাসান জাগো নিউজকে বলেন, "আমরা রাতে অফিসেই ছিলাম। হঠাৎ করে একটি বিকট শব্দ শোনা যায় এবং বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে এসে দেখি ১১ কেভি এসিআর বিস্ফোরণ হয়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ হয়েছে।"

তিনি আরও জানান, "অনেক তার ও যন্ত্রাংশ পুড়ে গেছে। আমরা কাজ শুরু করেছি এবং সকল যন্ত্রাংশ পরীক্ষা করছি। তবে যে যন্ত্রাংশটি পুড়ে গেছে তা পটুয়াখালী থেকে নিয়ে আসতে হবে। আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। রাতের মধ্যে বিদ্যুৎ সঞ্চালন চালু করতে না পারলেও আগামীকাল সকালের মধ্যে চালু করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।" এ বিষয়ে তিনি আরও জানান, "অভ্যন্তরীণ ত্রুটির কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্নীতি ও কোন্দলে বিপর্যস্ত পিরোজপুর পৌরসভা, অচল ২৬০ কিমি সড়ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৫৫ এম


দুর্নীতি ও কোন্দলে বিপর্যস্ত পিরোজপুর পৌরসভা, অচল ২৬০ কিমি সড়ক

বিগত কয়েক বছরে পিরোজপুর পৌরসভার সড়কগুলোতে দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন হয়নি, যা মূলত দুর্নীতি, অনিয়ম এবং দলীয় কোন্দলের কারণে। যদিও পিরোজপুর পৌরসভা একটি প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা, এখানে অধিকাংশ সড়কের অবস্থা দেখে মনে হয় যেন গ্রামের কোনো কাদা-মাটির রাস্তা। বড় বড় খানাখন্দে পানি জমে থাকা সড়কগুলো এখন চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। পৌরসভায় মোট ৩৫০ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে বর্তমানে ২৬০ কিলোমিটার সড়ক ভাঙাচোরা অবস্থায় রয়েছে। এর ফলে বর্ষা মৌসুমে লক্ষাধিক পৌরবাসী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন, এবং প্রতিনিয়ত সড়কে ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, পিরোজপুর পৌরসভা ১৯৯০ সালে প্রথম শ্রেণির পৌরসভায় উন্নীত হয়। তবে সময়ের চেয়ে এখানে নাগরিক সুবিধা একেবারেই বিপর্যস্ত। পৌরসভার ৩৫০ কিলোমিটার রাস্তার ৯০ শতাংশই ভাঙা ও বেহাল। বর্ষা মৌসুমে এই দুর্ভোগ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে, ফলে নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে উঠেছে সীমাহীন দুর্ভোগ এবং ভোগান্তি।

বর্তমানে পিরোজপুর পৌরসভায় এই ৩৫০ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে কাঁচা সড়ক রয়েছে ৩৫-৪০ কিলোমিটার এবং চলাচলের উপযোগী রয়েছে মাত্র ৯০ কিলোমিটার। বাকি ২৬০ কিলোমিটার সড়কই বর্তমানে চলাচলের অযোগ্য। পৌরসভার রায়েরকাঠি এলাকার ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ফজলুল হক সিকদার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘পৌরসভার ভিতরে যতগুলি রাস্তা রয়েছে, অধিকাংশ রাস্তা ভাঙা এবং খানাখন্দে ভরা। আমরা পৌরবাসী বছরের পর বছর দুর্ভোগ নিয়ে চলাফেরা করছি। ভাঙা রাস্তায় রিকশা অথবা অটোতে চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হয়। কবে নাগাদ রাস্তাগুলি ভালো হবে, তা হয়তো আমরা দেখে যেতে পারব না।’

