প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে জলবায়ুবিষয়ক গবেষণা প্রকল্পটি উপস্থাপন করেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান ও প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান।
এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা-২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে উপস্থাপন করা হয়।
বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের (বিসিসিটিএফ) অর্থায়নে পরিচালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প ‘মেঘনা অববাহিকার নিম্নাঞ্চলের ফসলের বৃদ্ধি ও উৎপাদনের উপর জলবায়ুর প্রভাব নিরূপণ এবং ভবিষ্যতের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে জলবায়ু-সহিষ্ণু ফসল নির্বাচন’ শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে নোবিপ্রবির পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ।
প্রকল্পের আসন্ন কাজের আওতায় ১৯৫৭ থেকে ২০২১ সালের ঐতিহাসিক আবহাওয়ার তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে ২১০০ সাল পর্যন্ত মেঘনা অববাহিকার নিম্নাঞ্চলের সম্ভাব্য জলবায়ু পরিস্থিতির পূর্বাভাস তৈরি করা হবে। এই পূর্বাভাসের ভিত্তিতে একটি আধুনিক, স্বয়ংক্রিয় গ্রিনহাউজে zukünftigen জলবায়ু পরিবেশকে অনুকরণ করে বর্তমানে প্রচলিত সয়াবিন এবং সম্ভাবনাময় মিলেটজাতীয় ফসলের বৃদ্ধি, উৎপাদনশীলতা ও জলবায়ু-সহিষ্ণুতা পরীক্ষা করা হবে। পাশাপাশি, স্থানীয় আবহাওয়ার প্রভাব বিশ্লেষণ করে কৃষকদের জন্য কার্যকর অভিযোজন কৌশল প্রণয়ন করাও হবে।
প্রকল্প বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে ঢাকা ও নোয়াখালীতে ইনসেপশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ছাড়াও, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রিনহাউজ পরিদর্শনের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা গবেষকরা অর্জন করেছেন। নোবিপ্রবি ক্যাম্পাসে অত্যাধুনিক গ্রিনহাউজ নির্মাণের কাজ বর্তমানে প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। প্রকল্পের জন্য আধুনিক গবেষণাগার ও কার্যালয় স্থাপন, গবেষণা সহকারী ও ল্যাব টেকনিশিয়ান নিয়োগ এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
প্রকল্পের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান বলেন, ‘এই গবেষণার মাধ্যমে উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য উপযোগী জলবায়ু-সহিষ্ণু ফসল নির্বাচন, কৃষকদের অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বৈজ্ঞানিক তথ্যভিত্তিক সুপারিশ প্রণয়ন করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে প্রকল্পটির মাধ্যমে নোবিপ্রবিতে একটি স্থায়ী জলবায়ু গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। কেন্দ্রটি ভবিষ্যতে জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষি, খাদ্যনিরাপত্তা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে গবেষণার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন