ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বরগুনায় পল্লী বিদ্যুতের সাবস্টেশনে আগুন, ৬৭ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন


বরগুনায় পল্লী বিদ্যুতের সাবস্টেশনে আগুন, ৬৭ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন

বরগুনায় পল্লী বিদ্যুতের গ্রিড সাবস্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের কারণে প্রায় ৬৭ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। আগুনের ফলে সাবস্টেশনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

এ ঘটনাটি ঘটে সোমবার (৭ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার ২ নম্বর গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতালা নামক এলাকার গ্রিড সাবস্টেশনে। পল্লী বিদ্যুতের বরগুনা জোনাল অফিসের ডিজিএম মোহাম্মদ নাজমুল হাসান রাতে এ বিষয়ে নিশ্চিত করেন। স্থানীয় সূত্র ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তথ্যমতে, বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতলা এলাকার এ ৩৩-১১ কেভি গ্রিড সাবস্টেশনে বিকট শব্দের পর আগুন লেগেছে।

শুধু এক থেকে দুই মিনিটের মধ্যে অগ্নিকাণ্ডে সাবস্টেশনের ৬ নম্বর ফিডারসহ বিভিন্ন তারের সংযোগ ও গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ পুড়ে যায়। যদিও এ ঘটনায় বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি, বরগুনা সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ৬৭ হাজার গ্রাহক এখন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন। পরে খবর পেয়ে পল্লী বিদ্যুতের প্রকৌশলী ও কর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রাংশ পরীক্ষা ও মেরামতের কাজ শুরু করেন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অভ্যন্তরীণ ত্রুটির কারণে এ বিস্ফোরণ এবং অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুতের বরগুনা জোনাল অফিসের ডিজিএম মোহাম্মদ নাজমুল হাসান জাগো নিউজকে বলেন, "আমরা রাতে অফিসেই ছিলাম। হঠাৎ করে একটি বিকট শব্দ শোনা যায় এবং বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে এসে দেখি ১১ কেভি এসিআর বিস্ফোরণ হয়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ হয়েছে।"

তিনি আরও জানান, "অনেক তার ও যন্ত্রাংশ পুড়ে গেছে। আমরা কাজ শুরু করেছি এবং সকল যন্ত্রাংশ পরীক্ষা করছি। তবে যে যন্ত্রাংশটি পুড়ে গেছে তা পটুয়াখালী থেকে নিয়ে আসতে হবে। আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। রাতের মধ্যে বিদ্যুৎ সঞ্চালন চালু করতে না পারলেও আগামীকাল সকালের মধ্যে চালু করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।" এ বিষয়ে তিনি আরও জানান, "অভ্যন্তরীণ ত্রুটির কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্নীতি ও কোন্দলে বিপর্যস্ত পিরোজপুর পৌরসভা, অচল ২৬০ কিমি সড়ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৫৫ এম


দুর্নীতি ও কোন্দলে বিপর্যস্ত পিরোজপুর পৌরসভা, অচল ২৬০ কিমি সড়ক

বিগত কয়েক বছরে পিরোজপুর পৌরসভার সড়কগুলোতে দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন হয়নি, যা মূলত দুর্নীতি, অনিয়ম এবং দলীয় কোন্দলের কারণে। যদিও পিরোজপুর পৌরসভা একটি প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা, এখানে অধিকাংশ সড়কের অবস্থা দেখে মনে হয় যেন গ্রামের কোনো কাদা-মাটির রাস্তা। বড় বড় খানাখন্দে পানি জমে থাকা সড়কগুলো এখন চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। পৌরসভায় মোট ৩৫০ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে বর্তমানে ২৬০ কিলোমিটার সড়ক ভাঙাচোরা অবস্থায় রয়েছে। এর ফলে বর্ষা মৌসুমে লক্ষাধিক পৌরবাসী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন, এবং প্রতিনিয়ত সড়কে ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, পিরোজপুর পৌরসভা ১৯৯০ সালে প্রথম শ্রেণির পৌরসভায় উন্নীত হয়। তবে সময়ের চেয়ে এখানে নাগরিক সুবিধা একেবারেই বিপর্যস্ত। পৌরসভার ৩৫০ কিলোমিটার রাস্তার ৯০ শতাংশই ভাঙা ও বেহাল। বর্ষা মৌসুমে এই দুর্ভোগ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে, ফলে নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে উঠেছে সীমাহীন দুর্ভোগ এবং ভোগান্তি।

বর্তমানে পিরোজপুর পৌরসভায় এই ৩৫০ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে কাঁচা সড়ক রয়েছে ৩৫-৪০ কিলোমিটার এবং চলাচলের উপযোগী রয়েছে মাত্র ৯০ কিলোমিটার। বাকি ২৬০ কিলোমিটার সড়কই বর্তমানে চলাচলের অযোগ্য। পৌরসভার রায়েরকাঠি এলাকার ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ফজলুল হক সিকদার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘পৌরসভার ভিতরে যতগুলি রাস্তা রয়েছে, অধিকাংশ রাস্তা ভাঙা এবং খানাখন্দে ভরা। আমরা পৌরবাসী বছরের পর বছর দুর্ভোগ নিয়ে চলাফেরা করছি। ভাঙা রাস্তায় রিকশা অথবা অটোতে চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হয়। কবে নাগাদ রাস্তাগুলি ভালো হবে, তা হয়তো আমরা দেখে যেতে পারব না।’

