বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:১২ এম
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা।
কিন্তু জয়ের উচ্ছ্বাসের মধ্যেই নতুন এক বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছে লিওনেল স্ক্যালোনির দল। ম্যাচ শেষে মাঠে প্রদর্শিত একটি পতাকাকে ঘিরে ফিফা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে বলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে জয়ের পর আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার জিওভানি লো সেলসোর হাতে দেখা যায় একটি পতাকা। পতাকায় লেখা ছিল, ‘লাস মালভিনাস সন আর্জেন্তিনাস’—অর্থাৎ ‘মালভিনাস আর্জেন্টিনার’। পরে ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দিও তার পাশে দাঁড়ান। কিছু সময়ের জন্য পতাকাটি সরিয়ে রাখা হলেও পরে সেটি আবার মাঠে প্রদর্শন করা হয়।
‘লাস মালভিনাস’ নামটি আর্জেন্টিনায় ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের জন্য ব্যবহৃত হয়। তবে দ্বীপটি বর্তমানে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এর মালিকানা নিয়ে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। এর ফলে এই বার্তাকে রাজনৈতিক হিসেবে দেখা হতে পারে।
ফিফা ও আইএফএবির নিয়ম অনুযায়ী, মাঠে রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা ব্যক্তিগত বার্তাসংবলিত পতাকা, ব্যানার কিংবা প্রতীক প্রদর্শন নিষিদ্ধ। এমন ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়, দল বা জাতীয় ফুটবল সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী ম্যাচ কমিশনার, রেফারি ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর বিষয়টি পর্যালোচনা করবে ফিফা। এরপর প্রয়োজন মনে করলে শৃঙ্খলাভঙ্গের তদন্ত শুরু হতে পারে। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত জানান হয়নি।
আগামী রোববার (১৯ জুলাই) স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে তাই মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি প্রশাসনিক দিক থেকেও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে সোনার দাম পুনরায় কমানো হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোশিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ মূল্য সমন্বয়ের পর বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) থেকে নতুন দাম কার্যকর হচ্ছে।
বাজুস মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি (পিওর) সোনার দাম হ্রাস পাওয়ার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি অনুযায়ী সোনার নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ দফায় প্রতি ভরি সোনার দাম কমানো হয়েছে ২ হাজার ১৫৮ টাকা।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম এখন ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ০৯ হাজার ৮৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজুস জানিয়েছে, দেশের সকল জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এই মূল্য কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইনভেদে মজুরি প্রযোজ্য হবে। আবার, বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি এবং পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে বাজুসের পূর্বের নিয়মই বহাল থাকবে।
এর আগে, গত ১৩ জুলাই প্রতি ভরিতে সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমানো হয়েছিল। তখন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা।
এ বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৯১ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৪ বার দাম বেড়েছে, ৪৬ বার কমেছে এবং ১ বার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। অন্যদিকে, ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বেড়েছিল এবং ২৯ বার কমেছিল।
এদিকে, সোনার দাম কমলেও রূপার দামে কোন পরিবর্তন আসেনি। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ৬০৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ২ হাজার ৮৫৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এই বছরের মধ্যে রুপার দাম ৫৬ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৮ বার দাম বেড়েছে এবং ২৮ বার কমেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে এখন মাত্র এক ধাপ দূরে আর্জেন্টিনা। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২-১ গোলে জয়লাভ করে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে প্রবেশ করেছে আলবিসেলেস্তেরা। ম্যাচের শেষে লিওনেল মেসি, যিনি দলের অধিনায়ক, দলের পারফরম্যান্স, ফাইনালের অনুভূতি এবং সমালোচকদের বলার বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।
টিওয়াইসি স্পোর্টসের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে মেসি তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, জাতীয় সংগীতের সময় থেকেই পুরো দল ম্যাচটির গুরুত্ব ভালোভাবে অনুভব করছিল।
এটি একটি অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা ছিল। জাতীয় সংগীতের সময় আমরা এক বিশেষ অনুভূতি পেয়েছিলাম। পুরো দল বুঝতে পেরেছিল, এটি সাধারণ একটি ম্যাচ নয়। আর্জেন্টিনার মানুষ এই জয় চেয়েছিল, আমরাও সেটি চেয়েছিলাম। সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে পেরে আমরা আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছি।
অধিনায়ক মেসি ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচে পিছিয়ে পড়ার পর দলের আত্মবিশ্বাস ও লড়াই করার মানসিকতার প্রশংসা করেছেন।
