বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:০৫ এম
নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর কর্মসূচির অংশ হিসেবে, সরকার দেশে জ্বালানি উৎসের বহুমুখীকরণ নিয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগের আওতায় আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যেই ছাদভিত্তিক (রুফটপ) সৌরবিদ্যুৎ থেকে উৎপন্ন প্রায় ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে যাচ্ছে।
বুধবার, ১৫ জুলাই, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি যোগ করেন, নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সরকারের যে কৌশল রয়েছে, তার অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলছে।
বিপিডিবির চেয়ারম্যান জানান, আমরা সারা দেশে জ্বালানি উৎসের বহুমুখীকরণ নিশ্চিত করতে আরও বেশি সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপন করার কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। এর ফলে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
বিপিডিবি সূত্র জানায়, তাদের পাওয়ার সেক্টর ডেভেলপমেন্ট ফান্ড থেকে অর্থায়নের মাধ্যমে দেশের ১৯টি স্থানে মোট ৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার গ্রিড-সংযুক্ত রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হচ্ছে।
এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ঘোড়াশালে ১.৩ মেগাওয়াট, খুলনায় ০.২৬ মেগাওয়াট, রাজশাহী প্রশিক্ষণকেন্দ্রে ০.১২ মেগাওয়াট, চট্টগ্রাম প্রশিক্ষণকেন্দ্রে ০.১৩ মেগাওয়াট, বিবিয়ানায় ০.৪০ মেগাওয়াট, বড়পুকুরিয়ায় ০.২৫ মেগাওয়াট এবং দেশের আরও কয়েকটি স্থানে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনার কার্যক্রম চলছে।
রুফটপ প্রকল্পের সঙ্গে বিপিডিবি মোট ৭৭.৫ মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতার তিনটি বড় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নও করছে। ৫০, ২০ ও ৭.৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রকল্পগুলোর দরপত্র ২৩, ২৪ ও ২৫ জুন খোলা হয়েছে এবং বর্তমানে কারিগরি ও আর্থিক মূল্যায়নের প্রক্রিয়া চলছে।
আগামী মাসে মূল্যায়ন প্রতিবেদন বিদ্যুৎ বিভাগে জমা দেওয়া হবে এবং এরপর তা সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির কাছে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।
বর্তমানে দেশজুড়ে অবস্থিত সৌরবিদ্যুতের মোট উৎপাদন সক্ষমতা ১,৮০৭.৭৫ মেগাওয়াট, যা দেশের মোট স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় ৫.০১ শতাংশ।
এছাড়া, বিপিডিবি ১২টি স্বাধীন বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের (আইপিপি) সঙ্গে মোট ৯১৮ মেগাওয়াট সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের গড় ট্যারিফ নির্ধারণ করা হয়েছে ৭.৮০ মার্কিন সেন্ট, যা আগের তুলনায় প্রায় আড়াই সেন্ট কম। সাধারণত, চুক্তি স্বাক্ষরের ২৪ মাসের মধ্যে গ্রিড-সংযুক্ত সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প উৎপাদনে আসে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আনিন্দ্য ইসলাম অমিত পূর্বে পরিবেশগত স্থায়িত্ব নিশ্চিতকরণ ও জ্বালানি নিরাপত্তার উন্নয়নে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণের সরকারের অঙ্গীকারকে পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
সরকার আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে ১০,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি রূপান্তর পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়েছে। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বান্দরবান, ১৫ জুলাই, ২০২৬ : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এই মন্তব্য করেছেন যে, সরকার দুর্গত মানুষের পাশে রয়েছে। বন্যার কারণে অনেকের বসতবাড়ি ভেঙ্গে গেছে। আমরা সেগুলো পুনঃনির্মাণ করতে চাই।
বুধবার বান্দরবান সদর উপজেলার কুহালং ইউনিয়নের ভরাখালী এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলি পরিদর্শন শেষে তিনি স্থানীয়দের উদ্দেশ্যে এই কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, যেসব কৃষকের বীজ নষ্ট হয়ে গেছে, আমরা তাদেরকে বীজ ও চারা দিয়ে সহযোগিতা করবো। রাস্তা-ঘাট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেগুলো মেরামতের চেষ্টা করবো।
এ সময় মন্ত্রী বান্দরবান সদর উপজেলার কুহালং ইউনিয়নের ভরাখালী এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।
অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস, পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা সুলতানা খান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চলতি জুলাই মাসের প্রথম ১৪ দিনে দেশে এসেছে ১৫৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।
এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১১ কোটি ১ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময় দেশে এসেছিল ১২৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার প্রবাসী আয়।
সে তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
এর আগে, গত জুন মাসে দেশে এসেছে ২৮১ কোটি ৭০ লাখ ডলার প্রবাসী আয়।
এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৫১ কোটি ৫১ লাখ ডলার।
বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৪৪ কোটি ১৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১৮৫ কোটি ৩৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৬৬ লাখ ১০ হাজার ডলার।