একই ধরনের ভুক্তভোগী পৌরসভার পালপাড়া এলাকার ৪ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা, ডিম ব্যবসায়ী সিরাজুল তার কষ্টের কথা জানিয়ে বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে দোকানে দোকানে পাইকারিভাবে ডিম সরবরাহ করে আসছি। কিন্তু ভ্যানে করে ডিম নিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তা ভাঙার কারণে ঝাঁকিতে ঝাঁকিতে প্রতিদিন ৮-১০টা ডিম ভেঙে যায়, যার কারণে আমি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।’ পৌরসভার অধিকাংশ রাস্তা খারাপ থাকায় প্রতিনিয়ত ভ্যানের বিভিন্ন যন্ত্রাংশের ক্ষতি হয়, ফলে ব্যবসায় লাভের মুখ দেখছি না। সাধারণ পৌরবাসী কর্তৃপক্ষের চরম উদাসীনতাকেই এই বেহাল দশার জন্য দায়ী করেছেন। তবে এ বিষয়ে পিরোজপুর পৌর প্রশাসক মাহামুদুর রহমান মামুন জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত ফান্ড বা বরাদ্দ না থাকায় সড়ক সংস্কার করা সম্ভব হচ্ছে না। নাগরিক সুবিধা কিছুটা ব্যাহত হওয়ার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘বরাদ্দ না থাকায় সড়ক সংস্কার করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে নাগরিক সুবিধা। নতুন বরাদ্দ পেলে দ্রুত সড়ক মেরামত করে পৌরবাসীর দুর্ভোগ লাঘব করা হবে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১২–১৮ ফুট ঢেউয়ে উত্তাল বঙ্গোপসাগর, জেলেদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ কোস্ট গার্ডের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৫৭ এম


১২–১৮ ফুট ঢেউয়ে উত্তাল বঙ্গোপসাগর, জেলেদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ কোস্ট গার্ডের

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া লঘুচাপের প্রভাবে সমুদ্র চরম উত্তাল হয়ে উঠেছে। ১২ থেকে ১৮ ফুট উচ্চতার ঢেউ এবং ৪ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল থাকায় বাংলাদেশের কোস্ট গার্ড জেলে, ট্রলার মালিক, ঘাট সমিতি এবং সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি জরুরি আহ্বান জানিয়েছে যে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত কোনো ট্রলার বা নৌযান সমুদ্রে না পাঠানো হয়।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দক্ষিণ জোনের বিসিজি স্টেশন পাথরঘাটার স্টেশন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট সারতাজ স্বাক্ষরিত এক জরুরি সতর্কবার্তায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সতর্কবার্তায় বলা হয়, বর্তমানে বঙ্গোপসাগরে ঢেউয়ের উচ্চতা ১২ থেকে ১৮ ফুটের মধ্যে ওঠানামা করছে। লঘুচাপের প্রভাবে সমুদ্র অত্যন্ত উত্তাল ও বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরবর্তী নির্দেশনা এবং সমুদ্রে চলাচলের অনুমতি না পাওয়া পর্যন্ত মাছ ধরা, বাণিজ্যিক বা অন্যান্য উদ্দেশ্যে কোনো ট্রলার কিংবা নৌযান সমুদ্রে না পাঠাতে বলা হয়েছে। কোস্ট গার্ড জানিয়েছে যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সমুদ্রে গেলে প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে।

বৈরী আবহাওয়ায় দুর্ঘটনা ঘটলে উদ্ধার অভিযান পরিচালনাও অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়বে। এতে উদ্ধারকারী সদস্যদের জীবনও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়েছে, বিরূপ আবহাওয়া আরও চার থেকে পাঁচ দিন অব্যাহত থাকতে পারে।

তাহলে জেলে, ট্রলার ও নৌযানের মালিক, ঘাট কমিটি, বোট মালিক সমিতি এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পাশাপাশি এ বার্তা দ্রুত ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সমুদ্রে যাওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। জেলেদের জীবনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, কোস্ট গার্ড ও আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত কোনো ট্রলার সমুদ্রে না পাঠানোর জন্য সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে পাথরঘাটা উপকূল ও সুন্দরবনসংলগ্ন বিভিন্ন খালে অনেক মাছ ধরার ট্রলার নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে নেমে তরুণ নিখোঁজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৫৯ এম


শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে নেমে তরুণ নিখোঁজ

বরগুনার তালতলীতে শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে নেমে আসাদুল্লাহ নামে এক তরুণ নিখোঁজ হয়েছেন। নিখোঁজের ঘটনা মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে ঘটে। নিখোঁজ আসাদুল্লাহ (১৮) আমতলী উপজেলার মানিকঝুড়ি গ্রামের মুসা মিয়ার ছেলে।