দুইটি বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলার অভিজ্ঞতা সত্যিই অবিশ্বাস্য। ম্যাচটি কঠিন হয়ে পড়লেও আমরা আমাদের বিশ্বাস হারাইনি। নিজেদের পারফরম্যান্সে ফিরে এসেছি, বলের নিয়ন্ত্রণ অর্জন করেছি এবং প্রতিপক্ষকে চাপে রেখেছি। শেষ পর্যন্ত জয়লাভের আনন্দকে ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
বিশ্বকাপের শুরুর আগে দলটির সক্ষমতা নিয়ে মেসির আত্মবিশ্বাসও ফুটে উঠেছে।
আমি জানতাম এই দল চূড়ান্ত পর্বে থাকবে এবং শিরোপার জন্য প্রতিযোগিতা করবে। এখন আবারও ফাইনালে থাকলাম। পাঁচটি বড় টুর্নামেন্টের ফাইনালে এবং টানা দুটি বিশ্বকাপের ফাইনাল, এ Achievement সত্যিই অসাধারণ।
সমালোচকদের উদ্দেশে মেসি বলেন, যদিও কয়েকজন ফুটবলার পুরোপুরি ফিট নেই, তবুও দল হিসেবে আর্জেন্টিনা নিজেদের সেরাটা দিতে সক্ষম।
এমনকি এই দল আমাকে অবাক করে না। অনেকের মনে সন্দেহ ছিল, কারণ কিছু খেলোয়াড় পুরোপুরি ফিট ছিলেন না। কিন্তু আমরা একসঙ্গে কাজ করলে সব সময় নিজেদের সেরাটা দিতে পারি।
রোববার বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা স্পেনের বিরুদ্ধে খেলবে। মেসি প্রতিপক্ষকে যথেষ্ট সম্মান জানান। তিনি বলেন, ফাইনালটি হবে কঠিন ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ।
স্পেন একটি দুর্দান্ত দল। তাদের খেলার ধরন অনেক বছর ধরেই একই রকম। বিশ্বকাপের ফাইনাল সবসময়ই বিশেষ এবং আমি মনে করি এই ম্যাচটি প্রতিযোগিতাপূর্ণ হবে।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনাল জয়ের গুরুত্ব সম্পর্কে মেসি বলেন, এই ম্যাচে হারার কোনো উপায় ছিল না।
এটি একটি বিশেষ ম্যাচ ছিল। আমরা হারতে পারতাম না। যদি আমরা হেরে যেতাম, তখন অনেকেই নানা অযৌক্তিক কথা বলত। আমরা তাদের সেই সুযোগ দেয়নি। আমরা জানতাম, ফুটবলে আমাদের সামর্থ্য তাদের থেকে ভালো। কিন্তু এমন ম্যাচে ইতিহাস, আবেগ এবং চাপ সবকিছুই বিশাল প্রভাব ফেলতে পারে।
এখন বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্যে আর্জেন্টিনার সামনে শেষ বাধা হলো স্পেন। টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠা দলটি এবার সেই স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে কি না, সেটি দেখা হবে আগামী দিনে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার ২০টি জাহাজে ইউক্রেন নজিরবিহীন ড্রোন হামলা সম্পন্ন করেছে। এর পাল্টা জবাবে রুশ বাহিনী ওডেসা, সুমি ও জাপোরিঝঝিয়ায় ভয়াবহ বিমান হামলা পরিচালনা করেছে। এই হামলার ফলে অন্তত ৮ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।
কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার ‘ছায়া নৌবহর’ উদ্দেশ্য করে বুধবার (১৫ জুলাই) বিশাল আকারে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। ইউক্রেনের ড্রোন বাহিনীর কমান্ডারের কথামতো, এই অভিযানে অন্তত ২০টি রুশ জাহাজের মধ্যে দুটি গ্যাস ট্যাঙ্কার, ১৭টি তেল ট্যাঙ্কার এবং একটি টাগবোট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইউক্রেনীয় বাহিনীর পক্ষ থেকে উক্ত হামলার একটি ভিডিও জনসমক্ষে প্রকাশিত হয়েছে। কিয়েভের দাবি, গত ১০ দিনের মধ্য তারা কৃষ্ণসাগর ও আজভ সাগরে রাশিয়ার ১৩০টির অধিক জাহাজে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে।
এই ড্রোন হামলার পর, রাশিয়া পাল্টা আক্রমণে দেরি করেনি। তারা একযোগে ওডেসা, সুমি এবং জাপোরিঝঝিয়া অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। এই হামলায় অনেক লোক হতাহত হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, রুশ বাহিনী ওডেসা এবং সুমিতে আবাসিক ভবন ও বন্দর অবকাঠামোর ওপর হামলা পরিচালনা করেছে।
এদিকে, ইউক্রেনীয় বিমান বাহিনী দাবি করেছে, রাশিয়ার ছুঁড়ে দেওয়া ১২২টি ড্রোনের মধ্যে শতাধিক ড্রোন তারা ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে।
যুদ্ধে নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ইউক্রেন একটি ঐতিহাসিক 'ড্রোন চুক্তি' স্বাক্ষর করেছে। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট নতুন করে ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র এবং যুদ্ধবিমান তৈরির জন্য ১০ বিলিয়ন ইউরোর তহবিল অনুমোদনের ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের পরিকল্পনা রয়েছে ২০২৮ সালের মধ্যে এই অংশীদারিত্বকে অ্যান্টি-ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের দিকে সম্প্রসারিত করার।
এদিকে, প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ইউক্রেনের নতুন প্রধানমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করেছেন। তিনি দেশের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি কোম্পানির সিইও সের্গেই কোরেতস্কিকে এই পদে সবচেয়ে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সুস্থ থাকতে, বিশেষজ্ঞরা নিয়মিত মাছ খাওয়ার পরামর্শ দেন। মাছে রয়েছে উচ্চমানের আমিষ, প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ এবং হৃদ্স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী কিছু উপাদান। সঠিকভাবে সুষম খাদ্য তালিকায় অন্তত দুই দিন মাছ রাখার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সপ্তাহে অন্তত দুই বেলা মাছ খাওয়া উচিত। এর মধ্যে একটি বেলা তেলযুক্ত মাছ রাখা হলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যায়। এসব তেলযুক্ত মাছের মধ্যে এমন উপকারী চর্বি রয়েছে, যা হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
কোন মাছ বেশি উপকারী?
