বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১০:২৪ পি.এম
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার মাইটকুমড়া কালনা মিতালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও প্রগ্রেসিভ রিপোর্ট প্রদান অনুষ্ঠান সমাবেশের সাথে অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টার দিকে মাইটকুমড়া কালনা মিতালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আয়োজনে বিদ্যালয়ের হলরুমে এসব অনুষ্ঠান হয়েছে।
লোহাগড়ার মাইটকুমড়া কালনা মিতালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপংকর সাহার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মুস্তাফিজুর রহমান। বাবু উত্তম কুমার গোস্বামীর সঞ্চালনায় বলেন বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন লোহাগড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম হায়াতুজ্জামান, মাইটকুমড়া কালনা মিতালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি ও পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এস এ সাইফুল্লাহ মামুন প্রমুখ।
সমাবেশে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শামীম রেজা, মাইটকুমড়া কালনা মিতালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) সমরেন্দ্রনাথ টিকাদার, লোহাগড়া কারিগরি কলেজের অধ্যক্ষ সৈয়দ জিহাদ আলী, মাইটকুমড়া কালনা মিতালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো. শরিফুল ইসলাম, মো. রমজান আলম (পলাশ), মো. জয়নুল আবেদীন, লোহাগড়া সরকারি আদর্শ কলেজের সাবেক ছাত্রদলের সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান হৃদয়, পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মেহেদী হাসান রনিসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থীরা ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশ শেষে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মুস্তাফিজুর রহমান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
'দুর্নীতির বিরুদ্ধে শিার্থীদের মাঝে গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে দুর্নীতি দমন কমিশনের উদ্যোগে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে দুর্নীতিবিরোধী রচনা, চিত্রাঙ্কন, দেয়ালিকা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশন বাগেরহাট জেলা কার্যালয়ের সহায়তায় ও মোরেলগঞ্জ উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় মোরেলগঞ্জ লতিফিয়া কামিল মাদ্রাসা মিলনায়তনে এ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিা অফিসার মো. শহিদুল ইসলাম।
উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ ডক্টর মো. রুহুল আমীন খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অথিতি ছিলেন উপজেলা প্রতিবন্ধী অফিসার মো. কায়কোবাদ আকুঞ্জি, মোরেলগঞ্জ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো. জাকির হোসেন।
উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক বি এম রফিকুল ইসলাম মাসুমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও সহ-সভাপতি মো.ফারুক হোসেন শিকদারের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধ মেহেদী হাসান লিপন, সমকাল প্রতিনিধি ফজলুল হক খোকন, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য নাসরিন সুলতানা, সমাজ সেবক মো. ফারুক শরীফ, বাবু তপন কুমার মিস্ত্রী প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে রচনা, চিত্রাংকন, দেয়ালিকা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হিসেবে পুরস্কার গ্রহণ করে অম্বিকাচরণ লাহা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, মোরেলগঞ্জ লতিফিয়া কামিল মাদ্রাসা ও মোরেলগঞ্জ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) গত ২৭ জুলাই সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় মারধরের শিকার শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসানের বাবা রাকসু সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার ও সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) সালমান সাব্বিরসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজশাহীর একটি আদালতে এ মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
দায়ের করা মামলায় সংস্কৃত বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসানকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং এছাড়া আরও ১৭-১৮ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
অন্য আসামিরা হলেন— রাকসুর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নাজমুস সাকিব, রাবি শাখা ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক মেহেদী সজিব, সিনেট সদস্য ফাহিম রেজা, আরিফুর ইসলাম, আহসান উল্লাহ ফাইহান, সিফাত আর সালেহ ও নুরুল ইসলাম শহীদ।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২৭ জুলাই দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ১টার মধ্যে অভিযুক্তরা ছুরি, লোহার রড, বেল্ট ও বাঁশের লাঠি নিয়ে মাহমুদুলকে ধাওয়া করে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের ভেতরে ও বাইরে ঘিরে ফেলে।
অভিযোগ অনুযায়ী, আম্মার লোহার রড দিয়ে মাহমুদুলের মাথা ও কপালে আঘাত করে। সালমান সাব্বিরও তার মাথায় আঘাত করেন, যার ফলে মাহমুদুলের বাম চোখে গুরুতর জখম হয়। এছাড়া এই মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে যে, অন্য আসামিরাও মারধর করেন।
আরও অভিযোগ করা হয়েছে, চারজন আসামি মাহমুদুলকে মাটিতে ফেলে বুক ও গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন।
মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, পরে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অন্যান্যরা মাহমুদুলকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে অভিযুক্তরা জোরপূর্বক মাহমুদুলকে অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে আবার মারধর করে। পরে মাহমুদুলকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার বাবা জানিয়েছেন, ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তিনি ফেসবুকের মাধ্যমে ঘটনার খবর জানতে পারেন। পরে হাসপাতালে গিয়ে তিনি ছেলেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খুঁজে পান।
মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়েছে, ২৮ জুলাই মতিহার থানায় মামলা করতে গেলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানান এবং আদালতের মাধ্যমে আইনি প্রতিকার চাইতে পরামর্শ দেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হযরত আলী বলেন, আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো আদেশ দেননি। বরং তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর কাছে পাঠিয়েছেন।
তিনি দাবি করেন, মাহমুদুলের বাবা আবেগপ্রবণ হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ২৬ জুলাই সংস্কৃত বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী তার নিজ বিভাগের জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থী মহসিন আলমের বিরুদ্ধে প্রেমের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ায় হুমকির অভিযোগ আনেন। ফলস্বরূপ অভিযুক্ত শিক্ষার্থীসহ কয়েকজনের সঙ্গে ওইদিন রাতে একটি সভায় বসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান। এ সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১৭-১৮ বর্ষের আনাস, একই বিভাগের শিক্ষার্থী হাসিব, সংস্কৃত বিভাগের মাহমুদুল হাসানসহ আরও কয়েকজন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। পরে তারা অভিযোগটি অস্বীকার করে প্রক্টরের সঙ্গে উচ্চবাচ্য করেন।
এ বিষয়ে সোমবার দুপুরে একটি সভা ডাকেন প্রক্টর। সভায় রাকসু নেতারা আনাসের মোবাইল ফোন চেক করে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ হিল গালিবসহ আরও কয়েকজন নেতার সঙ্গে আনাসের ছবি খুঁজে পান। এরপর আনাসকে প্রক্টর দপ্তরে আম্মার ও সালমান সাব্বির মারধর করেন। পরে দুপুরেই প্রক্টর বিষয়টির সাময়িক সমাধান করে দেন এবং আনাসসহ বাকিরা প্রক্টর দপ্তর থেকে চলে আসেন।
এ ঘটনার জেরে বিকাল ৩টার দিকে আনাস, হাসিব, মাহমুদুলসহ কয়েকজন রাকসু ভবনে ঢুকে আম্মারসহ কয়েকজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এতে রাকসুর তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক নাজমুস সাকিব আহত হন।
হামলা চালানোর পর আনাসসহ সঙ্গীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পাঠকক্ষে আশ্রয় নেন। পরে শিবির ও রাকসু নেতারা পাঠকক্ষের ফটক থেকে প্রক্টরকে ধাক্কা দিয়ে পাঠকক্ষে প্রবেশ করেন। ভেতরে ঢুকেই তারা ওই শিক্ষার্থীদের মারধর করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের বিহারের সমস্তিপুরে, স্ত্রীকে তার প্রেমিকের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পেয়ে, নিজেই তাদের বিয়ের আয়োজন করেছেন এক স্বামী। ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সমস্তিপুরের বাসিন্দা অনুরাধা কুমারীর বিয়ে হয় কয়েক বছর আগে মনোহর কুমারের সঙ্গে। তাদের সংসারে সন্তানও রয়েছে। এর মধ্যে অনুরাধার সঙ্গে পান্নালাল যাদব নামে এক ব্যক্তির প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পান্নালালও বিবাহিত এবং তার দুই সন্তান রয়েছে।
খবরে বলা হয়, সম্প্রতি মনোহর কুমার স্ত্রী অনুরাধা ও তার প্রেমিক পান্নালালকে একসঙ্গে হাতে पकड़েন। ঘটনার পর তিনি গ্রামের মাতব্বরদের ডেকে বিষয়টি নিয়ে বৈঠক করেন। পরে তাদের উপস্থিতিতেই অনুরাধা ও পান্নালালের বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়। সেই ঘটনার ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওটি ‘ঘর কা কলেশ’ নামে একটি এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশের পর এটি দ্রুত ভাইরাল হয়। লাখো মানুষ ভিডিওটি দেখেছেন এবং এতে মন্তব্য করেছেন।
ভিডিওটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ ঘটনাটিকে বিস্ময়কর বলে মন্তব্য করেছেন, আবার কেউ স্বামীর সিদ্ধান্তকে বাস্তবসম্মত বলে মনে করেছেন। এক নেটিজেন লিখেন, চারদিকে শুধু পরকীয়ার ঘটনাই দেখা যাচ্ছে, বিষয়টি সত্যিই বিরক্তিকর। আরেকজনের মন্তব্য, স্বামীর জন্য খারাপ লাগছে। তবে যে মানুষ আপনার সঙ্গে থাকতে চায় না, তাকে জোর করে আটকে রাখার কোনো অর্থ নেই। সূত্র: আনন্দবাজার
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার কৃষিজমি ও পুকুর ভরাটের অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে প্রায় ১২০০ মিটার পাইপ বিনষ্ট করেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল ১২টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত উপজেলার মালখানগর ইউনিয়নের ফুরসাইল মৌজার তালতলা বাজার সংলগ্ন এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সিনথিয়া হোসেনের নেতৃত্বে।
অভিযানের সময় পাওয়া যায় যে, অবৈধভাবে কৃষিজমি ও জলাশয় ভরাটের জন্য পাইপ বসিয়ে মাটি ফেলা হচ্ছিল। এ সময় ভরাট কাজে ব্যবহৃত আনুমানিক ১২০০ মিটার পাইপ ধ্বংস করা হয়।
মোবাইল কোর্ট চলাকালে স্থানীয় এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। তাদেরকে বলেন যে, বিনা অনুমতিতে কৃষিজমি ও জলাশয় ভরাট না করার জন্য সতর্ক করা হয়। এ ছাড়া, ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