তিনি তালতলী উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের ঠংপাড়া এলাকায় তার ভগ্নিপতি শাওন তালুকদারের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। জানা গেছে, শখের বসে বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে দুপুরে আসাদুল্লাহ, ভগ্নিপতি শাওনসহ পাঁচজন শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে গোসল করতে নামেন। একপর্যায়ে সাগরে তীব্র ঢেউ ও প্রবল স্রোতের কবলে পড়ে আসাদুল্লাহ নিখোঁজ হন। ওই সময় তাঁর সঙ্গে থাকা অন্যরা নিরাপদে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও আসাদুল্লাহকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ফায়ার সার্ভিস, থানা পুলিশ ও নৌ পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত হন। পরে উদ্ধার অভিযান শুরু করে প্রশাসন। প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জেলে ও এলাকাবাসী নিজেদের উদ্যোগে নিখোঁজ আসাদুল্লাহকে খুঁজতে এবং উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, 'এখনো নিখোঁজ হওয়া তরুণকে পাওয়া যায়নি। তবে আমাদের ফায়ার সার্ভিস, থানা পুলিশ ও নৌ পুলিশের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন।'

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘এত বিভীষিকাময় পরিস্থিতি হবে ভাবিনি, কক্সবাজারের আনন্দটাই মাটি’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৫ এম


‘এত বিভীষিকাময় পরিস্থিতি হবে ভাবিনি, কক্সবাজারের আনন্দটাই মাটি’

‘আমি পরিবার সদস্যদের নিয়ে কক্সবাজার যাচ্ছিলাম। কিন্তু পথে এভাবে আটকা পড়ে বিভীষিকাময় পরিস্থিতিতে পড়তে হবে, কখনও ভাবিনি। কক্সবাজারে বেড়ানোর আনন্দ মাটি হয়ে গেছে। হোটেল বুকিং দিয়েছিলাম, সেই টাকাটাও মার খেয়েছে।’ কথাগুলো বলছিলেন চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে উদ্বিগ্নভাবে পায়চারি করা পর্যটন এক্সপ্রেসের যাত্রী রহমান মঞ্জুর।

টানা ভারী বৃষ্টির ফলে চট্টগ্রামের ষোলশহর এলাকায় রেললাইনে পানি উঠে যাওয়ায়, প্রায় এক হাজার যাত্রী নিয়ে ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী পর্যটন এক্সপ্রেস ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকায়, তার মতো শত শত যাত্রীর স্বপ্নের ভ্রমণ ভেস্তে গেছে।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ট্রেনটি চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনেই অবস্থান করছিল। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ‘রেললাইন থেকে পানি না নামা পর্যন্ত ট্রেন চলাচল সম্ভব নয়।’

যাত্রী ও রেলওয়ে সূত্র জানায়, সকালে যাত্রা শুরু করলেও চট্টগ্রামের ষোলশহর এলাকায় রেললাইনে পানি উঠে যাওয়ায় ট্রেনটি আটকে পড়ে। পরবর্তীতে যাত্রীদের সুবিধার জন্য ট্রেনটি চট্টগ্রাম স্টেশনে আনা হলেও, রাত পর্যন্ত কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যেতে পারেনি।

দীর্ঘ অপেক্ষায় নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ প্রায় এক হাজার যাত্রী চরম দুর্ভোগে পড়েন। অনেকেই স্টেশন থেকে শুকনো খাবার কিনে সময় পার করতে বাধ্য হন।

ট্রেনের আরেক যাত্রী আবু নাছের, যিনি ঢাকার রামপুরার বাসিন্দা, বলেন, ‘স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে অনেক আগেই কক্সবাজার ভ্রমণের পরিকল্পনা করেছিলাম। সহজে টিকিট না পাওয়ায় আগেভাগেই টিকিট সংগ্রহ করি। সকালে কমলাপুর স্টেশন থেকে পর্যটন এক্সপ্রেসে যাত্রা শুরু করার পর সবকিছু ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু চট্টগ্রামের ষোলশহর এলাকায় রেললাইনে পানি উঠে যাওয়ায় ট্রেনটি থমকে যায়।’

চট্টগ্রামে গত সোমবার বিকেল ৩টা থেকে মঙ্গলবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত, ২৪ ঘণ্টায় ৪১২ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। টানা ভারী বর্ষণে নগরীর অধিকাংশ নিচু জায়গাগুলোতে হাঁটু থেকে বুকসমান পানি জমে যায়। এই পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইনেও।

রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সফিকুর রহমান বলেন, ‘ভারী বৃষ্টির কারণে রেললাইনে পানি উঠে যাওয়ায় কক্সবাজারগামী পর্যটন এক্সপ্রেস আটকে রয়েছে। রেললাইন থেকে পানি নেমে গেলে ট্রেনটি কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%