তেলযুক্ত মাছের মধ্যে রয়েছে ইলিশ, রুই, মাগুর, বোয়াল এবং বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ যেমন- রূপচাঁদা, লইট্টা। এসব মাছ হৃদ্স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় চর্বি এবং ভিটামিন সরবরাহ করে।
অন্যদিকে সাদা মাংসের, বা কম চর্বিযুক্ত মাছের মধ্যে রয়েছে মলা, কাঁচকি, পুঁটি। এর মধ্যে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ বেশি এবং ফ্যাট অত্যন্ত সামান্য থাকে। টেংরা, পাবদা, বাইম, বেলে মাছগুলোর মধ্যে মাংস সম্পূর্ণ সাদা এবং প্রোটিনের ভালো উৎস হিসাবে পরিচিত। এছাড়া চিতল মাছের পেটের অংশ বাদ দিলে বাকি অংশে চর্বির পরিমাণ অনেক কম থাকে। সামুদ্রিক মাছের মধ্যে ভেটকি বা কোরাল এবং রূপচাঁদার সাদা মাংস ও কম চর্বির কারণে এগুলো স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
শিশুদের জন্য আরও রয়েছে চিংড়ি, ঝিনুক, কাঁকড়া ও স্কুইডের মতো সামুদ্রিক খাবার, যাতে সেলেনিয়াম, দস্তা, আইডিন এবং তামার মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান বিদ্যমান।
কীভাবে মাছ রান্না করবেন?
বিশেষজ্ঞরা বলেন, মাছ ভেজে খাওয়ার চেয়ে ভাপে, গ্রিল করে বা বেক করে খাওয়াটা বেশি স্বাস্থ্যকর। কারণ তেলে ভাজা মাছের চর্বির পরিমাণ বাড়িয়ে যায়।
কতটুকু মাছ খাবেন?
এক বেলার জন্য প্রায় ১৪০ গ্রাম মাছ একটি পরিমাণ ধরা হয়। সপ্তাহে অন্তত একটি তেলযুক্ত মাছের পরিমাণ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলেও কিছু মানুষের ক্ষেত্রে তার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
যেসব নারী ভবিষ্যতে সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন, গর্ভবতী বা শিশুকে দুধ খাওয়াচ্ছেন, তাদের জন্য সপ্তাহে দুই বেলার বেশি তেলযুক্ত মাছ খাওয়াই ভালো নয়। কারণ কিছু তেলযুক্ত মাছে থাকা দূষিত উপাদান শরীরে জমতে পারে।
গর্ভাবস্থায় কোন মাছ এড়িয়ে চলবেন?
বিশেষজ্ঞদের মতে, গর্ভবতী নারী বা যারা মাতা হওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাদের কিছু বড় সামুদ্রিক মাছ এড়িয়ে চলা উচিত। এসব মাছের মধ্যে পারদের পরিমাণ বেশি থাকতে পারে, যা গর্ভের শিশুর স্নায়ুতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
এছাড়া কাঁচা বা ভালোভাবে রান্না না করা সামুদ্রিক খাবার এড়িয়ে চলার জন্য পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে।
শিশুদের জন্য সতর্কতা
১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য কিছু বড় সামুদ্রিক মাছ না খাওয়ানোই ভালো। এছাড়া শিশুদের কাঁচা সামুদ্রিক খাবার না দেওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন, যাতে খাদ্যজনিত অসুস্থতার ঝুঁকি কমে।
মাছ সংরক্ষণেও সতর্কতা
বাজার থেকে মাছ আনার পর দ্রুত ফ্রিজে বা হিমঘরে রাখতে হবে। মাছ ভালোভাবে ঢেকে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন এবং রান্নার আগে ও পরে হাত পরিষ্কার রাখতে হবে। কাঁচা মাছের সংস্পর্শ যেন রান্না করা খাবারের সঙ্গে না আসে, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।
কেন নিয়মিত মাছ খাবেন?
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত মাছ খেলে হৃদ্স্বাস্থ্য ভালো থাকে, শরীর প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ পায় এবং সামগ্রিকভাবে সুস্থ থাকার সম্ভাবনা বাড়ে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে সপ্তাহে অন্তত দুই বেলা মাছ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