একই ধরনের ভুক্তভোগী পৌরসভার পালপাড়া এলাকার ৪ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা, ডিম ব্যবসায়ী সিরাজুল তার কষ্টের কথা জানিয়ে বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে দোকানে দোকানে পাইকারিভাবে ডিম সরবরাহ করে আসছি। কিন্তু ভ্যানে করে ডিম নিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তা ভাঙার কারণে ঝাঁকিতে ঝাঁকিতে প্রতিদিন ৮-১০টা ডিম ভেঙে যায়, যার কারণে আমি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।’ পৌরসভার অধিকাংশ রাস্তা খারাপ থাকায় প্রতিনিয়ত ভ্যানের বিভিন্ন যন্ত্রাংশের ক্ষতি হয়, ফলে ব্যবসায় লাভের মুখ দেখছি না। সাধারণ পৌরবাসী কর্তৃপক্ষের চরম উদাসীনতাকেই এই বেহাল দশার জন্য দায়ী করেছেন। তবে এ বিষয়ে পিরোজপুর পৌর প্রশাসক মাহামুদুর রহমান মামুন জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত ফান্ড বা বরাদ্দ না থাকায় সড়ক সংস্কার করা সম্ভব হচ্ছে না। নাগরিক সুবিধা কিছুটা ব্যাহত হওয়ার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘বরাদ্দ না থাকায় সড়ক সংস্কার করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে নাগরিক সুবিধা। নতুন বরাদ্দ পেলে দ্রুত সড়ক মেরামত করে পৌরবাসীর দুর্ভোগ লাঘব করা হবে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১২–১৮ ফুট ঢেউয়ে উত্তাল বঙ্গোপসাগর, জেলেদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ কোস্ট গার্ডের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৫৭ এম


১২–১৮ ফুট ঢেউয়ে উত্তাল বঙ্গোপসাগর, জেলেদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ কোস্ট গার্ডের

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া লঘুচাপের প্রভাবে সমুদ্র চরম উত্তাল হয়ে উঠেছে। ১২ থেকে ১৮ ফুট উচ্চতার ঢেউ এবং ৪ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল থাকায় বাংলাদেশের কোস্ট গার্ড জেলে, ট্রলার মালিক, ঘাট সমিতি এবং সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি জরুরি আহ্বান জানিয়েছে যে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত কোনো ট্রলার বা নৌযান সমুদ্রে না পাঠানো হয়।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দক্ষিণ জোনের বিসিজি স্টেশন পাথরঘাটার স্টেশন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট সারতাজ স্বাক্ষরিত এক জরুরি সতর্কবার্তায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সতর্কবার্তায় বলা হয়, বর্তমানে বঙ্গোপসাগরে ঢেউয়ের উচ্চতা ১২ থেকে ১৮ ফুটের মধ্যে ওঠানামা করছে। লঘুচাপের প্রভাবে সমুদ্র অত্যন্ত উত্তাল ও বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরবর্তী নির্দেশনা এবং সমুদ্রে চলাচলের অনুমতি না পাওয়া পর্যন্ত মাছ ধরা, বাণিজ্যিক বা অন্যান্য উদ্দেশ্যে কোনো ট্রলার কিংবা নৌযান সমুদ্রে না পাঠাতে বলা হয়েছে। কোস্ট গার্ড জানিয়েছে যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সমুদ্রে গেলে প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে।

বৈরী আবহাওয়ায় দুর্ঘটনা ঘটলে উদ্ধার অভিযান পরিচালনাও অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়বে। এতে উদ্ধারকারী সদস্যদের জীবনও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়েছে, বিরূপ আবহাওয়া আরও চার থেকে পাঁচ দিন অব্যাহত থাকতে পারে।

তাহলে জেলে, ট্রলার ও নৌযানের মালিক, ঘাট কমিটি, বোট মালিক সমিতি এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পাশাপাশি এ বার্তা দ্রুত ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সমুদ্রে যাওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। জেলেদের জীবনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, কোস্ট গার্ড ও আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত কোনো ট্রলার সমুদ্রে না পাঠানোর জন্য সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে পাথরঘাটা উপকূল ও সুন্দরবনসংলগ্ন বিভিন্ন খালে অনেক মাছ ধরার ট্রলার নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%