এরও আগে গত মে মাসে দেশে আসে ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার ডলার প্রবাসী আয়, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
এপ্রিলে আসে ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার এবং মার্চে আসে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার ডলার, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।
এছাড়া ফেব্রুয়ারিতে দেশে আসে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার এবং জানুয়ারিতে আসে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার প্রবাসী আয়।
এর আগে ডিসেম্বরে আসে ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার এবং নভেম্বরে আসে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার।
অক্টোবরে দেশে আসে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং সেপ্টেম্বরে আসে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার প্রবাসী আয়।
এছাড়া আগস্টে আসে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ডলার এবং জুলাইয়ে আসে ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে মোট প্রবাসী আয় এসেছে ৩ হাজার ৫৫৬ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার।
এটি দেশের ইতিহাসে কোনো এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা।
কিন্তু জয়ের উচ্ছ্বাসের মধ্যেই নতুন এক বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছে লিওনেল স্ক্যালোনির দল। ম্যাচ শেষে মাঠে প্রদর্শিত একটি পতাকাকে ঘিরে ফিফা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে বলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে জয়ের পর আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার জিওভানি লো সেলসোর হাতে দেখা যায় একটি পতাকা। পতাকায় লেখা ছিল, ‘লাস মালভিনাস সন আর্জেন্তিনাস’—অর্থাৎ ‘মালভিনাস আর্জেন্টিনার’। পরে ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দিও তার পাশে দাঁড়ান। কিছু সময়ের জন্য পতাকাটি সরিয়ে রাখা হলেও পরে সেটি আবার মাঠে প্রদর্শন করা হয়।
‘লাস মালভিনাস’ নামটি আর্জেন্টিনায় ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের জন্য ব্যবহৃত হয়। তবে দ্বীপটি বর্তমানে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এর মালিকানা নিয়ে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। এর ফলে এই বার্তাকে রাজনৈতিক হিসেবে দেখা হতে পারে।
ফিফা ও আইএফএবির নিয়ম অনুযায়ী, মাঠে রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা ব্যক্তিগত বার্তাসংবলিত পতাকা, ব্যানার কিংবা প্রতীক প্রদর্শন নিষিদ্ধ। এমন ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়, দল বা জাতীয় ফুটবল সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী ম্যাচ কমিশনার, রেফারি ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর বিষয়টি পর্যালোচনা করবে ফিফা। এরপর প্রয়োজন মনে করলে শৃঙ্খলাভঙ্গের তদন্ত শুরু হতে পারে। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত জানান হয়নি।
আগামী রোববার (১৯ জুলাই) স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে তাই মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি প্রশাসনিক দিক থেকেও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে সোনার দাম পুনরায় কমানো হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোশিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ মূল্য সমন্বয়ের পর বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) থেকে নতুন দাম কার্যকর হচ্ছে।
বাজুস মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি (পিওর) সোনার দাম হ্রাস পাওয়ার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি অনুযায়ী সোনার নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ দফায় প্রতি ভরি সোনার দাম কমানো হয়েছে ২ হাজার ১৫৮ টাকা।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম এখন ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ০৯ হাজার ৮৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজুস জানিয়েছে, দেশের সকল জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এই মূল্য কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইনভেদে মজুরি প্রযোজ্য হবে। আবার, বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি এবং পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে বাজুসের পূর্বের নিয়মই বহাল থাকবে।
এর আগে, গত ১৩ জুলাই প্রতি ভরিতে সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমানো হয়েছিল। তখন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা।
এ বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৯১ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৪ বার দাম বেড়েছে, ৪৬ বার কমেছে এবং ১ বার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। অন্যদিকে, ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বেড়েছিল এবং ২৯ বার কমেছিল।
এদিকে, সোনার দাম কমলেও রূপার দামে কোন পরিবর্তন আসেনি। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ৬০৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ২ হাজার ৮৫৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এই বছরের মধ্যে রুপার দাম ৫৬ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৮ বার দাম বেড়েছে এবং ২৮ বার কমেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