বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:১৫ পি.এম
কক্সবাজারের টেকনাফে মাদক পাচারের দৃশ্য দেখে ফেলার কারণে একটি বসতবাড়িতে ঢুকে গুলিবর্ষণ ও হামলার অভিযোগ উঠেছে মান্নান বাহিনীর বিরুদ্ধে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের মিনাবাজার এলাকায় হাফেজ জয়নালের বসতবাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনায় দুই চাচাতো ভাই আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১২ বছর বয়সী আহমেদ নুর গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আহত আহমেদ নুর মিনাবাজার এলাকার রাজা মিয়ার ছেলে এবং আরাফাত একই এলাকার মোস্তাকের ছেলে।
আহতদের চাচা হাফেজ জয়নাল জানিয়েছেন, বুধবার রাতে মোস্তাক হোয়াইক্যংয়ের মিনাবাজার সীমান্তসংলগ্ন খালে জাঁকিজাল দিয়ে মাছ ধরতে যান। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সীমান্ত পেরিয়ে মিনাবাজার এলাকার ইউসুফ আলীর দুই ছেলে মান্নান ডাকাত ও সালেহ ডাকাতকে মাদকের চালান নিয়ে আসতে দেখেন তিনি। এরপর ভয়ে বাড়িতে ফিরে আসেন মোস্তাক।
মোস্তাক বাড়িতে ফিরে আসার খবর পাওয়ার পর রাত সাড়ে ৮টার দিকে মান্নান ও সালেহ ডাকাতের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি হাফেজ জয়নালের বাড়িতে ঢুকে গুলিবর্ষণ ও হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। এ সময় শিশু আহমেদ নুরের পেটে গুলি লাগে এবং আরাফাত ছুরিকাঘাতে আহত হন।
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করা হয়। পুলিশ আসছে—এমন খবর পেয়ে হামলাকারীরা পালিয়ে যায় বলে জানান হাফেজ জয়নাল।
তিনি আরও জানান, আহত দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গুলিবিদ্ধ আহমেদ নুরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আরাফাত বর্তমানে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মান্নান ও সালেহ ডাকাতের দলের কাউকে এলাকায় পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক হাফিজ জানিয়েছেন, ৯৯৯-এ কল পাওয়ার পর তারা ঘটনাস্থলে যান।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, মিনাবাজারের এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেককে কেন্দ্র করে চলমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন।
তিনি বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই প্রশ্নটি উত্থাপন করেন।
জামায়াত আমির বলেন, ‘রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেককে কেন্দ্র করে কী হচ্ছে? ভুয়া গোয়েন্দা তথ্যের পেছনে না দৌঁড়ে সঠিক গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটির সাজেকের উজোবাজারে অবরোধকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে সেনাবাহিনীর তিন থেকে চারজন সদস্য এবং পুলিশের দুই সদস্য রয়েছেন। এই তথ্য বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে রাঙামাটি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রাঙামাটির পুলিশ সুপার আব্দুর রকিব জানিয়েছেন।
পুলিশ সুপার আব্দুর রকিব বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী উজোবাজারে অবস্থানরত পর্যটকদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য অবরোধকারীদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানায়। এ সময় অবরোধকারীরা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এতে সেনাবাহিনীর তিন থেকে চারজন এবং পুলিশের দুই সদস্য আহত হন।’
তিনি আরও জানান, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হলে বাহিনীর সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালান। ‘সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত থেমে থেমে প্রায় দুই ঘণ্টা গুলিবিনিময় হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং উজোবাজারের নিয়ন্ত্রণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে রয়েছে। এ ছাড়া সব পর্যটক নিরাপদে সাজেক ছেড়েছেন। পুরো ঘটনা তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
আরো পড়ুন
নভেম্বরের শুরুতেই ৩ দিনের ছুটি, পাবে যারা
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে উজোবাজারে সাজেক সড়কে অবরোধ চলাকালে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ব্যারিকেড সরিয়ে পর্যটকদের খাগড়াছড়ি নেওয়ার চেষ্টা করলে সংঘর্ষ শুরু হয়। অবরোধকারীরা প্রথমে ইটপাটকেল ছুড়লেও এক পর্যায়ে গোলাগুলি শুরু হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পর্যটকরা নিরাপদে দিঘিনালার কাছাকাছি পৌঁছেছেন।
পুলিশ সুপার আব্দুর রকিব জানান, সাজেকে অবস্থানরত পর্যটকদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে উজোবাজারে অবরোধকারীদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। এ সময় অবরোধকারীরা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। এতে সেনাবাহিনীর তিন থেকে চারজন এবং পুলিশের দুই সদস্য আহত হন। পরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হলে বাহিনীর সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালান। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত থেমে থেমে প্রায় দুই ঘণ্টা গোলাবিনিময়ের ঘটনা ঘটে।
তিনি আরো জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং উজোবাজারের নিয়ন্ত্রণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর হাতে রয়েছে। এ ছাড়া সব পর্যটক নিরাপদে সাজেক ছেড়েছেন। তিনি বলেন, পুরো ঘটনা তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরো পড়ুন
চালু হচ্ছে ডিভি লটারি, আবেদন চলবে যত দিন
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন যে, বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সাথে জামায়াতে ইসলামী আবার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ৯৬ সালের মতো আওয়ামী লীগ এবং জামায়াত মিলে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করার পায়তারা করছে।
রাজশাহী সফরের সময় স্নাইপার দিয়ে হত্যার হুমকি সম্বলিত একটি যুবকের ফেসবুক পোস্টের পেছনে বিরোধী দলের ইন্ধন রয়েছে বলে দাবি করেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, "বিরোধী দলের উস্কানিতে এরকম দুঃসাহস দেখিয়েছে ওই যুবক।"
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে কালীগঞ্জ উপজেলার চাপরাইল আবুবকর বিশ্বাস মকছেদ আলী কলেজে আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন রাশেদ খান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদ, যুগ্ম সদস্য সচিব ইলিয়াস রহমান মিঠু, কলেজের প্রিন্সিপাল মশিয়ার রহমান এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশু চোর সন্দেহে একজনকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
নিহত ব্যক্তির নাম আলম শেখ (৪১)। তার পরিবার দাবি করেছে তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। এ ঘটনার পর একজনকে আটক করা হয়েছে, তবে পুলিশ তার নাম ও পরিচয় জানাতে পারেনি।
ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান জানান, বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। তিনি বলেন, নিহত আলম শেখের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে পুলিশ। পরিবার জানিয়েছে, তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। ঘটনার মূলহোতাকে আটক করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে, তারা এলে মামলা হবে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাত ১১টার দিকে আলম শেখ শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের সামনে ঘোরাঘুরি করছিলেন। এ সময় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুদের স্বজনরা তাকে শিশু চোর বলে সন্দেহ করেন।
শিশুদের স্বজনরা আলম শেখের কাছে হাসপাতলে আসার কারণ জানতে চাইলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। তখন একদল মানুষ সন্দেহভাজন আলম শেখকে টেনেহিঁচড়ে হাসপাতালের নিচে নামিয়ে বেধড়ক মারধর করতে থাকে, ফলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
ডিসি ইবনে মিজান বলেন, ঘটনার পর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে। পরে আঙুলের ছাপ মিলিয়ে আলম শেখের পরিচয় নিশ্চিত করে পুলিশ। নিহত আলম শেখ রাজধানীর রূপনগরের এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